মতানৈক্যের মাঝে ঐক্য

মুরাদ স্যার। কলেজের ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর। পেশার সাথে মানানসই অকুতোভয় শরীর, গল্পের মাসুদ রানা যেন।

সবার সাথেই অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব। কলেজের বিভিন্ন কাজে তার সরব উপস্থিতি, ক্রীড়া অনুষ্ঠান হলে তো আর কথাই নেই, তিনিই তখন কলেজের প্রিন্সপ্যাল বনে যান যেন।

ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর বলে কথা, ধরে ধরে অংকের সূত্র তো আর মুখস্ত বলতে বলে না, তাই সহজেই তার সাথে মিশে যাই আমরা, আড্ডা দেই অকৃত্রিম বন্ধুর মতো।

তবে দোষ তার একটাই, সারাক্ষণই প্রিন্সিপ্যাল স্যারের উপর ক্ষেপে থাকেন, যদিও মাসুদ রানার মতো বুক উচিয়ে প্রিন্সিপ্যাল স্যারের সামনে দাড়ানোর হিম্মত হয় না তার। প্রিন্সিপ্যাল সারকে দেখলেই “বাঘের বাচ্চা বিলাই” হয়ে যান, এই যা তার আফসোস। Continue reading “মতানৈক্যের মাঝে ঐক্য”

রবিনহুড

হঠাৎ করেই দাড়ি রাখা শুরু করলাম। ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি।
দুই গালে পানামা আর সুয়েজ খাল প্রবহমান বিধায় চাপ দাড়ি রাখা হয়ে উঠেনি। এতো সুন্দর দুটি নদী থাকার পরও এর কূলে ঘন বন-বনানীর সৃষ্টি হয়নি ছড়ানো ছিটানো হালকা একপশলা দাড়ি ছাড়া।
সকালবেলা কলেজে লিপি বললো, হাই রবিন, কেমন আছিস?
রবিন! আমি অবাক হয়ে তাকাই, এমন একটা নাম আমার আর আমিই জানি না! Continue reading “রবিনহুড”

বন্ধুদের বিব্রত করার মজাই আলাদা

লুসির সাথে পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে দেখা হয়ে গেল। ও প্রতি বিকেলে একবার এখানে আসবেই।
পাবলিক লাইব্রেরীর সামনেই শ্যামল ভাইর নতুন কেনা সেকেন্ডহ্যান্ড প্রেস। ওখানে কয়েকদিন ধরে আমি কাজ করছি। শ্যামল ভাইয়ের ধারণা আমরা ইচ্ছে করলেই একটা নিয়মিত সাময়িকী বের করতে পারবো। তাই মধ্যরাত পর্যন্ত এখানে বেগার খাটা, যদিও শেষ পর্যন্ত পত্রিকা বের হয়নি।
কলেজে ভর্তি হওয়ার পর চার-পাঁচ মাস আমি কোন মেয়ের সাথে কথা বলিনি, তাদের দিকে তাকাইনি, ওদের কেউ কোন প্রশ্ন করলে মুখ না তুলেই হ্যা-না জবাব দিয়েই কেটে পড়েছি। Continue reading “বন্ধুদের বিব্রত করার মজাই আলাদা”