হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা

বাড়ী থেকে ফিরেই দেখি এলাহি কান্ড। নতুন একটা ল্যাপটপ, একটা হ্যান্ডিক্যাম আর একটা প্রজেক্টর কেনা হয়েছে। আর নিশ্চিতভাবেই এগুলো ব্যবহারের পূর্ণ দায়িত্ব আমার হাতে আসবে ভাবতেই মনটা আনন্দে নেচে উঠলো।

না, আমি কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ নই, কম্পিউটারের উপর প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষাও নেই। একটা ভাঙা কম্পিউটারকে গিনিপিগ বানিয়ে নিয়মিত কাটাছেড়া করে যেটুকু শিখেছি তা-ই ওদের কাছে অনেক মনে হয়। অবশ্য “যে বনে বাঘ নেই, সে বনে শেয়ালই রাজা” বলে যে প্রবাদ আছে আমার ক্ষেত্রে তা অনেকাংশে খাটে। অফিসের অন্য সবার দৌড় এমএসওয়ার্ড আর ডিএক্সবল পর্যন্ত সেখানে আমি গেম বাদ দিয়ে যতটুকু পারা যায় তা শেখার জন্য রাতের পর রাত কাবার করেছি। Continue reading “হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা”

কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের প্রতি করজোর মিনতি

বিদেশী বাবু নতুন বাঙ্লা শিখেছেন। বিশুদ্ধ বাঙ্লা। নদীর তীরে দাড়িয়ে আছেন পাড়াপাড়ের আশায়। একের পর এক নৌকা যায়, তিনি হাঁক দেন, “ওহে কর্ণধর, তরী তটে ভিড়াও”। কিন্তু কোন কর্ণধরের কর্ণকুহরে সে শব্দ পৌঁছে না। বাবু বিশুদ্ধ বাঙ্লা ব্যাকরণ শিখেছ, বাঙ্লা জানো না।
ইদানীং বাঙ্লা নিয়ে বিদেশীদের আগ্রহের শেষ নেই। বাঙ্লা ভাষার মাধুর্য তাদেরকে পাগল করেছে এমন ভাবার কোন কারন নেই। তবে কিনা ১৪ কোটি জনতার ভাষা বাঙ্লা, স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাঙ্লা, সেই বাঙ্গালীদের বাজার দখল করতে বাঙ্লা নিয়ে চর্চাতো কিছুটা হতেই পারে। Continue reading “কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের প্রতি করজোর মিনতি”