অগ্রাধিকার

ঈমানদারগণ পরস্পর পরষ্পরের ভাই। ভ্রাতৃত্বের মহান ভীতে দাড়িয়ে আছে ইসলামের সুমহান ইতিহাস। যে আরবের ইতর মানুষেরা খুনো-খুনো হানাহানি ছাড়া কিছুই বুঝতো না, তরবারীতেই যারা খুঁজত সব প্রশ্নের উত্তর, যারা নারীকে মনে করতে গৃহস্তালী আসবাবপত্রের মতো ব্যবহার্য বিষয়, জীবন্ত কবর দিত যারা কন্যা সন্তানদের, যারা অপরাধের সকল শাখায় তৈরী করেছিল জঘন্য ইতিহাস, সেই অধমেরাই ইসলামের সুশীতল ছায়ায় এসে কোরআনের পরশে হয়েছিলেন ইতিহাস শ্রেষ্ঠ সোনার মানুষ। তাদের নাম মনে এলেই তাই শ্রদ্ধায় বিগলিত হয় হৃদয়, প্রতিটি নাম উচ্চারনের পরই আবেগাপ্লুত কন্ঠে বলি “রাদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু”। যারা ইসলামপূর্ব যুগে ছিলেন পরস্পরের শত্রু, যারা ভাইয়ের রক্ত পানের নেশায় তাড়িয়ে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে বছরের পর বছর, ইসলামের ছায়ায় আবার তাকেই পেয়ে হয়ে গেলেন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল, হলেন সবচেয়ে প্রিয় ভাই। Continue reading “অগ্রাধিকার”

মতানৈক্যের মাঝে ঐক্য

মুরাদ স্যার। কলেজের ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর। পেশার সাথে মানানসই অকুতোভয় শরীর, গল্পের মাসুদ রানা যেন।

সবার সাথেই অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব। কলেজের বিভিন্ন কাজে তার সরব উপস্থিতি, ক্রীড়া অনুষ্ঠান হলে তো আর কথাই নেই, তিনিই তখন কলেজের প্রিন্সপ্যাল বনে যান যেন।

ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাক্টর বলে কথা, ধরে ধরে অংকের সূত্র তো আর মুখস্ত বলতে বলে না, তাই সহজেই তার সাথে মিশে যাই আমরা, আড্ডা দেই অকৃত্রিম বন্ধুর মতো।

তবে দোষ তার একটাই, সারাক্ষণই প্রিন্সিপ্যাল স্যারের উপর ক্ষেপে থাকেন, যদিও মাসুদ রানার মতো বুক উচিয়ে প্রিন্সিপ্যাল স্যারের সামনে দাড়ানোর হিম্মত হয় না তার। প্রিন্সিপ্যাল সারকে দেখলেই “বাঘের বাচ্চা বিলাই” হয়ে যান, এই যা তার আফসোস। Continue reading “মতানৈক্যের মাঝে ঐক্য”