ইসলাম বিরোধী আ’লীগ সরকারের বর্বরতা থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই

أعوذ بالله من الشيطان الرجيم Continue reading “ইসলাম বিরোধী আ’লীগ সরকারের বর্বরতা থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই”

নাচগানের জন্য মাইকে আজান বন্ধ!

অলীদ ইবনে মুগীরাহ , আস ইবনে ওয়ায়েল , আসওয়াদ ইবনুল মুত্তালিব ও উমাইয়া ইবনে খালফ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাত করে বলেন : “ হে মুহাম্মাদ ! এসো আমরা তোমার মাবুদের ইবাদাত করি এবং তুমি আমাদের মাবুদদের ইবাদাত করো। আর আমাদের সমস্ত কাজে আমরা তোমাকে শরীক করে নিই। তুমি যা এনেছো তা যদি আমাদের কাছে যা আছে তার চেয়ে ভালো হয় তাহলে আমরা তোমার সাথে তাতে শরীক হবো এবং তার মধ্য থেকে নিজেদের অংশ নিয়ে নেবো। আর আমাদের কাছে যা আছে তা যদি তোমার কাছে যা আছে তার চাইতে ভালো হয় , তাহলে তুমি আমাদের সাথে তাতে শরীক হবে এবং তা থেকে নিজের অংশ নেবে। ” একথায় মহান আল্লাহ আল কাফেরুন সূরাটি নাযিল করেন। ( ইবনে জারীর ও ইবনে আবী হাতেম । ইবনে হিশামও সীরাতে এ ঘটনাটি উদ্ধৃত করেছেন।) এ সূরা নাজিলের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায় যে সত্য আর মিথ্যার আপোষ সম্ভব নয়, ইসলামের সাথে ব্রাহ্মণ্যবাদকে গুলিয়ে ফেলার কোন সুযোগ নেই। Continue reading “নাচগানের জন্য মাইকে আজান বন্ধ!”

আলেম সমাজ রাজাকার

“পাকিস্তান যে অপরাধ করেছে তার চেয়ে বড় অপরাধ করেছে পাকিস্তানীদের দোসর এই বাঙ্গালীরা যারা এই ২৬ তারিখ সারা বাংলাদেশ হরতাল ডেকেছে”। ১৩ ডিসেম্বর ২০১০, সোমবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা ও তাদের হত্যার বিচার শীর্ষক’ এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর। উল্লেখ্য সম্প্রতি ‘পাস হওয়া শিক্ষানীতি ধর্মহীন’ দাবী করে এর প্রতিবাদে ২৬ ডিসেম্বর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করেছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সংগঠন সম্মিলিত ওলামা মাশায়েখ পরিষদ। অপরদিকে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু ২৬ তারিখে ডাকা হরতালকেই শ্রমিক অসন্তোষের কারণ বলে চিহ্নিত করলেন। Continue reading “আলেম সমাজ রাজাকার”

তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কে হতে পারে যার হাতে কালেমা পড়েছেন সহস্র নওমুসলিম!

তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কে হতে পারে যার হাতে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়েছেন সহস্রাধিক অমুসলিম? তার কথার চেয়ে আর কার কথা বাতিলের গায়ে অসহ্য জ্বালা ধরাতে পারে, যিনি মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকেন সুমিষ্ট আহ্বানে, ডাকেন আলোর পথে, সত্যের পথে, সৎ কাজের পথে এবং নিজেকে আল্লাহর দাস বলে স্বীকার করেন বিনয়াবনত চিত্তে?  ইতিহাসের বিচারে, বর্তমান সভ্য সমাজের বিচারে কিছুতেই এমন অপরাধীকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দেয়া হয় না, লাল দালানের মোটা লাল চালের ভাতই তাদের প্রাপ্য। ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় লেখা আছে হাজারো এমন অপরাধীর কথা, যাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৌত্তলিকতার শেকল ছিঁড়ে দলে দলে ছুটে এসেছে মুক্তিকামী মানুষ, তাদের অধিকাংশকেই বরণ করতে হয়েছে নিষ্ঠুরতম চরম শাস্তি। কি করে ভুলে যাব আমরা হযরত যাকারিয়ার (আঃ) কথা, পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে কথা বলায়, আল্লাহর একত্ববাদের কথা বলার অপরাধে যাকে করাতের আচড়ে চিঁড়ে ফেলা হয়েছিল? কি করে ভুলে যাব আমরা মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর কথা, মুর্তিপূজক অবিশ্বাসীদের মাঝে ঈমানের বীজ বপনের দায়ে অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন যিনি। ক’জন আল্লাহ প্রেরিত দূতের কথা বলে শেষ করা যায়, ক’জন নবী-রাসূলেরই বা নিস্তার মিলেছে সত্য প্রচারের অমন অপরাধে? ঈসা (আঃ)কে কি ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যার অপচেষ্টা হয় নি, তায়েফের উষ্ণভূমি কি সিক্ত হয়নি দয়াল নবীজির (সাঃ) এর পবিত্র লোহুতে? হ্যা, তিনি অপরাধ করেছিলেন, আর অদ্বিতীয় স্রষ্টা এক আল্লাহর পথে আহ্বানের চেয়ে বড় অপরাধ আর কি কিছুই কি হতে পারে? Continue reading “তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কে হতে পারে যার হাতে কালেমা পড়েছেন সহস্র নওমুসলিম!”

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলে কি বুঝবোই না আওয়ামী লীগ ইসলামের বিলুপ্তি চায়?

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ আয়োজিত যুদ্ধাপরাধ ও জামায়াতের রাজনীতি শীর্ষক এক আলোচনা সভায় আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের আর কোন দেশে মাদ্রাসা বোর্ড নামে কোন শিক্ষা বোর্ড নেই। অবিলম্বে মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের মাধ্যমে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা বন্ধ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। সম্মানিত পাঠক, একটু খেয়াল করুন, অনুষ্ঠানটি যুদ্ধাপরাধ ও জামায়াতের রাজনীতি শীর্ষক, অথচ আলোচনায় উঠে এসেছে মাদরাসা শিক্ষাকে বন্ধ করার প্রসঙ্গ। তাহলে একবার ভাবুন, যুদ্ধাপরাধ যুদ্ধাপরাধ বলে সরকার এত যে হৈহুল্লোর করছে তার আসল উদ্দেশ্যটা কি? হ্যা, আশাকরি আপনারা ঠিকই ধরতে পেরেছেন, উদ্দেশ্য আর কিছুই নয়, বাংলাদেশ থেকে ইসলামী মূল্যবোধ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেশটিকে ধর্মহীন, নৈতিকতাবিবর্জিত একটি ব্রাহ্মণ্যবাদী বাজারে পরিণত করা। মূলত জামায়াতে ইসলাম কিংবা ইসলামী ঐক্যজোট কিংবা ইসলামী আন্দোলন কোন কিছুই ওদের মূল টার্গেট নয়, বরং টার্গেট একটাই, ইসলাম। বিশেষ করে বিগত কয়েক যুগে দেশে ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপক গবেষণা হয়েছে, সাধারণ মুসলমানদের মাঝে ইসলামকে জেনেবুঝে মানার ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে এবং ইসলাম যে নিছক একটি ধর্ম নয়, পাঞ্জেগানা নামাজ নয় বরং ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধানের নাম এ সত্যটি ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। আর এটাকেই আওয়ামী লীগ তাদের রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত হিসেবে নিয়ে ইসলাম বিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। Continue reading “আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলে কি বুঝবোই না আওয়ামী লীগ ইসলামের বিলুপ্তি চায়?”

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার যে কারনে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিলেন

একাত্তরের রনাঙ্গনের ৯ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) এম এ জলিল জাসদ ছেড়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন। “কৈফিয়ত ও কিছু কথা” শিরোনামে তার নিজের লেখা পুস্তিকায় সংক্ষিপ্তাকারে তার ব্যাখা দিয়েছেন তিনি। বইয়ের প্রথম অংশে জাসদের সভাপতির পদ থেকে তার পদত্যাগের কারণ এবং দ্বিতীয় অংশে ইসলামী বিপ্লবের দিকে ধাবিত হওয়ার কারণ উল্লেখ রয়েছে। জাসদ সংক্রান্ত অংশটুকু এখানে উল্লেখ না করে দ্বিতীয় অংশটুকু হুবহু তুলে ধরা সময়ের দাবী মনে করছি। ইতিহাস পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই বইয়ের কিছু অংশ তুলে ধরায় আগেই তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। Continue reading “মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার যে কারনে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিলেন”

আফগান নয়, ইসরাইল হচ্ছে বাংলাদেশ

যারা ঢাকা চিড়িয়াখানায় ভল্লুক দেখেছেন তারা ভল্লুকের গায়ে কালোরঙের পশম দেখতে পান। কিন্তু তার এ দেখাকেই যদি চিরন্তন সত্যি ভাবেন তবে ভুল হবে। মেরু অঞ্চলের কোন দেশে শ্বেত ভল্লুকের মুখোমুখি হয়ে একে ভেড়া জাতীয় কোন পশু ভেবে নির্ভয় থাকেন, তবে তার মাশুল প্রাণদিয়ে গুণতে হতে পারে। একই পশু বিভিন্ন রঙের হতে পারে, বিভিন্ন গড়নের হতে পারে। সাপ বলতে যদি কেউ অজগরকেই বুঝে থাকেন তবে গোখরো সাপের কামড়ে তার মরার সমূহ সম্ভাবনা। সাপের বিভিন্ন জাত থাকতে পারে, ভিন্ন রঙ থাকতে পারে, ভিন্ন আকার আকৃতি থাকতে পারে, তবে স্বভাব সবার কিন্তু একই, কামড়ে দেয়া। তাই সাপ চিনতে হয় সাপের স্বভাব দেখে, আকার দেখে নয়। জীবনের জন্য যা হুমকির কারণ তা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, ভাসা ভাসা জ্ঞান ক্ষতির কারন।

ইহুদি, খৃষ্টান কিংবা ব্রাহ্মণ্যবাদীরা ইসলামের বন্ধু ছিলনা কোন কালেও। আজো নয়। তাদের কাজ যতটা না তাদের ধর্মের প্রচার, তার চেয়ে হাজার গুণ ব্যস্ততা তাদের ইসলামের ক্ষতি সাধনে। তাই ইসলামের শত্রুদের চিনতে হবে। বিভিন্ন দেশে তাদের ভিন্ন নাম থাকতে পারে, ভিন্ন পোষাক থাকতে পারে, ভিন্ন ভাষা থাকতে পারে, এমনকি তাদের এজেন্টদের ইসলামী নামও থাকতে পারে কিন্তু তাদের সবারই স্বভাব একই ধরণের, ইসলামের ক্ষতি সাধণ। Continue reading “আফগান নয়, ইসরাইল হচ্ছে বাংলাদেশ”

নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?

নারীর কোন্ অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়? এ প্রশ্নের সঠিক জবাব সকলেই জানেন, তবুও অনেকেই অনেক ধরণের জবাব দেবেন। যারা ভদ্রসমাজে বাস করেন, তারা গায়ে কাঁদা না লাগিয়ে যতটা সম্ভব ভদ্র জবাব দেন, যারা শিল্প সচেতন, তারা হয়তো দেখেন ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে। তবে এ প্রশ্নের সঠিক জবাবটি মূলত বন্ধুদের আড্ডাতেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। ভদ্রলোকেরা বলবেন, নারীর মুখমন্ডলই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। শিল্পীরা পাখির বাসার মতো পট্ল চেরা চোখের সৌন্দর্য বর্ণনা করবেন শিল্পীর মুগ্ধ দৃষ্টিতে, বলবেন, গোলাপের পাপড়ীর মতো গালের কথা, বাঁশির মতো নাকের কথা, কমলার কোয়ার মতো তৃষ্ণা জাগানিয়া ঠোটের কথা। তবে অধিকাংশ মানুষ মনের মাঝে যে সঠিক উত্তরটি সতর্কতার সাথে লুকিয়ে রাখেন, সে জবাবটি বন্ধুদের আড্ডায় অকপটে বেড়িয়ে আসে। হ্যা, সামনে থেকে বুক (মূলত স্তন) এবং পেছন থেকে নিতম্ব (বিশেষত ভারী নিতম্বের দুলুনি) পুরুষকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করে। নারীরা যখন রাস্তা দিয়ে কোমর দুলিয়ে হেটে যায় তখন অধিকাংশ পুরুষের হৃদপিন্ডটাও পেন্ডুলামের মতো দোল খেতে থাকে। বলাই বাহুল্য, অপলক দৃষ্টিতে নারীর ফেলে যাওয়া পথের দিকে তৃষ্ণার্ত নয়নে তাকিয়ে থাকা লোকের সংখ্যা সমাজে বেশী বৈ কম হবে না। Continue reading “নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?”

ইসলামী ব্যাংকঃ আমার ব্যাংক

আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য বারবার দাবী করে আসছেন। প্রথমে তার এ দাবী কিছুটা বিভ্রান্তিকর হলেও পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংক সরকারের আওতায় আনার দাবীর মাধ্যমে ব্যাংকটিকে সরকারী করণের বিষয়টি খোলাসা হয়েছে। তফসিলি ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সবসময়েই সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম-নীতিকে পাশ কাটিয়ে কোন কিছু করার আদৌ কোন সুযোগ ব্যাংকগুলোর নেই, তাই ব্যাংকটিকে নতুন করে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনও পরে না। বিষয়টি মাননীয় মন্ত্রীর বুঝতে একটু সময় লাগলেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন, তাই ইসলামী ব্যাংক সরকারের নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে সরকারের আওতায় আনার দাবী তুলেছেন। সরকারের আওতায় আনার মাধ্যমে মাননীয় আইন প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকটিকে সরকারী করণের যে দাবী তুলেছেন তা এখন সবার কাছেই স্পষ্ট। তবে হঠাৎ করেই ব্যাংকটিকে সরকারী করণের প্রয়োজন পড়ল কেন তা ভেবে দেখার বিষয়।
দেশে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসান গুণে যাচ্ছে, সরকারী এমন প্রতিষ্ঠান খুব কমই আছে যা সরকারকে দু’টো পয়সা লাভের মুখ দেখাতে পারছে, তাই বিগত দিনে বন্ধ হয়েছে শত শত সরকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো  ঘুষ, দূর্ণীতি, স্বজনপ্রীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, লাল ফিতার দৌরাত্ম ইত্যাদি ইত্যাদি জঞ্জালে জর্জরিত। শুধু মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠান আর সরকার লোকসান দিয়ে পুষতে নারাজ, অবশ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও নতুন করে সরকারী করণ বন্ধ রয়েছে পনের বছর ধরে। অবস্থা এমন যে সরকারী প্রতিষ্ঠান চালু রাখলে যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির স্বীকার হয় সরকার, প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিলেও তার চেয়ে কম লোকসান গুণতে হয়। তাই সরকার শখ করে হাতি পোষার চেয়ে কলাগাছের চাষে স্বাবলম্বী হতে গড়ে তুলেছে প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নামমাত্র মূল্যে আত্মীয়-স্বজন, দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিক্রি করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সরকারগুলো। বর্তমানে অন্তত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান বেসরকারী খাতে ছেড়ে দেয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। তাহলে প্রাইভেটাইজেশনের যুগে সরকারীকরণের চিন্তা কেন? Continue reading “ইসলামী ব্যাংকঃ আমার ব্যাংক”