পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার

আওয়ামী সরকারের দূর্ণীতির কারনে বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতু নির্মানে প্রতিশ্রুত অর্থসহায়তা বাতিল করেছে বিশ্বব্যাংক, এটি পুরনো খবর।  অর্থায়ন থেকে সরে দাড়ানো সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটিও পাঠকের জানা আছে। “বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির ঘটনায় চোখ বুজে থাকতে পারে না, তা উচিত নয় এবং থাকবেও না”-এমন দ্যর্থহীন শব্দমালায় বিশ্বব্যাংক আওয়ামী সরকারের গালে কষে চপেটাঘাত করেছে যে শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বই চমকে উঠেছে।  লাজশরমের মাথা খাওয়া আওয়ামী সরকার এতে লজ্জিত না হলেও ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংকের এমন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে অসম্মানজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং রহস্যময় বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মা’ল মুহিত। তিনি ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাংকের নয় বরং বিশ্বব্যাংকের বিদায়ী সভাপতি রবার্ট জোয়েলিকের ব্যক্তিগত বলে  মন্তব্য করে অপমানের মাত্রা প্রশমনের চেষ্টা চালিয়েছেন যদিও বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নাকচ করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়ে জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তটি কারো ব্যক্তিগত নয় বরং প্রাতিষ্ঠানিক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত। ন্যূনতম আত্মসম্মানবোধ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে উচিত ছিল দূর্ণীতি দমনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ করা। কিন্তু তা তিনি করেন নি, বরং আওয়ামী লীগ তাদের পুরনো কৌশলী রাজনীতির পথেই আরো জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। Continue reading “পদ্মা সেতু: মানিলন্ডারিং ও চাঁদাবাজি উস্কে দিচ্ছে সরকার”