অটোসাজেশন

নটা পাঁচটা অফিস। অফিস শেষে বাড়ী ফিরেছে অনেক আগেই সবাই। ঘড়ির কাটা টিক টিক করে এগিয়ে চলে গভীর রাতের পানে। তবু বাড়ি ফেরা হয় না। জরুরী কাজে প্রায়ই গভীর রাতঅব্দি কেটে যায় একাকী বিষন্ন অফিসে।

ঘড়ির কাটা রাত এগারোর ঘর ছুঁয়েছে কিছুক্ষণ আগে, বারোটা বাজতে বুঝি আর দেরী নেই। অফিসের নাইটগার্ড ক্ষণে ক্ষণে ঘুরে যায় নীরস বদনে। বুঝতে কষ্ট হয় না, ঘুমের অনিয়ম একদমই সহ্য হয় না বেচারার। আমারও কি সয়? আমারও ঘুমের জন্য প্রাণ কাঁদে, তবু সব সময় নিয়ম মানা যায় না। দাড়োয়ানকেই বা দুষব কেন, সবচেয়ে কাছের যে বউ সেও টিপ্পনী কাটে, রাতটা অফিসে কাটালেই পারো। হ্যা, পারা যেত, বাথরুম আছে, থাকার জন্য পর্যাপ্ত যায়গাও আছে, শুধু অফিসে রাত্রি যাপনের অনুমোদন নেই কারো। Continue reading “অটোসাজেশন”

ফেয়ারওয়েল টু দিলকুশা

জানালার পর্দাটা সরালেই বঙ্গভবনের পুকুরটা দৃষ্টিসীমায় আছড়ে পড়ে।
শীতের সময় সারাটা পুকুর জুড়ে অতিথি পাখিদের কোলাহল, আকাশ জুড়ে বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশায় ওড়াওড়ি কর্মব্যস্ত জীবনে কিছুটা হলেও প্রশান্তি আনে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষদাত খোয়ানো সাপগুলো বঙ্গভবনে থাকে বলেই হয়তো বঙ্গভবনের পুকুরটা এতটা সদর্পে চষে বেড়ায় অতিথি পাখিরা। অফিসের পুরাতন কলিগরা বলেন, মাঝে মাঝে নাকি সাবেক প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদকে শীতের সকালে বঙ্গভবনের ছাদে রোদ পোহাতে দেখেছেন তারা। Continue reading “ফেয়ারওয়েল টু দিলকুশা”