মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

এক সাগর রক্তের বিনিময়ের অর্জিত স্বাধীনতা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সমরে আমাদের প্রত্যাশা ছিল শোষণ মুক্ত, দারিদ্রমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ। যুদ্ধ শেষ হয়েছে প্রায় চল্লিশটি বছর আগে, অথচ স্বাধীনতা নামের সুখপাখিটা আজো আমাদের কাছে অধরাই থেকে গেছে। যে পাকিস্তানী শোষকদের অত্যাচার, নিপীড়ন, বঞ্চনা আর গোলামী থেকে মুক্তি পেতে লড়েছি আমরা, সে দেশের সাধারণ মানুষ আজো গোলামীর জিঞ্জিরে বন্দী। দারিদ্রের ভয়াবহতা বেড়েছে, নির্যাতনের তীব্রতা বেড়েছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের মাত্রা বেড়েছে। বেড়েছে বর্ণবাদ, বিভাজন আর হিংসার রাজনীতি। রাজা যায় রাজা আসে, সাধারণ মানুষের তাতে কিই বা যায় আসে। পাকিস্তানী নরপিশাচেরা বিতাড়িত হয়েছে, শাসনের ছড়ি আজ ভাইয়ের হাতে। অথচ সে ভাই ভাতৃত্বের ধার ধারে না, ভাইয়ে ভাইয়ে বিভাজনের মাধ্যমে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই ব্যস্ত। শত্রুর হাতের চাবুকের আঘাত সওয়া যায়, ভাইয়ের হাতে ফুলের আঘাত যে সয় না। অথচ ভাইয়েরা ফুল নয়, চাবুক নয় বরং ময়না কাটায় ক্ষতবিক্ষত করেছে আপন ভাইয়ের শরীর। Continue reading “মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস”