‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ


আরো ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

Conversation between Nizamul hoque nasim and Ahmed ziauddin about warcrime tribunal Part
A politicised judiciary International Crimes Tribunal short highlight

Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Arbitrary dismissal of defence petition short highlight
Bad comment about Justice Jahangir and Zaheer 28 Aug
bangla_judge_shaheen_kneel_down_to_AZ_16_10
bangla_malum_simon_Ghadanik_long_campaign12_9
bangla_Shawkat_Degrading_Com_Judges_Pros_11_9
Hangings Means Prizes_ Nasim is told to pass a quick verdict and get a promotion 6 Sep
Judge Nasim designs Prosecution witness testimony short highlights
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 1_ 14 Oct 
Judgments dictated by activist and partisan_ Ahmed Ziauddin _Part 2_ 10 Sep
Tribunal Chair prefer Yes-men over impartial judges short highlights
Tribunal Chairman wants to deliver quick judgment even if that results in a one sided trial 9 Oct

কথোপথনের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেমন আছেন, কেমন?
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই, আপনে কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি ভালোই, আজকে আমরা তো একটু গণতন্ত্র চর্চা করে এলাম আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : কী চর্চা…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : গণতন্ত্রের চর্চা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ও গণতন্ত্র!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে আমাদের এই লোকাল, স্থানীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারের ইয়ে ছিল আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভোট ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : ভোট ছিল, ভোট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ভোট।
নিজামুল হক নাসিম : বা… বা… বা খুব ভালো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: কিন্তু এগুলো তো হচ্ছে, পানসা ভোট আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : এ্যা…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এগুলো পানসা-টানসা টাইপের ভোট আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : তা তো বটে, ভোট হয় বাংলাদেশে। ওইসব ভোটে কোনো আরাম আছে—কেনো আরাম নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানুষ যাচ্ছে ভোটিং সেন্টারে যার যার। একটা, দুইটা, তিনটা কইরা মানুষ যাইতেছে, চাইরটা কইরা যাইতেছে, আস্তে কইরা গাড়ি থেকে নাইমা চইলা গেল। আবার আস্তে… কোনো মানুষ নাই, কেউ রিসিভ করতেছে না, কেউ জিন্দাবাদ নাই… কোনো কিছু নাই।
নিজামুল হক নাসিম : ভালো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইবারে আরেকটু নতুন জিনিস করেছে আরকি। এর আগের বারে ইলেকট্রোনিক ভোটিংই ছিল, কিন্তু এইবার টাচ্ ইলেকট্রোনিক ভোটিংয়ের আরেকটা, সেফটি মেজার এইবার ইনট্রিডিউস করছে আরকি। তাতে হচ্ছে যে, এটা আরও সিকিউরড হইছে যে, আপনার ভোটটা ওরা আইডেনটিফাই করতে পারবে।
নিজামুল হক নাসিম : ও জাগায় তো ভোট দেয়া কম্পালসারি, না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ কম্পালসারি দেইখাইতে যাইতে হয়, না হইলে তো মানুষ বোধহয় যাইতও না। এইবার একটু বেশি মনে হচ্ছে আমার কাছে, স্থানীয় নির্বাচনে একটু ইন্টারেস্ট থাকে মানুষের। কারণ এটা এই, এই লোকাল গভর্নমেন্টের তো, এখানে রাস্তাঘাটের প্ল্যানিং-ট্যানিং থেকে শুরু করে সার্ভিস-টার্ভিস সবই তো লোকাল গভর্নমেন্ট প্রভাইড করে। সেই জন্য একটা ইন্টারেস্ট আছে আর কি। বাট এ্যাঁ, এটা হচ্ছে যে, বাসায় বাসায় চিঠি পাঠাচ্ছে যে, চিঠি দিয়ে যাচ্ছে দুই-চারটা কেনডিডেট দেখি, দু-একটা পার্টির কেনডিডেট আসছেও আর কি। মানে চিঠি দিতে আসছে আর কি। সব কেনডিডেটই আসে আর কি। নিজে আইসা বাসায় বাসায় চিঠি দিয়া যায় আর কি। কিন্তু এতটুকুই আর কি, এর বেশি কিছু না। দুই-একজন বইলা গেছে, আমরা কিন্তু তোমার প্রতিবেশী।
নিজামুল হক নাসিম : হে, এ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তা ঠিক আছে। আপনার আজকের দিন কেমন ছিল? আমি তো দেখলাম কয়েকটা নিউজ আজকে।
নিজামুল হক নাসিম : ভালোই, আর খবর-টবর কী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এ্যাঁ…, খবর তো আমরা কালকে নিজেরা কথা বলছি। সো… একটা চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে এগুলোর। আপনার সাথে কালকে যেটা কথা হইছে। কাল মালুম ভাইর সাথে কথা হয় নাই। কাজেই… আজকে ওই গোলাম আযমেরটা কতদূর আগাইছে?
নিজামুল হক নাসিম : গোলাম আযম ফার্স্ট হাফ হইছে। সেকেন্ড হাফে আবার সাঈদী ধরছিলাম। আগাচ্ছে আর কি। সাঈদীর তো ওই ডকুমেন্ট জমা হচ্ছে। ১৩ নম্বর সাক্ষী এখনও চলতেছে, চলবে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: উনাদের কারো সঙ্গে কালকে কথা হয় নাই অবশ্য। কালকে বোধহয় ছুটির দিন ছিল দেইখ্যা উনারা ব্যস্ত ছিলেন বোধহয়, এইজন্য স্কাইপি আসতে পারে নাই।
নিজামুল হক নাসিম : আইজকে তো… আচ্ছা দেখা যাক, সাঈদী এবং গোলাম আযম কেসই তো আগাচ্ছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: হ্যাঁ, ওই যে দুই নাম্বারের চক্করটা। এটা বুঝার জন্য আলোচনা কালকে রাত্রে হওয়ার কথা ছিল। আমি ধারণা করছিলাম হয়তোবা আজকে হবে। দেখা যাক, আমি মনে করি এইটা যে, দুই-তিনটা স্ট্র্যাটিজি হতে হবে। একটা হচ্ছে যে, একটা অলরেডি মেসেজ দেওয়া হইছে আর কি…। আইনমন্ত্রীকে দেয়া হইছে। মানে দেওয়ার কথা আজকে মেসেজ পৌঁছানোর কথা আছে।
নিজামুল হক নাসিম : মেসেজ দেলে কি কাজ হইবে…, মেসেজে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তা জানি না। কিন্তু এটা তো দিতে হবে। একদিক থেকে শুরু করতে হবে আরকি। এটা উনাকে মেসেজটা দেওয়া হচ্ছে যে একটা, ইয়েটা-ডিসিশনটা হবে দুই বছরে। মানে এটা একটা কাইন্ড অব পলিসি ডিসিশনের পার্ট হিসাবে হবে। যে, কোনো কেসটা আগে যাচ্ছে? অ্যাটলিস্ট প্রথম কেসটা। সেকেন্ড হচ্ছে যে, না হলে এটা একদম উপরে যেতে হবে। কারণ এখানে গুড রিজন আছে। যে, সবচেয়ে বেশি যার দায়বদ্ধতা—বেশি, যেটা সবচেয়ে বেশি সিগনিফিকেন্ট পলিটিক্যালি অ্যান্ড আদারওয়াইজ, সেগুলো তো আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। বিশেষ করে রেসপনসিবিলিটির দিক থেকে। এটার রিয়েল এরিয়াতেও সিগনিফিকেন্ট এবং পলিটিক্যাল কনটেক্সটেও সিগনিফিকেন্ট। যে বড়গুলারে বাদ দিয়া ছোটগুলারে আগে নিয়া আসার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। এটা প্রথম থাইকা এই সমস্যাটা ছিল। কিন্তু এখন এইটা যে পর্যায়ে আসছে, এটাকে ওভারকাম করা যেতে পারে, যদি মন্ত্রীর একটা সিদ্ধান্ত হয়। এখন পর্যন্ত ১২টা সাক্ষী এই সেন্সে বাকি আছে। আর ওইখানে যে কেসটা নিয়ে কথা হচ্ছে, একজাক্টলি সেই কেসটা কী অবস্থায় আছে, সেটা আমি জানি না। কয়টা সাক্ষী ডি ডব্লিউ চলতেছে… ডিডব্লিউই তো চলতেছে ওদের ওইখানে, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : না, ডি ডব্লিউ শুরু হয় নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই কেইসে ডিডব্লিও শুরু হয় নাই এখনও?
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, তার মানে তারা অনেক বেশি… না কাছাকাছিই তো এগিয়ে আছে বলা যেতে পারে। নাকি না ?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যা.. হ্যা… হ্যা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটার ডি ডব্লিউ শুরু হইতে… ওইটার ব্যপারে আপনার কি কোনো ধারণা আছে? ঠিক আছে…। আজকে আমি জিজ্ঞাসা করব।
নিজামুল হক নাসিম : না… না… আমার ধারণা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটার প্রসিকিউটিং ল’ইয়ার কে?
নিজামুল হক নাসিম : তা-ও আমি জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইগুলাই জিজ্ঞাসা করে নিব আজকে, যদি কথা হয়। আর আমাদের আরেকটা লিস্টও করতে হবে। আসলে কে কে হেল্প করতেছে, কে প্রসিকিউটার, মানে লিড প্রসিকিউটার, এই আর কি। কাদের মোল্লার মামলাটা… এটা বোধহয় তারেক।
নিজামুল হক নাসিম : না, তারেক না। তারেক দেখে কামারুজ্জামান। সে মামলা ঢিল দেছে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, তার মানে, এটা অন্য কেউ দেখে তাহলে। এটা একটা সিনক্রোনাইজ একটা ডিসিশনটা হতে হবে, এই জিনিসটা বুঝাতে হবে যদি…।
নিজামুল হক নাসিম : শোনেন, আমি একটা জিনিস মনে করি। যেডা আমার ব্যক্তিগত মতামত যে, সম্ভব হইলে গোলাম আযম ফার্স্ট, সাঈদী সেকেন্ড, কাদের মোল্লা থার্ড। আর যদি তা প্রবলেম হয়, তাইলে সাঈদী ফার্স্ট, গোলাম আযম সেকেন্ড, কাদের মোল্লা থার্ডই থাক। কেননা সাঈদীর কেসটা ডিফারেন্ট। এই সাঈদীর কেসটার লগে আইনের সম্পর্ক খুব বেশি না। এডা আমাদের দেশি দরবারের মতোই। গোলাম আযম হইলো সেটেলমেন্ট অব ল’ হয়ে যাবে এবং…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাইট।
নিজামুল হক নাসিম : এই গোলাম আযম হইলো টিম লিডার। সাঈদী সাইড ট্র্যাক। সাঈদীর লগে আপনার লিডার-টিডারশিপের কোনো প্রশ্ন আসতেছে না। গোলম আযমের রায়ের পরে আপনার নিজামী, মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান—সবগুলা রায় হইতে পারে, এর পরে। কিন্তু গোলাম আযম ফাস্টে। ওই গ্রুপের থেকে একমাত্র সাঈদী, সাকা এরা বায়রায় (বাইরে)। সাকারে তো আমি থামাইয়াই দিছি। সাঈদীরে থামাচ্ছি না। কারণ, সাঈদী প্রায় শেষ। এইটা যদি উনাদেরকে বইল্লা… এইডা ওনাদেরকে (ট্রাইব্যুনাল-২) হায়ার লেভেল থেইকা বইল্লা, থামায়া দিতে হবে যে, আপনি কাদের মোল্লারে ঢিল দেন। ঢিল দিয়া বাকিগুলারে সামনে আগান। কেননা, ওই যে অ্যাবসেন্ট যে আছে, ওর নাম জানি কী…? ও বাচ্চু, হ্যারে দিয়া শুরু করেন। আরেকজনরে নিয়া আগান সামনে। এরপর আপনার, পর পর ৩-৪টা রায় দিয়া দেন, অসুবিধা নাই কোনো। বাট আফটার গোলাম আযম। নট বিফোর দ্যাট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইখানে আরেকটা ব্যাপার আছে, এটা আপনি যেটা বললেন, সেটা ঠিক। আবার লিগ্যাল অ্যাঙ্গেল থেকেও এটা ঠিকই যে, সাঈদীরটা লিডারশিপে বা অফ ল’ ইনভলবমেন্ট নাই। কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, বাইরের ওয়ার্ল্ডে অর্থাত্ আউটসাইড দ্য কোর্ট রুম…।
নিজামুল হক নাসিম : তারা চাইবে গোলাম আযমের রায়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এটা হচ্ছে ইম্পরটেম্লট। সেই অডিয়েন্সটা আছে। আর সেকেন্ড হচ্ছে খুবই ইম্পরটেম্লট… । যদি, সাঈদী যদি প্রথম হইয়া যায়, তাইলে এইটা কিন্তু হিস্টোরিক। মানে ইট উইল নট হিস্টোরিক অ্যানিথিং। মানুষের প্রত্যাশাটা থাকবে হচ্ছে এ্যাঁ এ্যাঁ……।
নিজামুল হক নাসিম : গোলাম আযমের দিকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সকল দিক বিবেচনা করে বড়টার রায়…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… শিওর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই সেইটাকে ওইভাবেই টিউন করে নিতে হবে। এখন হয়তোবা পরের দিন জাজমেন্ট দিলেন বা এক সপ্তাহ পরে জাজমেন্ট দিলেন, কোনো অসুবিধা নাই। মানে ডিসিশন এরা পরে দেক, কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু পরে হতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম : এডা আমি একমত আপনার লগে। এরা চাপে কেবল… গোলাম আযম শেষ করতে গেলে…। কেননা গোলাম আযম এখনও আইও চলতেছে, তারপর ডিফেন্স উইটনেস হবে। তারপরও এইডা আপনার জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির আগে হবে না। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি লাগবে শেষ করতে। এই পর্যন্ত গভর্নমেন্ট ওয়েট করবে না। গভর্নমেন্ট রায়ের জন্য পাগল হইয়া গেছে। সাঈদীরডা হলে আমি ডিসেম্বরে রায় দেতে পারব। গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া। তারা একটা রায় চায়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ…, না মানে.., কিন্তু আরেকটা, তাদের সাথে তো কোনো কথা হইতেছে না। সাঈদীরটা আগে রায়ের মধ্যে সিগনিফিকেন্সটা কী? তারা তো শুধু একচোখা হিসাবেই আগাইতেছে, বা তারা পেনিকড হইতেছে। এখানে পেনিক তো হওয়ার কিছু নাই।
নিজামুল হক নাসিম : তারা গেছে পাগল হইয়া মোটমাট, আমি আপনারে বলতেছি। একটা জাজমেন্ট না পাইলে ১৬ই ডিসেম্বর… ১৬ই ডিসেম্বর কইরা ডাহাডাহি করতেছে। এটা কোনো অর্থ হয় না। তারা একটা জাজমেন্ট চাচ্ছে, সোজা হিসাব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ১৬ই ডিসেম্বরের ভূত তো এর আগেরবারেও ছিল।
নিজামুল হক নাসিম :সে ব্যাপারে সাঈদী আগাইয়া আছে, সাঈদীর রায়ডা হইয়া গেলে গভর্নমেন্ট ঠাণ্ডা হইত।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ১৬ই ডিসেম্বরে ভূত কিন্তু, এটা নুতন ভূত না।
নিজামুল হক নাসিম : ডিসেম্বরের আগে না, ডিসেম্বরে হইতে পারে সাঈদীরডা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই ১৬ই ডিসেম্বরের ভূত করতে করতেই তো সমস্ত বিপদে ফেলতেছে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : সব, আর শুরু হইছে তো গোলাম আযম ছয় নাম্বরে। সাঈদী এক, সাকা দুই, নিজামী তিন, কাদের মোল্লা চাইর, কামারুজ্জামান পাঁচ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তদন্ত সংস্থা তো ওইখানেই প্রবলেমটা করেছে।
নিজামুল হক নাসিম : তাইলে এইডা করবেন কী আপনি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওয়েল, এইটা যদি হয়ে যায়, তাইলে তো আর অসুবিধা নাই।
নিজামুল হক নাসিম: তারা তো বাই হুক-অর বাই ক্রুক, এইটা ঠেকাইবে সবাই এবং আমরাও তো তাল পাচ্ছি না। কারণ সাঈদীর সাক্ষী কমে যাচ্ছে। আমি তাকে ফিরিয়ে দিব কীভাবে… ডিফেন্স উইটনেস! সাঈদী তো প্রায় শেষ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না না ডিফেন্স উইটনেস তো আর ফেরানো যাবে না।
নিজামুল হক নাসিম : সাঈদী তো প্রায় শেষ। ঈদের আগে তাদের সাক্ষী শেষ হয়া যাবে আশা করতেছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঈদের আগে কি তার সাক্ষী, ডি ডব্লিউ শেষ হয়া যাবে?
নিজামুল হক নাসিম: হ্যাঁ শেষ হয়া যাবে। আর গোলাম আযমের কেইসে তারা দুই সপ্তাহ সময় চাইছে, সাক্ষীর নাম দেওয়ার জন্য। সেইডা আমি রিজেক্ট কইরা বলছি, কালকে পাঁচটা দিবেন, পরশু সাতটা দিবেন, এইডা লাস্ট চান্স। বললাম আমি। কিন্তু, তারা দেল না, তাইলে কী করবেন আপনে। আমি যদি স্টপ কইরা দেই, তাইলেও তো হইচই হবে যে, সাক্ষীর নামই জমা দিতে দেয় নাই। টাইম চাইছে টাইম দিতা…। তখন গভর্নমেন্ট কইবে, তুমি টাইম দেতা, খমাহা (খামোখা) তাদেরকে আরেকটা পয়েন্ট, তাগো পক্ষে যোগ করাইলা…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু এরা তো আসলে কাউন্টার-এনকাউন্টার।
নিজামুল হক নাসিম : তাই তো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এজন্যই তো প্রবলেমটা। যে, আইসিটি যে যতগুলা কাজ করছে…।
নিজামুল হক নাসিম : এ গভর্নমেন্টই তো তহন আমারে কইবে, তুমি টাইম দিতা। তুমি একদিন সময় তাগো দেতা, দিয়া রাখতা হেগো কোর্টে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। দেখেন আপনি ওইভাবে। দেখা যাক এই… এইটা কতদূর আগানো যায়।
নিজামুল হক নাসিম : আমার প্ল্যান হইলো, ল’ সেটেল হইবে গোলাম আযমের কেইসে, এইডা ঠিক। সাঈদীর কেইসে কোনো ল’ সেটল হইবে না। নরমাল একটা জাজমেন্ট দিয়া, নরমাল না সেডা ভালো জাজমেন্ট ইনশাল্লাহ হবে। তবুও যা হয় হবে, সেডা ভিন্ন কথা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ফার্স্ট কেস তো…! ফার্স্ট কেইসের একটা সিগনিফিকেন্ট আছে। এবং ফার্স্ট কেইসের জাজমেন্টটা একটা ফরম্যাটের মধ্যে আসবে।
নিজামুল হক নাসিম : সে তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন :এবং পরবর্তীগুলাও ‘মোর অর লেস’ ওই একই ফরম্যাটের উপরে হবে। ভিন্ন ভিন্ন জিনিস হবে। কিন্তু, ফরম্যাটিংটা ঠিকই থাকবে। আর এইটাকে ছোট কেস হিসাবে দেখার কোনো স্কোপই নাই, যেহেতু এইটা আইসিটির কেস। আইসিটির প্রত্যেকটা কেসই সিগনিফিকেন্ট। আর এইটা এইভাবেই দিতে হবে। কারণ এটা ন্যাশনালি এবং ইন্টারন্যাশনালি স্ক্রুটিনাইজ হবে।
নিজামুল হক নাসিম : আর আমি এমন টেকনিক শুরু করছি যে, আমি সাকার কেস রাখি না, টাইম দিয়া দেই। আপনার নিজামী রাখি না। যদি সাঈদীরে বাধা দেতে চায় তাইলে গোলাম আযম চলবে। গোলাম আযমরে বাধা দিলে, সাঈদী চলবে। যার ফলে ওরা…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না… না… ঠিকই আছে। এটাই আপনার ফার্স্ট ট্র্যাকে থাকতে হবে। ডান-বাম সব চালাইয়া যেতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম :আমি তো সুযোগ দিচ্ছি তাদের। তারা বলে যে, এইডা অ্যাডজর্নমেন্ট দেন ওইডা শুরু করেন। এই সুযোগই দিচ্ছি না আমি, এ দুইডার মধ্যে একটা আরম্ভ করতে হইবে। কেস করতে হইবে তোমার, কোনডা করবা কও। যেডা করবা, যেডার সাক্ষী আছে হেইডাই নিব। বল, কোনডা করবা। হা… হা….হা ….(হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা… হা… হি… হি…(হাসি)
নিজামুল হক নাসিম : আইদার সাঈদী অর গোলাম আযম—এই দুইডার কোনো অ্যাডজর্নমেন্ট হবে না, এডাও বলে দিছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভেরি গুড।
নিজামুল হক নাসিম : আমি আজকে এডাও বলছি, যেদিন ক্রস আইওর শেষ হবে, সঙ্গে সঙ্গে ডিফেন্স উইটনেস শুরু হয়ে যাবে। এটা বলে দিলাম আপনাদের। বি রেডি ফর দ্যাট। উইদাউট অ্যানি গ্যাপ, উইদাউট অ্যানি অ্যাডজর্নমেন্ট, ইমিডিয়েটলি আফটার অ্যান্ড অফকর্স একজামিনেশন অব আইও, দ্য ডিফেন্স উইটনেস উইল বি স্টার্টেড। ওরা খুশি মনে নেয় নাই, কিন্তু শোনতে হইছে ওদেরকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না… না… এর মধ্যে তো কোনো অন্যায় নাই।
নিজামুল হক নাসিম : সোজা হিসাব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা তো আগে থাইকা জানিয়ে দেওয়াই উচিত। ইটস্্ নট দ্যাট যে, আপনি হঠাত্ কইরা বললেন যে, এখনই তোমারে সাক্ষী দিতে হইবে আরকি। সো.. দে আর গেটিং এনাফ ওয়ার্নিং বিফোর হ্যান্ড। এইটা ভালো আর কি। এই যে কথাগুলা না, মিডিয়াতে আসতেছে না। এগুলা আবার অন্য কোনো থার্ড কোনো অপশন নাই তো। কারণ গভর্নমেন্ট আইসিটির কোনো একটা, মানে কিছুই তো করল না, ইভেন আইসিটির নিজের একটা মিডিয়া উইংও করল না ট্রাইব্যুনালে এই গভর্নমেন্ট। তারা আসলে একটা প্রো-অ্যাক্টিভলি, এটার পক্ষে ক্যাম্পেইনটা করতে পারে বা জানাতে পারে। যে, দেখ-কীভাবে এ ঘটনাটা কিন্তু এইভাবে ঘটে নাই। আজকে যদি বন্ধ করে, এটার পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। এত কিছু এইভাবে এইভাবে বলা হইছে…।
নিজামুল হক নাসিম : ওই, একমাত্র উঠলে ওডে ডেইলি স্টারে। উঠতে পারে কালকে। এইসব ল্যাঙ্গুয়েজ ডেইলি স্টারে দিয়ে দেয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা ভেরি ইম্পরর্টেন্ট যে, এই কথাগুলা আসা, যে এটা কোনো আনফেয়ার প্রসেস না। এটা টার্গেটেড প্রসেস না এবং তাদের যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। যদি কোনো অ্যাডভার্স ডিসিশন নেওয়া হচ্ছে এটা বিকজ অব দেম। হ্যাঁ, ঠিক আছে এটা ভালো হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : আপনি তো ইনশাআল্লাহ ২২ তারিখ নামতেছেন, না ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, আমি ২২ তারিখে।
নিজামুল হক নাসিম: আচ্ছা, আজকে ওই আনোয়ার সাহেব আমারে জিজ্ঞাস করছিল, আমি বলছি উনারা চেষ্টা করতেছে। এখনও শিওর না, দেখা যাক আর কি। বুঝছেন কোনটা?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হে… এ্যা?
নিজামুল হক নাসিম : নতুন জজ দুইজন যে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যা… হ্যা… হ্যা…। আজকে যে পারমান্যান্ট করা হইছে, এটা কি বাবুরে (বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস) পারমান্যান্ট করা হইছে?
নিজামুল হক নাসিম : করছে.. করছে হ্যাঁ, হ্যাঁ তো করবেই। আপনার সঙ্গে কি যোগাযোগ করতে পারছেন ওবায়দুল করিম?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেন, মেসেজ দিয়া রাখছি। এখন তো উইক এন্ড না এইখানে।
নিজামুল হক নাসিম : ও উইক এন্ড! আচ্ছা ঠিক আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কালকে বিকালের আগে হয়তোবা কোনো ইয়েই পাওয়া যাবে না। তারে যদি ইটা দেয় ও, আমি তারে একবার বলব, বিকালে ওইখানে একটা ঢুঁ মারতে।
নিজামুল হক নাসিম : আমি বলছি যে, আপনি ২২ তারিখ আসতেছেন। এর মধ্যেই একটা মেসেজ পাওয়া যাবে আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি আশা করি সেটা।
নিজামুল হক নাসিম : তারপরে তো টাইম থাকবে না। কেননা, ঈদে বন্ধ হয়ে যাবে। হের পর তো আর টাইম থাকবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, তারপরে টাইম থাকতেছে না। ওই সেন্সে টাইম থাকছে না। কিন্তু আপনাদের যাওয়া-আসার ব্যাপারে তো শুধু ডিসাইড করা দুটো জিনিস। একটা হচ্ছে রিটার্নটা যদি অ্যামসটারডামে করা যায়, এটা এই লোকেরে ধইরা করতে হবে…।
নিজামুল হক নাসিম : না… যদি আপনাদেরটা হয় তাইলে তো…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, সেটাই বলছি।
নিজামুল হক নাসিম : যদি ওই ডেইটে আপনাদেরটা হয়, তাহলে সেটা আগে ঠিক করতে হবে তো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভিসা হলে তো আর সমস্যা নাই। একটা ভিসাই যথেষ্ট।
নিজামুল হক নাসিম : তা এইটা জানি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই ঝামেলা অনেক কম। মানে এখন শুধু হইলো যে, এইটাকে সেট করাটাই হইলো। এদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়াটাই বড় কথা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… পেলে হবে। না হইলে তো আমর ধারণা, অনেক পিছাইয়া যাবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না হইলে তো আবার কাভার করতে হইব আর কি। মানে আরেক রাউন্ড দিতে হবে। প্রবাবলি নিউ ইয়ারে করতে হইব সব।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ নিউ ইয়ারে। সেটাই… সেটাই মনে হচ্ছে আমার…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ্যা… তো মানে অত ইয়ের ভিতরে… মিড উইন্টারে আসাটা ঠিক হবে না। সবারই জন্য কষ্টকর হয়া যাবে। দেখা যাক এটা।
নিজামুল হক নাসিম : সেইটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এমনেও তিন-চার দিনের ব্যাপার। চারদিন-পাঁচ দিনের ব্যাপার। এটা খুব বেশি সময় না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা হলে একচোটে হয়া যেত।
নিজামুল হক নাসিম : রায়হানের কোনো খবর-টবর আছে…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, রায়হান তো খুব অ্যাক্টিভ এখন। সে তো, তার যে কাজগুলো সে করে, সে একটার পর একটা লেখা লিখতেছে। কালকে আপনাকে একটা কথা বললাম না, ইনফ্রেইমইও, ইন কেস জাজমেন্টটা যদি দিতে হয়, সাঈদীর কথাটা।
নিজামুল হক নাসিম : হুম…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সাঈদীর জাজমেন্টের একটা রাফ স্কেচ তৈরি করা হইছে। স্ট্রাকচারটা কী হতে পারে হয়তোবা কাল আমি স্ট্রাকচারটা আপনাকে পাঠাব। জাস্ট টু দেখার জন্য। এটাকে আমরা রিয়েলি, এই স্ট্রাকাচরটা এমনভাবে করছি আমরা, তাতে খুব বেশি কষ্ট হবে না আপনার। আমাদের কিন্তু এমন করতে হবে, যেটা আমাদের দেশের কিছু টুকু থাকে। কিন্তু, এইটার স্ট্যান্ডার্ডটা, মানে অন্যরা যেন এইটা ফিল করে। আমাদের মেইন টার্গেট যদিও ডিসিশনের ক্ষেত্রে, মেইন টার্গেট হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। কিন্তু, এটার যে ক্রিটিক্যাল অ্যাঙ্গেলে যেটা দেখবে, সেটা কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ ওইভাবে দেখবে না। তো, এই জাজমেন্টটা কীভাবে ওয়ার্ডেড হচ্ছে, কীভাবে স্ট্রাকচার্ড হইছে, কীভাবে ফ্রেইম হইছে…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ সেটা তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই জিসিগুলো কিন্তু আমাদের লোকগুলা বেশি দেখবে না। আমাদের লোকেরা দেখবে, সে আপনার কনক্লিউশনটা কী হইছে এবং বড় বড় ফ্যাক্ট কী হইছে। কিন্তু যারা এই জিনিসটা ক্রিটিক্যালি দেখবে এবং রেফার করবে এবং পরবর্তীকালে এটাকে আন্ডারমাইন্ড করার চেষ্টা করতে পারে এবং সেইটা না করার জন্য এইটাকে ফরম্যাটের দিক থেকে…, এইটাকে ওই স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে আসতে হবে আমাদেরকে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই স্ট্রাকচারটা, যদি স্ট্রাকচার রাইট, তাহলে আমরা মনে করি যে, বাকিগুলাও পারা যাবে। যেমন এই যে আমি বলতেছিলাম, আমি ইটালিয়ান যে অরগানাইজেশনের মিট করলাম এবং কথা বললাম, তারা আসলে অ্যাপ্রিশিয়েট করছে আমাদের এই অর্ডারটা। মানে রিক্যুজালের অর্ডারটা। কিন্তু তারপরেও তাদের ফিলিংসটা হচ্ছে যে, এখানে জাজকে মনে হইছে একটু হার্শ আরকি। কিন্তু, এইটা যে একটা ওয়েলড্রাফটেড, ওয়েলরিটেন, ওয়েল একটা কিছু, এইটা তারা অ্যপ্রিশিয়েট করছে। তারা ইক্যুয়ালি অ্যাপ্রিশিয়েট করছে মালুম ভাইয়ের ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের জন্য আমাদের করা প্রেজেনটেশনটা। যে কারণে তারা মালুম ভাইরে আনতে চাচ্ছে। আমি বললাম যে, উনাকে না নিয়ে এসে অন্য কাউকে আনতে হবে। সো…, সেই আলোচনা এখনও চলতেছে। ওরা হইলো ওইটা দেখে আগে আর কি…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরা দেখে, যে টেক্সটটা তৈরি হইছে, সেইটা ঠিক ওয়েদার ইট লুকস রাইট। ওইখানে আমাদের লুকস রাইটও দিতে হবে। আবার যেহেতু ইনকেইস প্রথম কেসটা যদি সাঈদীরই হয়, বা যে কোনো কেস হউক না কেন, এ দুটার, ডাজ নট মেটার। আমার মনে হচ্ছে যে, এইটা একটা অপরচুনিটি যে, আপনার কিছু রেফারেন্স দিতে হবে যে, এই প্রসেসটার শুরুটা কীভাবে হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : সে তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন: এবং কী কী প্রবলেমের ভিতর দিয়া গেছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে ওই সেন্সে ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল। আউট সাইড যে, প্রবলেমগুলা বা লার্নিং প্রসেসটা কী ছিল। সো, ইট্স কাইন্ড অব ফার্স্ট কেইসেই এইটা থাকবে আর কি। আর বাকিগুলায় আর ওইভাবে থাকবে না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… সেইডাই, সেইডাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন :কিন্তু ফার্স্ট কেইসে এইডা দিতে হবে যে, এইটা কোথা থেকে আমরা শুরু করলাম। অ্যান্ড দ্যান আমরা কীভাবে শেইপ করেছি, রুলস অব প্রসিডিউর আমরা কী করলাম, কেন করলাম। মানে এই সামারি হলো এইটা। এটা হচ্ছে যে, আপনার ইতিহাসটা তুলে ধরা এবং আপনাদের কথা বলাটা। কেননা ট্রাইব্যুনাল তো কখনও সুযোগ পায় না কথা বলার। সো… জাজমেন্ট ইজ দ্যা অনলি ওয়ে অর অর্ডার ইজ দ্য অনলি ওয়ে যে, ট্রাইব্যুনাল স্পিকস। সো… এইটাকে একটা সুন্দর স্ট্রাকচারের ভিতরে এনে স্ট্রাকচারটা টানলে জাজমেন্ট লিখাটা হয়ে যাবে। এইটা করতে পারলে… আর এইটা করাটাই আমাদের মেইন উদ্দেশ্য।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেইডাই, সেইডাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো দ্যাট, এইটা আমরা সেল করতে পারব ইজিলি। ওদের যে চিন্তা-ভাবনা, আর ওরা যে জাজমেন্টগুলো পড়ে, দেখা যাবে কি একেবারে ওই জাজমেন্টের সাথে অলমোস্ট খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে। এবং ওরাও দেখবে ঠিকই আমরা একই স্ট্রাকচার ফলো করছি। আমরা যে বাংলাদেশের ট্র্যাডিশনাল ওয়েটা ফলো করি, সেই হিসাবে এটা নেওয়া যাবে না। কারণ, এই কেসটা সেই কেসগুলা না এবং এই কেসগুলাকে ইভেন কি ছোট কেস, সাঈদীর কেসটা আনুপাতিক হারে লেস লিগ্যালি কমপ্লিকেটেড, কিন্তু সেটা হচ্ছে লিগ্যাল আলোচনাটা কম হবে সেখানে ওই সেন্সে। কিন্তু তারপরও তো ডিগ্রি অব লিগ্যাল আলোচনা থাকতেই হবে। কারণ এখানে কিন্তু, ওই ইস্যুগুলা সেটেল হয়ে যাবে।
কারণ, এটা যদি ক্রাইম এগেইনেস্ট হিউম্যানিটি হয়, যেটাই হয়, সেটাই করতে হবে। কাজেই এইটা আমি বোধহয় আজকে… আমি কালকে রাত্রে স্ট্রাকচারের কাজ করছি একটু, এখনও এটা কমপ্লিট না। আমি এটা যেভাবে আগানোর চেষ্টা করতেছি সেটা হচ্ছে যে, আমি কয়েকটা চার্জ ফ্রেম… লিডিং চার্জ ফ্রেমগুলা দেখব আবার নতুন করে দেখব। যে, তারা কীভাবে এটাকে স্ট্রাকচারটা করছে আর কি। কীভাবে গুছাইছে জিনিসটা এবং কীভাবে শুরুর দিকে কী কী দিচ্ছে তারা। প্রত্যেকটা কেস ডিফরেন্ট ফ্রম আদার ওয়ান।
আমি দেখছি স্ট্রাকচারের শুরুতে তারা কীভাবে দিচ্ছে, মাঝখানে কী দিচ্ছে, শেষের দিকে কী দিচ্ছে এবং এইগুলা আমাদের সিচুয়েশনটাতে আমরা কীভাবে এটাকে করতে পারি। সেই হিসাব করে প্রবাবলি কালকের ভিতরে একটা জাজমেন্ট স্ট্রাকচার পাঠিয়ে দেব। একটা রাফ স্কেচ পাঠায় দিব ফর আপনার ইনফরমেশন। আপনি দেখেন যে, এইভাবে করলে আপনার পোশায় কি না। তারপরেও এর ভিতরে, বডিতে কী দেওয়া হবে, না হবে, কতটুকু লেখা হবে এবং কত ডিপে যাওয়া হবে, কত এক্সপ্রেসে যাওয়া হবে, কত এনালিটিক্যাল হবে—সেগুলো হচ্ছে পরে আনব….।
নিজামুল হক নাসিম : হুম… (গম্ভীর)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা হচ্ছে রাফলি স্পিকিং হেডলাইন এবং সাবহেডিংগুলো কী হবে এবং কোনো কোনো ইস্যুগুলা কাভার করা যেতে পারে। এরপরে তো আরও ডেফিনেটলি, মানে কাজ যখন করবেন তখন দেখা গেল কি, আরও অনেক রকম ইস্যু আসবে, যেটা আপনার মনে পরে যাবে তখন আমাকে আবার জানাবেন। আমি ওইখানে কিছু স্ট্যাটিসটিকস দেওয়ার চিন্তা করতেছি। যেমন কতগুলা অর্ডার হইছে, কতগুলা রিভিউ পিটিশন গেছে, জাস্ট এ রকম। কারণ এইটা তো আপনার শেষ কথা, এরপর তো আর কথা থাকতেছে না ট্রাইব্যুনালের।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই, আপনাকে আরেকটা জিনিস মনে রাখতে হবে। এই জাজমেন্টের ক্ষেত্রে যে, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এইটা কিন্তু আপনার কথা টু অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালস, মানে অ্যাপিলেট অথরিটি। এই জাজমেন্টটা পড়লে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে যে প্রশ্ন আসতে পারে সেইটারও উত্তর কিন্তু এই ট্রাইব্যুনালে থাকতে হচ্ছে। অর্থাত্ এই যে যেসব ইস্যুগুলো আসছে, সেই ইস্যুগুলো যেগুলো চ্যালেঞ্জ করা হইছে, এ নাম্বার অব মেজর চ্যালেঞ্জেস, সেগুলার উপরে ছোট ছোট আলোচনা করে, এই যে কেন এইগুলাকে ডিল করা হইছে আর কি। ডিটেইল আলোচনা কিন্তু রিলেভেন্ট অর্ডারে আছে। এইটা পড়লেই যেন বোঝা যায় এবং অ্যাপিলেট জাজেসরা যেন অ্যাটলিস্ট এই জাজমেন্টটা যদি পড়ে, তাহলে যেন বুঝে যে, আসলে এই ট্রাইব্যুনাল চিন্তা কী করছিল। প্রত্যোকটা অর্ডারের পিছনে ট্রাইব্যুনালের কী চিন্তা ছিল এবং কী র্যাশনাল বা কী যুক্তি ট্রাইব্যুনাল ব্যবহার করেছে এবং সেইটা কতটুকু লজিক্যাল। মানে এইটা এই অর্ডারের ভিতরে, মানে এইটা এই জাজমেন্টে বলে দেব যে, হাউ লজিক্যাল র্যাশনাল রিকয়্যার্স— আমরা কী কী বিবেচনায় এইটা নিয়েছি এবং কেন নিয়েছি। প্রথম যেটা হবে সেটা পলিটিক্যালি সিগনিফিকেন্টও হচ্ছে, কিন্তু লিগ্যালি সিগনিফিকেন্টের দিক থেকে যেটাই হোক না কেন, এইটার ট্রিমেন্ডাস সিগনিফিকেন্ট আছে আসলে ফার্স্ট কেস হিসাবে। বাট, এইটা একটু সময় লাগবে। এখানে আমাদের মেজর কনসার্নটা হচ্ছে, সরকার যে চাপ দিতাছে এইটা আমরা… রিয়েলি আপনারা উনাদের সাথে বিভিন্নভাবে আমাদেরকে যোগাযোগ করতে হবে। এবং বলে দিতে হবে। বিকজ দিস ইজ সাম থিং… এইভাবে হাত-পা টাইট করে দেওয়াটা ঠিক না। কারণ যেটা চিন্তা করা হচ্ছে এবং এইটাই যদি করতে হয়, এইটা কিন্তু আপনিও তো ফিল করতেছেন এবং বলতেছেন যে, জাজমেন্টটা কিন্তু ৫০০ পাতার জিনিস হবে। তাইলে এইটা আপনি সাত দিনের ভিতরে নামায় দিবেন কেমন কইরা?
নিজামুল হক নাসিম : প্রশ্নই ওডে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা কোনো কথা হইলো! এই সমস্ত ডকুমেন্ট কমপেয়ার করে, সমস্ত ডকুমেন্ট দেখে শুনে এইটা তো আর চাট্টিখানি কথা না। এইটা হইলো ট্রাইব্যুনালের ব্যাপার। এটা হচ্ছে ফার্স্ট জাজমেন্টের ব্যাপার। এটা জাজমেন্টের ব্যাপার, এইটা তো অ্যাপিলে যাবে। উনাদের কনসিডারেশনের সাথে এইটা আমাদেরকে কোনো অবস্থাতেই উনাদের টাইম ফ্রেমের সাথে এইটা হবে না। মানে এইটার অর্থ এই নয় যে, এইটাকে দেরি করা হবে। এই জন্য কাজটা এখন থেকেই শুরু কইরা দেয়া হচ্ছে। একটা স্ট্রাকচার যদি আমরা কইরা ফেলতে পারি, তাইলে আমি মনে করি যে, বাকিগুলা সবগুলাকেই ওই ওই …।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সে তো বটেই। আগানো যাইবে তাইলে অনেকখানি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এদিক-সেদিক, এদিক-সেদিক কইরা ফিটিং করানো যাইবে। আরেকটা কেইসে দেখা গেল যে কি, আরো কিছু দিতে হচ্ছে বা কিছু কমায়ে দিতে হইতাছে, সেগুলা আমরা তখন ইজিলি করতে পারব। এটা আমরা অলমোস্ট চার্জের যেভাবে ইয়ে করছিলাম না.. টেমপ্লেট যে রকম করছিলাম চার্জের ক্ষেত্রে…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… হ্যাঁ… হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক ওই চার্জের ক্ষেত্রে টেমপ্লেট যেভাবে করছি, জাজমেন্টের ক্ষেত্রেও মোটামুটি একই টেমপ্লেট। ওই একই রকম একটা কিছু আগে তৈরি করছি। ওইটা আমি ইফেক্টিভলি কাজ করছি। আর সরকারের ওই চাপটা আমাদেরকে সহ্য করতেই হবে। কীভাবে করব দ্যাট উই ডোন্ট নো। বাট, এইটা তাদেরকে বোঝাইতে হবে ওইভাবে এইটা চাপচাপি না করা। এইটা ইয়ে না। প্রডাক্ট না যে, জাস্ট আপনে কইলেন আর মেশিন না যে, বাইর হয়া গেল। আর এইগুলা উনাদের বুঝার মতোও অবস্থা নাই। তারপরও বুঝাইতে হবে, তারপরও উনাদের সাথেই তো কথা বলতে হবে। আমরা যতই মানে রায়হান আমাকে এবার জোরে-শোরে বলছে, আপনি আইনমন্ত্রীর সাথে মানে ইয়ে করে আসবেন। লাভ হউক, আর না হউক, কিন্তু আমরা তো আসলে… কাজ করার নাই তো কেউ আর। যতরকম আমার এভিনিউ আছে, অন্যান্য যত এভিনিউ আছে, ইনক্লুডিং এক নাম্বার পর্যন্ত পৌঁছানোর এভিনিউ—এইসব এভিনিউ ব্যবহার করতে হবে এবং বুঝাইতে হবে আসলে যে রিয়েলিটিটা কী। শুধুমাত্র উইক এন্ডে আইসা, কনফারেন্সে গিয়া বা সেমিনারে গিয়া একটা বইলা দিল, ওইটা হবে না।
আর এইটা আপনাদের জন্য রিয়েলি কষ্টের, আপনাদের কোনো হ্যান্ড তো নাই, যে এই কাজগুলা করবে। আপনাদের হ্যান্ড নাই, ঠ্যাং নাই, কিচ্ছু নাই। তো কী কইরা কী হবে। তাদেরকে আপনারা বইলা দিবেন যে, এই জাজমেন্ট যেভাবে হইতেছে, যা হইছে, অন্ততপক্ষে ৫০০-৭০০ পাতার কইরা এক একটা জাজমেন্ট হবে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ হ্যাঁ অবশ্যই, মিনিমাম ৫০০ পৃষ্ঠার হবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দেন হাউ ডু ইউ এক্সপেক্ট ইট যে, এটা ওভারনাইট কইরা ফেলা হবে? আপনি যদি আমারে অর্ডারটা দিতেন, আমি অর্ডার পোরশনটা কইরা দিয়া, আমি পরে জাজমেন্টটা লেইখা দিতাম, শান্তিমতো কইরা। ওইটা বোধহয় শাহিনুর সাহেবদের সাথে আলোচনা কইরা এইটা করছে। এই যে আইনের এই পরিবর্তনটা, সময় কমিয়ে দেয়ার পরিবর্তনটা। কারণ উনারা গিয়া বলছে হয়তো যে, আমরা কইরা দিবোনে কোনো অসুবিধা নাই। আমরা একসাথে সবই দিতে পারব, যখন অর্ডার দিব তখন জাজমেন্টটা দিয়া দিব হাতে। কিছু একটা হইছে মানে এইটা তো আপনাদের কাছ থেকে আসে নাই।
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা একমাত্র সাসপেক্ট। আমার সন্দেহ হচ্ছে, এইটা শাহীনুরদের ওইখান থাইকা আসছে। দেখি, রায়হানকে দেখি, পাই কি না এখন। ঠিক আছে তা হলে…
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি আপনাকে কালকে স্ট্রাকচারটা পাঠাব। ওকে ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, রাখি খোদা হাফেজ।

তাঁর নাম হইল সোনা জাহাঙ্গীর
কথোপকথনের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যালো
নিজামুল হক নাসিম : কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি আছি। আমি তো বুজতেছি না। আপনাদের ওইখানে কী হইতেছে। এই লোক এই যে, নাম আসছে এই লোকটা কে আসলে?
নিজামুল হক নাসিম : জাহাঙ্গীর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এ কি আপনার মানে… অ্যা… অ্যা… অ্যা…। এটা আমার তো কোনো ধারণাই নেই এই লোক সম্পর্কে।
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের চয়েসও না, আমার জানা মতে ল’ মিনিস্টারের চয়েসও না। কিন্তু তার নাম আইসা চিফ জাস্টিসের রিকোমেন্ডেশন হইয়া গেছে। সে হলো জজকোর্টে ল’ইয়ার ছিল। জজকোর্টের লেবেল থেকে মনে হয় হইছে। কামরুল-টামরুল করছে আর কি। যা-ই হোক, মনে হচ্ছে আমার। জজকোর্টে ল’ইয়ার ছিল। আপনার অ্যা… স্মাগলিং কোর্টের পিপি আছিলে। তাঁর নাম হলো সোনা জাহাঙ্গীর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হেয়… হে য়ে, ও মাই গড! এইটা হইল কী কইরা!
নিজামুল হক নাসিম : হেডা আমি জানি না। আমার সঙ্গে ল’ মিনিস্টারের যে কথা, তাতে আওনের কথা বাবু (বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস বাবু। বর্তমান সরকারের আমলে বিচারপতি হওয়ার দুই দিন আগে পর্যন্ত যিনি খুনের মামলার প্রধান আসামি ছিলেন) বা গোবিন্দ (বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর), ল’ মিনিস্টার তাই বলছেন। কালকে চিফ জাস্টিসের লগে দেখা হইলো। কালকে উনি এমন কিছু বলেন নাই। এসব আলাপ করেন নাই। উনি বলছেন যে, আপনাদের খুব সুনাম আছে এবং বায়রায় কোনো বদনাম নাই, এইটা মেইনটেন করতেছেন। এটা খুব ভালো। কোনো ধরনের বদনাম আপনাদের নাই। আইজকে দেখলাম যে নাম দিছে। এখন যাক, কী আর করার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা তো… তার মানে একটা করাপ্ট মানুষকে দেওয়া হইছে?
নিজামুল হক নাসিম : অন্ততপক্ষে হি ওয়াজ করাপ্ট—এটা বলা যাইবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরে এইটা কি এমন একটা জিনিস যে, কালকে ছিলেন করাপ্ট, আজকে ভদ্রলোক হয়া গেলেন?
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা… হা…। যা-ই হোক, কী কমু আমি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা আরেকটা ভেজাল, আরেক ভেজাল লেগে যাবে আমাদের।
নিজামুল হক নাসিম : ভেজাল লাগবে না। কারণ তারে বলা হইছে… বলা হইছে যে, চেয়ারম্যান যা কইবে, তুমি খালি ইয়েস কবা। এমনে সে লেখাপড়া জানে। এইডা আমি বলমু, বুঝলেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু?
নিজামুল হক নাসিম : লেখাপড়া জানে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : লেখাপড়া জানে মানে! কোন সেন্স থেকে? পড়ালেখা কী করেছেন উনি?
নিজামুল হক নাসিম : না… এমনে কেইস-টেইস…। ল’ইয়ার, ভালো ছেলে। অ্যা.. কোর্ট পারফরম্যান্সও ভালো ছিল। এগুলা ঠিক আছে কিন্তু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জুডিশিয়ারিতে ছিলেন এর আগে?
নিজামুল হক নাসিম : না না, ল’ইয়ার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও আচ্ছা তার মানে, এ ইয়ের কোটায় আসছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : কামরুল কোটায়। আমার ধারণা, হে কামরুল কোটায় আসছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা কীভাবে সম্ভব হইতেছে? এটা কি প্রধানমন্ত্রী কিছুই জানেন না!
নিজামুল হক নাসিম : প্রধানমন্ত্রী তো আবার হেদের খুব পছন্দ করেন। সাহারা খাতুন… টাতুন এদের বুঝেন না!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি কি জানতেন? ও জহির সাহেব ইয়ে করতেছে। উনি কিছু বলছেন টলছেন আপনাকে?
নিজামুল হক নাসিম : না না না, উনি ফাস্ট হাফে আমার লগে কোর্ট করছেন। কোর্ট কইরা নামছেন নিচে। নামার পরে উনি পট কইরা দশ মিনিট পর ফোন কইরা বলল, স্যার, আমি একটু ইমারজেন্সি…। আমি আসতেছি, স্যার। এই কথা কইয়া চইলা গেল। তখন নাকি তারে ল’ মিনিস্টার ডাকাইয়া সেক্রেটারিয়েট নিছে। সে আইসা আমারে বলে, ‘আই এম নো মোর ইয়োর মেম্বার’। আমি কই মানে! কী বলছেন আপনে? উনি বললেন, আপনি কোর্টে উঠেন…। আপনার লগে দেখা করে যাব। তবে আমি কোর্টে উঠবো না, উঠতে পারতেছি না আমি। শ্যাষে আমি কোর্টে উঠলাম। কোর্ট সাইরা চারডার সময় দেখা করল। তখন আমাকে বলল যে, এ রকম ডাকাইল… ডাকাই নিয়া বলল যে, রিজাইন করেন। রিজাইন করলাম… রিজাইন দিয়ে আসলাম। আর আজকে স্বীকার পাইছেন উনি যে, পরশু দিন রাতরে উনারে মন্ত্রী ডাকাইছিলেন বাসায়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আইনমন্ত্রী?
নিজামুল হক নাসিম : এবং বাসায় নিয়া বলতেছে…, আপনারে আমরা ই তে নিব। ল’ কমিশনে নিব। আপনি রিজাইন দেন। আজকে ডাকাই নিয়ে একেবারে রেজিগনেশন রাইকখা দেছে এককেরে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ল’ কমিশন দিলে খারাপ না, এটা একদিক থেকে।
নিজামুল হক নাসিম : এইডা আমার সঙ্গে আলাপ করছে সে। বলছে ওইখানেই দেবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো এইটা আইনমন্ত্রী বলেছেন।
নিজামুল হক নাসিম : হু আমারে আইন মন্ত্রীই কইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা ঠিক আছে। হ ওইটা ঠিক আছে। ইট উইল বি গুড। অ্যাট সট অব ওয়ার্ক।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে উইথ হিস এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড এভরিথিং।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি কি আপসেট হইছেন?
নিজামুল হক নাসিম : না-না-না। হইতে পারে মনের মধ্যে। উপরে কিন্তু খুব নরমালেই দেখলাম আমি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, মানে বিডি নিউজ২৪.কম যেভাবে রিপোর্ট করছে, উনার ঢোকাটা নিয়ে…। উনার অ্যা… বিল্ডিং এই কোর্ট রুমের চারিদিকে তাকানো নিয়ে। যাওয়ার আগে একদম বিদায়ের…।
নিজামুল হক নাসিম : না, হে তো আমাদের লগেই নামল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একটা জিনিস পাঠাইছি দেইখেন। কংগ্রেস থেকে যে পত্রিকা বাইর হয়, সেই পত্রিকা ‘দ্য হিল’ ছিল নামে, আপনারে শেয়ার করছি।
নিজামুল হক নাসিম : হ .. আচ্ছা..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এইটা তো কী হইল তাইলে ফাইনালি গিয়া?
নিজামুল হক নাসিম : দেখি…ই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনার সাথে এমনি তার পরিচয় আছে কি?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ আছে, ভালো পরিচয়ই আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাজনীতির দিক থেকে কোন দিকের মানুষ সে?
নিজামুল হক নাসিম : আওয়ামী-আওয়ামী।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মারছে, বেশি আওয়ামী লীগ হইয়া গেলে…।
নিজামুল হক নাসিম : আমার মনে হয় সেই রিডিং করছে যে, বাবু হলো জেএসডি, আর ওই ঠাকুর হলো সিপিবি। আমরা আওয়ামী লীগ দিব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এইভাবে ভাগাভাগি কইরা করছে। কিন্তু এইটা… আমাদের আইনমন্ত্রীর তাইলে কিছুই করার থাকে না বোধহয় তাইলে না?
নিজামুল হক নাসিম : ওইডা আমি জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরে আমি তো ওই পর্যায়ে থাকলে আমি রিজাইন করতাম আর কি। তাইলে এইটা কি উনি সিগনেচার কি করছে? উনার কি… উনাকেই তো করতে হইব সাইন, নাকি না?
নিজামুল হক নাসিম : কোনডায়?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে…।
নিজামুল হক নাসিম : রেজিগনেশনে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না… না… না…। মানে হ্যাঁ, মন্ত্রীই তো ইয়ে করবে। মানে মন্ত্রীই তো প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠায়ে দেয়।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, রাইট রাইট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাইলে উনারে বইলাইবা লাভ হইতাছে কী তাইলে? হোয়াট ইজ হি দেন? এইটা কোনো কথা হইল? এইখানে আমরা একটা হাই ইন্টিগ্রিটিওয়ালা মানুষের দরকার…! আর এইটা কি পাবলিকলি নোন ছিল? আপনি যেটা বলেন যে, যে মানে সোনা জাহাঙ্গীর নামটা?
নিজামুল হক নাসিম : তা সে পরিচিত। হাইকোর্টে এবং জজ কোর্টে সে সোনা জাহাঙ্গীর নামেই পরিচিত ছিল—লইয়ার হিসাবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো…, ওইটা বলতে চাইছেন যে, সে যেন কিসের কোর্টের বলেলন যে?
নিজামুল হক নাসিম : স্মাগলিং কোর্টের পিপি, স্মাগলিং…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও স্মাগলিং আলাদা কোর্ট আছে নাকি? আচ্ছ আচ্ছা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কত বছর আগের কথা? অনেক দিন আগের কথা, না কিনা ইদানীং এর ব্যাপার?
নিজামুল হক নাসিম : এই এডা মানে ৫-৭ বছর আগের কথা। ওই-ওই, ওই সময়ের আওয়ামী লীগ। এক সাল পর্যন্ত। মানে এর আগের…। এর আগেরবারের আওয়ামী লীগের সময়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা আচ্ছা! উনি দশ সালে দেখতেছি উনি জাজ হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি অবশ্য দুইটা দিন একটু বেকায়দায় থাকব আর কি। কালকে সকালে একটা টেস্ট আছে। গ্যাসট্রো-এন্টারোলজির, যেটাকে এন্ডোসকপি বলে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরা আমার ব্লাডে বারবার পাইতেছে অ্যানিমিয়া। কিন্তু এরা বুঝতে পারতেছে না যে, ব্লাড কেন চলে যাচ্ছে শরীর থেকে। সো, ভিতরে বোঝার চেষ্টা করতেছে যে… যে, ওইখানে কোনো, মানে এনটেস্টাইনে কোনো প্রবলেম আছে কি না। আর ৩১ তারিখে অর্থাত্ শুক্রবারে করবে আমার কোলনোস্কপি।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো সেইটার জন্যই প্রস্তুতি নেয়া হইতেছে আর কি। এটা বোধহয় একটু ডিসকমফোরটিং। বাট, ওইটা দেখবে যে, সেখানে কোনো সমস্যা আছে কি না। কোলনে কোনো প্রবলেম আছে কি না। এইটা খুব দ্রুত হইয়া গেল। এই লোকের এখনও রেজিগনেশন অ্যাকসেপ্ট না করার পরেও…। এটা মানে এত দ্রুত… এরা একদম ক্যু কইরা ফেলল আসলে। মানে খোঁজ নিলে দেখা যাবে কি… যদি যদি আপনি খোঁজখবর নেন ঠিকমত, তাইলে দেখবেন আইনমন্ত্রী হয়তোবা জানেন কি না, সন্দেহ আর কি। পাঠায় দিছে চিফ জাস্টিসের কাছ থেকে। মিনিস্ট্রির… মিনিস্ট্রিরে দিয়া, চিফ জাস্টিসও এত দ্রুততার সাথে আবার ওকে কইরা দিছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু। উনিত আমার কাছেও বলছে যে, আমার কাছে আসতে দেরি হইতে পারে, কিন্তু আসলেই নগদে দিয়া দিব, যারে চাইবে তারে দিব। এডা আমারে কাইল বলছে তো, যাকে চাইবে তাকে দিব। এটা বলছেন উনি আমাকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এ নিয়েও। আপনারা দুইজন ঠিক থাকলে বিশেষ সুবিধা করতে পারবে না।
নিজামুল হক নাসিম : না… না… না…। ওই জাহাঙ্গীরও আমার লগে ঠিক থাক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ্যা…?
নিজামুল হক নাসিম : করাপ্ট মানুষ তো। বেশি ই… করবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ এখানে হইতেছে যদি কোনো অবস্থাই কম্প্রোমাইজড হয়া যায়… সেটাই আর কি। সেই রিস্কটা হইল সেটাই।
নিজামুল হক নাসিম : হেতে লাভ নাই। আমরা দুইজন শক্ত আছি। ওর কোনো কিছুতেই লাভ হইবে না। তবে ও লেখাপড়া জানে, এইডা ঠিক। ও যদি ঠিকমত চলে ও ভালো জজ হইবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জাজ হিসাবে তার কি রকম? তার কোন ইভালুয়েশন আছে আপনাদের কাছে?
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি কোন… কী ধরনের বেঞ্চে বসতেন এত দিন?
নিজামুল হক নাসিম : ক্রিমিনালি… ক্রিমিনালিই করছে এতদিন। মানিকের লগে বইছে। ভিন্ন জায়গায় বইছে-টইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখনও উনি কনফার্ম হয় নাই?
নিজামুল হক নাসিম : এ দেখতে হইবে। মনে হয় হইছে কি হয় নাই। বা সামনে হইবে। মনে হয় হইয়া গেছে। এডা ঠিক আমার মনে নাই। মনে হয় হইছে কনফার্ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দাঁড়ান, দেখি উনি কোন অঞ্চলের মানুষ। এইডা একটু বুঝতে হইব যে… আমরা ল’ কমিশনের মেম্বারদের কি হাইকোর্ট জাজদের ইয়ে দেই। না?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি কি তাইলে দুই নম্বর নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : কি দুই নম্বর?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হাইকোর্ট ডিভিশন সিনিয়রে।
নিজামুল হক নাসিম : দুই নম্বর হয়ে যাবে এখন, আনোয়ার তিন নম্বর হয়ে যাবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না-না উনি দুই নম্বরে না, আনোয়ার সাহেব দুই নম্বর দেখতেছি।
নিজামুল হক নাসিম : আনোয়ার নাইম্মা যাইবে, এহন দুই নম্বর থেকে তিন নম্বরে। মনে হয়। আমি একটু দেইখা আসি হিসাব…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি হইতেছে ২০.১০.২০১১-তে। এটা পাওয়া গেছে তো ওনার সব কিছু আছে এখানে…। (কথার ফাঁকে সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ঢুকে)।
নিজামুল হক নাসিম : কোথায় আছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে। মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর হোসেন। উনার নাম তো মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন?
নিজামুল হক নাসিম : জি…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি দেখা যাচ্ছে তো, উনি তো উনার… যদি এই জাহাঙ্গীর হোসেন সেই জাহাঙ্গীর হোসেন হইয়া থাকে। তাইলে জয়েন করেছেন তো ২০.১০.২০১১ তে। বাবার নাম ড. মোহাম্মদ…।
নিজামুল হক নাসিম : না-না-না। উনি ১০ সালে। আরো উপরে জাহাঙ্গীর হোসেন আছে। আরেক জন দেহেন। এ তো বাদল.. পরের জন। এর কিশোরগঞ্জ বাড়ি, প্রেসিডেন্টের আত্মীয় এডা না। এডা হচ্ছে জাহাঙ্গীর হোসেন বাদল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, জাস্টিস আনোয়ারুল হক। উনি জয়েন করেছে ১২.১২.২০১০-এ। এটা হলো, আই থিঙ্ক আপনাদেরটা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ১২.১২। আরও উপরে দেখেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরও উপরে হচ্ছে.. জাকির হোসেন… জাসটিস জাহাঙ্গীর হোসেন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… এইটা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ৫৯-এ জন্ম। উনি হচ্ছে ১৮.০৪.২০১০-এ জয়েন করেছেন।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তার মানে উনি সিনিয়র?
নিজামুল হক নাসিম : হু, কনফার্ম হইয়া গেছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি এমকম, এলএলবি করছেন। ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে ছিলেন। অ্যাডভোকেট অব এ ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। হাইকোর্টে এসে জয়েন করেছেন ৯১-এ এসে। ৫৯-এ জন্ম। ও আচ্ছা, তার মানে তো সেকেন্ড জাজ উনি হয়ে যাবেন।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আনায়ারুল হক হচ্ছেন ১২.১২। তার মানে উনার চাইতে ৮ মাস আগে জয়েন করেছেন উনি। এটাই তো আপনাদের সিনিওরিটির ক্রাইটেরিয়া, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : হু, অ্যা… ওয়েবসাইটে দেহেন দেহি। আমারডা বাইর করেন তো দেহি, কী আছে। আমি এহন তরি দেহি নাই সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দাঁড়ান, দেখি কোথায় আছে। আপনারটা হচ্ছে শামসুদ্দিন চৌধুরীর পরে আর কি। জাস্টিস হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, তারপরে জাস্টিজ আবদুর রাজ্জাক, মারযিউল হক। ফারাহ মাহবুব আপনারও উপরে?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… হেয় তো বিএনপির দেয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট না? আমরা তো ওই পরে। আমাদের ৭ বছর গ্যাপ পড়ল না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি সিরিয়ালগুলো বলে যাচ্ছি। আপনাদের সিরিয়ালগুলো কোথায় আছে। হায় হায়, এটা তো তাহলে ইজ্জতের ব্যাপার! তার মানে হচ্ছে ফারাহ মাহবুব হচ্ছে বিএনপির লাস্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : বিএনপির লাস্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট। তারপরই তো আমরা আসছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারপর আছে জাস্টিস মারযিউল হক। তারপর আছেন জাস্টিস আবদুর রাজ্জাক, হাসান ফয়েজ সিদ্দিক, শামসুদ্দিন চৌধুরী।
নিজামুল হক নাসিম : তারপর আমি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনারটা, আপনারটা হচ্ছে ২৫-৩-২০০৯-তে।
নিজামুল হক নাসিম : ২৫-৩-২০০৯-তে আমি কনফার্ম হইছি। অ্যাপয়েন্টমন্টে ডেট তো তারা দেয়নি, না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, হ্যাঁ দিছে…। অ্যালিভেটেড অ্যাজ অ্যাডিশনাল জাজ অব দ্য হাইকোর্ট ডিভিশন অন ৩-৭-২০০১।
নিজামুল হক নাসিম : ইয়েস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ্যান্ড অ্যাপয়েন্টেড জাজ অব দ্যা সেইম ডিভিশন অন ২৫-৩-২০০৯। তাইলে আপনার সিনিয়রিটি তো ২০০১ থেকে ধরা উচিত।
নিজামুল হক নাসিম : আমরা মনে করি। কিন্তু ধরে নাই তো। কনফার্ম থেকে ধরেছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি যেদিন থেকে জাজ হইছেন, সেদিন থেইকা।
নিজামুল হক নাসিম : দেখেন চাই আর কী লেখছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : লেখছে যেটা, সেটা হচ্ছে— ডেট অব বার্থ দিছে ১৫-৩-৫০। বিএসসি অনার্স, এম এস সি-এলএলবি। হি ওয়াজ এনরোলমেন্ট অব দ্য সুপ্রিমকোর্ট-হাইকোর্ট ডিভিশন অ্যান্ড অ্যাপিলেট ডিভিশন। (পুরো বিষয়টি পড়ে শোনান…)। আপনার পরে আছে বজলুর রহমান, এ কে এম আবদুল হাকিম।
নিজামুল হক নাসিম : এরা পরের ব্যাচ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বোরহান উদ্দিন, তারপর মোয়াজ্জেম ভাই বোধহয়।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এম মোয়াজ্জেম হোসেন, তারপরে সৌমেন্দ্র সরকার, আবু বক্কর সিদ্দিক, নূরুজ্জামান, মইনুল ইসলাম, ওবায়দুল হাসান। ওবায়দুল হাসান কোথা থেকে পড়ালেখা করছে দেখি।
নিজামুর হক নাসিম : ঢাকা ইউনিভার্সিটি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বিএ, বিএসএস, এমএসএস, এলএলবি ফ্রম ঢাকা ইউনিভার্সিটি। এলএলবি মনে হয়, কলেজ থেকে পড়ছে। সেইখানে উনি ৮৬। এলিভেটেড জাজ অ্যাজ ২০০৯। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই এলেভেটেড যেটা আছে, সেটাই আছে। কোথায়ও কিন্তু অ্যাপয়েন্টেড নাই। আপনার ক্ষেত্রেই এলিভেটেড অ্যান্ড অ্যাপয়েন্টেড দুইটাই আলাদা লেখা আছে। তারপর নাইমা, রেজাউল হাসান, ফারুক, এম ফারুক, শওকত হোসেন, নাজমুল আহসান, কৃষ্ণা দেব নাথ, বশির উল্লাহ, রব, এটা তাইলে আরেকটা জাহাঙ্গীর হোসেন আছে তাইলে?
নিজামুল হক নাসিম : জাহাঙ্গীর হোসেন, বড় ওইডাই। হে অইল উপরে। নিচে হইল শেষ যে জাহাঙ্গীর হোসেন, হেইডা হল কিশোরগঞ্জ বাড়ি, প্রেসিডেন্টের আত্মীয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরও একজন আনোয়ারুল হক আছেন তাহলে?
নিজামুল হক নাসিম : হু, আমাদের ব্যাচের প্রথম দিক দিয়া দেহেন আনোয়ারুল হক। আমাদের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট। হে কনফার্ম হইছে আর কি। এককেরে প্রথম দিক দেয়া, দুই নম্বরে নাম তার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এইটা যদি আপনাদের লিস্ট হয়, তাহলে এইখানে আপনাদের এখন হাইকোর্ট ডিভিশনের ভেতরে সিনিয়রমোস্ট জাজ হচ্ছে শেখ রেজোয়ান আলী।
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের ব্যাচ।
জিয়াউদ্দিন : মানে ২০০১-এ ঢুকছে তাহলে। মানে তিসরা জুলাই ২০০১। তাকে ২০০৩-এ ইয়ে দেয়া হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওনার ক্ষেত্রে এই চক্করটা কেন করতাছে? প্রত্যেকটার ক্ষেত্রে—আচ্ছা টিক আছে, ২০০৩-এ দিয়ে দিছে উনি। আপনারা থাকলে আপনারা এখন টপে থাকতেন। এক-দুই-এর কাছাকাছি থাকতেন।
নিজামুল হক নাসিম : হু হু, দুইয়ে থাকতাম।
জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, জাস্টিস মো. আনোয়ারুল হক, এটা হচ্ছেন আরেকজন আছেন। উনিও আপনাদের একই সাথে হইছে না? একদিনে? এবং ৩০-৭এ কনফার্ম হইছেন আর কি। মানে ৩-৭-২০০৩-এ। নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সে-ও দেখা যায় যে একই দিনে।
নিজামুল হক নাসিম : একই দিনে, হ্যাঁ। দেহেন চাই মূসা খালেদটা কী লিখছে। হেও বাদ পড়ছিল একমাস পর, আবার কনফার্ম করছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, কে?
নিজামুল হক নাসিম : মূসা খালেদ। দেখেন, মির্জা হোসেন হায়দার, তারপর মূসা খালেদ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মূসা খালেদ হচ্ছে এলিভেটেড অ্যান্ড অ্যাপয়েন্টেড জাজ অন ২৭-৮-২০০৩।
নিজামুল হক নাসিম : সময়মত কনফার্ম না হইয়া ২৭-৮ এ কনফার্ম হইছে। গ্যাপ পড়ছে কিছু দিন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এর আগে। আগে হইয়া গেছে আবার হায়দার ভাই। হায়দার ভাইয়েরা ঢুকে গেছে সেইখানে। ওনিও তো একই দিনে হইছে। অ্যাপয়েন্ট আপনাদের সবগুলো কি একই দিনে করছিল নাকি।
নিজামুল হক নাসিম : হুঁ, কিন্তু কনফার্ম কেবল দেড় মাস পড়ে হইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা একটা সিরিয়াসলি অকাম করছে। কোথায় আপনারা একেবারে এক নম্বরে থাকার কথা! হাসমত আলী দেখি কী অবস্থা।
নিজামুল হক নাসিম : এর পরের ব্যাচের।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারিকুল হাকিম দেখা যায় ২০০২-এ। না ঠিকই আছে। ওইটা এরা ওভাবেই মেনটেইন করে আর কি। আপনার সাথে আর কোন কথাবার্তা হয়নি ওনার আর?
নিজামুল হক নাসিম : জহির সাহেবের?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বিদায়ী কথাবার্তা কিছু?
নিজামুল হক নাসিম : হু হইছে হইছে। আমরা তো বিদায় দিলাম। লাস্টে গাড়িতে তুইল্যা দিলাম একেবারে যাইয়া। নিচে নাইম্যা তুইল্যা দিলাম গাড়িতে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে তাহলে জানতেন না? ওনাকে জাস্ট বুঝি ডাকছে, তাই না? কীভাবে ঘটনা ঘটছে, কীভাবে?
নিজামুল হক নাসিম : ওনাকে বোধহয় পরশু রাত্রেই কইছে। তারপর আজকে ডাকইয়া নিয়া গেছে। জানত কি না আমি কইতে পারি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, দেখা যাক এখন— হা…হা… (হাসি)। লাভ হইব না লোকসান হইব। এটা আমরা হিসাব করতে হইব পরে।
নিজামুল হক নাসিম : হু… হু… (হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এখন যেটা বোঝার চেষ্টা করতেছি। এখন যেটা হইল ওইটারে ওস্তাদের ওপর উস্তাদিটা করলটা কে আর কি? এখন এই যে যারা আসলে পক্ষের মানুষ না। যারা আসলে জিনিসটাকে… করতাছে সব কিছু জেনুইন জিনিস না। কি, ভুল হইছে নাকি স্ট্র্যাটেজি হিসাবে? এটা তো সুপার ফাস্ট স্পিডে হইছে আরকি। এটা তো সন্দেহজনক স্পিডে হইছে এবং এইডা হইয়া গেল। তারপর একটা হলো যে আবার, এইটা পাবলিকলি জানিয়ে দিল। এটা তো হওয়া উচিত না আসলে। এখন দেখা যায় কি যে, প্রথম আলোতে নাম পড়তেছি আমি। প্রথম আলোকে জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম বলছেন আইনমন্ত্রী।
নিজামুল হক নাসিম : কী লেখছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক হিসাবে হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী শফিক আহমদ বাংলা প্রথম আলো ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী এ নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন শেষে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। এখানে কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর কোনো ব্যাপার নাই আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মালুম ভাইয়ের কাছে বুঝতে হইব আসলে কী হইল? এখন তো দেখা যায় পাবলিকলি আইনমন্ত্রী ওইটা আবার অন করতেছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কী ব্যাপার? এই লোকের নাম তো কখনও আসে নাই।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : নাকি এইটা আসলে একটা প্যাসি লোক হইয়া গেছে? ঠিক আছে তাহলে। আজকে তো সাকা চৌধুরীর উইটনেস হইছে তাহলে।
নিজামুল হক নাসিম : দুইজন হইছে, দুইজন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দুইজন হইয়া গেছে! আজকে একদিনেই।
জিনামুল হক নাসিম : জেরা নেয় নাই। জেরা পরশু করবে। আজকে টিটো ভাইয়ের বার্থডে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা ওনারা কি কিছু করতেছে নাকি।
নিজামুল হক নাসিম : বাসায় দাওয়াত আছে যামুয়্যনে এখন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে ঠিক আছে যান। এটা খুব ভালো, এটা আমি দেখছি বাংলা নিউজে সকাল বেলাতেই বড় করে একটা রিপোর্ট করছে। ভেরি গুড। ঠিক আছে তাহলে।
নিজামুল হক নাসিম : থ্যাংক ইউ।

স্টেট, বললেন যে রায়টা তাড়াতাড়ি দেন…… বিচারপতি
কথোপকথনের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁলো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেমন আছেন, কেমন?
নিজামুল হক নাসিম : আছি, ভালোই। আপনি কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি-আছি, আচ্ছা আপনারে স্ট্রাকচারটা পাঠাইতে পারলাম না। আজকে আমি সারাদিনেই বাইরে ছিলাম।
নিজামুল হক নাসিম : দেরি হইল আসতে, কাজে ছিলেন মনে হয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ..।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি এখনই ঢুকছি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের তো স্টেট মিনিস্টার যাচ্ছে হজে.., স্টেট … স্টেট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ…।
নিজামুল হক নাসিম : আজকে আসছিল আমার লগে দেখা করতে সন্ধ্যায়। উনি বললেন যে, রায়টা তাড়াতাড়ি দেবেন। আমি কইলাম, কেমনে দিমু। রায় তো আর এক পৃষ্ঠার না…। আপনার ডিকটেট পাইলে পরে সময় পাইলে, এক মাস ধইরা রেডি করতাম। কয় কি যে, তাড়াতাড়ি চেষ্টা কইরেন। তা-ই কইল-টইল আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি বলছেন যে, এইটা কি হবে না? হবে বা কি হচ্ছে। মানে এই রায় সংক্রান্ত। এ ব্যাপারে…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এইডা বলছি। প্রবলেমটা কী হেইডা বলছি। হ্যাঁ…। গোলাম আযমডার দশ সাক্ষী। হের পর দুই ট্রাইব্যুনালের ম্যাটার-মুটার। কয় যে, আমি আইস্যা আপনাগো দুই ট্রাইব্যুনাল একত্রে স্যারের লগে এক রুমে বসাইয়া আলাপ করাব। গোলাম আযম আপনারা আগে দিবেন, তার পরে তারা দেবে-ওয়েট। আমি হাসলাম। বললাম, ঠিক আছে, ইউ ক্যান ট্রাই। আমি বললাম, দেখেন জাজরা কিন্তু অন্যের কথা শুনে না। এইটা জাজদের একটা ক্যারেক্টার এইডা। শুইনা হাসে, যাই হউক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও আচ্ছা, ফিরবেন কবে উনি?
নিজামুল হক নাসিম : তা তো জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ইউজিয়ালি তা বোধ হয়, এক-দুই সপ্তাহ পরে ফেরে…।
নিজামুল হক নাসিম : ঈদ তো ধরেন আগামী মাসের ফাস্ট উইক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, ইউজিয়ালি হজের এই টোটাল প্রসেসটা কত দিনের? দুই সপ্তাহের নাকি না, আরো বেশি সময়ের?
নিজামুল হক নাসিম : হজ তো.. এমনে তো মানে আপনার দুই সপ্তাহের মতো লাগে। কিন্তু এহানে অনেকের তো থাকতে হয় একমাস-চল্লিশ দিন। ওই যে মদিনার বেশি নামাজ পড়ে। আবার মক্কায় বেশিই সময় থাকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না মানে… ওইখানে কি এইটার কোনো কম্পালসারি এলিমেন্ট আছে? কি না, নাকি না…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, কম্পালসরি এলিমেন্ট তো পাঁচ-সাত দিনের ব্যাপার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, তারপরে বাকি যেগুলো, সেগুলো হচ্ছে অতিরিক্ত। যে যা করতে চায় আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হু-হু, কারন মদিনা তো হজের পার্ট না, মদিনা। কিন্তু মদিনা তো সবাই যাইবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, মদিনা হজের পার্ট না?
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা! কিন্তু সবাই তো মদিনায় যাইতে চায়, মদিনা যাওয়া তো অলমোস্ট…।
নিজামুল হক নাসিম : স্বাভাবিক, স্বাভাবিক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মদিনা যাওয়া তাইলে কম্পালসারি না!
নিজামুল হক নাসিম : কম্পালসারির মতো হইয়া গেছে, কাস্টমস আর কি। কিন্তু হজের নিয়মের মধ্যে কোনো কম্পালসারি না। হজের নিয়ম হইল, আরাফাতের ময়দানে থাকা, মুজদালিফায় যাওয়া, আর ইট মারা— ব্যস, আর কোরবানি দেওয়া, শেষ। তিন-চারদিন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। অ্যাটলিস্ট মেসেজ তো তাইলে একটা গেছে। আজকে আমাদের তরফ থাইকাও আইনমন্ত্রীর কাছে, আজকে সকালে গেছে মেসেজটা বইলা আমি আশা করতেছি। এখনও কোনো কনফারমেশন পাইনি। বাট দ্যাট ইজ মাই এক্সপেক্টেশন
নিজামুল হক নাসিম : কী মেসেজ গেছে, কী মেসেজ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই একই। আপনি লাস্টের মেসেজ যেটা বলছেন আর কি। আমি আসব, এইটা জানানো হইছে। আর হচ্ছে যে, এই আর কি যে, আমাদের প্রেফারেন্সটা হচ্ছে বা আমরা চিন্তা করতেছি, আমাদের সাজেশনটা হচ্ছে যে, এইটা যেন, এই সিদ্ধান্তটা কোন কেসটা আগে যাবে। এইটা যেন একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের ভিত্তিতে করা হয়। এবং যেটা সবচেয়ে বেশি ইম্পোর্টেন্ট কেস, যার দায় দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি, যে লোক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেই কেসটাকেই আগে ইয়ে করতে হবে। করা উচিত আমরা মনে করি। তারপর তো আমরা রেডি আছি…।
নিজামুল হক নাসিম : উনি একটা কথা বলছেন। একটা কথা অ্যাগ্রি করছে। যে, গোলাম আযম… দ্যাট ইজ সাঈদী, আর সাকা, এয়া তো ভিন্ন কেস। আর গোলাম আযমডা করলে তারপরে নিজামী, মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান— এ সবেই করা যাইতে পরে। এইডা ফলো কইরা। প্রিন্সিপাল ঠিক কইরা দিয়া। এটা উনি এগ্রি করছেন। তার চেয়ে গোলাম আযম যদি একটু লেইটেও হয়, কিন্তু সাঈদী আর সাকা আগে হইলেও খুব বেশি অসুবিধা হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, বাট সেইটা হইলেও তো আসলে তারপর হচ্ছে যে, ট্রাইব্যুনাল-ওয়ানকেই আসলে জাজমেন্টটা দিতে হবে— প্রথম জাজমেন্টটা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ এইটা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা এদিক হউক, আর এই প্রিন্সিপলে আসলেও তো আমরা যদি ধরে নেই, এটা হলেও তো, আপনাদেরকেই দিতে হবে প্রথমে। অর্থাত্ ট্রাইব্যুনাল-টু কোনো অবস্থাতেই জাজমেন্ট দিতে পারবে না আগে। যদি এই প্রিন্সিপাল আমরা ফলো করি। আজকে কি আপনি ওথ টেইকিংয়ে গেছিলেন নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, যাবো না কেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, মানে নিউজে দেখলাম আর কি যে, সব জাজেসরা ছিল, তার মানে আপনিও নিশ্চয়ই গেছিলেন।
নিজামুল হক নাসিম : হুঁ, এইটা হলো আমাদের ট্র্যাডিশন। আর আজকের দুই জন তো আমারই লোক। রুহুল কুদ্দুস বাবু (যিনি খুনের মামলায় প্রধান আসামি ছিলেন বিচারপতি হওয়ার দুই দিন আগে পর্যন্ত) আর ফরিদ আহমেদ। ফরিদ আহমেদ আমিনুল হক সাহেবের জুনিয়র না…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই যে, ও আচ্ছা বুঝছি, ওই ফরিদ আহমদ… মানে কালো যে ছেলেটা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, হ্যাঁ, কালো ছেলেটা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ বুঝছি, উনি কি ইয়ের সাথে বসেন? অ্যা… সামছুদ্দিন সাহেবের সাথে বসেন?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এখন উনি বসেন, এই মুহূর্তে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, আজকে আপনাদের কোনো খবর দেখতেছি না, পত্রিকাতে।
নিজামুল হক নাসিম : আমাগো যা, আজকে তো সারাদিন চলছেই। সাঈদীর ছেলে কাগজ জমা দেছে তাদের। তাদের ডকুমেন্ট জমা দেছে, এভিডেন্স। সারাদিন সেডাই চলছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা কি তার চিপ হইতেছে… নাকি ক্রস হইতেছে?
নিজামুল হক নাসিম : চিপ-চিপ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : (একটু কাশি) এইটা আবার আরেকটা ব্যাড কনসার্ন।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন :হাইকোর্টের ছুটি… সুপ্রিমকোর্টের ছুটি তো দেখলাম, ১৯ তারিখ থাইকা ছুটি শুরু হচ্ছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু..ম। ওই তো ১৯ তারিখ শুরু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, নেক্সট টার্মে দেখলাম, আনোয়ার ভাইয়ের ইয়ে আছে, মানে কনফারমেশন আছে। ডিসেম্বরে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ডিসেম্বরে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভেরি গুড। একটা ইন্টারেস্টিং নিউজ পাঠাইলাম। একটা নিউজ— আরশাফুজামান খান তো সৌদি আরবে চলে গেছে মনে হচ্ছে।
নিজামুল হক নাসিম : কী… বাঁচার জন্য?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে ওয়ান অব দ্য, মানে… তার একটা ব্যবস্থা আছে। তার তো অনেক রকম ব্যবস্থা আছে, আরশাফুজ্জামান খানের। তার একটা ব্যবসা হলো যে, সে এই.. হাজী নিয়ে যায় সৌদিতে। প্রতি বছরে হজের সময়। সে অরগানাইজ করে লোক নিয়ে যায়।
নিজামুল হক নাসিম : ভালোই ধান্দামি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমেরিকান আর কি। মানে আমেরিকান বাংলাদেশী, প্রবাবলি বাংলাদেশী… আমি গেস করতেছি। অন্যরাও হবে আর কি, সে…। তার মানে সে যতটুকু জানতে পারছি, সে হচ্ছে এই মুহূর্তে মোস্ট লাইকলি ইয়েতে আছে। এবং তার সম্পর্কে এমেরিকান গভর্নমেন্টের অলরেডি কিছু ইন্টারেস্ট ছিল আর কি। যে, এর আগে যে বিভিন্ন রকম অ্যাকটিভিজমের কারণে। অ্যা… কিন্তু যথেষ্ট পরিমাণ, মানে এমেরিকাতে তো আসলে যারা একটু, যারা এই ধরনের লোকদের তাদের দিকে তো সরকার এমনিও নজর রাখে। তার উপরে নজরদারি আছে, তার উপরে ইন্টারেস্টও আছে, বহু বছর ধরে তো তার সম্পর্কে লেখালেখি হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সুতরাং, এরা আছে। ওইখানে আছেন আরেকজন ভদ্রলোক, জামান হাসান। তো একটা আর্টিক্যাল লেখার করণে সে আবার ল’ইয়ারের নোটিশও পাঠাইছিল। এটা অনেক আগের কথা। কয়েক বছর আগে কথা। লিগ্যাল নোটিশ পাঠাইছিল। তখন আমি বলছি, ঠিক আছে। আমরা ঠিক করছি যে, লিগ্যাল নোটিশটা পাঠাক, সে ঠিক আছে। সে ইয়ে করুক। আমরা উত্তর দিছি ওইটাতে যে, ঠিক আছে তুমি মামলা কর আর কি। তখন তার বিরুদ্ধে যে, যদি আমাদের ইরিজনেবল ইয়ে থাকে আর কি, ইনফরমেশন থাকে। তাহলে এইটাকে এটা কনটেম্পট বা ডিফামেশন হওয়ার সম্ভবনা নাই আর কি। এবং কেউ তাকে একিউজ করেন নাই। সব সময় এটাকে— তাকে বলা হইছে যে, সে এটার দায়ী বলে মনে করা হয়। সো ওইটা যখন তাকে চ্যালেঞ্জ করা হইছিল, তখন সে আর এইটা পারসু করে নাই আর কি। সো… এখন সে, এখন এমেরিকানরা আসলে রিয়েলি ওই সব, ওই সমস্ত কনটেম্লট ইয়ে করা হইছে আর কি। মানে রিএস্টাবলিশ করা হইছে খুব দ্রুত ভিত্তিতে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারেকরে (প্রসিকিউশনের একজন সদস্য) জানানো হইছে কিছুটুক। কারণ তাকে ওই কনটাক্ট দেওয়া হইছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো, এখন অ্যাটলিস্ট আরশাফুজামান খান নিয়া আমাদের, মানে আমার চিন্তা হচ্ছে তিনটা পর্যায় আর কি। একটা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে যেটা হওয়ার যে, যেটা হওয়ার সেটা যেন খুবই হাইকোয়ালিটি একটা (কাশি) ফরমাল চার্জ হয়। এবং চার্জটাকে সুন্দর করা যেটা কাজে লাগাতে পারে। সলিড একটা কিছু। বাট আমি জানি না এখন ইনভেস্টিগেশন কী করেছে বা কী করে নাই বা কী অবস্থায় আছে আর কি? সেকেন্ড হচ্ছে অ্যামেরিকা থেকে সম্ভাবনা আছে তাকে ফিরত নিয়া আসা। কারণ সে এমেরিকার নাগরিক। ইভেন এমেরিকান জুরিসডিকশনে কোন ডেথ প্যানালটি নিয়ে, কোনো প্রবলেম নাই আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো… যেমন এই যে, মহিউদ্দিনকে, বঙ্গবন্ধুর কিলার মহিউদ্দিনকে যেরকম ইয়ে দিল এমেরিকানরা। ওদের ওই ধরনের প্রবলেমটা নেই। আর নাইন-ইলেভেনের পরই ইসলামিস্টদের উপরে আমেরিকানদের নজরদারি এবং তাদের ব্যাপারে তাদের কোনো খুব একটা বেশি কোনো, টান-টান নাই আর কি। সো… যেটা হতে পারে, সেটা হলো যে, সে সৌদি আরবে… নাও আসতে পারে। যেহেতু ব্যপারটা প্রকাশ হয়ে গেছে। এটা আমরা ধারণা করতেছি। না থাকলেও সে যেহেতু অ্যামেরিকান, সে যেখানেই থাকুক অ্যামেরিকান ‘ল’ এবং এমেরিকান ‘জুরিসডিকশন’ তার উপরে অ্যাপস্নাই করা যাবে আর কি। সেকেন্ড অপশঅনটা হচ্ছে বাংলাদেশে খুবই ভালো ভাবে করা। সেকেন্ড অপশনটা হচ্ছে যে, অ্যামেরকান গভর্নমেন্টকে এবং এমেরিকান পার্টিকুলারলি জাস্টিজ ডিপার্টমেন্টকে, এমেরিকাতে তো মানে আলাদা আলাদা ডিপার্টমেন্ট আর কি। জাস্টিজ ডিপার্টমেন্টগুলোকে যারা এই ধরনের ইনভেস্টিগেশন-স্পেশাল অফিস অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর-ইনভেস্টিগেশন ও এফআই বলে। তাদের আলাদা অফিস আছে। যাদের কাজই হচ্ছে, ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার ক্রিমিনালদেরকে খুঁইজা বের করা, তদন্ত করা, ডিল করা, আসলে ইফেক্টিভলি। সেই অফিসের লোকেরা, এটা অলরেডি তারা জড়িত এটা সঙ্গে। তারা কিন্তু একটা চিঠি দিছিল, ওম… ওম… আমাদের এই সরকারের সময়েই আর কি। এবং ছোট হোম মিনিস্টার যে টুকু মিয়ার অফিসে গেছিল সেই চিঠি। এবং সেই চিঠি তারা মিডিয়াতে দিয়ে দিয়েছে। ফলে দে ওয়্যার ভেরি ভেরি আন হ্যাপি সরকারের সাথে।
তারা চাচ্ছিল যে, তাদের যেটা পস্ন্যান ছিল, আরশাফুজামান খানের বিরুদ্ধে যেসব সাক্ষী, যে পাঁচ-সাতজন সাক্ষী বোধহয় তখন পর্যন্ত বেঁচে ছিল বা পাওয়া যাচ্ছিল। তাদের প্রস্তাব ছিল ওই চিঠিতে যে, ওই সাক্ষীদেরকে সাম হাউ কোনো অবস্থাতে যদি ইন্ডিয়াতে, ইভেন কলকাতাতে নিয়ে এসেও যদি তারা ইন্টারভিউ নিতে পারে আর কি।
এবং তারা যদি স্যাটিসফাইড থাকে, তাহলে তখন তারা আরশাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে প্রসিড করতে পারে। কিন্তু এই ধরনের চিঠিটা লিক হয় যায় আর কি, মিডিয়াতে। ফলে, তাদের এই ধরনের চিন্তা-ভাবনাগুলা সব, মানে বন্ধ হয়া গেছে। এখন আবার নতুন কইরা শুরু করা হইছে। হোপিং যে, একটা ভালো ইনভেস্টিগেশন রিপোর্ট হইছে। অথবা একটা চার্জ হবে আর কি। চার্জ হয়া গেলে তা জুডিশিয়াল ডকুমেন্ট হয়া গেল।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, তা তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো… ওই জন্য চার্জটাকে কোয়ালিটি করতে হবে। আর হলো যে…
নিজামুল হক নাসিম : চার্জ কোয়ালিটি করাতে হলে আমি তো আমার… শুনতে হয়তো খারাপ শুনাইবে। যে, দুই নাম্বর ট্রাইব্যুনালে গেলে চার্জ কোয়ালিটি হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন এইটাকে কি পিছাইছে? আমি আজকে পর্যন্ত কোনো খবর রাখি নাই আর কি। মানে এটা এখনও পর্যন্ত ডিসাইড করে নাই তারা। তার মানে এখানে এইডা নিয়ে টানাটানি চলতেছে মনে হচ্ছে আমার। তার এইটা, এইটা তারেক ছাড়া অন্য কোনো প্রসিকিউটর পারবে না। দুই নম্বরে, এইডা আমি এখন বলতে পারতেছি না। এইটা চার্জ কোয়ালিটি করতে হবে। ফরমাল চার্জটা কোয়ালিটি করতে হবে। কারণ আমরা মইনুদ্দিনকে কিন্তু ইউকে থাইকা আনাতে পারব না। আনলেস অ্যান্ড আনটিল সরকার রিটেন গ্যারান্টি দেয় ব্রিটিশ গভার্নমেন্টকে যে, প্রসিকিউশন তার ডেথ পেনালটি সিক করবে না। এবং তাকে ডেথ পেনালটি ইম্পোজ করা হবে না। অর্থাত্ প্রসিকিউশনও চাইবে না। দেয়ার ফর ইম্পোজ করার প্রশ্ন নাই আর কি। মানে এই ধরনের রিটেন গ্যারান্টি দিতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম : আর যদি জাজমেন্ট, মানে লাইফ। জাজমেন্টে লাইফ ইনপ্রিজনমেন্ট দেয়? ৫০ বছর, ৬০ বছর, ১০০ বছর?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : লাইফ ইনপ্রিজনমেন্টে অসুবিধা নাই। কিন্তু ওরা অ্যাজ এ পলিসি অ্যাজ এ পাবলিক পলিসি। ব্রিটিশ পাবলিক পলিসি হচ্ছে, ওরা যে দেশে ডেথ পেনালটি ‘ল’তে আছে, ইম্পোজ করা হয়, প্র্যাকটিস করা হয়, এবং আছে যে অভিযোগের চার্জ করা হচ্ছে বা যেসব অপরাধের কথা বলা আছে, সে অপরাধে ডেথ পেনালটি হতে পারে। এই ধরনের সম্ভাবনা থাকলেও তারা তাকে দিবে না।
নিজামুল হক নাসিম : না আমি বলছি যে তার অ্যাবসেনশিয়া ট্রায়াল হয়ে যাক। জাজমেন্ট হয়ে যাক। তখন দেহা গেল যে, ১০০ বছর জেল হইছে। তহন কি হইবে? দেবে না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তখন কোনো অসুবিধাই নাই।
নিজামুল হক নাসিম : তহন (তখন) দেবে না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তখন তারা, তখন তারা তাকে পাঠাইতে… তারা বলবে যে প্রসেসটা ফেয়ার হইছে কি না, আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হেয়া তো ভিন্ন কথা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ফেয়ার ট্রায়ালটা হইছে কি না?
নিজামুল হক নাসিম : হইলে ছাড়বে না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ফেয়ার ট্রায়াল হইলে… ফেয়ার ট্রায়ালটা হইলে ছাড়বে। অ্যাবসেনশিয়া হইলেই তারা ধরে নেয়, মানে ফেয়ার ট্রায়াল হয় না আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ওহ!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা ইন্টারন্যাশনাল প্রাক্টিসটা হচ্ছে যে, যখন আপনি ইন-অ্যাবসেন্সে বিচার হলে, এটা ফেয়ার ট্রায়াল হচ্ছে না। কারণ আপনি তাকে, মানে সে নিজেকে তখন ডিফেন্ড করতে পারতেছে না। এইখানে সমস্যা আছে। কাজেই মইনুদ্দিন নিয়ে আমি কিন্তু খুব একটা আশাবাদী না। মানে…, মইনুদ্দিনকে কিছু করতে হইলে এই এভিডেন্স দিয়া যদি ব্রিটিশ গভার্নমেন্ট রিফিউজ করে পাঠাইতে, তাহলে তখন একটা ক্যাম্পেইন করা যাইতে পারে ইউকেতে। এবং তাদেরকে চাপ দেওয়া যাইতে পারে যে, তোমরা তার বিচার করবা তা হলে। এবং এইডা তারা করতে পারে। ইউকে আইনের জুরিসডিকশন আছে ইউনিভার্সেল জুুরিকডিকশন আছে। তার নাগরিককে সে যদি অপরাধ কইরা থাকে জীবনের কোনো এক সময়, তাহলে এটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম। তাহলে তারা বিচার করতে পারে। কিন্তু সেইটা আমি জানি না যে, আমাদের গভার্নমেন্ট বা আমাদের ওখানে কেউই নাই আর কি। সো, ওইটা কতটুকু ইফেক্টিভ হবে, সেটা না। আর মইনুদ্দিন অনেক পাওয়ারফুল। সে ওইখানে রয়েছে। এবং তার নেটওয়ার্ক অনেক, মাচ স্ট্রংগার দেন আরশাফুজ্জামান খান। আরশাফুজ্জামান খান একটু বেকায়দায় আছে আর কি, আমেরিকাতে। কাজেই আরশাফুজ্জামান খানের যেডা, আসলে রিয়েলি মানে কঠিন ক্রিমিনাল। সে আসলে রিয়েল ক্রিমিনাল একেবারে।
নিজামুল হক নাসিম : মইনুদ্দিন তো ভীষণ ক্রকেড, মইনুদ্দিনকে আমি চিনি। মইনুদ্দিনকে আমি ছাত্রজীবন থেইকাই চিনি। সে তো ভীষণ এবং ক্রকেড টাইপের লোক। বাজে লোক একবারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো, এখন এইটার সম্ভবনাটা কম। কিন্তু আরশাফুজ্জামান খানকে, এমেরিকাতে যেহেতু লিগ্যাল সিচুয়েশন ভালো। মানে পলিটিক্যাল সিচুয়েশন ভালো। তো… ফলে ডুয়েবল টাইপের। এই জিনিসটার ব্যাপারে আমাদেরকে ইয়ে করতে হবে। শক্তভাবে ধরতে হবে আর কি। এবং এইটা এমনিই করা যাবে। মানে এইটা তাদের ওখানেও ইয়ে করা যাবে। তারা যদি, ওখানে যদি কোনো অবস্থাতে যদি না পাঠানো হয়ও আর কি— তারাও প্রসিকিউট করতে পারবে। এবং ফাইনালি যেটা করতে হবে, মানে তিন নম্বর যে কাজটা আছে হাতে, সেইটা হলো যে, ওইটা অটোমেটিক হয়ে যাবে। জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট যদি নিয়ে নেয়, তার আমেরিকান সিটিজেনশিপটা রিজেক্ট করা হয় আর কি। যদি এমেরিকান সিটিজেন কেউ হয়। সে যদি কোনো আন্তর্জাতিক অপরাধের সাথে জড়িত হয়, বা জড়িত ছিল, এই ধরনের কোনো তথ্য যদি এই… এই সরকারের হাতে আসে, তা হলে সরকার তাকে ওই সিটিজেনশিপটা অ্যা.. করতে পারে। রিভোক করে দিতে পারে। সো আমরা চাইব, সেইটাও করতে আর কি। সো তিন নম্বর কাজ হইল সেইটা। ওইখানে এটা করা যাবে। এতদিন পর্যন্ত করা গেছিল যদি সরকার। আমরা তো আগে প্রথম শেখ হাসিনার সরকারের সময় তো চাইছি। সেই জিনিসটাই তো আমারা করছি। সেই জিনিসটাই তো আমরা চাইছিলাম। শেখ হাসিনা তো তখন বইলা দিল যে পরের সরকারের সময় আমলে আমরা বিচার করব। এখন করব না। এখন তুমি বাদ দেও। সো, এইটা তো হইল না আর কি। কারণ আমরা ওই তখন এই যে, এই যে, আশরাফুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে প্রফেসার গিয়াসউদ্দিনের বোন যখন অভিযোগ করল আর কি থানাতে, রমনা থানাতে তো সেই কেসটার ইয়ে চাচ্ছিলাম আর কি। এভিডেন্স চাচ্ছিলাম আর কি। কিন্তু এইডা তো দিল না আর কি। এবং এইডা তো তখন কিছুই হয় নাই আর কি। ঘুমিয়ে পরে আছিল তখন থেকে। সো, এখন হচ্ছে অ্যা… অ্যা… এই কেসটাতে আমাদের সাকসেসের সম্ভাবনা অনেক বেশি আছে। এবং এইটা হবে। তাকে হয় এইখানে হাজির করা যাবে। ইভেনচুয়েলি ওর, যদি কোনো অবস্থাতে হাজির করা না-ও যায়, তার অ্যাবসেনসে অ্যাকশন নেওয়া যাবে। বাট অ্যাজ মইনুদ্দিনের ক্ষেত্রে আইএম নট ভেরি সিওর। সেই জন্য দুইটাকে উরা যেইটা ইনভেস্টিগেশন থেকে বলা হয়েছে, যে, এই দুইডাকে একসাথে করা। একটা সিংগেল কেস করতে দুইজনের বিরুদ্ধে। এটা জয়েন্ট করবে।
নিজামুল হক নাসিম : এডা মনে হয় হবে না। এডা তারা ঠিক করবে, মনে হয় হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা আমি, এইটা আমার, এইটা আমি মনে করি যে, ঠিক হবে না আর কি। আর অ্যা…। আর এমনেই যদি বিশেষ কইর্যা ভাগাভাগি কইরা দিতে হয় ট্রাইব্যুনালকে। তাহলে তো আরো ঠিক হবে না। আপনারা কেন যে, দুইজনকে একসাথে একটা সিংগেল ইয়েতে চিঠি লিখেছে। আলাদা ভাবে না কি। এটা আমাকে জানানো হইছে। যে, চিফ প্রসিকিউটারকে তারা জানাইছে যে, এডা একটা, একটা কেস করবে। সো এইটা, এইটা হওয়া উচিত না আর কি। সো, তারপরও যদি দেখি না আসলে অ্যা..র ভেতরে কী আছে। এইটা তো কাজেই ওইটা নিয়ে একটু কাজ হচ্ছে। এবং এইটা আগে থাইকা আমরা কিছু কনটাক্টগুলা কইরা রাখা হইতেছে। সো, দ্যাট যেন সে এইটা ওই লোকের একটু বিপদ আছে। যেহেতু গভার্নমেন্ট এবং লিগ্যাল সিচুয়েশনটা একটু ডিফারেন্ট। আর ইউকেতে প্রসিকিউটিব অথোরিটি কিন্তু ইন্ডিপেডেন্ট একেবারে। আমেরিকাতে প্রসিকিউটিভ অথরিটি এত ইন্ডিপেন্ডেন্ট না। আর ওরা খুব অ্যাগ্রেসিভ এমেরিকানরা। সেইটা ডিপার্টমেন্ট না। অবশ্য কিন্তু জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট না। সো এটার এইটা-এইটা হলো মানে আজেকের, কালকে থেকে আজকের, মানে আজকে রাতের নতুন খবর এটা। ইট ইজ গোইং টু হ্যাপেন। এখন আমরা জানি না। সে আজকে দেখি যে, বোঝা যাবে যে, উনারা আজকে এটা ঠিক করার কথা। যে, কাকে দিতেছে। এইটা নিয়ে অনেক ইয়ে হইতেছে। মানে প্রসিকিউটারদের ভিতরেও তো একটু ইন্টারেস্ট আছে।
নিজামুল হক নাসিম : ও…আলতাফ চাইছে, এডা চাইছে। কি জানি আরেকটার নাম, হের পার্টনার? রহমান হাওলাদার চাইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সিমন চাইছে। তারা তখন ইংল্যান্ডে যাওয়ার কইব আর কি, এইডার জন্য। আমি আমেরিকা যাই আর ইংল্যান্ড যাই আর কি। আর এইটাতে অনেক টাকা-পয়সার ব্যাপার আছে। এইটা ওরা সবাই জানে। আর এটার দু নম্বর দিক তো, মানে আমাদের ইয়ের বাইরেই চলে যাবে।
নিজামুল হক নাসিম : আ…র খবর-টবর কী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না এটাই আজকের মেইন খবর ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো ঠিক আছে তা হলে, রেস্ট নেন। ওকে।
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক আছে। আল্লাহ ভরসা।

আমি তো কোনো এডজর্নমেন্ট দেই না : বিচারপতি
আমাদেরও ইয়ে ছিল যে, গোলামকেই প্রায়োরিটি দিতে হবে, সাইদির কেসটা খুব লাইট ওয়েট কেস
আসলে, ওই লোকের (বিচারক শাহিনুর) টার্গেটই হলো যে, সে সবার চেয়ে বেশি বুঝে : আহমদ জিয়াউদ্দিন
কথোপকথনের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর-২০১২
নিজামুল হক নাসিম : জি! কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি, আপনি কেমন আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : জি, আছি। কালকে একটা বিয়েয় (বিয়েতে) গিয়েছিলাম, তাই থাকতে পারিনি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : আপনার শরীর কেমন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছে, আমার শরীর আছে।
নিজামুল হক নাসিম : আপনার শরীর কেমন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছে। আমার শরীর আছে। এখন আমি এ রিপোর্টগুলো পাইনি আর কি। ল্যাবের রিপোর্টগুলা আসে নাই। এগুলো বায়োপসি করেছে তো, এগুলো এলে তারপর, আপনার, বোঝা যাবে যে কী হয়েছে। বাট, আমি ধরে নিতেছি যে, বেশি সমস্যা হওয়া উচিত না আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আমারও ডাক্তার দেখাতে হইবে। আমারও পা দুইটা ফুলছে। দুই পা-ই, কালকে যাব আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কি পায়ের গোড়ালি, না কি অন্য কোথাও?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ উপরে উপরে গোড়ালি না উপরে একটু ফুলা দেখতাছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কি হাঁটুর নিচে না…?
নিজামুল হক নাসিম : হাঁটুর নিচে, নিচে; পায়ের পাতার উপরের পার্টটা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরে আল্লাহ!
নিজামুল হক নাসিম : কি খুব খারাপ জিনিস?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না না না… এমনি, এমনি, খারাপ জিনিস না। এটা হতে পারে যে, কোথাও ব্যথা-ট্যাথা তো লাগে নাই, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : না, ব্যথা লাগে নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জুতা-টুতা পরে তো কোনো ইয়ে হয়নি আর কি?
নিজামুল হক নাসিম : না, না, না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তা হলে এমন কিছু না। ডাক্তার দেখানো যায়।
নিজামুল হক নাসিম : হুঁ, কাল বিকালেই যাব, ডাক্তার দেখাব, আর কি। তারপর দেখা যাক, (সুখের মতো করে) ও আল্লাহ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনাদের বিল্ডিংয়ে মনে হয় মিলাদ-টিলাদ ছিল, ইয়ে ছিল আর কি… ইয়ে আমাকে বলল যে…
নিজামুল হক নাসিম : ওই বিল্ডিংয়ে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ?
নিজামুল হক নাসিম : ওই কালকে শাহিনের আবক্ষার… মারা গেছে তো, মিলাদ পড়ছি আর কি। আমাদের শাহিন, ওবাইদুল হাসান শাহিন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, সেটাই শুনলাম আর কি যে, (নাকে টান দিয়ে) ঠাণ্ডা লাগছে। তো বলেন দেখি, আর আমি তো মাঝখানে কথা হলো, আমার এদের সাথে… অনেকগুলো, বেশ কিছু; বিভিন্ন ব্যাপারে কথা হয়েছে। আপনার সাথে কারও কথা হয়েছে কি না, কে জানে।
নিজামুল হক নাসিম : না, আমার সঙ্গে হয় নাই কারও কোনো কথা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ আমরা সেদিন, ওই একটু যে কথা বললাম। পরে আমি জানতে চাইলাম আসলে কী অবস্থা, আর কি। সেকন্ড ট্রাইব্যুনালের এই পার্টিকুলার। এখন এটা তো দেখাচ্ছে যে, কাদের মোল্লা এবং কামারুজ্জামান— ওরা যেভাবে চার্জটা ফ্রেম করেছে এবং তারা যেভাবে একটা ইয়ে করেছে, তাতে তারা খুবই দ্রুত কেসটা এগিয়ে মানে শেষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে আর কি।
এন- হ্যাঁ, করুক।… অসুবিধা কি? অ্যা..
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অসুবিধা কিছুই না। আবার একটু অসুবিধা আছেও বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে। কারণ তারা যদি প্রথম জাজমেন্ট দেওয়ার চেষ্টা করে আর কি। সেটা নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই ওরিড থাকব আর কি। যে, কারণ সেটা হচ্ছে, অ্যাটলিস্ট ওন সেটার হয়ে যাবে আর কি। যেটা হয়ে যাওয়া উচিত হবে না। আরও অন্যান্যভাবেও ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করবে আর কি— যেটা হওয়া উচিত না। আরও অন্যান্যভাবেও ক্রেডিট নেয়ার চেষ্টা করবে আর কি। এটাও উচিত হবে না। অঃ সড়ত্ব রসঢ়ড়ত্ঃধহঃষু আসলে যে আর কি। তারা যে প্রিন্সিপালগুলো সেট করবে আর কি, লিগ্যাল প্রিন্সিপালগুলা… সেটা নিয়ে আসলে তো উই ডন্ট নো। সেটা নিয়ে কিন্তু আমি আসলে… আমার এবং রায়হানের কথাও হয়েছে আমার সাথে কালকে। হুঁ, পরশু দিন, সরি, হুঁ। তাই একটু ইয়েতে আছি আর কি। এবং হিসাব-টিসাব করে দেখা গেল যে, আসলে কতদিন আছে, কোনটা কবে হইতে পারে, না পারে আর কি। এবং ওরা ছিল ওইখানে কালকে। ওই পরশু দিনের আলোচনাতে আমি ওদের সাথে, দুই-একজনের সাথে কথা বললাম। যারা ওই কেসে… ওইখানে প্রসিকিউশনে আছে। যেটা আর কি সাইফুল-টাইফুলরা;
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কী অবস্থা অ্যাকচুয়ালি তাদের? কথা-টথা তো হয় না? এবং তারাও বোধহয়, এটা নিয়ে একটু চিন্তায় আছে আর কি। কেইসগুলোকেও ছোট করে ফেলেছে। প্লাস হচ্ছে যে, এটাও রইছে, মানে এটা একটা ডিস্টিঙ্কট পসিবিলিটি- ডিস্টিঙ্কট না, তারা একটা মোর অর লেস কাইন্ড অব রোডম্যাপের মতো করছে। যে, আমরা যত তাড়াতাড়ি পারি এটা শেষ করব আর কি এবং এখানে তারা মানে আফটার লক্ষ্য তো আপনে ব্যক্তিগতভাবে আর কি। বাকিরা তো লক্ষ্য না আর কি। তখন দেখা যাবে কি যে, বলবে যে, আমরা বহু পরে শুরু করে বহু আগে শেষ করে দিলাম ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা কত কী জানি।
আর তার চাইতে বড় ড্যামেজিং যেটা হবে, সেটা হলো সেই দিক থেকে। তারা দেখছে, আর আমি দেখতেছি, আমরা দেখতেছি সেটাকে ড্যামেজে হিসাবে আর কি। এটা খুবই ইমপর্ট্যান্ট। এটা জাস্ট আপনাকে জানিয়ে রাখা যে, এই অ্যাসেসমেন্টটা হচ্ছে এবং এই জিনিসটা এইভাবে এগুচ্ছে আর কি। যে, তারা ৩টা কেস নিয়ে দ্রুত এগুচ্ছে কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান এবং আলীম। আর হচ্ছে এই দিক থেকে গোলামের ব্যাপারে। উনারা তো যেভাবে, সাক্ষী বোধহয় আরও কমিয়ে দিতেছে। মানে সুলতানা আপার পরে বোধহয় তারা আর কোনো সাক্ষী দিবে না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যদি না দেয়, তা হলে ওদের যদিও ওখানে বেশ কয়েকটা সিজার লিস্ট উউটনেস আছে। আমাকে জানানো হচ্ছে যে, সেটাকেও তারা ছোট করে দিতেছে। ফলে সিজার লিস্ট উইটনেসের আগে যেভাবে করা হইছে বা শুধু এই স্বাক্ষরগুলো এবং তারিখ, দিন-তারিখ ব্যাসিক জিনিসগুলো কনফার্ম করা ছাড়া এর চাইতে বেশি কিছু করানো হবে না। কাজেই এটা খুব দ্রুত আগাবে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেখানে প্রভাইডেড ওই জেরাটাকে যদি রেস্ট্রিক্ট করা যায় আর কি। সো, এটা আমাদের মনে হচ্ছে যেটা, সেটা হলো যে, যদি মানে, কোনো অবস্থাতেই গোলামটাকে যদি…। যেটা এর আগেও কথা হইছিল আমাদের, যদি গোলামটাকে (গোলাম আযম) যদি স্পিডআপ করা যায় আর কি। এবং এটাকে যদি প্রথম কেস হিসেবে শেষ করা যায়। তাহলে সবদিক থেকে পলিটিক্যালি ও সিগনিফিকেন্ট, লিগ্যালি ও ভেরি সিগনিফিকেন্ট। কারণ তার মতো সিগনিফিকেন্ট কেস নাই আসলে। কারণ লিগ্যাল কন্সট্রাকশনের উপরেই হোল কেসটা হবে, এবং মানে ওদারওয়াইজ ন্যাশনালি ও… সবদিক থেকেই খুবই ইমপর্টেন্ট আর কি। এটা নিয়ে কথা হইছে। তো উনারা আমাদেরকে কথার আলোচনার সময় আমরা জানব। মানে অনেকগুলা ছিল আর কি। মানে ফার্স্টটাইম মনে হয় সেদিন— সেদনিই এতগুলা প্রসিকিউটর এই পক্ষের প্রসিকিউটর ছিল এক সাথে এই স্কাইফের মিটিংয়ে, সেদিন। মালুম ভাইও ছিলেন, তারপর সিপন ভাইও ছিলেন, তারেক ছিলেন। যে, উনারা মনে করে যে ওনারা যদি অ্যাবাউট ২৫ দিনের মতো লাগবে তাদের এইটা শেষ করতে। তারা বোধহয় একটা ওয়ার্কআউটও করছে, এ রকম একটা। মানে ২৫ ওয়ার্কিং ডেজের ভিতরে এইটা শেষ করতে পারবে আর কি এবং দেখা যাচ্ছে কি যে, এই বছরটা শেষ হতে ৭৫ ওয়ার্কিং ডেজ বাকি আছে— কালকের দিনটাসহ। এই ব্যাপারটা— আমরাও যেটা, আমরাও এগ্রি করি যেটা হচ্ছে যে, সব লিগ্যাল দিক থেকে বিশেষ করে দুটো জিনিস আর কি। একটা হচ্ছে যে, ডেফিনেটলি ট্রাইব্যুনাল ওয়ানের হল জাজমেন্ট হতে হবে প্রথম। মানে এখানে কম্পিটিশনের কোনো ব্যাপার নাই। কিন্তু তারপরও একটা থাকতেছে। কারণ এখানে একটা ইনওরডিনেট একটা নেগেটিভ ক্যাম্পেইনের সুযোগ থেকে যাবে আর কি। এবং এটা করবেই এরা। এবং সেটার জন্য যেটা কিছু করা লাগে, এটাকে ফেসিলিটেট করে দিতে হবে আর কি। এবং আরও ইম্পোর্ট্যান্ট হচ্ছে যে, লিগ্যাল দিক থেকে প্রিন্সিপালগুলোকে সেট করার দিক থেকে এক নাম্বার ট্রাইব্যুনালে সেট যদি করা হয়। মানে সেটা হলো… তাহলে এটা সিগনিফিকেন্ট হবে। এবং এইটাই হওয়া উচিত আর কি— আসলে সবদিক থেকে বিবেচনা করে।
কারণ উনারা যে কী করবে, কী দেখিয়ে দেবে আইনে আর কি। সেই আইনে আবার তখন, কারণ আমরা তো বিচ্ছিন্নভাবে চিন্তা করলেও এবং একজনের সাথে আরেক জনের সম্পর্ক…। আর উনারা তো পাবলিকলি নাকি বলছেই যে, ওই ট্রাইব্যুনালে যে, এক নম্বর ট্রাইব্যুনালের কোনো-কোনোকিছুই আমাদের উপরে বাইন্ডিং না। এটাকি আপনি জানেন?
নিজামুল হক নাসিম : জানি, আরও বলা হয়েছে— তাদের বলা হইছে, গু খড়ত্ফ, ুড়ঁ ধত্ব ধ ংরমহধঃড়ত্ু ঃড় ঃযধঃ. তখন চুপ হইয়া গেছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হি: হি: হি: হি:, হ্যাঁ। তো এই যে এটিচুডটা আর কি এবং এটার আমি একটু ইয়ে আর কি। আর এটাতে আমরা একটু ওরিড আর কি। সবদিক থেকে ওরিড আর কি। এটা যেহেতু পসিবিলিটি আছে বলে মনে হচ্ছে। এবং যেহেতু প্রসিকিউটররা কো-অপারেট করবে বইল্যা বলতেছেন নিজেরাই যে, গোলামের ব্যাপারে। সেটা যদি হয় এবং তাহলে এটাকে একটু কীভাবে আগে, এরকমই তো আমাদেরও ইয়ে ছিল যে, গোলামকেই প্রায়োরিটি দিতে হবে। তো এটা যদি করানো যায় আর কি বা করা যায়, তাহলে কিন্তু সবদিক থেকে ভালো হবে। কারণ এখানে উনারা যদি আর সাক্ষী না দেয়, ইভেন তারা জেনারেল সফিউল্লাহকেও বাদ দিয়ে দিতেছে। ইজ দ্যাট ইজ দ্য কেস— কারণ, এখন উনারা একটা জিনিস বুঝছে। যা তাদেরকে আমরা সবসময় বলছিলাম যে, আপনারা এই বড়-সড় লোকদের নিয়ে আপনার লাভটা কী হচ্ছে। এবং একজন প্রসিকিউটর খুব খোলামেলা বলল আর কি। যে, না আমরা তাদেরকে কন্ট্রোল করতে পারি, না আমরা তাদের কাছ থেকে, না তারা আমাদের কথা শুনে, না তারা আমার কোন অভিযোগটা প্রমাণ করতেছে? এইটা তো বোঝা যাইতেছে না। এদেরকে আমরা নিয়ে আসছি। ইনক্লুডিং ইয়েকে নিয়ে কথা হইল। ইয়ের সাথে আর কি শাহরিয়ার কবিরকে নিয়েও কথা হইছে আর কি। এই একই কনটেক্সটে। যে আমার কোন চার্জটা প্রমাণ করা হচ্ছে? তখন তারা বলতেছে যে, মানে তারা এখন বুঝতে পেরেছে যে, এই ধরনের লোক নিয়ে আইসা আমার স্পেসিফিক চার্জ প্রমাণিত হচ্ছে না। কাজেই আমার দরকার হলো চার্জগুলো— যেগুলো করা হইছে সেই চার্জগুলো প্রমাণ করা। কাজেই এই বড় বড় উইটনেস নিয়া আমরা প্রচুর সময় নষ্ট করতেছি। এবং এটা তারা যেটা বলে, তারা নিজেদের কথাটা বলে বেশি। নিজেদের যেটা ইচ্ছা আছে, সেটা বেশি বলে। আদার দেন যে, যেটা প্রমাণ করা দরকার, সেগুলো এবং ফলে কস্টটা বেশি হইয়া যাইতেছে। এবং এই প্রবলেমগুলা হইয়া যাচ্ছে। এবং ওইটা এখন বুঝতেছে যে খুবই লিমিটেড ওয়েতে সাক্ষী দিতে হবে। এবং খুবই দ্রুত এটাকে এগুতে হবে। কারণ এটা বোধহয় উপর থেকে বিভিন্ন রকম আলোচনা করার পরই আর কি। তারা বোধহয় একটা বড় আলোচনা করছে নিজেদের ভিতরে। কইরা তারপর আমাদের সাথে আলোচনা করছে। যেটা আমরা অ্যাপ্রিসিয়েট করছি যে, ঠিক আছে। এবং আমরা ইয়েতে ছিলাম আর কি। স্পেসিফিক্যালি বলেন যে, আপনাদের টাইমিংটা কী? বলতেছেন যে, পারবেন। কিন্তু কত দিনের ভিতরে, কীভাবে আপনারা কোনটার ভিতরে কী করতে পারবেন? তাদের ক্যাটাগরিক্যাল ইয়ে হইতেছে যে, ২৫টা ওয়াকির্ং ডে দেন আমাদেরকে। আমরা এটা শেষ করতে পারব। সো দ্যাটস্্ ওয়ান থিং আর কি। এবং এড়ষধস অুধস পড়ঁষফ ংঃরষষ নব ধপপড়ত্ফরহম ঃড় ঃযবস ঃযব ভরত্ংঃ ঔঁফমবসবহঃ এবং যেটা আসলে হওয়া উচিত। এবং বিভিন্ন দিক থেকে সিগনিফিকেন্ট আর কি। সো ওই সেন্সে একটা রোডম্যাপের কথা মানে নিজেরাই চিন্তা। যারা হচ্ছে, আপনাদের বেশ কিছু ইয়েও দিতেছে আর কি। ওনারা যেভাবে বিভিন্ন রকম, যেমন মালুম ভাইয়ের বাসায় ইনডেক্স তৈরি করে দিতেছে আর কি। কাজেই ইজিয়ার হবে আপনাকে কোন ডকুমেন্টে কী আছে না আছে— এই টাইপের কাজও কইর্যা রাখতেছেন তারা আর কি। সো, এইটা। আর মূলত এইটা হইল সারমর্ম কথা আর কি আসলে। প্রচুর কথা হইছে, কিন্তু এইটা হচ্ছে মেইন কথা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আমার সঙ্গে কাল চিফ প্রসিকিউটরদের সঙ্গে একটু কথা হয়েছিল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : আমি তারে বলছি যে দেখেন, আমি একটা কথা আমি আপনাকে বলি, সেটা হলো নাম্বার-ওয়ানের কেসে আমরা ফোন অ্যাডজরমেন্ট দেব না। আপনারা সাক্ষী আনতে পারলে সেটা কন্টিনিউ করব। এবং অন্য কোনো কেস দিয়ে আমরা এই কেসের প্রসিডিং বন্ধও করব না। এটি আগে থাকবে সব সময়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটাই চাচ্ছেন উনারা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, যেহেতু সাঈদী প্রায় শেষ হয়েই আসছে— সাঈদীই আগে শেষ হবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সাঈদী… বোধহয় এখনও ২০টা উইটনেস বাকি আছে আপনার। বা ১৮টা উইটনেস বাকি আছে।
নিজামুল হক নাসিম : যা-ই হোক…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ তারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, বা যত পিটিশন তারা দিতেছে আর কি, তাতে আমার মনে হয় যে, এখানে যেহেতু ওনারা মাত্র আর একটা, মানে জেনারেল শফিউল্লাহকেও বাদ দিয়া দিতেছে। শুধু সুলতানা কামাল থাকছে। আর কোনো সাক্ষী তারা দিবে না। এবং তখন ক্লোজ কইরা দিতেছে। আর ওই সেলু মিয়ার একটা সাক্ষী দিবে। যেটা খুব সিগনিফিকেন্ট না আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, মানে সেটার যেহেতু অভিযোগ করা আছে, সেইটার একটা সাক্ষী দিবে আর কি। ওইটা তো মানে— আর আমরা জানি যে, গোলাম আযমের মামলা তো ওইটা। ওনারা আমাদেরকে রিকোয়েস্ট যেটা করেছে সেটা হচ্ছে— আমরা যেন ফাইনাল আরগুমেন্টগুলা এবং ও সিটিংগুলা চিন্তা করি। আমরা বলেছি যে, আপনারা আমাদেরকে সাক্ষী যতগুলা হয়েছে সেগুলার স্টেটমেন্টগুলো আমাদেরকে শেয়ার করেন। তাহলে আমরা বুঝতে পারব যে, যে কার আর্গুমেন্ট বা কার স্টেটমেন্ট থেকে কী নেয়া যাবে। কাজেই ওইটা মোটামুটি উনারা আমাদেরকে ক্লোজিংয়ের কথাই বলেছেন আর কি আসলে।
যে, লিগ্যাল দিকগুলো— এইগুলা আপনারা দ্যান। এগুলাও আমাদেরকে বলতেছেন এটা তো আপনারা করবেনই। তো এটা আপনারা তৈরি শুরু করে দেন আর কি। এটা নিয়েই আরেকটু ডিটেইলস কথা হবে হয়তোবা। ওনারা সিমস টু বি সুলতানা কামালের পরে। অর্থাত্ আর একটা নতুন সাক্ষীর পরে আর কোনো সাক্ষী দিবে না। এটা হচ্ছে তাদের পজিশন আপাতত।
কারণ বলতেছে, জেনারেল সাহেবের সাক্ষী দিয়ে জেনারেল সাহেবের শুধু বীরত্বগাথার কথাবার্তা ছাড়া আমার প্রমাণ হচ্ছে না। এখন এরা বুইঝ্যা গেছে যে, সব অ্যাটলিস্ট ওই গ্রুপটা যে, আমরা ধরে নিতেছি যে ওই গ্রুপেরও কিছু অংশ আর কি। মানে হাইপ্রোফাইল উইটনেস নিয়ে এসে তাদের কেসের কোনো ইয়ে হইতেছে না। মানে কেসের কোনো লাভ হইতেছে না। আর যেসব জেনারেল স্টেটমেন্ট যেগুলো দেয়, এগুলার জন্য তো আর আসলে ইয়ে লাগে না। মানে ঐতিহাসিক যে তথ্য গুলা আছে সেগুলো তো কারও মাধ্যমে বক্তব্য না দিলেও চলে। সেটা তো ট্রাইব্যুনাল নোটিশে নিতেই পারে। অথবা যদি তারা চ্যালেঞ্জ করে কেবলমাত্র তাহলেই নোটিশ নেয়ার প্রশ্ন আসে আর কি। সেটাকেই আবার নতুন করে আরেক জনের মুখের মাধ্যমে, মানে কাউকে দিয়ে বলানোটাও তো ঠিকমত হইতেছে না। মানে সেখানেও সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মানে অথরিটি, অথেনটিসিটি নিয়ে কথা থাকছে। সো, কাজেই, এটা নিয়ে তারা চিন্তাই করছে সিরিয়াসলি, এবং এটা নিয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিছে যে, না ওইটা বাদ দেয়া হবে। এটা দ্রুততার সাথে সুলতানা কামালের পরে আর সাক্ষী হচ্ছে না। কাজেই তারা তখন সিজারে চলে যাবে। সিজারে তারা তারা বোধহয় একটা সাক্ষীকে দিয়ে ১৮টা ডকুমেন্টস আছে, এগুলাকে করবে। সিঙ্গেল সোর্স থেকে। মানে প্রত্যেকটা জায়গা থেকে, মানে বাংলা একাডেমী, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, মিনিস্টারি একটা একটা করে সিজারলিস্ট উইটনেস নিয়ে এসে ওইখানে যা যা ডকুমেন্টসগুলা হইছে, যার কাছ থেইক্যা নিছে, সে শুধু তারটা অ্যাটাচ্ড ছাড়া বিয়োন্ড দ্যাট আর কোনো কিছু করবে না। ইভেন উনারা এটাও চিন্তা করছে যে, ওনার একদিনের ভিতরে পারলে বুঝি… আর এগুলা সবই টেকনিক্যাল ম্যাটারের সাক্ষী আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, তা তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ যে, নাম ঠিকানা এই আর কি— আমি এত তারিখে গেছি, এই স্বাক্ষর, এটার আমি এটা ছিলাম। ব্যস, মানে কনটেন্টের ভিতরে আর যাবেই না।
নিজামুল হক নাসিম : কনটেন্টের ভিতরে যাবার তো আর দরকারও নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ.. কি হইছে না হইছেম যাস্ট শুধু এই এনেক্স মানে— এই ডকুমেন্টসটা, এই লিস্টটা, এইটা আমার স্বাক্ষর, আমি এইটা রাখছি, এটা করছি, এই হলো আমার অবস্থান, আমি এদ্দিন ধরে চাকরি করতেছি। ওই সময় যেদিন ওনারা গেছেন সেদিন আমি কাজ করতেছিলাম— এই টাইপের আর কি— মানে খুবই রুটিন কথাবার্তা। এইটা বলে ওনারা চাইতেছেন যে, একদিনে পারলে বহুতগুলা যদি সময় ইয়া করে মানি সময়ের উপরে। মাঝখানে যদি সময়ের উপর কোনো ডিসটার্ব না হয় তাহলে দ্রুত শেষ হয়ে যাবে সিজারলিস্ট উইটনেসটা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর হলো আইও-টাও (তদন্ত কর্মকর্তা)। আইও-টাও প্রথম আইও থেকে যে জিনিসটা লেসন নিতেছে আর কি। যে, প্রথম আইও তো করছে যে সে তো নিজে ওস্তাদি কইর্যা, নিজের সমস্ত কাহিনী আবার সে সামারি করছে। এগুলোকে আবার ডিফেন্সের সাথে শেয়ার করছে। এবং অফিসিয়ালি সাবমিটেড হইছে। তো আর কি প্রশ্ন করার সুযোগ পাইছে। এই ধরনের এখানে কোনো কিছু আর হবে না। ফলে এটাকেও কত ইফিসিয়েন্টলি ইয়ে করা যায়, ক্রসটা করা হয় সেটা। এবং এখানে যদি, ট্রাইব্যুনাল যদি একটু স্ট্রিক্ট থাকে আর কি। ইন টার্মস্ অব ক্রসে যেহেতু তারা খুব বেশি কথা বলবে না। কারণ কথা বললেই দেখা যায় ক্রসের একটা প্রশ্ন আসে আর কি। কথা না বললেই তো আর ক্রস আসে না আসলে। সো সেটা তারা মোটমাট মানে আঁটঘাট বেঁধেই গোলামেরটার নামতে চাচ্ছে। প্রস্তুতিও নিতেছে এবং ওই রকম বিবেচনা থেকেই আর কি। যে এইটাকেই তারাও আসলে চাইতেছে যে প্রথম কেসে আনতে। হ্যাঁ… এটা বিভিন্নভাবে সিগনিফিকেন্টের থাইক্যাও প্রথম কেস। লিগ্যাল সিগনিফিকেন্ট থাইক্যাও প্রথম কেইস, পলিটিক্যাল সিগনিফিকেন্সের দিক থাইক্যাও এটা প্রথম কেস, মানে হিস্টোরিক্যাল সিগনিফিক্যান্সের দিক থাইক্যাও এটা প্রথম কেস, প্রোফাইলের দিন থাইক্যাও এটা প্রথম কেইস হওয়া উচিত। এবং এটা ফার্স্ট ট্রাইব্যুনালে রয়েছে আর কি। কাজেই সব দিক থাইক্যা আসলে এইটার গুরুত্বটা অনেক বেশি। কারণ অ্যাটবেস্ট ওনারা খুবই খোলামেলাই স্বীকার করতেছেন যে, মানে সাঈদীর কেস তো খুবই লাইট-ওয়েট একটা কেস আসলে। এটা এমনিই খুব টাইট কেস না। খুব শক্তিশালী একটা ব্যাপার-স্যাপার না। এবং সিগনিফিকেন্টেরও ব্যাপার না আর কি। লিগ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল সিগনিফিকেন্স না। তবে প্রসেসটা সিগনিফিক্যান্ট। এইটা নিয়েই ওনাদের কথা। এইটা নিয়েই ওনারা শুধু আমাদের কাছে রিকোয়েস্ট করেছে যে, আমরা যেন ওই পর্যায়ে যে, সাহায্য করার ব্যাপারে যেন রেডি হইয়া যাই আর কি। যা যা লিগ্যাল কিছু লাগে, সেই জিনিসগুলো যেন চিন্তা করতে থাকি। এবং এখন যেহেতু ফুলসুইংয়ে ট্রাইব্যুনাল আছে, মানে ট্রাইব্যুনালের ফুল ক্যাপাসিটি রয়েছে। সো এটা হলো চেষ্টা করতেছেন। সেকেন্ড ট্রাইব্যুনাল নিয়ে তাদের এখন রিয়েল চিন্তা আছে। রিয়েল বিপদে আছে তারা আর কী। এখন হাসান সাহেবকে, ওই ওবায়দুল হাসান সাহেবকে উনি যদি একটু ইয়ে করেন আর কি। কারণ আরেকটা যেটা ইম্পোর্ট্যান্ট নিউজ আছে, দেখা যাচ্ছে যে মিনিস্ট্রি থেকে— ল’ মিনিস্ট্রি থেকে। সেটা আপনি জানেন কি না জানি না। হয়তোবা জানেন। ল’ মিনিস্ট্রি থেকে ওই যে বিভিন্ন রকম কোয়ারি যেগুলা আসে; যেমন অ্যাম্বাসি থেকে বা বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বা অন্যান্য জায়গা থেকে— এগুলো সবই আসলে ওইখানে। এটা হলো দুই নাম্বার ট্রাইব্যুনালে দেয়া হচ্ছে। এসব চিঠিপত্রগুলা কমিউনিকেশনগুলা। এবং উত্তর দেয়ার দায়িত্ব তাকে দেয়া হচ্ছে। এটা তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই কবির সাহেব ও শাহিনুর সাহেব বড় এটাতে ইনটারেস্টেড আর কি। সো মিনিস্ট্রি অব ল’ থেকে সমস্ত কমিউনিকেশন যেগুলো বাইরে থেকে আসছে বা যা কিছু যোগাযোগ হচ্ছে, ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত, সেগুলো ওইখানে যাচ্ছে (২নং ট্রাইব্যুনালে)।
নিজামুল হক নাসিম : এটা মনে হয় ঠিক না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওয়েল, সেটাই আসছে মেসেজটা ওই ২নম্বর ট্রাইব্যুনাল থেকে। কাজেই মেসেজটা আসতেছে ২নং ট্রাইব্যুনাল থেকেই। বাট অ্যানিওয়ে এটা মাস্টলেস সিগনিফিকেন্ট। কিন্তু যেটা হচ্ছে যে, তারা চাচ্ছে যে এবং সেখানে যেহেতু ওবায়দুল হাসান সাহেব কিছুটুকু অ্যাকটিভ হচ্ছেন বইল্যা আমাদেরকে প্রসিকিউটররা জানাইলেন। যে, উনি একটু অ্যাকটিভ হইছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত যখন লেখালেখির ব্যাপার-স্যাপারগুলা আসে, তখন শাহিনুর সাহেবের ওই ট্রাইব্যুনালে উনার ইনফ্লুয়েন্সটা অনেক বেশি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এটা তো বটেই। চেয়ারম্যানই তাকে ইনসিস্ট করে। সবকিছু তো সে-ই করে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং উনি যে কী ধরনের লোক, এটা আমরা টের পাইছি আর কি। এবং ওনার টার্গেটটা কি, সেটাও আমরা টের পাইছি আর কি। এবং উনি নিজেকে কীভাবে প্রেজেন্ট করে, সেটাও আমরা জানি। এবং উনি তো জাস্টিস সিনহাকে কিন্তু অ্যাপ্রোচ করছে জহির সাহেবের ব্যাপারে, করছিল।
নিজামুল হক নাসিম : কী অ্যাপ্রোচ করছিল?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জহির সাহেবকে যেন না সরানো হয়, সেই লবিটা (শাহিনুর সাহেব করছিল)।
নিজামুল হক নাসিম : শাহিনুর নিজেই সিটে নাই, ইয়ের কাছে, সিনহার কাছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা উনার চলে যাওয়াটা (জহির সাবের) উনাদের জন্য ইয়ে হইছে আর কি। মানে আন-নার্ভিং একটা ব্যাপার হইছে আর কি। তো এটাও একটা সত্য কথা। বাট আপনি এটাকে কীভাবে নিবে আমি জানি না, ওনাকে যেভাবে আমরা চিনি বা ওনাদেরকে যেভাবে চিনি, আমি মনে করি উনারা দুই জন আপনাকে পছন্দ করে না— না কবির সাহেব, না শাহিনুর সাহেব।
নিজামুল হক নাসিম : হা হা… (হাসি দিয়ে বিষয়টাকে হালকা করলেন)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমরাই চাই, আর না চাই, সেটাই অবস্থা। ওবায়দুল হাসান সাহেবকে আমি চিনি না। কাজেই ওনি কোনো সিনের ভেতরে নাই। এজন্য আমি ধরেই নিয়েছি যে, উনি কোনো সমস্যা না। এই দুই জনই কিন্তু আসলে পক্ষের মানুষ না। এবং তাদের মনে, মানে টার্গেট ওইভাবেই করা আছে আর কি। এবং তারা আইনমন্ত্রীকে তো ওইটা বলেই আসছে আর কি। যে ইভেন গোলাম আযমের কেসটাও আমাদের দিয়ে দেন- আমরা অনেক বেটার করব। সো, তাদের অবশ্যই একটা রোডম্যাপ অনুযায়ী চলতেছে যদিও। তারা এটাকে, মানে কেসগুলোকে অনেক ছোট বানিয়েছে। এবং একজন প্রসিকিউটর তো বলল যে, আসলে কেসগুলোকে চার্জ ফ্রেমের সময় এমনভাবে চার্জটা করছে আর কি। ওইখানেই তো মানে থার্টি পার্সেন্ট ছিঁড়ে ফেলে দিছে একটা কেস। খুবই, বাদ দিয়ে দিছে সব কিছু।
এটা ঘটছে এবং এইটা ঘটতেছে। সো, আমরা কিন্তু আসলে আমাদের প্রথম যেটা আলোচনাতে ছিল যে গোলামটাই প্রথমে আসবে। এটা আপনি আপনার দিক থেকে আরেকবার স্মরণ করি যে, দেন যে, এটা শুরু হইলেই নন-স্টপ হবে। এবং আমাকে যে ধরনের আশ্বাস দেয়া হচ্ছে যে, এটা রিয়েলি ননস্টপ হবে। এখন কিন্তু অন্যান্যরা সাক্ষীতে যেমন সাকার সাক্ষী নিয়ে ট্রাবল হচ্ছে। আজকেও সাকার সাক্ষী নিয়ে একটা রিপোর্ট আছে। এখানে মার্ডার-টার্ডারও হইছে একটা। আপনার চোখে পড়ছে কি না, জানি না।
নিজামুল হক নাসিম : পড়ে নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু, ওখানে কিন্তু অ্যারেস্ট করছে একজনকে। ওখানে মার্ডার রিলেটেড অ্যারেস্ট। যে এটা সাকার সাক্ষী রিলেটেড ব্যাপার-স্যাপার। সেইখানে একটু অসুবিধা হচ্ছে। সাক্ষীদের খুঁজে… ওনাদের একটু ট্রাবল হচ্ছে আর কি। গোলামের ক্ষেত্রে কিন্তু, সাক্ষীই নাই আসলে। তো এইটা শেষ হয়ে যাবে। এইটা একটু দেখেন। একটু চিন্তা করেন। আর আপনি যদি আরো স্ট্রিক্টলি ওনাদের টাইটের ভিতরে রাখতে চান, যে ওইটা শুরু হবে— নন স্টপ চলতে থাকবে। হয়তো একদিন অন্যটা, যেটা সাঈদীরটা রাখলেন। বাকি দিনগুলা এটা ছাড়া যাবে না আর কি। এবং ওনারা যেভাবে চাইতেছে যে, ২৫টা আমাদেরকে ওয়ার্কিং ডে দেন। ওদের একটা রোডম্যাপ করছি। আমি চাইছিলাম আর কি, ২৫ দিনের ভেতরে এটা হয়ে যাবে। টুয়েন্টি ফাইভ ওয়ার্কিং ডেইজের ভেতরে। শুধু তাদের উইটনেসটা আপনাকে ইয়ে করতে হবে, ডিফেন্স উইটনেসটা। সেটা তো এখানে যদি তারা ৪-৫টা সাক্ষী দেয়। মানি সব মিলে-টিলে, ইভেন সিজারলিস্ট মিলে-টিলে, আইও মিলে-টিলে, মানে ১০-১২টা সাক্ষী হয় যদি আর কি। বা ১৫টা সাক্ষী হয় মেক্সিমাম। তাতে বোধ হয় ৭টা লিজারলিস্ট উইটনেস রিলেটেড আছে। এটা পারলে তারা এক দিনেই করে ফেলার অবস্থা আর কি। বা ২ দিনে করবে এটাকে। যত দ্রুত পারে করে নিবে। অনেক গুলোকে সাক্ষী একসাথে দিয়ে তারা সব ক্রস করাইল— এ রকম বা যেভাবেই পারে। যেটা আপনারা এফিশিয়েন্ট ওয়েতে মনে করেন আর কি। তাহলে কিন্তু এটা অনেক এগিয়ে যেতে পারে। আর এমনিও ওই লোকের (গোলাম আযমের) বয়স-টয়স হইয়া যাইতেছে। কাজই এমনেও সবদিক বিবেচনা করলে এটাকেই একটু হাইস্পিডে দেয়া উচিত। মানে এটাকে ফাস্ট ট্র্যাকে দিয়ে দেয়া উচিত। এবং দে আর প্রিপিয়ার অ্যাকোর্ডিংলি। সো, এটা তারা আলোচনা করেছেন, নিজেদের রোডম্যাপ অনুযায়ী তৈরি করেছেন। নিজেদের প্রস্তুতি তারা করেছে। তারপর তারা নিজেদের ভিতরে আলোচনা করে আমাদের সাথে আলোচনা করল। ছিল সবাই আমাদেরও। মানে রায়হান আর আমি ছিলাম। অনেক প্রশ্নের উত্তর দিছে তারা। আমাদের মনে হইছে যে, তারা অনেক সিরিয়াস এটার ব্যাপারে। এখানে বোধহয় অন্য কোনো পলিটিক্যাল ইশারাও আছে আর কি। এই সবকিছু মিলে-টিলে এবং আমরাও মনে করি। যেটা বললাম যে, ওই যে লিগ্যাল, পলিটিক্যাল ইম্পোর্টেন্সের দিক থেকে, ট্রাইব্যুনাল ওয়ানের ইম্পোর্টেন্সের দিন থেকে এটা অলমোস্ট আমাদের দাবি বা প্রত্যাশা হবে আর কি। কোনো অবস্থাতেই সেকেন্ড ট্রাইব্যুনালকে প্রথম জাজমেন্ট দিতে দেয়া যাবে না আমাদের কিন্তু। আপনি হয়তোবা অন্যভাবে নিবেন। কিন্তু আমরাও এটাকে অন্যভাবে দেখব আর কি। কারণ ওরা আসলে আপনাকে, বাকিরা দুইজন তারা তো আর টার্গেট না… টার্গেট হইলেন আপনি ঘুরে ফিরে। একটা নেগেটিভ ক্যাম্পেইনের একটা ইয়ে পাবে, যেটা আমাদের কোনো অবস্থাতেই সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না। এটা ওইখানে দরকার হয় আমাদেরকে কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হইলে ওই দিক থেইক্যা করতে হবে। এবং সবাই তারা রাজিও হবে। এটা তারা দেখতেছে। সবাই মনে করে যে এই কেসটা খুবই সিগনিফিক্যান্ট হবে। মানে এটা প্রথম হওয়া উচিত। আর এখন তো এরা বুঝতে পারতেছে, কিছুটুক বুঝতে পারতেছে আমাদের প্রসিকিউটররা। যেটা একদিক থেকে আমাদের ভালো লাগছে যেটা, এখন বুঝতে পারছে যে ল’ টা কী হচ্ছে। এবং কোন কেসে ল’য়ের উপর ভিত্তি কইরা হবে, আর কোন কেসে ফ্যাক্টসের উপরে ভিত্তি কইরা হবে। তো গোলাম আযমের ক্ষেত্রে তারা বুঝতে পারতেছে। এখানে যদি ল’য়ের প্রিন্সিপালগুলো যদি সেট কইরা দেয়া যায়। এবং এই প্রিন্সিপাল কেবলমাত্র এক নম্বর ট্রাইব্যুনাল সেট করে দিতে পারবে। যদি দেয়া হয়, তাহলে তখন ওই লিগ্যাল প্রিন্সিপালের দিক থেকে, ইভেন সেকেন্ড ট্রাইব্যুনালে যদি তারা যেভাবে মানে, যেভাবে তারা পাবলিকলি ঘোষণা দিয়া দিছে, তারপরও তারা কিন্তু এটার বাইরে যাইতে পারবে না। এবং সেটার ইমপেক্টটা অনেক বেশি হবে। এবং প্রসিকিউশন তখন দেখা যাবে কি যে, বারবার এটাকে রেফার করতে থাকবে— তাদের লিগ্যাল সাবমিশনগুলাতে, তাদের লিগ্যাল কনস্ট্রাকশনে। সবকিছুতে তারা একই রকম চিন্তা না করলেও এর বাইরে যাওয়ার তাদের কোন উপায় থাকবে না। এটা যদি একটা কম্প্রিহেনসিভ জাজমেন্ট, যেহেতু এখন একটা নতুন তারা চেঞ্জ করবে বইলা মনে হচ্ছে। জাজমেন্ট তো আপনাকে আগেই ডেলিভারি করার, মানে আগেই সমস্থ কিছু টাইপ-টাইপ কইরা সিল সাইন সব রেডি রাখতে হইবে। মানে কমপ্লিট জাজমেন্ট কইরা রাখতে হইবে। কাজেই এখন আপনার প্রস্তুতিটা কিন্তু বেশ কিছুটুকু আগে থেইক্যা শুরু করতে হইবে। সেইটাও ওনাদের একটা কনসিডারেশনে আছে। সেজন্য ওনাদেরও রিকোয়েস্ট হচ্ছে আমাদের যে, এসব ব্যাপারগুলো যেন আমরা একটু খেয়াল করি আর কি। সো, দ্যাট আইনটা যেহেতু চেঞ্জ হবেই আর কি। ওনাদেরও কিন্তু ধারণা নেই, আইনটা কীভাবে কে চেঞ্জ করাইল আর কি। বাট, সেটাতে কিছু যায়, আসে না। এত টাইট দেয়া উচিত হয়নি আর কি। জাজদের একটু ফ্রিডম দেয়া উচিত ছিল। অর্ডার দেয়ার পরে জাজমেন্ট দুই-চার দিন পরে দিলেও চলত। কিন্তু এখন যেভাবে টাইট দেয়া দিছে আর কি।
কাজেই আপনাকে আগে থেকেই সব কিছু করে ফেলতে হবে আর কি। সো এটা প্রথম কেসটা যদি গোলাম আযমকে করা হয়, তাহলে বেশি কিছু ইয়ের ওয়ার্ক, বেশ কিছু কাজপত্র, টেক্সট, অলমোস্ট ইতিমধ্যেই তৈরি করা শুরু কইর্যা দিতে হবে। এবং সেটাকে রিয়েলি একটা সিগনিফিকেন্ট কেসে তৈরি করে দিতে হবে। যেখানে আসলে হোল প্রসেসের টোনটা সেট করে দেবে। এবং তারা যদি রিয়েলি সবকিছু চিন্তা বিবেচনা করত, তাহলে প্রথমে এই কেসটাই আনা উচিত ছিল তাদের। যদিও এইটা ইনভেস্টিগেটরদের শয়তানির জন্য, তারপর শেষের দিকে এটা আসছে। কাজেই ওইগুলা বইল্যা লাভ নাই। এইটা আপনার লিগ্যাল টোন এবং সব টোনই সেট করতে হবে এবং এটা ডুয়েবল। কাজেই এখন যদি ৭৫টা ওয়ার্কিং ডে থাকে এই সময়ের ভিতরে, তো এইডা ওনাদের কথা হচ্ছে— ২৫টা ওয়ার্কিং ডে’র ভিতরে ওনারা পারবেন। এবং ওনারা চিন্তা কইর্যাই মানে ভাগ-যোগ কইর্যাই, মানে হিসাব-টিসাব কইরা করছেন আর কি। আর আপনারা বাকিটুকু যেভাবে ইয়ে করেন আর কি। মাঝখানে ওই ওদের স্ট্র্যাটেজিটা হচ্ছে— এন্ড অব দ্য ডে, ডিফেন্স কিন্তু থাকবে না আপনার। মানে যে কোনো কিছু একটা ছুতা করে তারা হাঁটা দিতে পারে। এটা তারা দিবেই।
নিজামুল হক নাসিম : তাদের মাথা আছে, এলিভেনথ আওয়ারে তারা যাইব? পারবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যাবেই, যাবেই, হ্যাঁ.. এটা তারা করবে। আর আরেকটা হচ্ছে তাদের যে স্ট্র্যাটেজি। তারা ওই পিটিশনের পর পিটিশন দেয়া, ওইটারে ড্রপ মানে আটকাইয়া রাখার চেষ্টাটা। এটা তো তাদের পুরানো স্ট্র্যাটেজি। আর হচ্ছে যে, আরেকটা স্ট্র্যাটেজি তারা রিসেন্ট নিতেছে, সেটা হচ্ছে মিজানুল ইসলামকে দিয়া। এই ট্রাইব্যুনালে বলে, ওনি ওই ট্রাইব্যুনালে আছেন। আবার ওই ট্রাইব্যুনালে বলে, ওনি এই ট্রাইব্যুনালে আছেন।
নিজামুল হক নাসিম : সেটা হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিংবা ওনি অসুস্থ আছেন, এ রকম বইল্যা আসলে মানে হি ইজ দ্য লইয়ার যে, হি ইজ গেটিং মেক্সিমাম অ্যাডজর্নমেন্ট ইন বোথ ট্রাইব্যুনাল।
নিজামুল হক নাসিম : আমি তো কোনো অ্যাডজর্নমেন্ট দেই নাই। এটা প্রসিকিউশন কি মনে করে, আমি জানি না। আমি কিন্তু, কোনো অ্যাডজর্নমেন্ট দেই নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু, ওই ট্রাইব্যুনালে কিন্তু সে ওই কথা বলে যে, তিনি ওই ১নং ট্রাইব্যুনালে আছে। কাজেই সময় দেয়। তো এটাও তাদের একটা ছোট স্ট্র্যাটেজি। যখন যেটা কাজে লাগে। অর্থাত্ যে স্ট্র্যাটেজি কাজে লাগে, সেটাই প্রয়োগ করে। তো এটা নিয়ে মোর অর লেস বিভিন্নরকম আলোচনা হয়েছে। বেশ খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। এবং মনে হয় না যে, এটা নিয়ে আমাদের বড়-সড় আদর্শিক কোনো তফাত থাকবে। এবং এটাই। তখনই আমাকে জানাইল যে, ইয়ে ছিল, মিলাদ-টিলাদ ছিল। আপনি ছিলেন, চিফ জাস্টিস ছিল। এটার নিউজটা দেখছি, কিন্তু আমরা জানতাম না। আর ওনাকে আমরা সাজেস্ট করছি যে, মানে ওবায়দুল হাসান সাহেবকে। উনি যদি কিছু টেকআপ শুরু করেন আর কি। তাহলে শাহিনুর সাহেবকে মিনিমাইজ ওখানে যদি করে-করেন, তাহলে সুবিধা হয় আর কি। তাহলে ওই রকম মোটিভেটেড ইয়ে হয় না আর কি। এই লোক তো, আপনি যেটা বললেন। আমি যেটা বললাম না, আপনি যেটা বললেন। একদম পুরা উনাদের যে অ্যাসেসমেন্ট, সেই অ্যাসেসমেন্টের সাথে পুরো মিলে যায় একেবারে। যে উগান্ডার জাজেসদের সাথে আপনাদের যে মিটিং হয়েছিল। সেখান আসার পর শাহিনুর সাহেবের যে প্রচেষ্টাটা যে, এটা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল এবং কম্পারেটিভ অ্যানালাইসিস কইরা বুঝায়ে দেওয়া যে, আমাদের এটা আছে, ওটা আছে, সেটা আছে। যেটার কোনো প্রয়োজনই নাই। ইভেন এই প্রসিকিউটররা বলেছেন যে, এই লোকের (শাহিনুর) টার্গেটই হলো যে, সে যে আসলে সবার চাইতে বেশি বুঝে। মানে আপনাদের ৬ জনের চাইতে অনেক বেশি বুঝে, এই জিনিসটা তার একটা…। মানে এইটা সে ছাড়তেছে না আর কি। তো এখানে একমাত্র ওবায়দুল হাসান সাহেব যদি একটু পিকআপ করেন আর কি। এবং লেখার দায়িত্বটা যদি উনি নিতে পারেন। ওখানে যেহেতু দুইজন একেবারে এক আর কি। দুইজন অলমোস্ট এক। মানে শাহিনুর সাহেব এবং কবির সাহেব। কবির সাহেব তো নিজে কিছু লেখালেখি করেন না। আপনার মতো না তো। উনি তো খুবই কম লেখালেখি করেন মনে হয়।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এক লাইন-দেড় লাইনের চেয়ে উনার অর্ডার বড় হয় না। বাকি সবটুকুই শাহিনুর সাহেবকে দিয়ে করায়। সো, ওইখানে ওবায়দুল হাসান সাহেব কতটুকু ইয়ে হতে পারবেন সেইটা। না হলে আমরা তো খোলামেলাই বলে দিয়েছি যে, যদি দেখি যে, আমরা বেকায়দা হয়ে যাইতেছি আর কি। এবং এটা এ প্রসেসটাকে ক্ষতি করবে। কারণ তাদের কোনো সিদ্ধান্ত যদি প্রসেসটাকে কোয়েশ্চেনেবল করে। বিকজ অ্যাপিলেট ডিভিশনের জাজরা যেন কনফিউজ না হয়। এবং একটা মেসেজ যেতে হবে দুই ট্রাইব্যুনাল থেকে। যে কারণে আমরা বেঞ্চের ব্যাপারে এত ইয়ে করছি। লিগ্যাল ডিসিপ্লিনের একটা ব্যাপার আছে এখানে। ইন্ডিপেনডেন্ট সবাই ঠিকই আছে। কিন্তু ডিফারেন্টভাবে আরগুমেন্ট কইরা আপনি স্ট্যান্ড কনক্লুশন ঠিক করেন— সই আছে। কিন্তু আপনি ডাইভার্ট দিতে পারবেন না। যেটার বেনিফিট ডিফেন্স নিবে। এইটা আমাদের বন্ধ করা হইল টার্গেট। ডিফেন্সকে ওই বেনিফিট নিতে দেয়া যাবে না। যে অ্যাপিলেট ডিভিশনে গিয়ে গিয়ে দুই ট্রাইব্যুনালের দুই কেস নিয়া দাঁড় করাইয়া দিয়া বলবে যে, দুই রকম দেখেন এটা। আপনাদের চয়েজ। দুই রকম ব্যাপার আছে। ওইখানে তারা আসলে কী করবে, সেটা আমরা জানি না। কিন্তু এ ধরনের কোনো চয়েজ তাদের হাতে দেয়া যাবে না। কাজেই লিগ্যাল কোয়েশ্চেন যেগুলো হচ্ছে এবং ইন্টারন্যাশনালি এস্টাবলিশড। বাংলাদেশের জুরিসপুডেন্সে ওই বিষয় ডেভেলপ করতেছে। ওই একই ডেভেলপ করতে হবে দুই ট্রাইব্যুনাল থাইক্যা। আমাকে যেটা বলা হচ্ছে যে, আই এম নট ভেরি শিওর। শাহিনুর সাহেবের আগের ওই অবস্থান মানে একটু ভয়ে আছেন উনি। যে, মানে ভয়ের ভেতরে থাকলে হবে না। যদি দেখা যায় যে ওনারা রিয়েলি রঙ জাজমেন্ট দিতেছে আমাদের ভিউতে। এবং কমপ্লিটলি উল্টাপাল্টা করে দিতেছে। এবং এটাকে বেশি ইন্টারন্যাশনালাইজড কইর্যা ফেলতেছে। ডেফিনিটলি যেখানে অলরেডি এটা ইস্টাবিলিশড ইয়ে আছে যে, যেখানে প্রয়োজন আছে, প্রয়োজন পড়বে, তাহলেই কেবল মাত্র ফরেন জুরিসপ্রুডেন্স দেয়া হবে। যেভাবে হইছে থাক।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রিকুইজালের ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই ফরেন জুরিসপ্রুডেন্স অ্যাড্রেস করছি। অ্যাকসেপ্ট করছি। এটা করছি বিকজ, যেহেতু করতে হইছে আর কি। যেহেতু আমার লোকাল জুরিসপ্রুডেন্স ছিল না। ডমেস্টিক জুরিসপ্রুডেন্স ছিল না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ছিল না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটার বাইরে বাকি যেখানে আমাদের প্রয়োজন নেই, অপ্রয়োজনীয়ভাবে যদি এটাকে ইন্টারন্যাশনাইজড করার চেষ্টা করা হয়, ইভেন সংজ্ঞাগুলোকে যদি রিয়েলি বেশি পরিবর্তন করে ফেলা হয়, তাহলে কিন্তু প্রবলেম হয়ে যাবে। মানে এই প্রসেসটাকে এইভাবে আইনের ছত্রছায়ায়, প্রসেসটাকে যদি আপনি ডিজরাপ্ট করার চেষ্টা করেন। অন্যভাবে না। আইনের ছায়ার ভেতরেই প্রসেসটাকে ডিজরাপ্ট করলেন। ইভেন অ্যাপিলেট ডিভিশনে গিয়ে যদি দেখা যায় যে, আপনি দুইটা জাজমেন্টকে দুই রকমভাবে দুই সংজ্ঞায় দেখা গেল আর কি। তখন উনাদের পক্ষে ওই হার্ড অপিনিয়ন পর্যন্ত, অদ্দূর পর্যন্ত তো আমরা কিছুই করতে পারব না। কাজেই আমরা চাই যেটা, সেটা হলো যে, ই…টা যেন না হয়। এবং উনাদের আমরা বলছি যে, আমাদের কথা হচ্ছে, এটা আপনার কথা কি না জানি না। বাট এটা আমাদের কথা হচ্ছে যে, ট্রাইব্যুনাল দুইটা করা হইছে-হইছে…। কিন্তু ইয়ে আসতে হবে একই রকমের। এবং যে কারণে ট্রাইব্যুনাল-১এর দায় দায়িত্বটা খুবই দরকার। কারণ গাইডেন্সটাকে, টোনটাকে সেট করা। এইটাই হাইল রাস্তাটা। এরপরে আপনি এদিক সেদিক থাকেন— নড়াচড়া করেন, কোনো অসুবিধা হবে না। সে হিসেবেও কিন্তু ট্রাইব্যুনাল ওয়ানের একটা কেসের কনক্লুশন ইজ ভ্যারি ইম্পোর্টেন্ট। আর যেহেতু সাঈদীর কেসে আমাদের লিগ্যাল প্রিন্সিপাল খুব বেশি সেট হবে না, এটা আমরা বুঝতে পারতেছি। এবং ফ্যাক্টগুলো সেভাবে না। এবং তারে যে অবস্থানগত কারণেও সেটা না। লিগ্যাল অবস্থানের কারণেও সেটা না। পলিটিক্যালি ইভেন আদারওয়াইজ (সাঈদীর) এটা সিগনিফিকেন্ট রোল না এটা। মানে ওই পরিমাণ প্রিন্সিপালগুলা আমরা সেট করতে পারব না। এবং তার ক্রিমিন্যালিটির দিক থেকেও না। যেটা আপনার গোলাম আযমকে দিয়ে আনা যাবে। কাজেই এটা দিয়েই যদি আমরা সেট করে দিয়ে যেতে পারি, তাহলে আমরা অনেকগুলো কাজ একসাথে করতে পারলাম আর কি। ২ নাম্বারে আমরা টাইপ করলাম। যতই তারা বলুক তারা তখন প্রসিকিউশন শুধু ১ নম্বরের অর্ডার চিঠি নিয়ে বারবার দেখাবে আর কি যে, আমাদের আরগুমেন্ট হবে এটাই জাজমেন্টের উপর ভিত্তি কইর্যা। বাকি যে কেসগুলো চলতে থাকবে। সেখান থেকে শুরু করে বা তার আগের থেকেও। তারা দেখতেছে কী জিনিস তৈরি হচ্ছে আর কি। ওই একই রকম লাইন অব থিংকিং এ আলোচনা কইরা ওনাদেরকে দেয়া হবে। যেটা ওনারা প্লেস করতে থাকবে গোলাম আযমের কেসে। তো এইটা হলো অনেকগুলো জিনিস। কিন্তু, এক ঢিলে বহু বহু পাখি মারার একটা স্ট্র্যাটেজি চিন্তা করা হচ্ছে আর কি। এটাকে-১ নম্বরটার গুরুত্বটা রাখা। ফাস্ট কেসটা ১ নম্বর থেকে নিয়ে আসা। ফার্স্ট কেস এমন একটা নিয়ে আসা, যেটাতে এই হোল জিনিসটার স্ট্যান্ডার্ডটা সেট হয়ে যায়। এটা খুবই ইম্পোর্টেন্ট। মোট কথা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনও হয়নি। এবং একবার সেট হয়ে গেলে তখন মিডিয়াও পিক করবে, সবাই পিক করবে। তখন উনারা এটা যতটুকুই চেষ্টা করুক না কেন, উনারা এর বাইরে যেতে পারবে না। এবং তখন পলিটিক্যালিও চেষ্টা করা হবে এটাকে এই লাইনে রাখা। এবং ঐ মেসেজটাও পৌঁছে দেওয়া। তো এখানে বেশি স্বাধীনত বা বেশি ইনটেলিকচুয়েলগিরি এখানে দেখানোর দরকার নাই। ট্রাইব্যুনাল-১ যেখানে এভাবে গাইডলাইনটা দিচ্ছে, এভাবেই এটা হতে হবে। প্রবলেমটা হলো এখানে কবির সাহেব না। উনি প্রবলেম। কিন্তু লেখার দিক থেকে সেটা কোনো প্রবলেম হবে না। প্রবলেম হবে শাহিনুর সাহেবের। হ্যাঁ… উনির, ওনার যেভাবে করতেছে, আমরা চাইছি ওনারটা দিচ্ছে, সেভাবে বাকিটা হতে হবে। এবং এখানে কবির সাহেব প্রবলেম হলেও লেখার দিকে কবির সাহেব প্রবলেম হবে না, প্রবলেম হবে শাহিনুর সাহেব। উনি এখন যেভাবে করতেছে সে আমরা চাই যে, উনার সমস্ত অর্ডারগুলার কপি যেভাবেই হোক না কেন, আমাদেরকে দেয়া হোক। কারণ ওরা আসলে ওবার ওয়ার্ক দেখিয়ে আসলে সময় পায় না আর কি। আর বেশ কিছু জিনিস ওনারা পাচ্ছে না, ওনাদের হাতে। মানে সাঈদী সাহেবের কোনো কিছুই ওনারা পাচ্ছে না। ওনাদের ইভেন রেকর্ডেও কোনো কপি থাকে না। এটা কোয়াইট আনফরচুনেট আর কি। যে, পিটিশন যেগুলো করা হয় অথবা যে, অর্ডার-টর্ডার যেগুলো হচ্ছে তারা কিন্তু নিজ থেকেই কিন্তু শেয়ার করতেছে না। মানে আর্কাইভেও রাখতেছে না। মানে প্রসিকিউশনের আর্কাইভে থাকতেছে না। সাঈদীর ব্যাপার-স্যাপারগুলা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মোটামুটি ওই কেসের পরে। এটা হলো তার একটা ব্যাপার। সেটা কিছু যায় আসে না। এটা হলো মোটামুটি ব্যাপারটা। এবং প্রস্তুতির দিক থেকে তারা সেগুলোই চিন্তা করতেছে। তারা আমাদের রিকোয়েস্ট ও তাদের সঙ্গে কনসিডারেশন করছে যে, আমরাও যেন এটাকে এটুকু ইয়ে করি। আমাদের তাদেরকেও টাইটে রাখতে হবে যতটুকু রাখা যায়। প্রসিকিউশন এই ক্ষেত্রে ভেরি সিরিয়াস। আপনার সাথে বোধহয়, ডিরেক্টলি অর ইনডিরেক্টলি, তাদের সাথে কোনো যোগাযোগ হলেও হতে পারে। ওই যে আপনি বলছেন, যেন কাজেই ওই সিমিলার মেসেজ।
নিজামুল হক নাসিম : আপনি ওদেরকে বলে দেন যে, তারা যেন ইমেডিয়েটলি তারা যেন, দরখাস্ত করে। যে, ডিফেন্সের উইটনেসদের নাম এবং পার্টিকুলারস তারা যেন চায় কোর্টের কাছে যে, এটা দেয়া হোক। তখন আমি নম্বর ডিলিট কইর্যা দেবয়েনে। ডিলিট করে বলবয়েনে, এটা দিয়ে দেয়ার জন্য। বা এ অর্ডার করে দিতে পারব যে, এত দিনের মধ্যে দিয়ে দেয়া হোক। তার আগে তো আমাদের সাক্ষী শেষ হবে। তারপর ওই অর্ডার হবে; তার আগে তো না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, এটা ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : এরা আগেই বলতেছে, আমি সবগুলো মানা তো কষ্টকর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। নো প্রবলেম (অস্পষ্ট) আজই আসছে। কালও আসছিল। বলছি আমাদের সাথে কথা হয়নি। উনি বাইরে ছিলেন। ওখানে কী ডিফেন্সের স্টেটমেন্টের কথাও থাকবে?
নিজামুল হক নাসিম : এটা চাবে তারা, ডিফেন্স স্টেটমেন্ট দিবে না। দেয়ার টু লিমিট…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এটাই যদি করে দেয়া যায়, তারা তো ১০ হাজার দিচ্ছে না। কয় হাজার দিচ্ছে শয়তানরা। হ্যাঁ…
নিজামুল হক নাসিম : (অস্পষ্ট)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটার উপর একটা ইয়ে হয়ে যাবে। ঠিক আছে। এটা আজকেই কমিউনিকেশন করে নিব। একটু পরেই। এবং… দ্রুতই চলে যাবে। ঠিক আছে?
নিজামুল হক নাসিম : যা দেখা যাক আল্লাহ ভরসা, ঠিক আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : রাখি আজকে।

সিনহা বাবু কইছে ডিসেম্বরের মধ্যে তিনডা দিয়া লন
তারপরে আমরা আপনারে এহানে নিয়া আসি : বিচারপতি
কথোপকথনের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যালো…
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো- স্লামুআলাইকুম, কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওয়ালাইকুম সালাম। আছি-আছি, আপনে আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : ইনশাল্লাহ ভালোই আছি। আজ কোনো খবর-টবর আছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে তো খবর… আপনাদের খবর তো দেখেছেনই বোধহয়, না কি দেখেন নাই এখনও?
নিজামুল হক নাসিম : না দেখি নাই এখনও।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, সাঈদীর যে ডকুমেন্ট দিবে বলছে, এটা কিসের ডকুমেন্ট দিবে? যেটা অ্যালাও করছেন।
নিজামুল হক নাসিম : আরে… কিছু ম্যাটেরিয়াল তারা আগে দেয় নাই, এখন দিচ্ছে। সেটা প্রেয়ার করছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে, এগুলা নিয়াই আর কি, ছোটখাটো নিউজগুলাই তো আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা-আচ্ছা, তাইলে তো ঠিকই আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে অনেকগুলো বোধহয় পিটিশন পড়ে আছে আর কি, ডিসপোজআপ করার জন্য।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর আপনি কেমন আছেন? আমি এখন দেখতেছি যে, একাত্তর সালে, না ৭২-৭৩ সাল পর্যন্ত আমেরিকান অ্যামবাসির যে বিভিন্ন রকম মেসেজ গেছে, আইসিটি’র উপর, আইসিটি-এর বিভিন্ন এরিয়া-এর উপর। বাংলাদেশের মেম্বারশিপ অ্যাপ্লিকেশনস, ওয়ার ক্রাইমস, মানে আইনটা নিয়ে, পাকিস্তানের রিঅ্যাকশন, এই সংক্রান্ত ইউএস মেসেজ পাঠায় তারা। সেগুলোকে আর কি ডিক্লাসিফাই করছে আর কি। সেগুলো এখন পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল করা হইছে। সেই মেসেজগুলা। আপনাকে পাঠাব পরে। দেখি একটা সিঙ্গেল ডকুমেন্টের ভিতরে। মোটামুটি জানা কথা, তারপরও বোঝা যাচ্ছে যে, যেমন একটা ইনটারেস্টিং মেসেজ দেখা যাচ্ছে, প্রস্তাবটা ওদের। এই যে ১৯৫ জনকে ফিরিয়ে যাওয়ার-ফিরিয়ে নেয়ার প্রস্তাবটা, এটা বাংলাদেশ দিয়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী যে, যে আমাদেরকে স্বীকৃতি দাও। স্বীকৃতির বিনিময়ে ওই ১৯৫ জন ফেরত আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : মানে ওই স্বীকৃতির বিনিময়ে আমরা পাকিস্তানের বিচার করব না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, পাকিস্তানের বিচার করব না, সেই মেসেজগুলা, আপনাকে পাঠাইব দেখি একসাথে কইরা।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, পাকিস্তানিরা কোন সময় বলছে যে, আমরা বিচার করব?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, বলছে বলছে।
নিজামুল হক নাসিম : সেইটার কি ম্যাটেরিয়ালস আছে? সেইটা আমার দরকার জাজমেন্টে আনার জন্য।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারা যেটা বলছে যে, সেটা হলো তারা স্বীকার করছে এবং এই যে, আপনাকে পাঠাব আর কি দেখবেন। এটা ঠিক ডিরেক্টলি তারা ইয়ে করে নাই। এটা করছে, এটা ঠিক দুই জায়গাতে করছে। একটা হচ্ছে যে, তারা ৯৬-এ যে কেসটা করছিল আর কি, সেখানে তারা অ্যাডমিট করছে যে, এইটা হলো আমাদের বিচার করার কথা।
নিজামুল হক নাসিম : কেন আমরা করব বলছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : খরবটা আবার আমার ডাবল চেক করতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম : একটু দেখেন তো, কারণ আমি তো… এইটা যদি হয়ে থাকে, তাইলে এইটা আমি জাজমেন্টে নিয়া আসব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ওইটা আপনি এমনেতেও আনতে পারেন। কারণ তারা নিজেরাই বলছে তারাই বিচার করবে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : সেইটা কোথায় আছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাদের বিচার করার কথা। এইখানেও যেরকম আছে। যেরকম আগাশাহীর একটা স্টেটমেন্ট দেখতাছি, ওই আজিজ, সরি… এম এ আজিজ, ওদের পাকিস্তানের যে…।
নিজামুল হক নাসিম : আজিজ আহমদ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, আজিজ আহমদ আর কি। সে পিকিংয়ে ওদের অ্যামবাসেডর ছিল আর কি। সে বলছে, এই যে এই আলোচনার প্রেক্ষিতে সে বলছে যে, আমরা অস্বীকার করি না যে, কিছু লোকের বিচার করা দরকার ওইখানে। কিন্তু সেটা বাংলাদেশে না। কিন্তু, এইটা স্পেসিফিকালি বলে নাই যে, এইটা আমরা বিচার করব আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : এইরকম যা ল্যাংগুয়েজ আছে আমারে একটু দিয়েন তো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই তারা বাই ইমপ্লিকেশন তারা অ্যাডমিট করে নিতেছে যে, বিচারটা আসলে আমরা করব না। মানে বিচারটা আমরা করব বেসিক্যালি… কারণ তখন যে পলিটিক্যাল পরিস্থিতি না, তখন তারা বিচার করবে ভুট্টো এ ধরনের কোনো… বিচারটাকেই তারা পুরো অস্বীকার করার কারণে, এবং কিছুই হয়নি ৭১-এ। এই যে তাদের যে চিন্তাটা আর কি। সেটার কারণে তারা বিচার করবেই সেটা বলতে পারতেছে না, কিন্তু তারা যেটা বলতেছে যে বাংলাদেশ করতে পারে না, বিচার করতে হলে আমরা করব। আচ্ছা আপনাকে আমি পাঠাচ্ছি, দাঁড়ান দেখি…
নিজামুল হক নাসিম : এখন দিতে হবে না। আপনি পরে পাঠান। কিন্তু এই সম্পর্কে আমি একটু বলতে চাই— একটা প্যারাগ্রাফ অ্যাটলিস্ট, যদি তারা এমন কোনো দিয়ে থাকে যে, এইটা বাংলাদেশের ব্যাপার না, আমাদের ব্যাপার বা অন্য কারও ব্যাপার। সেটা ভিন্ন কথা, কিন্তু বিচারটা যে হওয়া উচিত, এই ধরনের কিছু ল্যাংগুয়েজ থাকলেও আমাদের কাজে লাগে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এইটা আছে, হু…ম.. এইটা আছে।
নিজামুল হক নাসিম : এইটা যেমন বললেন, এইমাত্র যে, আজিজ আহমদ বলছে যে, অ্যাম্বাসেডার অব দ্য চায়না, ঠিক না? এই ল্যাংগুয়েজটা পেলেও, যেমন এই ল্যাংগুয়েজটা সে বলছে, এইরকম আর একজন যদি বলে থাকে। এইগুলা মিল্লা যদি ইয়ে করা যায় যে they took the responsibility that the trial should be held but not by Bangladesh.
আহমদ জিয়াউদ্দিন: They are suppose to be tried.
নিজামুল হক নাসিম : তাতেও আমার চলবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারা ইভেন বলছে to the extent যে, এটার জন্য যদি জুরিসডিকশন থেকে থাকে, তবে সেটা হবে আমাদের জুরিসডিকশন।
নিজামুল হক নাসিম : সেটা হলে তো আরও ফাইন … সেটা হলে তো আরও ফাইন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বাংলাদেশের না, এইটা আপনাকে এখনই পাঠায়ে দিতে পারব। এটা আমাদের রেডি স্টকেই আছে। এখন আমি একটু…
নিজামুল হক নাসিম : আমার এখনই দরকার নাই, আপনি ঠাণ্ডা মাথায় দিয়েন অসুবিধা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভুইল্লা যেতে পারি।
নিজামুল হক নাসিম : আরে ভুলবেন কেমনে? ডেইলিই তো কথা হইবে ইনশাআল্লাহ। যদি বাইচ্চা থাকি, হা…হা… হা… (হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা… হা… হা… (হাসি)। এই যে দেখতেছি, এই যে মামলা করছিল, পাকিস্তান-ভারতের বিরুদ্ধে মামলা করছিল আর কি। যখন বাংলাদেশ রিকোয়েস্ট করেছে। করে নাই মানে তার আগে আর কী ভাব করতেছে যে ১৯৫ জনকে বাংলাদেশের ফিরিয়ে দেয়ার জন্য, তো সেখানে পাকিস্তান মামলা একটা করেছে। সেটা অনেক বড় একটা কেস। এখানে বহুত কিছু আছে, যাস্ট আপনি যদি পড়েন, আপনার অনেক মজা লাগবে আর কি আসলে। you should read it। একেবারে যা আছে, আইন-কানুন যা আছে, এই যে আমরা যে বিচার করতেছি সবকিছু, এটার ভেতরে রেফারেন্স আছে। আইনের রেফারেন্সগুলা দেয়া আছে। ফাইনালি এটা পাকিস্তান ডিসাইড করল যে, যখন তেয়াত্তরে চুক্তিটা হয়ে গেল ফেরত দিয়ে দেয়ার। তখন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসকে জানাইছে যে, আমরা এটা আর প্রসিড করব না। ফলে এটা আর ইয়ে হয় নাই আর কি। পাকিস্তানের যেটা স্ট্যান্ডার্ড পজিশন ছিল, সেটা হচ্ছে যে ভারতের আক্রমণ আর পাকিস্তানের সেলফ ডিফেন্স।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেটা তো আছেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ্যাপ্লিকেশনটা পড়লে দেখবেন যে, এটা হচ্ছে জেনোসাইড কনভেনশনের অধীনে মামলাটা করছে আর কি। কারণ বোথ পাকিস্তান তো জেনোসাইড কনভেনশনের ইয়ে ছিল। আপনি কি কিছু মানে ড্রাফট করা শুরু করছেন?
নিজামুল হক নাসিম : করব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা। মানে এটা কী, সাঈদীরটাই তো মনে হয় শেষ হয়ে যাচ্ছে, আপনি যেভাবে এগুচ্ছেন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সাঈদীরটা দিয়েই শুরু করব ইনশাআল্লাহ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে ওরা যেটা… প্রেয়ারে যেটা আছে ওদের। আপনি দেখবেন যে, অপারেটিভ পোরশনে ওরা যেটা অ্যাপ্লিকেশন তারা করেছে বিফোর ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস, সেখানে প্রথম অ্যাডজুডিকেটড অ্যান্ড ডিক্লার করতে বলছে Whether the government of India appears or not, and after such time limit as the court may fix in also of agreement between the parties.
One, that Pakistan has exclusive right to exercise jurisdiction over 195 Pakistani nationals or other number now in Indian custody and accused of committing genocide in Pakistani territory by virtue of application of convention on the prevention and punishment of crime of genocide of 9th December 1948 and that no other government or authority is competent to exercise such jurisdiction. পাকিস্তান বলতেছে, জেনোসাইড কনভেনশনের অধীনে যেটার তারা নিজেরা পার্টি, পাকিস্তানের অধিকার হচ্ছে তার নাগরিককে বিচার করার For crimes committed in the territory of Pakistan. এইটা হচ্ছে International tribunal ICC-এর কাছে একদম ক্লিয়ার কমিটমেন্ট। আমরা বলতেছি, এইটা বাংলাদেশের টেরিটরি। পাকিস্তান দাবি করতেছে যে, যখন ক্রাইমটা হয়, তখন সেই টেরিটরিটা তা পাকিস্তানের টেরিটরি ছিল। আমরা যদি যুক্তির স্বার্থে ধরেও নেই আর কি, যে ওইটা আরগুমেন্টের স্বার্থে ধরে নেই যে—পাকিস্তানের টেরিটরি ছিল, তাহলে পাকিস্তান আসলে আইসিসিকে বলতেছে যে, আমার নাগরিকরা যারা জেনোসাইড করছে ঐ টেরিটরিতে, এই মুহূর্তে যারা ভারতীয় কাস্টডিতে আছে, আমাদের হলো Exclusive right to exercise jurisdiction over them. তাদের বিচার করার দায়িত্ব আমাদের পুরা এখতিয়ার আছে। এখানে কিন্তু তারা বলতেছে না যে, তারা করবে। প্রমিজ করতেছে না তারা। কিন্তু তারা জুরিসডিকশনটা ক্লেইম করতেছে বিফোর অ্যান ইন্টারন্যাশনাল… এইটা আইসিসিতে এবং তারা ক্লেইম করা মানেই হচ্ছে They are supposed too, they will be doing it…that is the understanding, that is the meaning of 1st paragraph. 2nd paragraph-এ তারা বলছে যে, যেহেতু আমাদের আইনটাকে তারা চ্যালেঞ্জ করছে। ৭৩-এর আইনের অলরেডি তারা জানে যে, ট্রায়াল অব কনট্রিবিউটিং টু ওয়ার ক্রাইমস হবে, তারা এইটা বলতেছে। এই যে পরিস্থিতি হইছে একাত্তরে এবং প্রিজনারস অব ওয়ারকে, তাদের জেনোসাইড দিয়ে কাভার করা যাবে। But the concept of crimes against humanity or war crimes is not applicable. আচ্ছা… তিন নম্বর তারা বলতেছে যে, there can be no ground what so ever in the international law justifying the transfer of the custody of 195 or any other number of prisoners of war to Bangladesh for trial in the faith of Pakistan’s exclusive right to exercise jurisdiction over its nationals accused committing offences in Pakistan territory and that India would act legally in transferring such persons to Bangladesh for trial. অর্থাত্ কোনো অবস্থাতেই পাকিস্তানের নাগরিকদের উপর অন্য কোনো দেশের কেউ জুরিসডিকশন এক্সসারসাইজ করতে পারবে না এবং সেই প্রেক্ষিতে ভারতে যারা আটক রয়েছে, তাদের ইয়ে না করে সেটা অবৈধ হবে আর কি। এই দেখেন এখানে কত মারাত্মকরকম ভাবে By implication কত কথা তারা বলে গেছে, that a competent tribunal Ôwithin the meaning of article 6 of Genocide Convention means a tribunal of impartial judges applying international laws and permitting the accused to be defended by the counsel of their choice. the tribunal can not base itself on ex-part facto laws nor violate the provision of the declaration of human rights. In view of these and other requirements of a competent tribunal of even if India could legally transfer Pakistani prisoners of war to Bangladesh for trial which is not admitted it would be divested to that freedom since in the atmosphere of hatred that prevails in Bangladesh such a competent tribunal can not be created in practice nor can be it expected to perform according to expected international standards. Standards of justice.’ সোজা কথা বাংলাদেশে এই যে পরিস্থিতি, সেই পরিস্থিতিতে একটা ইন্ডিপেডেন্ট ট্রাইব্যুনাল কাজ করার মতো ইভেন যদি হয়ও তারা ওই পর্যায়ে যাবে না।
নিজামুল হক নাসিম : সম্ভব না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তার মানে হচ্ছে যে, তারা চাচ্ছে যে, ভারত যেন কোনো অবস্থাতেই তাদের হ্যান্ডওভার না করে।
নিজামুল হক নাসিম : ইয়েস, না করে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং এটার ফাস্ট যেটা তারা বলছে যে, জুরিসডিকশন যখন আপনি দাবি করেন, একটা অপরাধের পরে এবং অ্যাডমিটিং দ্য অপরাধ আসলে… আপনি তো বলতেছেন যে, জেনোসাইড কনভেনশনের অধীনেই আমি—আমার এই অ্যাপ্লিকেশনটা করতেছি। এই জেনোসাইড কনভেনশন অধিকার দিতেছে সেই রাষ্ট্রকে। যেই রাষ্ট্রের নাগরিকেরা জেনোসাইডে জড়িত অথবা যার টেরিটোরিতে জেনোসাইড হইছে। সো… আপনি দাবি করতেছেন যে, আপনার টেরিটোরিতে হইছে এবং আপনি দাবি করতেছেন, আপনারা নাগরিকেরা জড়িত আছে। কিন্তু এই ৪০-৪২ বছরে আপনি এখনও কিছু করেন নাই আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : না ঠিক আছে এইটা পাইলেই হবে। এই পয়েন্টে আরও যদি কোনো ম্যাটেরিয়ালস পান, পরে তাইলেও হবে। আমারে দেবেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই একমাত্র কেস আছে, যেটা আমাদের পুরাটাই পক্ষে যায় আর কি। পাকিস্তান আসলে অ্যাডমিট করছে এটা ১৯৭৩-এর কেস, 11th of May of 1973. এটা মোটামুটি একটা ওয়েল নোন কেস একটা। আছে—, এইটা আমাদের আরকাইভেও আছে সব জায়গাতেই আছে…। আর বলেন, কেমন আছেন…
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই ইনশাআল্লাহ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনার কাছে খবর-টবর আছে নাকি কিছু আর।
নিজামুল হক নাসিম : এখন তো দুই ট্রাইব্যুনালই ধুমাইয়া আগাইতেছে কেসে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, দেখা যায় কম্পিটিশন হইতেছে মনে হইতাছে।
নিজামুল হক নাসিম : আমার কাছে কম্পিটিশন মনে না হলেও আগাচ্ছে। এটা গুড সাইন। দুই ট্রাইব্যুনালই আগাচ্ছে। আমার ওই শাহিনুররে নিয়া একটু ভয় যে, সে কেননা বেশি রকম তার ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের দিকে খুব বেশি রকম ঝোঁক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা শেষের দিকে প্রবলেম হয়ে যাবে। কারণ একই ব্যপার তো, একই ঘটনা… সিমিলার ইনসিডেন্স, সিমিলার চার্জেস কিন্তু দেখা যাচ্ছে কি যে…।
নিজামুল হক নাসিম : যেমন সেদিন উগান্ডান টিম আসার আগের দিনে, আমরা একটু বসছিলাম তো যে, কী আলাপ-টালাপ করব। সেখানে শাহিনুর বলতেছে যে, আমাদের একটা জিনিস দেখানো দরকার যে, আমাদের আইনে আর আইসিটির কিংবা আসিটিওয়াই এদের তফাতটা কোথায়। আমরা একটা কম্পারেটিভ স্টাডি তাদেরকে দিয়ে দেব। আমি বললাম, হোয়াই শুড, কেন? আমরা আমাদের আইন নিয়েই কাজ করব। আমরা বলব যে, আমরা আমাদের আইন নিয়া চলতেছি, আমাদের domestic Law, আমাদের tribunal domestic however the foreign tribunal judgment we can consider as persuasive value not more than that. এইটা আমাকে রেজিস্ট্রার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার থেকে শুরু কইরা আপনাদের ওই শওকত, সবাই সাপোর্ট করল আমাকে। আমার জাজরাও করল। কিন্তু ওই দু’জন জাজ চুপ। শাহিনুর পরে কইল, আচ্ছা ঠিক আছে। তাই যদি হয়… ইফ ইউ থিংক সো, তাই যদি হয়, তাইলে ঠিক আছে। আমি বললাম, আচ্ছা আপনি কি মনে করেন না, It is a domestic tribunal বলে, তা মনে করি। তাইলে আমাদের ডোমেস্টিক ট্রাইব্যুনালের লগে আমেরিকান ল’য়ের কি তফাত, ব্রিটিশ ল’য়ের কী তফাত আইসিটিওয়াই’র কী তফাত, তা আমাগো দেখাবার দরকারটা কী? আমরা বলব যে, আমাদের আইনেই চলছে, চলবে। ফরেন জাজমেন্টগুলা আমরা কনসিডার করতে পারি। যদি আমরা মনে করি এটার পারসিউসিভ ভ্যালু এইখানে আছে এবং এটা আমাদের ফ্যাক্টস অ্যান্ড সারকামসটেন্সেসের সাথে মিল্লা যাইতাছে We can use those things that’s all. এর পরে আর কথা কয় নাই। আমার মাথায় ওটাই ছিল আর প্রসিকিউটররাও আমাকে বলছিল যে, প্রত্যেকটা অর্ডারে সে ফরেন ট্রাইব্যুনালের ম্যাটেরিয়াল নিয়া আসে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ… যেখানে ইভেন দরকার নাই, যেখানে আপনার এটার কোনো রিলিভেন্ট নাই আর কি। এই জিনিসটা ওনাকে স্টপ করাইতে হবে অথবা একপর্যায়ে উনারেও ওইখান থেকে বিদায় কইরা দিতে হবে। Because it is so important matter যে এইটা যদি উনি বন্ধ না করে আর কি, তাহলে মানে ঐব যধং ঃড় মড় ধং বিষষ, নবপধঁংব এইটা খুবি ক্ষতিকর। আমাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে যাবে। কারণ অ্যাপিলেট ডিভিশনে গিয়ে যে স্ট্রং আরগুমেন্ট যেটা হবে আর কি যে, তারা জিনিসটাকে সেট করতাছে—এমনিতেই উনি চার্জ যে করতাছেন, সেখানে জেনোসাইডের ধারে-কাছে দিয়াও যাইতেছে না। উনি কিন্তু সব চার্জ নিয়া ঢুকায়ে দিচ্ছে ক্রাইমস এগেইনেস্ট হিউমিনিটির ভিতরে। this also is a matter of serious concern. এখানে উনি অলমোস্ট ইতিহাসটাকেই চেঞ্জ করে ফেলতাছেন আর কি। আপনি চার্জটা করেন, তারপর যদি আপনি ম্যাটেরিয়াল ইলিমেন্ট না পান, তাইলে বাদ দেন। কিন্তু আপনি অ্যাটঅল চার্জ করবেন না, এই অ্যাটিচুডটা যেখানে এটা পিটিশনে আছে, সেখানে এটা কিন্তু মারাত্মক রকম রিস্কি ব্যাপার হয়ে যাবে। তারপর হচ্ছে যে, প্রতিটা ক্ষেত্রে ইন্টারনেশনাল ল’য়ের যে রেফারেন্সটা দিচ্ছে—যেখানে কোনোই প্রয়োজন নাই। আমাদের এখানে, উগান্ডার জাজরা আপনাদের কী বলে গেছে, জানি না। বিষয়টা হচ্ছে যে…
নিজামুল হক নাসিম : না, উগান্ডা আমাদের পুরা সাপোর্ট করছে, পুরা। তারা চয়েজই করছে এই কারণে যে, আমরা আমাদের আইনে চলতেছি। এরা একেবারে ফুল সাপোর্ট টু আস যে, এইটাই ঠিক আছে। ওনারাও সেই ভিউ-ই হোল্ড করে। আইসিসি বলতেছে যে, আগে ডমেস্টিক ট্রায়াল করো। ফেইল করলে আইসিসিতে আসবা। এটা হইল তাদের ল্যাংগুয়েজ। আমরা কেন আইসিসির পিছনে দৌড়াব?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একজাক্টলি। এটা কিন্তু ভেরি রাইট। আরেকটা যেটা আমার, যেটা প্রবলেম হয়, এটা হচ্ছে ছোট মানসিক বা ইনফিরিওরিটি যে মানসিকতা সেখান থেকে আসতেছে। আমাদেরকে কেন তুলনা করতে হবে? আমরা ইনটারন্যাশনাল কোন ট্রাইব্যুনালের সাথে মিল আছে। আমাদের ডমেস্টিক ট্রাইব্যুনাল, আমাদেও তো কারও সাথে তুলনার দরকার নাই। আমাদের তুলনা হবে কেবল আমাদের সাথে। মানে তুলনা করার চেষ্টাটা বাদ দিতে হবে আমাদের।
নিজামুল হক নাসিম : আরেকটা ল্যাংগুয়েজ হইছে কোর্ট অব দক্ষিণ আফ্রিকার। কে যেন বলছিল যে, You should feel proud when you created the law, this law was unknown to the other world. In 1973, there was no law of international crimes in other countries. You should feel proud of that—এইটা এরাও তা বলছে। যে আপনারা কেন যার তার দিকে তাকাবেন? কেন? আমার সাথে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো হইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা উনার মাথায়… ওই যে একটা ইয়ে আছে না…।
নিজামুল হক নাসিম : মাস্টারি… মাস্টারি ভাব আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আসলে কি একটা মানসিকতা আছে যে না… আমরা যদি বিদেশিদের সাথে তুলনা করি, তাইলে আমাদের ইজ্জত বুঝি বাড়ল আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হুহ্, ওই ভাব আছে, মানসিক ভাব আর কি। তার ভাব তো আমি বুঝি। সে মনে করে তার লগে এই ব্যাপারে আলাপ করলে তার চেয়ে বেশি আর কেউ কথা কইতে পারবে না। মজার ব্যাপার হইল—এই দুইদিনে তাকে বোবা হইয়া থাকতে হইছে He didn’t get any chance to talk.
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা… হা… হা… (হাসি)। ওবায়দুল হাসান উনি যদি একটু ইনডিপেডেন্টলি ইয়া করে আর কি। উনার মানসিকতা তো বোঝা যায়নি। আমি তো তাকে চিনি না ওইভাবে…।
নিজামুল হক নাসিম : আমিও বুঝতে পারতেছি না, আমি তারে বলছিও। সে বলে একটু দেইখ্যা লই বুইজ্জা লই। আমিও বলছি, বোঝো ভালো কইররা, ভালো করে বুইজ্জা লও, না বুইজ্জা কোনো কমেন্ট কইরো না। কোনো ইয়েতে আবার ঢুইক্কা যাইওনা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কবির সাহেব না হয় বুঝলাম, উনি পলিটিক্যালি চিন্তা-ভাবনা কইরা সব কথা বলবে। কিন্তু ওবায়দুল হাসান সাহেবের তো উচিত, মোটামুটি উনি হাইকোর্টের জাজ হিসেবে ঠিকঠাক বলে ফেলা আর কি…। আর কবির সাহেবরে অনেক সম্মান-টম্মান করে দেখে… ওবায়দুল হাসান উনি কি… পারমান্যান্ট জাজ তো?
নিজামুল হক নাসিম : হু…পারমান্যান্ট, পারমান্যান্ট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখানে আসলেই একটু কথা-টথা বলা যাবে। এইটাই হলো হোপ আমাদের। আমার এমনি ভালো লাগত উনাকে, ওইখানে ওই শর্ট… ভেরি শর্ট এক্সচেঞ্জে। বেটার হইতো যদি ইয়া আমাদের একটু বলত আর কি, শাহীনুর সাহেব যদি ইন্ট্রোডিউসটা ঠিকমতো করা তো আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আরে এইবার আসলে আমিই ইন্ট্রোডিউস করে দেব, আরে… দায় তো আমারই বেশি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হুম… আর আমাকে নিজেকে ইন্ট্রোডিউস করে তো আসলে বলা যায় না।
নিজামুল হক নাসিম : আরে না, এবার আসলে আমিই দেব ইন্ট্রোডিউস কইরা। আমি সারাজীবন ওয়েট করব নাকি রায়ের জন্য? হাহ্…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না মানে I was disaoppinted ওই সেন্সে আর কি। গেছিলাম যখন উনিই কিন্তু পরিচয় করিয়ে দিতে তো পারেন। আমি কিন্তু ওনার খোঁজেই গেছি ওইখানে… আমি আপনাকে ওইগুলা সবগুলা পাঠিয়ে দিতাছি একটা একটা করে। আপনি… এটা সব ই-মেইলে থাকবে। আপনি এটা ইয়ে করতে পারেন সবগুলা।
নিজামুল হক নাসিম : আমি সব প্রিন্ট কইরা বাইর কইরা নেবো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও আচ্ছা আপনি সব প্রিন্ট করে রাখতে চান?
নিজামুল হক নাসিম : হুম… আমি তো অত এক্সপার্ট না। ই-মেইলে ১০টা-১২টার পর পুরানটা আর থাকে না। আমি আর খুঁইজ্যা বাইর করতে পারি না। ওই লাইন শেষ হইয়া যায়। ঢুইক্যা যায় কোথায় যায়, আল্লায় জানে। নতুন আসে, আর পুরানডা এক স্টেজ নিচে নামে। এইভাবে পরে কোথায় যায় আমি…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরেকবার বলেন… আরেকবার বলেন। মেইল যেইটা আসতেছে, সেইটা আপনি খুঁইজ্যা পাইতাছেন না— এইটা বলতেছেন আপনি?
নিজামুল হক নাসিম : না, এডা পাই। এডা পাই ধরেন… অন করলে পরে উপরে নাম থাহে নতুনডার, তার নিচে থাহে আগেরটা… তার নিচে থাহে আগেরটা, ঠিক না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে, ঠিক আছে হ্যাঁ…
নিজামুল হক নাসিম : এরপরে পেজ ভইর্রা গিয়া যখন নিচে থাকে না— ধরেন ২০টা থাহে, ২০টার পরেরডা আর খুঁইজ্যা পাই না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এইখানে দুইটা জিনিস আছে। একটা হইল এই সংখ্যা আপনি বাড়াইতে পারবেন যে, ওই ১৫-২০টা থেকে ১০০টা করা যাবে। আর সেকেন্ড হলো যেইটা, সেইটা হলো যে, খুব সহজ.. এখনও আপনি যদি একটু ট্রাই করতে পারেন যে, আপনি তো মসধরষ ইউজ করতেছেন, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : হু মসধরষ, হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : gmail-এ কোনো mail জীবনেও কখনও হারায় না। আপনি উপরে দেখবেন যে, এইখানে… সধরষ টা খোলা আছে? না খোলা নাই।
নিজামুল হক নাসিম : না, এখন বন্ধ। বলেন, আপনি বলেন…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি যখন সধরষ টা খুলবেন, সধরষ টা খোলার জাস্ট উপরের দিকে তাকাইবেন আর কি। mail টা mail-এ লেখার উপরে দেখবেন একটা বড় উইনডো আছে লেখার মতো, সেখানে একটা লুকিং গ্লাস দেওয়া আছে।
নিজামুল হক নাসিম : আয়না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আয়নার মতো লুকিং গ্লাস। ওইখানে আপনি যদি যেটা খুঁজতে চান… আপনি যদি জাস্ট শুধু আমার নাম দেন আহমদ আহমদ জিয়াউদ্দিন… আপনি ওইখানে ওই লুকিং গ্লাসে চাপ দিবেন। দেখবেন, আমি যতগুলা মেইল পাঠাইছি, সব চইলা আসবে। ঠিক আছে, সব কিন্তু ওইখানে আছে।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, ঠিক আছে, দেখি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটা খুঁজবেন নাম দিয়া। এরপরে আপনি যদি সাবজেক্ট দিয়া খুঁজেন আর কি। ধরেন, আপনি মনে করলেন যে ধিত্ পত্রসবং. ধিত্ পত্রসবং দিয়া আপনি লেইখা দিবেন শুধু। লেইখা আবার সার্চ করলেন। দেখবেন, ওইখানে শুধু ধিত্ পত্রসবং, আমি যতগুলা সধরষ-এ লিখছি, বডিতে লিখছি অথবা অ্যাটাচমেন্ট আছে war crimes রিলেটেড। সেইটা সব চলে আসবে। মানে.. আপনি যে শব্দটা লিখতে চান না কেন, ওই শব্দটা যদি কখনও আপনার-আমার কমিউনিকেশনের মধ্যে থাকে, সেটা কিন্তু বেরিয়ে আসবে। কাজেই এটা কোথাও হারাচ্ছে না—এক নম্বর কথা। আর সেকেন্ড হচ্ছে যে, এইটাই হচ্ছে যে gmail-এর one of the major feature. ওদের যে আরকাইভ আছে, ঐ আরকাইভে কখনও কোনো কিছু হারায় না। তারপরেও আমরা আমাদের নিজেদের ইউজের জন্য সহজ ব্যবহারের জন্য আমরা আরকাইভ করে রাখি আর কি।
শাহরিয়ার ভাই তো দেখি হেভি চেইতা গেছে। হা…হা…হা…।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা…। ইডিয়েট ফিডিয়েট কইছে স্টুপিড।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ৫ দিন… ৬ দিন পরে তারে আরও ২ দিন দিতেছে এবং তাদেরকে অনুরোধ করতেছে সোমবারের মধ্যে শেষ করার জন্য।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…। উনি বলছেন যে, বিদেশ যাবেন, এটা করবে। আজকে তো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কেন যে শেষ করে দিল না, বোঝলাম না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, আপনাকে এইটা পাঠাইয়া দিলাম। আইসিসিওয়াইয়ের কেসটা। হোল ডকুমেন্ট। এটা কত যে পাতা হবে, সেটা জানি না
নিজামুল হক নাসিম : আপনি দেন এরপর আমি দেখমুয়েনে, অসুবিধা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, খুব বেশি না। এটা রিলেটেড আরও কাগজ আছে। সব আপনাকে, কাগজই পাঠাইব আপনাকে। এটা পড়তে ভালো লাগবে। ইন্টারেস্টিং টু রিড—ইতিহাসের অংশটা, প্লাস কীভাবে ঘটনাটা ইনভলব করছে। এরপর বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল ল’য়ের এক্সপ্লানেশনগুলো আছে। ইন্টারন্যাশনাল ল’য়ের রেফারেন্সগুলা আছে। বঙ্গবন্ধুর অনেকগুলা স্টেটমেন্ট আছে যে, বিচার যে করা হবে সেগুলা তারা ইয়ে করছে। এরপরে পাকিস্তান করছে কি যে—প্রভিশনাল মেজারের জন্য একটা রিকোয়েস্ট করছে। এইটাও পাঠাইতেছি। প্রভিশনাল মেজারটা হচ্ছে যে, আমাদের স্টে অর্ডার আর কি। আমাদের দেশীয় ভাষায় স্টে অর্ডার। আমি দরখাস্ত করলাম—এখন তুমি কর কী যে, স্টে কইরা দাও, যেন তারা পাঠায়া না দিতে পারে। যেন না পাঠায়। মানে ইন্টেরিম মেজার অব প্রটেকশন চায় এবং একটা ক্লেইম করলাম যে, আমাদের লোকদের বিচার করতে পারবে না। কেবল মাত্র আমরা তা করতে পারি। সো প্লিজ ই.. করো, এই প্রভিশনাল মেজারটা দাও যেন যে, বিচার যাতে না হইতে পারে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যান্ডওভার যেন না হয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ.. হ্যান্ডওভার যেন না হয়। এরপরে যেটা হইছে, এটা হলো যে, বুঝা যাবে কী করে ধাপে ধাপে এগোয় প্রসেসটা। এরপর কিন্তু একটা ওরাল আরগুমেন্ট হইছে আর কি। মানে পাকিস্তান আরগু করছে ইয়ের সামনে। মানে আইসিসির সামনে। ওইটা হচ্ছে মিনিটস অব দ্য পাবলিক সিটিং… পাবলিক হেয়ারিং যেটা হয়েছে। … ওরাল আরগুমেন্টে আপনি দেখবেন, কী কী হইছে আর কি। … একটা জাজের অপিনিয়ন পাঠাচ্ছি, যেটা ফ্রেঞ্চে আছে, কিন্তু দেখবেন নিচে ইংরেজি ট্রান্সলেশন করা আছে। … এই জিনিসটাও আমাদের আইসিটির ইতিহাসের অংশ হিসেবে থাকা উচিত। মানে এইডার উপরই আপনি ইচ্ছ করলে মানে কনসিডারিং ইটস সিগনিফিকেন্স—ওদের ভাষায় কমনলি এটা হচ্ছে চঙড কেস আর কি এটা। ফাইনাল অর্ডারটা হচ্ছে লিস্ট থাইকা রিমোভ করা আর কি। পাকিস্তান রিকোয়েস্ট করছে যে, আমরা চাই যে তোমরা এইটা ডিলিস্ট করো আর কি। কারণ ততক্ষণে এগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে আমাদের। ৭৩ সালের ডিসেম্বরের অর্ডার এইটা। তখন বঙ্গবন্ধুর হচ্ছে, পাকিস্তানের রিকগনাইশন ছাড়া আসলে আমরা যেহেতু মুসলিম ওয়ার্ল্ডের রিকগনিশন পাচ্ছিলাম না, এইটা ওনার কাছে সামহাউ ওনার কাছে খুবই ইম্পোর্ট্যান্ট ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে খুবই ইম্পোর্টেন্ট একটা ইস্যু ছিল। যা-ই হোক, পাকিস্তানের রিকগনিশন দরকার আমাদের। তাহলেই আমাদের পূর্ণাঙ্গ বাংলাদেশ হবো আর কি। ওই চিন্তাটা খুব বেশি ডিপলি থাকার কারণে এবং যেহেতু উনি এখানে অনুপস্থিত ছিলেন, এখানে ৭১ সালে ছিলেন না ফিজিক্যালি। পরবর্তীকালে শুধু শুনছেন এখানে কী হয়েছে। এখানেই একটু সমস্যা হইয়া গেছে। সে কারণে ওনি ঠিক বুঝতে পারেন নাই এটা সিগনিফিকেন্সটা, মানে এটা কত হাউ ডিপ ইমোশনাল এই ব্যাপারটা ছিল আর কি। এসব ইতিহাস এই ডকুমেন্টসগুলা পড়লে বুঝা যায় আমাদের প্রায়োরিটিগুলা কী ছিল তখন। কেউ যদি রিয়েলি ক্রিটিক্যালি দেখে আর কি। আমরা কি এটা রাইট বা সঠিক প্রায়োরিটি সেট করছিলাম কি না, তখন আমরা। পাকিস্তানের রিকগনিশন আমাদের কত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটা কি অ্যাটহোল কস্ট? এরপর মুসলিম ওয়ার্ল্ডের রিকগনাইশনটা। এতে কিন্তু খুব একটা বেশি লাভ হয়নি। কারণ হচ্ছে যে, মেইন যে নাটের গুরু আর কি সৌদি আরব। ৭৫ সালের আগ পর্যন্ত মানে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতে দেয় নাই। তাই উনার যে স্ট্র্যাটেজিটা কতটুকু কারেক্ট ছিল, এইটা এই যে সামথিং যেটা ডেফিনেটলি ইয়ে করা যায় আর কি। তা ভালো করে বোঝার বা গবেষণা করার ব্যাপার। …আমি আপনাকে ডকুমেন্টগুলা পাঠানোর সাথে একটা সিঙ্গেল টেক্সট দিতেছি— কীভাবে আপনি যদি সবগুলোকে একটা সিঙ্গেল ডকুমেন্টে আনতে চান আর কি, ইয়ে করার পরে।
নিজামুল হক নাসিম : সবগুলো?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, একটা বা দুইটা, কোনো সিক্যুয়েন্সে সাজাইলে, ইট উইল মেক সেন্স।
নিজামুল হক নাসিম : আমার এখানে একটা আইসা গেছে ট্রায়াল অব পাকিস্তানি প্রিজনারস অব ওয়ার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, একটাই মাত্র পাঠাইছি। ওটা হলো মেইনটা, ওটা হইল পিটিশনটা পাঠাইছি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : তার পরের গুলো পরে যোগ হইবে আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, এখানে অনেকগুলো আছে তো। এগুলার সিকুয়েন্সটা এখন যেভাবে পাঠাচ্ছি সেটা আসলে সিক্যুয়েন্স না। এটা সিকুয়েন্স আমি লিখে দেব, যেটাতে ওইভাবে আপনি সাজাইবেন। তাহলে ওইটা হইল যে, আপনার যে বুঝতে সুবিধা হবে না। মানে ঘটনাটা ওইভাবে ঘটছে আর কি। আমি পাঠানোর সময় অন্য রকম হইয়া যাইতেছে। সেটাকে ওইভাবে সাজাইবেন আর কি। এখানে ইন্ডিয়ান জাজের একটা অপিনিয়ন আছে যে দেশ মামলা করে, সেই দেশ একজন জাজ নোমিনেট করতে পারে…। আপনাকে এখন আমি… দেখি কত হইল টোটাল ভলিউমটা। আমি একটা টেক্সট পাঠিয়েছি, যেটাতে সিকুয়েন্স লেখা আছে। যদি আপনি বাইন্ডিং করেন, অর পুট ইট টুগেদার তবে একটা কমপ্লিট স্টোরি হয়ে যাবে। ইউ উইল গেট এভরিথিং। ২-১ মিনিট পরে… দেখেন গেছে কি না, ৯টা অ্যাটাচমেন্ট পাঠাইছি। আমার চিন্তা ভাবনাতে এই যে, এই হোল অ্যাটিচুডটা দু’টি দিক থেকে খুব সিগনিফিকেন্ট। একটা হচ্ছে যে, ক্রাইম হয়েছে তার বিচার হওয়া দরকার। পাকিস্তান অ্যাজ এ স্টেট হিসেবে এগ্রি করেছে। এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেনোসাইড…
নিজামুল হক নাসিম : আইসিসি কেস ডকুমেন্টস… ডকুমেন্টস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : প্রথম যেটা গেছে, সেটা হচ্ছে মেইন অ্যাপ্লিকেশন। এর পর হলো রাইটার প্রসিডিং যেটা আছে, রিকোয়েস্ট ফর ইনটারিম প্রটেকশন যেই ফাইলটা আছে, সেটা ঢুকাবেন।
নিজামুল হক নাসিম : ওরাল আরগুমেন্ট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরাল আরগুমেন্ট হেডলাইনে আছে। অর্ডার হলো, ৫টা অর্ডার আছে সেখানে…
নিজামুল হক নাসিম : তারপর হলো করেসপন্ডেন্স। এতে হবে কি হোল স্টোরিটা বুঝা যাবে। আর স্টোরিটা ওরা এভাবেই সাজাইছে—মানে অল ডকুমেন্ট তারা কম্পাইল করছে ঠিক এইভাবে…
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক আছে, ফাইন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা অনেক বড় হবে। দরকার হয় পরে আমরা আরও অনেক কথা বলব। Its very important very significant. আপনাকে হয়তোবা সবকিছুর রেফারেন্স দিতে হবে না। কিন্তু একটু একটু করে রেফার করলেও চলবে।
নিজামুল হক নাসিম : পড়লেই আইডিয়া হয়ে যাবে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ হ্যাঁ, পড়লে কমপ্লিট যে আইডিয়াটা হবে, সেটা হচ্ছে যে—হাউ রাইট উই আর এবং এই জিনিসটা এখান থেকে এস্টাবলিশ করা যাবে আর কি। যে পাকিস্তান ওয়াজ ভেরি রাইট অ্যাডমিটিং যে, তাদের আসলে জুরিসডিকশন আছে। এটা কিন্তু আমাদের স্বীকার করতে কোনোই অসুবিধা নাই যে, তাদেরই দায়িত্ব ছিল বিচার করা। তারা তাদের মতো বিচার করলে এখনও করতে পারে। পাকিস্তান কিন্তু স্টিল টুডে তার লোকদের বিচার করতে পারে। পাকিস্তানের আইনেও কোনো লিমিটেশন নাই। ইন্টারন্যাশনাল আইনে তো নাই আর কি। কাজেই তারা তাদের বিচার করতে পারে। কিন্তু আমাদের বিচারের প্রসেসটা নিয়ে যে প্রশ্নটা আর কি, হয়তোবা যদি কোনো পাসিং রিমার্কস করতে চান তাহলে বলা যাবে যে, পাকিস্তান নিজেরাই অ্যাডমিট করে রাখছে আর আমাদের তো কথাই নাই। কারণ আমাদের ভিকটিম আছে, আমাদের মাটিতে ক্রাইম হইছে। তাই আমাদের প্রচেষ্টা খুবই ন্যাচারাল। ডমেস্টিক আইনেও অবলিগেশন আছে, ইন্টারন্যাশনাল আইনেও অবলিগেশন আছে। মেইন অবলিগেইশন হচ্ছে কনস্টিটিউশনেও আছে টু প্রসিকিউট। লিগ্যাল আইনেও অবলিগেশন আছে টু ইনভেস্টিগেট অ্যান্ড প্রসিকিউট। এটা যেহেতু আপনার প্রথম কেস, কাজেই এটাকে প্রত্যেকটা কেসেই আমি জানি না আপনারা কী চিন্তা করছেন, জানি না। তবে নরমালি নিয়ম হচ্ছে, প্রত্যেকটা কেসে একই আরগুমেন্ট দিতে হবে…।
নিজামুল হক নাসিম : যা-ই হোক, এই পার্টটা আগে প্রথম জাজমেন্টে দিয়া লই। তারপর বুঝা যাবে পরের জাজমেন্টে এইটা থাকবে কি থাকবে না; আর আমি পরে থাকব কি থাকব না। অনেক কিছু আছে… প্রথমটায় আমি দিব—এই হলো কথা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : It is very important. আপনি আবার কই যাবেন? আপনারে কি উপরের দিকে …
নিজামুল হক নাসিম : আরে লউ যে বলে, ওরা বলতাছে একটা জাজমেন্ট দাও আগে, তাইলে তোমারে নিয়া আসি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একটা না, আগে বড় সাহেবের জাজমেন্টটা দিয়া আসি।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা…। এইটা তার ল্যাংগুয়েজ আর কি, তার ল্যাংগুয়েজ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বড় মিয়া আবার ওইটার জন্য ওয়েট করতে কিসের জন্য?
নিজামুল হক নাসিম : এদের ভিউ হইল অ্যাপিলেইট ডিভিশনের জাজদের ট্রাইব্যুনালে রাখবে না। আর গভার্নমেন্ট অ্যাডামেন্ট এদের রাখবেই। হের পর কী হইবে আল্লাহই জানে। হা… হা… হা… । আমি তো বলছি স্যার, আপনারা শিলপাটায় ঘষাঘষি করেন আর মাঝখানে আমার অবস্থা কাহিল। হা… হা… হা…। আমার আর প্রোমোশন হইবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি ওইটাই কইতাছি—আপনি পাটাপুতার মাঝখানে পইড়া যাইয়েন না আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেইটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনিও তো থাকতেছে আসলে। তো কাজেই উপায় নাই আর কি। ওইটা ঠিক আমি জানি না। ওনাদের ভিউটা কী? অনেক মানুষই তো… এ রকম হইছে না? আর সবসময়ই তো হচ্ছে এ রকম। আপনি হাইকোর্ট ডিভিশনে একটা জিনিস ডিল করছেন। এরপর আপনি অ্যাপিলেট ডিভিশনে আছেন, সেখানে আর কাজ করতেছেন না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ শুনবেন না রাইট। এছাড়া আর কিছুই না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাই না, এাঁ তো হরহামেশা হইছে এবং এাঁ তো স্ট্যান্ডার্ড প্রাকটিস। যদি কেউ আগে… করে অ্যাপিলেট কেস এটা করবে না। উনার এই যুক্তিটা খুব শক্ত …
নিজামুল হক নাসিম : উনি কয় একটা দেন। সিনহা বাবু কইছে, ডিসেম্বর এর মধ্যে তিনটা দেন। এইটা গোলাম আযম সাহেবের, আর সাকা। এই তিনডা দিয়া ফালাইতে পারলেই হইছে। তারপরে নিয়ে আসি আপনারে আমরা এইখানে। এরপরে ওহানে আপনারে আর লাগবে না। এই হইছে কথা আর কি। আমি কইছি, যা করেন করেন, প্রমোশনডা দিয়া লন আগে। হা… হা… হা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হি… হি… হি…।
নিজামুল হক নাসিম : তো ঠিক আছে জিয়া ভাই, আজকের মতো রাখি অ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে, ওকে। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ। আমি আপনাকে বাকিগুলা পাঠিয়ে দেব ওই যে, যেগুলা বললাম আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ওকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে।

সিকুয়েন্স আমি লিখে দেব, যেটাতে ওইভাবে আপনি সাজাইবেন
শাহরিয়ার ভাই তো দেখি হেভি চেইতা গেছে। হা…হা…হা…।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা…। ইডিয়েট ফিডিয়েট কইছে স্টুপিড।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ৫ দিন… ৬ দিন পরে তারে আরও ২ দিন দিতেছে এবং তাদেরকে অনুরোধ করতেছে সোমবারের মধ্যে শেষ করার জন্য।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…। উনি বলছেন যে, বিদেশ যাবেন, এটা করবে। আজকে তো শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কেন যে শেষ করে দিল না, বোঝলাম না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, আপনাকে এইটা পাঠাইয়া দিলাম। আইসিসিওয়াইয়ের কেসটা। হোল ডকুমেন্ট। এটা কত যে পাতা হবে, সেটা জানি না
নিজামুল হক নাসিম : আপনি দেন এরপর আমি দেখমুয়েনে, অসুবিধা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, খুব বেশি না। এটা রিলেটেড আরও কাগজ আছে। সব আপনাকে, কাগজই পাঠাইব আপনাকে। এটা পড়তে ভালো লাগবে। ইন্টারেস্টিং টু রিড—ইতিহাসের অংশটা, প্লাস কীভাবে ঘটনাটা ইনভলব করছে। এরপর বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল ল’য়ের এক্সপ্লানেশনগুলো আছে। ইন্টারন্যাশনাল ল’য়ের রেফারেন্সগুলা আছে। বঙ্গবন্ধুর অনেকগুলা স্টেটমেন্ট আছে যে, বিচার যে করা হবে সেগুলা তারা ইয়ে করছে। এরপরে পাকিস্তান করছে কি যে—প্রভিশনাল মেজারের জন্য একটা রিকোয়েস্ট করছে। এইটাও পাঠাইতেছি। প্রভিশনাল মেজারটা হচ্ছে যে, আমাদের স্টে অর্ডার আর কি। আমাদের দেশীয় ভাষায় স্টে অর্ডার। আমি দরখাস্ত করলাম—এখন তুমি কর কী যে, স্টে কইরা দাও, যেন তারা পাঠায়া না দিতে পারে। যেন না পাঠায়। মানে ইন্টেরিম মেজার অব প্রটেকশন চায় এবং একটা ক্লেইম করলাম যে, আমাদের লোকদের বিচার করতে পারবে না। কেবল মাত্র আমরা তা করতে পারি। সো প্লিজ ই.. করো, এই প্রভিশনাল মেজারটা দাও যেন যে, বিচার যাতে না হইতে পারে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যান্ডওভার যেন না হয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ.. হ্যান্ডওভার যেন না হয়। এরপরে যেটা হইছে, এটা হলো যে, বুঝা যাবে কী করে ধাপে ধাপে এগোয় প্রসেসটা। এরপর কিন্তু একটা ওরাল আরগুমেন্ট হইছে আর কি। মানে পাকিস্তান আরগু করছে ইয়ের সামনে। মানে আইসিসির সামনে। ওইটা হচ্ছে মিনিটস অব দ্য পাবলিক সিটিং… পাবলিক হেয়ারিং যেটা হয়েছে। … ওরাল আরগুমেন্টে আপনি দেখবেন, কী কী হইছে আর কি। … একটা জাজের অপিনিয়ন পাঠাচ্ছি, যেটা ফ্রেঞ্চে আছে, কিন্তু দেখবেন নিচে ইংরেজি ট্রান্সলেশন করা আছে। … এই জিনিসটাও আমাদের আইসিটির ইতিহাসের অংশ হিসেবে থাকা উচিত। মানে এইডার উপরই আপনি ইচ্ছ করলে মানে কনসিডারিং ইটস সিগনিফিকেন্স—ওদের ভাষায় কমনলি এটা হচ্ছে চঙড কেস আর কি এটা। ফাইনাল অর্ডারটা হচ্ছে লিস্ট থাইকা রিমোভ করা আর কি। পাকিস্তান রিকোয়েস্ট করছে যে, আমরা চাই যে তোমরা এইটা ডিলিস্ট করো আর কি। কারণ ততক্ষণে এগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে আমাদের। ৭৩ সালের ডিসেম্বরের অর্ডার এইটা। তখন বঙ্গবন্ধুর হচ্ছে, পাকিস্তানের রিকগনাইশন ছাড়া আসলে আমরা যেহেতু মুসলিম ওয়ার্ল্ডের রিকগনিশন পাচ্ছিলাম না, এইটা ওনার কাছে সামহাউ ওনার কাছে খুবই ইম্পোর্ট্যান্ট ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে খুবই ইম্পোর্টেন্ট একটা ইস্যু ছিল। যা-ই হোক, পাকিস্তানের রিকগনিশন দরকার আমাদের। তাহলেই আমাদের পূর্ণাঙ্গ বাংলাদেশ হবো আর কি। ওই চিন্তাটা খুব বেশি ডিপলি থাকার কারণে এবং যেহেতু উনি এখানে অনুপস্থিত ছিলেন, এখানে ৭১ সালে ছিলেন না ফিজিক্যালি। পরবর্তীকালে শুধু শুনছেন এখানে কী হয়েছে। এখানেই একটু সমস্যা হইয়া গেছে। সে কারণে ওনি ঠিক বুঝতে পারেন নাই এটা সিগনিফিকেন্সটা, মানে এটা কত হাউ ডিপ ইমোশনাল এই ব্যাপারটা ছিল আর কি। এসব ইতিহাস এই ডকুমেন্টসগুলা পড়লে বুঝা যায় আমাদের প্রায়োরিটিগুলা কী ছিল তখন। কেউ যদি রিয়েলি ক্রিটিক্যালি দেখে আর কি। আমরা কি এটা রাইট বা সঠিক প্রায়োরিটি সেট করছিলাম কি না, তখন আমরা। পাকিস্তানের রিকগনিশন আমাদের কত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটা কি অ্যাটহোল কস্ট? এরপর মুসলিম ওয়ার্ল্ডের রিকগনাইশনটা। এতে কিন্তু খুব একটা বেশি লাভ হয়নি। কারণ হচ্ছে যে, মেইন যে নাটের গুরু আর কি সৌদি আরব। ৭৫ সালের আগ পর্যন্ত মানে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতে দেয় নাই। তাই উনার যে স্ট্র্যাটেজিটা কতটুকু কারেক্ট ছিল, এইটা এই যে সামথিং যেটা ডেফিনেটলি ইয়ে করা যায় আর কি। তা ভালো করে বোঝার বা গবেষণা করার ব্যাপার। …আমি আপনাকে ডকুমেন্টগুলা পাঠানোর সাথে একটা সিঙ্গেল টেক্সট দিতেছি— কীভাবে আপনি যদি সবগুলোকে একটা সিঙ্গেল ডকুমেন্টে আনতে চান আর কি, ইয়ে করার পরে।
নিজামুল হক নাসিম : সবগুলো?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, একটা বা দুইটা, কোনো সিক্যুয়েন্সে সাজাইলে, ইট উইল মেক সেন্স।
নিজামুল হক নাসিম : আমার এখানে একটা আইসা গেছে ট্রায়াল অব পাকিস্তানি প্রিজনারস অব ওয়ার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, একটাই মাত্র পাঠাইছি। ওটা হলো মেইনটা, ওটা হইল পিটিশনটা পাঠাইছি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : তার পরের গুলো পরে যোগ হইবে আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, এখানে অনেকগুলো আছে তো। এগুলার সিকুয়েন্সটা এখন যেভাবে পাঠাচ্ছি সেটা আসলে সিক্যুয়েন্স না। এটা সিকুয়েন্স আমি লিখে দেব, যেটাতে ওইভাবে আপনি সাজাইবেন। তাহলে ওইটা হইল যে, আপনার যে বুঝতে সুবিধা হবে না। মানে ঘটনাটা ওইভাবে ঘটছে আর কি। আমি পাঠানোর সময় অন্য রকম হইয়া যাইতেছে। সেটাকে ওইভাবে সাজাইবেন আর কি। এখানে ইন্ডিয়ান জাজের একটা অপিনিয়ন আছে যে দেশ মামলা করে, সেই দেশ একজন জাজ নোমিনেট করতে পারে…। আপনাকে এখন আমি… দেখি কত হইল টোটাল ভলিউমটা। আমি একটা টেক্সট পাঠিয়েছি, যেটাতে সিকুয়েন্স লেখা আছে। যদি আপনি বাইন্ডিং করেন, অর পুট ইট টুগেদার তবে একটা কমপ্লিট স্টোরি হয়ে যাবে। ইউ উইল গেট এভরিথিং। ২-১ মিনিট পরে… দেখেন গেছে কি না, ৯টা অ্যাটাচমেন্ট পাঠাইছি। আমার চিন্তা ভাবনাতে এই যে, এই হোল অ্যাটিচুডটা দু’টি দিক থেকে খুব সিগনিফিকেন্ট। একটা হচ্ছে যে, ক্রাইম হয়েছে তার বিচার হওয়া দরকার। পাকিস্তান অ্যাজ এ স্টেট হিসেবে এগ্রি করেছে। এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেনোসাইড…
নিজামুল হক নাসিম : আইসিসি কেস ডকুমেন্টস… ডকুমেন্টস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : প্রথম যেটা গেছে, সেটা হচ্ছে মেইন অ্যাপ্লিকেশন। এর পর হলো রাইটার প্রসিডিং যেটা আছে, রিকোয়েস্ট ফর ইনটারিম প্রটেকশন যেই ফাইলটা আছে, সেটা ঢুকাবেন।
নিজামুল হক নাসিম : ওরাল আরগুমেন্ট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরাল আরগুমেন্ট হেডলাইনে আছে। অর্ডার হলো, ৫টা অর্ডার আছে সেখানে…
নিজামুল হক নাসিম : তারপর হলো করেসপন্ডেন্স। এতে হবে কি হোল স্টোরিটা বুঝা যাবে। আর স্টোরিটা ওরা এভাবেই সাজাইছে—মানে অল ডকুমেন্ট তারা কম্পাইল করছে ঠিক এইভাবে…
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক আছে, ফাইন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা অনেক বড় হবে। দরকার হয় পরে আমরা আরও অনেক কথা বলব। Its very important very significant. আপনাকে হয়তোবা সবকিছুর রেফারেন্স দিতে হবে না। কিন্তু একটু একটু করে রেফার করলেও চলবে।
নিজামুল হক নাসিম : পড়লেই আইডিয়া হয়ে যাবে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ হ্যাঁ, পড়লে কমপ্লিট যে আইডিয়াটা হবে, সেটা হচ্ছে যে—হাউ রাইট উই আর এবং এই জিনিসটা এখান থেকে এস্টাবলিশ করা যাবে আর কি। যে পাকিস্তান ওয়াজ ভেরি রাইট অ্যাডমিটিং যে, তাদের আসলে জুরিসডিকশন আছে। এটা কিন্তু আমাদের স্বীকার করতে কোনোই অসুবিধা নাই যে, তাদেরই দায়িত্ব ছিল বিচার করা। তারা তাদের মতো বিচার করলে এখনও করতে পারে। পাকিস্তান কিন্তু স্টিল টুডে তার লোকদের বিচার করতে পারে। পাকিস্তানের আইনেও কোনো লিমিটেশন নাই। ইন্টারন্যাশনাল আইনে তো নাই আর কি। কাজেই তারা তাদের বিচার করতে পারে। কিন্তু আমাদের বিচারের প্রসেসটা নিয়ে যে প্রশ্নটা আর কি, হয়তোবা যদি কোনো পাসিং রিমার্কস করতে চান তাহলে বলা যাবে যে, পাকিস্তান নিজেরাই অ্যাডমিট করে রাখছে আর আমাদের তো কথাই নাই। কারণ আমাদের ভিকটিম আছে, আমাদের মাটিতে ক্রাইম হইছে। তাই আমাদের প্রচেষ্টা খুবই ন্যাচারাল। ডমেস্টিক আইনেও অবলিগেশন আছে, ইন্টারন্যাশনাল আইনেও অবলিগেশন আছে। মেইন অবলিগেইশন হচ্ছে কনস্টিটিউশনেও আছে টু প্রসিকিউট। লিগ্যাল আইনেও অবলিগেশন আছে টু ইনভেস্টিগেট অ্যান্ড প্রসিকিউট। এটা যেহেতু আপনার প্রথম কেস, কাজেই এটাকে প্রত্যেকটা কেসেই আমি জানি না আপনারা কী চিন্তা করছেন, জানি না। তবে নরমালি নিয়ম হচ্ছে, প্রত্যেকটা কেসে একই আরগুমেন্ট দিতে হবে…।
নিজামুল হক নাসিম : যা-ই হোক, এই পার্টটা আগে প্রথম জাজমেন্টে দিয়া লই। তারপর বুঝা যাবে পরের জাজমেন্টে এইটা থাকবে কি থাকবে না; আর আমি পরে থাকব কি থাকব না। অনেক কিছু আছে… প্রথমটায় আমি দিব—এই হলো কথা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : It is very important. আপনি আবার কই যাবেন? আপনারে কি উপরের দিকে …
নিজামুল হক নাসিম : আরে লউ যে বলে, ওরা বলতাছে একটা জাজমেন্ট দাও আগে, তাইলে তোমারে নিয়া আসি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একটা না, আগে বড় সাহেবের জাজমেন্টটা দিয়া আসি।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা…। এইটা তার ল্যাংগুয়েজ আর কি, তার ল্যাংগুয়েজ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বড় মিয়া আবার ওইটার জন্য ওয়েট করতে কিসের জন্য?
নিজামুল হক নাসিম : এদের ভিউ হইল অ্যাপিলেইট ডিভিশনের জাজদের ট্রাইব্যুনালে রাখবে না। আর গভার্নমেন্ট অ্যাডামেন্ট এদের রাখবেই। হের পর কী হইবে আল্লাহই জানে। হা… হা… হা… । আমি তো বলছি স্যার, আপনারা শিলপাটায় ঘষাঘষি করেন আর মাঝখানে আমার অবস্থা কাহিল। হা… হা… হা…। আমার আর প্রোমোশন হইবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি ওইটাই কইতাছি—আপনি পাটাপুতার মাঝখানে পইড়া যাইয়েন না আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেইটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনিও তো থাকতেছে আসলে। তো কাজেই উপায় নাই আর কি। ওইটা ঠিক আমি জানি না। ওনাদের ভিউটা কী? অনেক মানুষই তো… এ রকম হইছে না? আর সবসময়ই তো হচ্ছে এ রকম। আপনি হাইকোর্ট ডিভিশনে একটা জিনিস ডিল করছেন। এরপর আপনি অ্যাপিলেট ডিভিশনে আছেন, সেখানে আর কাজ করতেছেন না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ শুনবেন না রাইট। এছাড়া আর কিছুই না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাই না, এাঁ তো হরহামেশা হইছে এবং এাঁ তো স্ট্যান্ডার্ড প্রাকটিস। যদি কেউ আগে… করে অ্যাপিলেট কেস এটা করবে না। উনার এই যুক্তিটা খুব শক্ত …
নিজামুল হক নাসিম : উনি কয় একটা দেন। সিনহা বাবু কইছে, ডিসেম্বর এর মধ্যে তিনটা দেন। এইটা গোলাম আযম সাহেবের, আর সাকা। এই তিনডা দিয়া ফালাইতে পারলেই হইছে। তারপরে নিয়ে আসি আপনারে আমরা এইখানে। এরপরে ওহানে আপনারে আর লাগবে না। এই হইছে কথা আর কি। আমি কইছি, যা করেন করেন, প্রমোশনডা দিয়া লন আগে। হা… হা… হা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হি… হি… হি…।
নিজামুল হক নাসিম : তো ঠিক আছে জিয়া ভাই, আজকের মতো রাখি অ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে, ওকে। থ্যাংক ইউ ভেরি মাচ। আমি আপনাকে বাকিগুলা পাঠিয়ে দেব ওই যে, যেগুলা বললাম আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ওকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে।
১২ সেপ্টেম্বরের কতোপকথন

নিজামুল হক নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…।
আহমদ আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেমন আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : এই তো দুই পক্ষের ঝগড়া থামাতে ব্যস্ত আর কি! মালুম খালি লাফায় লাফায় ওঠে। না, মানে যখন ওঠে যৌক্তিক কারণ নিয়া তো ওঠে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কী সেইটা বলেন?
নিজামুল হক নাসিম : না কোনো কারণ নাই। আমি ধমক দিয়ে বসায় দিছি। পরে আবার রুমে ডাকছি। পরে কইছে এইডাই ঠিক আছে। আমি দাঁড়াইয়া যামু, আপনি আমারে বসাইয়া দিবেন। লোকে দেখুক আমাদের মধ্যে কোনো খাতির নাই, হি… হি… হি… (হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা… হা… হা… (হাসি)। তাইলে ঠিক আছে। উনাকে কিন্তু মানা করা হইছে যে, খামাকা দাঁড়ায়েন না, কিন্তু উনি মনে করে কিছু পয়েন্ট মেক করা দরকার। এজন্য হয়তো দাঁড়ায়। কারণ টার্গেট তো আপনি না। টার্গেট তো বাম সাইডের লোকেরা। তবু আমরা বলে দিছি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যায় একটু পর পর লাফাইয়া লাফাইয়া ওডে। বলে এটা আসবে না, এইসব নেয়া যাবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি তো দেখলাম রিপোর্ট অনুযায়ী আপনার বোধহয় একবার না করছেন যে…।
নিজামুল হক নাসিম : আমি বলছি যে, আমরাই তো যখন দেখি যে এটা ইরেলিভেন্ট, তখন এইটা নেই না। আর আমরা তো তাদের সবকিছু নিচ্ছি না। আপনার তো দাঁড়ানো লাগে না। আগে আমরা বলব যে, এটা নিচ্ছি। তারপর আপনারা বলেন যে, এটা নেয়া ঠিক হচ্ছে না। আগেই লাফায় উঠে কেন। যখন দেখে আমরা কিছু নিচ্ছি, তখন দাঁড়ায়ে বলুক, আগেই কেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই এক্সারসাইজ করুক আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা… (হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ্যা…মানে, আমরা আলোচনা করছি, অবজেকশন যেন ইয়ে না হয়, মানে কোন অবস্থায়ই যেন স্পিডটা যেন কমে না যায় আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : তা তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তবে ওটাও ওনার স্ট্র্যাটেজিটা অই দিক থেকে ঠিক আছে। যদি দেখে যে না, ট্রাইবুন্যাল—আসলে প্রসিকিউশন চেষ্টা করতেছে কিন্তু না—পারতেছে না, তো দ্যাট কেস ইন সাম সর্ট অফ মানে ইয়ে আরকি, কনফিডেন্স, মানে যদি সেটাই উদ্দেশ্য হয় আরকি। জেরাটা কেমন গেছে ?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… ভালোই। জেরাতে তো সব কনফার্ম করে দিচ্ছে। এত বাজে জেরা, আল্লাহ…!!! ডিফেন্সের জেরা খুবই খারাপ হচ্ছে, জেরা হয় না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু ডিফেন্সের সবচেয়ে ইমপোর্ট্যান্স মানে সবচেয়ে স্পেশালিস্টই জেরা করতেছে তো।
নিজামুল হক নাসিম : স্পেশালিস্ট বলেই তো সর্বনাশটা হয়ে যাচ্ছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এদের ভেতরে মানে বেস্ট কে আর কি?
নিজামুল হক নাসিম : আমার তো মনে হয়, আইনের ই-টাই বোঝে নাই তারা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে—আইনের ফ্রেমওয়ার্কটাই বোঝে নাই তারা? আপনার অন্যান্য ব্রাদাররা কী বলে? তাদের কী ধারণা?
নিজামুল হক নাসিম : অ্যা…একই কথা বলতেছে যে, এ কি জেরা হচ্ছে! এ জেরা তো সর্বনাশ করতেছে আসামির। এই জেরা না করাই উচিত ছিল তাদের।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন তারা আর কটা সেশন চাইছে? আরো দুইটা সেশন ?
নিজামুল হক নাসিম : দুই সেশন বাকি আছে। আজকে সেকেন্ড সেশনে শেষ হয় নাই। কারণ উনি প্রাইম মিনিস্টারের ওহানে গেছেন। বলছেন, এই জন্য সময় দিছি, কালকে দুই সেশনে শেষ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এতে কে গেছে? সুলতানা আপা?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সুলতানা কামাল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এটা অন্য ব্যাপার। কালকে একটু আসছিল আর কি। আমাদের নিজেদেও ভেতরেও কথাবার্তা হইছে। কালকে, মহসীনা আর সঞ্জীব আসছে (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আনোয়ার হোসেনের ছেলে)। ও আচ্ছা, আপনার সেই ছেলে আসবে নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : না আজকে আসবে না। আজকে আসতে বলি নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা… যাক। আমরা আলোচনা করছি এইটা নিয়ে কিন্তু, হ্যাঁ..। এই ছেলে সম্পর্কে রায়হানের (লন্ডনে অবস্থানরত রায়হান রশিদ) অ্যাসেসমেন্ট হচ্ছে যে, এই ছেলে কিন্তু চাকরি পাওয়ার আগে, জয়েন করার আগে আগে সে আমাদের সাথে বিশেষ করে রায়হানের সাথে খুবই ঘনঘন যোগাযোগ করছে এবং সে সবকিছু করছে আর কি। কিন্তু, তার পর থেকে মানে… জয়েনের পর থেকে কিন্তু, আর কোনো খবর নাই তার।
নিজামুল হক নাসিম : ঠিকই আছে। জয়েনের পরে জজ হইয়া গেছে। খবর রাখবে কেমনে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রিকোয়েস্ট করার পরেও, যে আপনি স্কাইপে আসেন। মানে সে প্রথমে সে জানাইছে তাকে ল্যাপটপ দেয়া হইছে। এবং ইন্টারনেট তার কিন্তু এক্সেস আছে। আমার যেটা ধারণা ছিল, কালকে আপনাকে কর্নফার্ম করতে পারি নাই। আমার ধারণা ছিল সে হয়তো বা এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটের এক্সেসটা সে ইয়ে করতে পারছে কি না।
নিজামুল হক নাসিম : ইন্টারনেট ২-৩ দিন আগে পাইছে, এবং আপনার ওইডা-ইন্টারনেট তারে অফিস দেছে। আর বাসায় আছে কিনা জানি না আমি। কিন্তু স্কাইপে তার নাই, এখন পর্যন্ত।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : এখন তো সে জজ। এখন ইয়ে হইছে না? এখন তো সে জজ। আবার ইয়েতে ভর করছে না? মানে কথা বলা ঠিক হইবে কি না? উচিত কিনা আপনার সঙ্গে। এসব…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে যখন যোগাযোগ করছে তখন তো সে জজই ছিল আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : যাই হোক।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ… হ্যাঁ… এখন তো সে জজ না, বরং এখন তো সে মোর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ জবে আছে।
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের এখানে—হ্যাঁ। যাই হোক, আজকে তার সঙ্গে আমার কোনো দেখাই হয় নাই। কারণ আমিও তো ১০টায় কোর্টে ঢুকি আর সাড়ে ৪টায় বের হই। তবে তাকে আমি, কালকে তারে আমি ডাকব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটা হচ্ছে কী যে, ওই… রায়হানের সাজেশনটা হচ্ছে যে, আপনে সরাসরি, সে আপনে আমাদের কথাটা বলছে আপনারে। মানে সবই করছে এবং এটা রায়হান মনে করে যে, সে মানে আমাদের সাথে যে লিংকেজটা আছে, আপনার একটা ভালো শুভেচ্ছা টাইপের এবং বলতাছে যে, এই মুহূর্তে ইয়ে করছেন যে, তার সামনে আমরা আলোচনাটা প্রাথমিকভাবে না করি আর কি। আপনে তার সাথে ওয়ার্ক করেন, অ্যান্ড দেন ইউ ফিল ইট, অ্যান্ড দেন এবং আরেকটা কথা রায়হান যেটা বলছে যে, আমাদের কাছ থেকে ম্যাসেজ আপনার কাছে যে, আমাদের সাথে তার যোগাযোগ আছে কি না সেটা জানতে একটু ইয়ে কইরেন আর কি, মানে জিজ্ঞাসা কইরেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ আছে কি না, এরকম একটা প্রশ্ন কইরেন। সেটা ভালো হইবে আর কী। আর আপনি কাজ করেন। এমনে ঠিকই আছে আমাদের।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু রায়হানের কথা হচ্ছে যে, ছেলেটা একটু ক্যারিয়ারিস্ট মনে হচ্ছে আমাদের কাছে।
নিজামুল হক নাসিম : ক্যারিয়ারিস্ট তো বটেই, কেরিয়ারিস্ট হবেই। কে না? হা… হা… হা… (হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওয়েল, আমাদের হচ্ছে যে, ওই সেন্সে আমরা ইয়ে করি আর কি। আমাদের-আমরা মনে করি আর কি ক্যারিয়ার আছে। বাট এখানে ডেডিকেশনটাও থাকতে হবে আর কি। তো কমিটমেন্টটা এবং ডেডিকেশনটা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আমি একটা কথা বলি—ও ওইখানে আসছে, মানে গভর্নমেন্ট বইল্যা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ। এটা সত্যি কথা।
নিজামুল হক নাসিম : ইন্টারেস্ট দেখাইয়াই সে আসছে, তার ইন্টারেস্ট আছে। কাজেই কমিটমেন্টও আছে বইল্যা আমারও মনে হয়। আমার লগে হে কথাবার্তা বলছে, রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা করছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, না। এমনে ঠিক আছে। এমনে আমরাও ঠিক আছি। যেটা সারপ্রাইজড হইল সেটা হইল যে, আপনি তো ধরেন রেসপন্স তো করবেন আপনি। হয়তো বা আপনি স্কাইপে আসতে পারতেছেন না, কিন্তু আপনাকে যখন রিকোয়েস্ট করা হয়, বা বলা হয়। আসলে আগে রীতিমত নিয়মিত আসত। এখন হঠাত্ করে আইসিটিতে জয়েনিংয়ের পর থেকে তার রেসপন্স রেটটা একটু লো হয়ে গেছে। সেটা আমাদেরকে একটু… মানে রায়হানকে বিশ্বাস করি এবং মেইন রায়হানই এগুলো কো-অর্ডিনেট করে। আর কালকে আমাদের সঞ্জীব-মহসিনার (মহসিনা হল সঞ্জীবের স্ত্রী) সাথে আমাদের ডিটেইল ডিসকাশন হয়েছে। সঞ্জীব-মহসিনাদের ইভেন আপনার যখন লাগবে বা যদি লাগে, উই এজ ইউজ্যুয়াল। যেহেতু তারা আপনারটা ইয়ে নিয়ে করে আর কি। যদি সে একদিন আগে জানে, তাহলে তখন ঢাকায় এসে ইয়েতে থাকবে আরকি। মানে গুলশানে থাকবে। তখন ইয়েতে থাকবে না। একদিন আগে থেকে ব্যবস্থা করে নিতে পারে আর কি, তাহলে।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ ওদের ওই গাড়ি একটা ব্যাপার-স্যাপার আছে। মানে সবাই যায় একসাথে। ওদের এরকম একটা ব্যাপার-ট্যাপার আছে। সো একদিন আগে জানলে তার জন্য ব্যাপারটা ইজি হয়ে যায়। অবশ্য আপনাকে তো সব সময় একদিন আগেই জানানো হয় অ্যাট লিস্ট, বা আরো আগে জানানো হয়। তো ওইটা ওভাবে চলতে থাকবে। যখন দরকার হবে—আর কালকে বোধহয় সিমন মিয়া, মানে ওস্তাদি তো আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে সুলতানা আপার সামনে সে একটু গুরুত্ব, নিজের গুরুত্বটা বোঝানোর জন্য যে, সুলতানা একটু গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। কালকে যখন তারা লাঞ্চ করেছে প্রসিকিউটরদের সঙ্গে, মালুম ভাই, অ্যা…অ্যা আইও‘র সাথে। তো সেইখানে আমরা যে জিনিসটা আলোচনা করেছিলাম, আমরা নিজেরা, নিজেরা-নিজেরা মালুম ভাইর সাথে, উনিও ছিলেন। তারেকের সাথে,.. সেদিন যে রাত ২টা পর্যন্ত বড় একটা আলোচনা হলো যে, আমাদের অ্যাপ্রোচটা কী হবে। কার পরে কে আসবে এবং কোনখানে গিয়া সাক্ষী এটা শেষ হয়ে যাবে। তারপের হচ্ছে যে মানে আমরা কোন সাক্ষীটা দিব। এই যে, এইসব যে আলোচনাটা, এইটা এবং এখানে বোধহয় সুলতানা আপার সাথে ৩ জন আইন ও সালিশ কেন্দ্র থেইকা ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ.. ওবায়েদ আর দুইটা মেয়ে। তিন কি চারজন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, তিন-চারজন ছিল। তারাও ছিল সেখানে। তো সেইখানে এইটা মানে উনি যখন ওনার, মানে মালুম ভাইয়ের ভাষাতে এইটা হলো আওয়ামী লীগের এ আর কি, শিক্ষা আর কি। আওয়ামী রাজনৈতিক শিক্ষা আর কি। নিজের গুরুত্বটা দেখানোর জন্য বলছে যে, আমরা এই রকম চিন্তা করতেছি যে আমরা আপনার পরে শফিউল্লাহরে ডাকবো না, এইটা করবো না… সেইটা করব না, এইসব আরকি। এরপর মালুম ভাইয়ের কথা অনুযায়ী উনি চেষ্টা-টেষ্টা করছেন… মানে ইশারা দিছে, কিন্তু উনি বলছেন, খাড়ান আমার কথা আছে। আমার কথাটা বলে নেই আর কি। এটা সুলতানা আপা খুবই রিএ্যাক্ট করেছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ..হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যে, আমার সামনে আমাকে তো দেখানোর কিছু নাই। তারপর হচ্ছে যে আমার সাথে ছেলেমেয়েরা আছে, তারা… আমরা তাদেরকে বিশ্বাস করি। কিন্তু এইগুলা তো আমি জানতে আসি নাই যে, আপনার প্রসিকিউশনের স্ট্র্যাটেজিটা কী হবে… সেইটা কেন আমাকে, মানে আমার সামনে, আমাদের সামনে, এইরকম একটা প্রেক্ষিতে কেন বলা হলো! পরে কালকে আমি ওনাকে দু্রত ম্যাসেজ দিয়েছি আর কি। যে আপনি কালকে রাত্রেই আসেন। আর মালুম ভাইরেও নিয়া আসেন। মালুম ভাইয়ের সাথে তো আমার আগেই কথা হইয়া রইছে। মালুম আসলে আমি ওনারে বলছি যে, ই… রকম ব্যাপার। এটা তো আমরা সেদিন আলোচনা করছি স্পেসিক্যালি যে, আমরা পাঁচজন লোক ছাড়া, যারা আপনারা কোর প্রসিকিউটর তিনজন, চারজন যারা তারা, আর আমরা হইলাম দুইজন। এর বাইরে কিন্তু কেউ জানবে না। এটা কী করে, প্রথমে বলছে যে, আমরা এরকম জানছি। এ ধরনের কথাবার্তা, যেগুলো আসলে বলার কথা না। এগুলো কেন বলা হইছে আর কি। তখন উনি অলমোস্ট সেটা ইনোসেন্ট একটা প্লে করতেছে যে, এইগুলা কে করছে। তখন আমি বলছি যে, আসলে দেখেন, এগুলো আপনার নামেই আসছে। আসলে আমি দেখলাম সরাসরি না বললে এটা হবে না আর কি এবং এটা আপনি কোথায় কখন? আমি বলছি যে, এই আপনে তখন খাওয়ার সময় লাঞ্চ আওয়ারের সময়। তখন তো আর কিছু বলতে পারে না। মালুম ভাই বলতেছে যে আমিও তো ছিলাম—আমিও তো ইশারা দেয়ার চেষ্টা করছি। এরপর আমি বলছি দেখেন, আপনি খুবই পরিষ্কার করে বুঝে নেন যে, এই বড় কেস সম্পর্কে, এই যে তিন-চারজন আপনারা যারা কোর প্রসিকিউটররা আছেন, এদের বাইরে যদি থার্ড পারসনও কেউ থাকে, তখন এগুলো নিয়ে আপনারা আলোচনা করবেন না, একদম আলোচনা করবেন না। এখন এর পরে আমাদের মিটিংয়ের পরে চিফ প্রসিকিউটরসহ তারা বসছে এবং সেখানে চিফ প্রসিকিউটর একই ইস্যুতে খুবই এমফেসাইজ দিছে। বলছে যে, এটা কোনো অবস্থাতে এ…এ না হয়। মানে এই আলোচনাগুলা মানে আমাদের স্ট্র্যাটেজিক আলোচনাগুলো যেন কোনো অবস্থাতেই বাইরে না যায়। কিন্তু হয় অত গুরুত্ব বুঝে নাই, অথবা নিজের গুরুত্বটা জাহির করতে চায়, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সামনে, সুলতানা কামালের মতো একটা মানুষের সামনে যে… আমি যে কী, মানে এইটা কালকে আমরা এইটা বেশ কিছু এগিয়েছি আর কি। যে দেখেন এই ব্যাপারটাতে যেহেতু আমরা সাম হাউ জড়িত আছি। আপনাদের স্ট্র্যাটেজিক ডিসকাশনটা শুধুমাত্র যারা ইভেন আপনারা যারা আলোচনা করতেছেন না, অন্য প্রসিকিউটরদের সাথে, সেইখানে আপনার যখন বাইরের লোকেরা আছে, সুলতানা আপা আছে বুঝলাম, কিন্তু সুলতানা আপারও তো জানার কথা না। সুলতানা আপা তো ওইটাই বলছে আর কি। যে এটা তো আমারও জানা উচিত না। তয় আপনারা কী করতেছেন, না করতেছেন এবং সেটা এইখানে আবার আমার ছেলেমেয়েরা রইছে। ওনি বলছে, তাদেরকে আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু তারপরেও তো। এইটা এই জিনিসগুলো এখন তো আমরা ওনার সামনে, ওনাকে তো আমরা অল মোস্ট মানে স্ট্র্যাটেজিক আলোচনাগুলা, এর পরে তো আরো কো-র আলোচনা হবে আরকি। যেগুলো আসলে রিয়েলি আমরা কোন কোন পয়েন্টে আগ্যু করব, কোন কোন পয়েন্টে আগ্যু আসবে, কীভাবে এটাকে কনস্ট্রাক্ট করা হবে—এসব আলোচনা তো তখন মানে ডিফিকাল্ট হইয়া যাবে। সো এখন আমরা যেটা আমরা ঠিক করছি যে, আমরা মোটামুটি আবার সেই ওল্ড গ্রুপ, মানে আবার ৪ জনের গ্রুপ, আবার রিঅ্যাক্টিভেট হবে। মানে হইয়া গেছে আরকি। ভালোই হইছে। আবার সবাই ফর্মে চলে আসছে। যে যতটুকুন পারে ম্যাক্সিমাম সময় দিবে। মোহসিনা হচ্ছে… বিলিয়াতে শুরু করছে।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, ভালো হইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বিলিয়াতে তো নাকি… ডিরেক্টর—আমি এটা জানতাম না, অলিউর রহমানকে বহিষ্কার করে দিয়েছে? এটা কি জানতেন আপনে…?
নিজামুল হক নাসিম : কই? না তো!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, অলিউর রহমান নাকি বহুদিন আগে বহিষ্কৃত।
নিজামুল হক নাসিম : তা তো জানি না! এখন কে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন অ্যাক্টিং ডিরেক্টর শাহদীন (সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক), এখন ওনাকে কনফার্ম করছে আর কি। আমি তো জানতামই না, যে… অলিউর রহমানের বোধহয় একটু ফাইন্যান্সিয়াল ইয়ে হইছে আরকি…
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ… সে তো চোর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা… হা… হা… (হাসি)। এখানে কিছু ফাইন্যান্সিয়াল ইরেগুলারিটির ব্যাপার-স্যাপার আছে আরকি। সো, হি ওয়াজ টোল্ড টু গো। মানে যানগা। এইটা হচ্ছে… এটা আমি জানতাম না কিন্তু। এখন সে ওইখানে জয়েন্ট ক্রিমিনাল এক্সপার্ট। তার উপর রিসার্চ করতে বলছে। অ্যাজ এ রিসার্চার তাকে দুইটা পেপার করতে হবে, কী করতে হবে না করতে হবে। তার প্লেন্টি অব সময় আছে ওইখানে। কাজেই মহসিনা মানে দিনের বেলাতেও প্রচুর কাজ করতে পারবে। তারপরে সঞ্জীবের এবারে ক্লাসটা খুব ভালো দিয়েছে। প্রথম ইয়ারে তাকে হাবিজাবি কোর্স দিছিলো, যেগুলাতে আসলে বেশি পড়ালেখা করতে হইত। এবারে তারে ক্রিমিনোলজি দিয়েছে এবং ইন্টারন্যাশনাল ল দিছে। এটা রিয়েলি তার জন্য বেশি ওয়ার্ক করা লাগবে না আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : স্ট্যামফোরডে ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, স্ট্যামফোরডে। ক্রিমিনোলজি, ক্রিমিনোলজি তো তার একেবারে পেট সাবজেক্ট। আর ইন্টারন্যাশনাল ল তার যথেষ্ট পরিচিত সাবজেক্ট। তো এটার জন্য তাকে বেশি একটা ঘাঁটাঘাঁটি করা লাগবে না। বেশি পরিশ্রম করতে হবে না। কাজেই তারা দুইজনেই আবার মানে…ব্যাক টু ফর্মে আসছে।
নিজামুল হক নাসিম : ওরা সাভারের থেকে কেমনে এই ই কাজ করবে, কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা। যে ডিসট্যান্স সাভার থেকে ঢাকার যে আপনাদের এই এলাকাতে, মানে সাভার থেকে এইখানে আসা… ঢাকার এই মোড়া থেকে ওই মোড়াতে যাওয়া নাকি বেশি তফাত না। ওইখানেও দেড় ঘণ্টা লাগে। তারা যখন সকালে আসে। তাতে তখন দেড় ঘণ্টা লাগে।
নিজামুল হক নাসিম : হু…ম…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কাজেই খুব একটা বেশি ইয়ে হয় না আর কি। আর তারা যখন উইক এন্ডে এইখানে থাকে। আর যখন দরকার পড়বে, বলতেছে যে, যখনই আমাদের রাত্রে দরকার পড়বে, বিশেষ কইর্যা, সেটা তখন এক রাত আগে জানালে, তখন আমরা ওই রাতেও থাকবো আরকি। গুলশানে থাকবো। সো, ওইটা খুব একটা অসুবিধা হবে না। ওইটা ওদের… ওরা প্রত্যেকেই আসতেছে ওদের গাড়ি নিয়ে সকালে চইল্যা আসে। গাড়ির দুইজন দুই দিকে, একেক জনকে একেক জায়গায় নামায়, তারপর আবার কো-অর্ডিনেট করে তারা। কাজেই ওইটা অসুবিধা না তখন। কাজেই তারা কমিটেড ছেলেমেয়ে। এখন যেটা মালুম ভাই চাইছে, ওইটা বলছি আজকের ভিতরে খুঁজে বের করতে। সেইটা হচ্ছে যে, ওই দুই-তিনটা বোধ হয়, ডকুমেন্ট আমরা অ্যাড করেছিলাম—সেই ডকুমেন্টগুলা…ওনাদের হাতে দিয়ে দিতে আর ক। আছে… আমরা বোধ হয় এটা এক্সট্রা ওই ওয়াশিংটন পোস্টের একটা লেখা ছিল, সেটা অ্যাড করা হইছে। সেটা, আর দুইটা জিনিস আছে ছোট ছোট। এইটা ওনাদেরকে দিয়ে দেয়া, ওনাদেরকে বোঝানোর কাজটা করা। কাজেই এইটা করবে। তারা যতটুকু সম্ভব ততটুকু তারা ইয়ে করবে। আ…র রাতে যদি থাকতে হয়, মানে বেশি রাত্রে যদি প্রয়োজন পড়ে, মানে আপনার কাছে যদি ফিজিক্যালি যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে রাত্রে, সেটা আগে জানলে সে ইয়ে করে ফেলবে। সে বলছে যে, আমরা তখন গুলশানে থাকবো আরকি। সো, ওইটা কোনো সমস্যা হবে না। ওইটা আমাদের মিটিংটা, মানে গ্রুপটাকে আবার চাঙ্গা করা গেছে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ..হ্যাঁ… (হাসি) ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এটা দরকার ছিল। মানে যে খোঁজাখুঁজির কাজটা অনেক সময়, ছোট একটা লেখার কাজটা, হু.., এগুলা আমাদের কয়েকজন নতুন ছেলে আসছে… তাদেরকে তো আমরা কাউরে তো আসলে, আমাদের যে প্রিন্সিপল, যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু যদি তাদেরকে জানানো হয়, অথবা কাউকে বলা হল যে এটার উপর ছোট্ট একটা, ইয়ে লেখ আর কি। এর চাইতে তো বেশি আর সে জানতেছে না যে কী হচ্ছে। ত এগুলা…। রায়হান অবশ্য এ মাসে ফ্রি হয়ে যাবে হোপফুলি। ওইগুলাও কো-অর্ডিনেট করার জন্য সঞ্জীবরা হইছে বেস্ট পার্সন। মানে সঞ্জীবদের পার্সপেক্টিভটা থাকার ফলে হচ্ছে কী যে, আমাদের কী প্রয়োজন আছে… আর খুব সার্ফ ছেলে তো এগুলা। এগুলাতে কোনো অসুবিধা না। তো… ওই সেন্সে রিলিফ যে, মোর অর লেস আমরা এখন লিগ্যাল কর্মীদের টিমটা আবার, মানে ব্যাক টু ফর্মে চলে আসছে। আর মালুম ভাইকে কিছু সাপোর্ট আমাদের দিতেই হবে। কারণ ওনারা রিয়েলি এই ডকুমেন্ট-টকুমেন্ট নিয়ে বেকায়দায় আছে। আর প্লাস হইল যে, এই যে সিমন-টিমন (প্রসিকিউশনের সদস্য) এরা আসলে এফিশিয়েন্ট না। এরা কিন্তু ঝামেলা করার ব্যাপারে খুবই এফিশিয়েন্ট আবার। আর মালুম ভাই কিন্তু বারবার বলতেছে যে, আমাদের সাথে যখন, মানে ওনার গল্পের ষোলোতে আমাদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার যে আছে তার সাথে, তার এলাকার বোধ হয়, একই এলাকার মানুষ।
নিজামুল হক নাসিম : মানে গণ্ডগোল?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেইখানে আসলে তার কী গণ্ডগোল। সেখানে বোধহয় সে বেশি পপুলার। সে… তার টেলিভিশনে বেশি চেহারা আসে, এ নিয়ে কী মাথা গরম। এখন আমি ওই লোকরে তো আমরা চিনি কোত্থেকে, ওই লোক তখন আমিনুল হকের সাথে, তখন তার ইয়ে করত যখন।
নিজামুল হক নাসিম : সে আগরতলা মামলার আসামি…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু…ম… তো মানে আমিনুল হকের চেম্বারে তো তার, মানে পার্মানেন্ট আনাগুনা ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেইখান থেইকা আমরা তারে হইল চিনি আর কি। এবং মানে ভালো বেটার দেন আওয়ামী লীগার সে। উনি কেন যে তাঁর সাথে ওনার গণ্ডগোল আসলে উনি কী তাকে থ্রেট মনে করে কি না, যেটা সিমন ভাই মনে করে যে, সে নাকি তাঁকে থ্রেট মনে করে এলাকার জন্য। অ্যা.. এসব কথাবার্তা হইল ওনার আর কি। উনি ঠিক প্রসিকিউশন নিয়ে বেশি ইন্টারেস্টেড না। যেটা হল উনি যে চেষ্টা করবে যে, এর পরে সেটা তো পরিষ্কারই বোঝা যাচ্ছে যে, উনি… নির্বাচনের জন্য চেষ্টা করবে। এইখানে চেষ্টা করছিল ওই যে, ইলেক্টেড বা সিলেক্টেড ইয়ে হওয়ার জন্য। মানে ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য।
নিজামুল হক নাসিম : হুম…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু সেটা হলো না। এটা হচ্ছে ওনার ইয়ে আরকি। বরং ওনার ছেলেটা হচ্ছে বেটার, মানে অনেক বেটার। শুধু শুধু কিছু লোক, এমন লোক দিল আর কি। শুধু প্রসিকিউশনটা যদি এফিশিয়েন্ট লোকদের হাতে পড়ত না… তাহলে কিন্তু ইমেজটা একটু অন্য রকম হয়ে যাইত।
নিজামুল হক নাসিম : এফিশিয়েন্ট কী, আমার কথা এই এফিশিয়েন্ট কারা? সেটা বুঝি না কিছু। বাংলাদেশে এই আইনের উপর এফিশিয়েন্ট লোক পাব কই—এই আমরা? আমীরুল ইসলামের আনলে হ্যায় তো গ্যাঞ্জাম করবে। আর ড. কামাল হোসেন হ্যায় ক্রিমিনাল বোঝে না। এখন আনবেন কারে, লোক কই?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না… এটা বলতেছি না আমি। এফিশিয়েন্ট মানে হচ্ছে যে, যেমন ধরেন কী যে… কেউই তো আমরা জানতাম না এই আইনটা। কিন্তু আপনি দেখেন যে, একেক জন একেক রকমভাবে পিক আপ করছে। ঠিক আছে? এবং এটার ব্যাপারে পুরো নজর দেয়াটাকে আমি এফিশিয়েন্ট বলতে চাচ্ছি। যে, আপনি ফুললি কনসেনটেড করতেছেন, জানার চেষ্টা করছেন, আপনে বোঝার চেষ্টা করছেন এবং সবচেয়ে ইমপোর্টেন্ট হচ্ছে যেটা, সেটা হচ্ছে যে, আপনার ফান্ডামেন্টালটা যদি ঠিক থাকে, বেইসিক আপনার কনসেফট যদি ঠিক থাকে, ইন আদার ওয়াইজ ইফ ইউ আর এ গুড লইয়ার, রিজনেবলি গুড লইয়ার, এটা কিন্তু হেলপ করে। এবং ওই ডেডিকেশনটা থাকতে হবে। ওনাদেরকে বেশিরভাগই প্রসিকিউটররা আসলে, গুড লইয়ারের সংজ্ঞায় পড়ে কি না, মানে যে যে এরিয়াতে কাজ করে। তার ক্রিমিনাল ল’তেই কাজ করুক, কোনো অসুবিধা নাই। বাট ক্রিমিনাল ল’তে তারা গুড লইয়ারের মধ্যে আসে? সংজ্ঞার ভেতরে পড়ে? এখানে হচ্ছে, আমাদের সমস্যাটা হচ্ছে। ওই সেন্সে আমি বলছি, যদি এফিশিয়েন্ট গুড লইয়ার থাকত। তারপরে আপনার শিখাটা তো শিখতেই হচ্ছে কন্টিনিউয়াসলি। আপনি পিক করবেন আসলে। খুবই কুইকলি পিক করতে পারবেন, শুধুমাত্র আপনার ওই ইচ্ছাটা থাকলে আর কি। বোঝার চেষ্টা করাটা, মানে চেষ্টা করে যদি আরকি। ওনাদের তো হচ্ছে যেহেতু নিজেরাই খুব বেশি গুড লইয়ার না, মানে খুব বেশি না, আসলে গুড লইয়ারই না, মানে লইয়ারের ভেতরেই পড়ে না। এবং এই যে জানার ব্যাপারে যে একটা উত্সাহ যেটা, সেটাও নাই। ডেডিকেশনটাও নাই। যে ফুল টাইম করতেছি আরকি। আর প্রত্যেকের যে ক্যামেরা। সো, এই সবকিছু মিলে-টিলে অন্য ক্যারিয়ার, মানে ক্যারিয়ার খারাপ না। কিন্তু প্রসিকিউশনে হলো যে, একটা মহা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটা যে… দায়িত্ব নিছে আরকি বা দায়িত্ব পড়ছে আমার উপরে। ওই সিরিয়াসনেসটা যদি থাকে আরকি, বা ওজনটা যদি বোঝে, আমি কিন্তু খুবই ফরচুনেট যে, আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে আমি একটা অংশ হয়ে যাচ্ছি। অ্যাজ এ প্রসিকিউটর অব দ্য আইসিটি। যে আমাকে একটা হচ্ছে ‘সেভেনটি ওয়ানের’ ভিকটিমদের, একট হচ্ছে হোল প্রসেসটা, নতুন একটা জিনিস, এ ব্যাপারেও তো আমার জানার ইচ্ছা থাকতে হবে। এই জিনিসগুলা আসলে সবগুলো মিল্যাই কিন্তু আসলে একটা ভালো, ইভেন সে আগে কোনোদিনই ইন্টারন্যাশনাল ল’ পড়ে নাই, ডাজ নট ম্যাটার আসলে। কিন্তু সে যদি বেসিক ক্রিমিনাল ল’টাও পড়ে, তারপরে এতদিনে যদি তাকে এই যে নোশনটা, যেটা বোঝে যায় যদি আর কি। এটা খুব ডিফিকাল্ট। প্রত্যেকেরই জন্য যেটা আপনাদের অনেকেরই ওরিয়েন্টেশন হচ্ছে যে… ক্রিমিনাল ল’য়ের ওরিয়েন্টেশন থেকে যারা আসতেছে। কিন্তু ওনারা তো আসলে প্রাইভেট লাইফেও কিন্তু ওনারা কোনো সিরিয়াস কেইস করে নাই কখনো। মানে আপনে যখন, ওনি তো নিজেই স্বীকার করে আরকি। মানে সবাই লইয়ার হইছে। কিন্তু, লইয়ার কিন্তু ওই লইয়ারই আরকি। এখানে খুব সিরিয়াসলি কেইস করছে, বড় ক্রিমিনাল ল’ কেইস করছে, অথবা গুরুত্বপূর্ণ ক্রিমিনাল কেইস করছে, ইরকম মানুষের পরিমাণ খুবই কম আছে। আবার দুই-একটা যেটা ওই দিকে যেগুলা আছে, সেগুলাও কিন্তু দে আর নট রিয়েলি, মানে ডেডিকেটেড আরকি। এদের এক্সপেরিয়েন্সটা নাই, আর ডেডিকেশনটা না থাকে, ডেডিকেশনটা থাকলে কিন্তু এক্সপেরিয়েন্স-টেক্সপেরিয়েন্স সবই হয়ে যায়। এবং ওই তিন বছরে এদের অনেক এক্সপেরিয়েন্স হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আজকে, এখন পর্যন্ত ধরেন—আমি আপনাকে বলতেছি উদাহরণটা, এই ইয়ে গেছে যে, লন্ডনে গেছে যে দুইজন প্রসিকিউটর…
নিজামুল হক নাসিম : হু বাদল গেছে…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, বাদল মিয়া রিকোয়েস্ট কইর্যা পাঠাইছে, আমরা যেন ব্রিফ কইর্যা দেই হোল প্রসেসটা। বুঝছেন…?
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা…!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এই টোটালি তাদের এ সম্পর্কে কোনো ধারণা নাই। এইটা হচ্ছে সমস্যা। কেই করতেছে, এই ভাগ-বাটোয়ারা দিয়ে দেওয়াতে এখন তারা কেস করতেছে। এজন্যই তো আমি আসলে আপনাদের এই ট্রাইব্যুনালের যে, এক নম্বার ট্রাইব্যুনালের ব্যাপারে হইল আর কি আমার ভেরি ভেরি ইন্টারেস্ট। আর ওইখানে যে ওরা কী করতেছে। অ্যা… আমরা কোনো খবরও রাখি না, সম্পর্কে আমাদের আগ্রহ বেশি, ওইটার তো আমরা কোনো খবরও রাখি না। আর সেই স্কোপও নাই আমাদের। আর আমরা বুঝতে পারতেছি না। একেক জন একেক রকম লিমিটেশন-ওয়ালা লোকদেরকে দেয়া হইছে আর কি। বাট এনিওয়ে। তারপরও যেভাবে প্রসেসটা আগাচ্ছে সেটা। আমাদের ফাইনাল কথা হইল সেটাই অলওয়েজ। যে প্রসেসটা এটা ডেসপাইট এভরিথিং, উই আর ভেরি হ্যাপি। রায়হানরা একটু, মানে সেদিনও রায়হানরে বলছি, কালকে না পড়শু দিন বললাম আরকি। দেখেন আমরা তো, আমি ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, আমি অন্য কারো কথা জানি না, যেটা আমি নিজে জানি, এত বছর ধইর্যা সেভেনটি ওয়ান নিয়ে চিন্তা করি আমরা। বিভিন্নভাবে ডিরেক্টলি, ইনডিরেক্টলি কাজ করছি আমরা, প্রচুর কাজ করছি ডিরেক্টলি। আমার কিন্তু কখনই বিশ্বাস করি নাই নাই যে, বাংলাদেশে বিচার হবে একদিন। আমরা কিন্তু এইটা অল মোস্ট দাবি হিসাবেই সব সময় থাকবে এবং আমরা ক্যাম্পেইন করেই যাব আরকি। দ্যাট ওয়াজ অ্যাট বেস্ট আমাদের ই…টা ছিল আরকি, মানে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। আমার মনে হয় না যে কেউ-ই বিশ্বাস করবে যে, আমরা জানতাম যে, বিচার হবে একদিন। এত বছর ধরে কোনো খবর নাই আরকি। তো ফ্যাক্টস্্ যে এখানে বিচার শুরু হয়েছে। এটা তো একটা বিরাট ব্যাপার। বিরাট একটা ব্যাপার, ট্রিমেন্ডাসলি হিস্টোরিক সিগনিফিক্যান্ট। ও আচ্ছা, আপনাদের ইটা নিয়ে কালকে একটা ডিসকাসন হইছে। যে, এক নম্বর কেইস নিয়া আমরা, মানে আপনারা তো কোনো কথা আরকি বলতে পারেন নাই। এই একটা সুযোগ আছে, একটা কেইসের মাধ্যমে, ইয়ে… মানি যত রকম ইস্যু আছে সব ইস্যু কিন্তু আপনারা ইডার ভিতরে অ্যাড্রেস করে দিতে পারবেন।
নিজামুল হক নাসিম : হুম…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা ইতিহাসটাকে একেবারে, মানে ডেফিনিটলি হিস্ট্রিটা। তারপর হচ্ছে যে প্রসেসটা এবং প্রসেসের আগের প্রসেসটা, তারপর হচ্ছে যে প্রসেসের ইভ্যালুশনটা, খুবই সিগনিফিক্যান্টলি অ্যা… এটা আমরা পরে আরো আলোচনা করব। বাট খুবই সিগনিফিক্যান্টলি জাজমেন্টটা আপনারা এই কেইস রিল্যাটেডই কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল যে সিগনিফিক্যান্ট ডিসিশন নিয়েছে, অর্ডার দিয়েছে যেগুলো এবং ট্রাইব্যুনালের অ্যাপ্রোচটা কী ছিল। ট্রাইব্যুনালের অ্যাপ্রোচটা হচ্ছে রোল আপহোল্ড করা, ল’ আপহোল্ড করা, অ্যাট সেইম টাইম ল’টাকে একেবারে রিজেনেবল ওয়েতে, লজিক্যাল ওয়েতে, ন্যাশনাল ওয়েতে, হিউম্যান ওয়েতে যে ইন্টারপ্রেট করা, এই যে, যতগুলা নেগেটিভ ক্রিটিসিজম হইছে, এগুলাকে, ক্রিটিসিজমগুলাকে আমরা, ওইভাবে, মানে ক্রিটিসিজম না লেইখ্যা, ওইটাকে উত্তরটা দিয়ে দেয়া আরকি। মানে ওইটাতে দিয়ে দেয়া হবে উত্তরটা, মানে আসলে এই ট্রাইব্যুনালটা কী ছিল আর কি। একটা, সলিড একটা, মানে ডেফিনিটলি ইন্টারপ্রিটেশন অব ইভ্যাল্যুশন অব দি কেইস এবং ই… রিলেটেড যা কিছু আছে আরকি, মানি হিস্টোরিকাল, লিগ্যাল, পলিটিক্যাল, মানে সবকিছু আসবে আরকি, মানে ব্যাকগ্রাউন্ড লেখাতে। যেমন—কেন নেয়া হয়েছে, কেন নেয়া হয়নি আরকি। মানি কোনটা, নেয়া হচ্ছে যেটা কেন নেয়া হলো, আর যেটা নেয়া হয়নি, সেটা কেন নেয়া হলো না। ফলে হচ্ছে যে, ইটা অপরচ্যুনিটি যেহেতু ট্রাইব্যুনাল কখনো কথা বলতে পারে নাই, নিজেদের কথাটা নিজেরা কখনো বলতে পারে নাই, এই কেসের মাধ্যমে এবং জাজমেন্টের মাধ্যমেই আসলে ট্রাইব্যুনাল তার কথা বইল্যা দিবে এবং যেইটা আমরা চাই, শুধুমাত্র, মানে কনক্লুশনটায়ও যেন এটা একটা ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট হয়ে থাকে যেন আর কি। এই ডকুমেন্টটা বহু, মানে বহু গবেষণা করতে হবে এর উপরে। উই আন্ডারস্ট্যান্ড যে ইটা সিগনিফিক্যান্স আরকি। সো, এই ধরনের একটা চিন্তা আমরা করতেছি আরকি। যে, এই ধরনের একটা কিছু করতে হবে। মানে ইটা এত গুরুত্বপূর্ণ এবং একটা অপরচ্যুনেটি। যে আমাদের জন্য একটা হিউজ অপরচ্যুনেটি। শরীরটা ঠিক আছে?
নিজামুল হক নাসিম : আছি, ভালোই ইনশাল্লাহ ঠিক আছে, আপনার শরীরের কী খবর?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমার তো কালকে হলো ১৩ তারিখে যাবে একটা। এই বাতের জন্য। আমার মনে হয় বাত-টাত হইছে রে, ভাই।
নিজামুল হক নাসিম : হুম… হুম…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিসের জন্য হয়, সেটাও বুঝি না। দেখাও যায় না কিন্তু, কিন্তু আবার ব্যথাও করে। পাঠাইছে আমারে এক ডাক্তারের কাছে। কালকে যাব বাতের, মানে বাত সাহেবের কাছে, আর ১৮ তারিখে হলো ইয়েটা… রিপোর্টটা পাওয়া যাবে।
নিজামুল হক নাসিম : আল্লাহু… আল্লাহ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি তো ঝগড়ার…
নিজামুল হক নাসিম : কী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বলতেছি ঝগড়ার মাঝখানে থাকেন। আজকে তাহলে সাঈদীরটা হয় নাই, ফুল মুজাহিদ হইছে?
নিজামুল হক নাসিম : না, সাঈদী হইছে বিকালে। আজকে হাফ হইছে। কালকে চলবে হোল ডে এইডাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে তো সাংবাদিকরে ঝাড়ি দিলেন?
নিজামুল হক নাসিম : কী…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : নয়া দিগন্তের রিপোর্ট বোধ হয় ঠিক হয়নি।
নিজামুল হক নাসিম : কী লেখছে…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেটার জন্য আপনারা কি কিছু বলছিলেন নাকি, নাকি কোনো ওয়ার্নিং দিছেন, সেটা কী?
নিজামুল হক নাসিম : না আমরা তো না, এডা ওই ট্রাইব্যুনাল দেছে। (একটু কাশি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো ঠিকাছে তাহলে…
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, ঠিক আছে।
কথোপকথন ০১ সেপ্টেম্বর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যালো
নিজামুল হক নাসিম : বলেন দেহি, কেমন আছেন আপনি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, আমি এখন ভালোই আছি
নিজামুল হক নাসিম : একটা ম্যাসেজ পাইছেন আমার কিছুক্ষণ আগে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ম্যাসেজটাটা দেখছি, ম্যাসেজটা দেখেই আসছি
নিজামুল হক নাসিম : আপনি এখন বিছানায়?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, আমি এখন শুইয়া আছি।…. ইচ্ছা করলে উঠতে পারি। কিন্তু শুইয়া রইছি আরকি। অ্যাঁ… কি কি হইছে, অনেকগুলা হইছে তো এইজন্য আরকি হা হা (হাসি), এখন পর্যন্ত সব রিপোর্টগুলো আসে নাই। যাই হোক, চলবে আরকি আপাতত
নিজামুল হক নাসিম : দেখা যাক
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি কেমন আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : আমি ঠিক আছি, আপনার শরীর খারাপ নাই তো?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না ঠিক আছে। কালকে পর্যন্ত অসুখটা বেশি গেছে তো। আজ তো সারাদিনটাই মোটামুটি রেস্টের ওপর আছি। তিনদিন, চারদিন ধরে তো অবস্থা খারাপ।
নিজামুল হক নাসিম : হুম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি কেমন আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : আমি আছি, আল্লাহ ভরসা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো আপনার কি রকম…
নিজামুল হক নাসিম : নতুন যেটা শুরু করছি, ভালোই.. খারাপ হবে না কো-অপারেটিভ, কো-অপারেটিভ মনে হচ্ছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাই, আচ্ছা ভেরি গুড।
নিজামুল হক নাসিম : বাকি আল্লাহ ভরসা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো আনোয়ার সাহেব কি কম্পিলিটলি চলে আসছে আপনাদের এই বিল্ডিংয়ে?
নিজামুল হক নাসিম : হু
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি বোধহয় শিফট করার জন্যই ছুটি নিয়েছিল?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এখন ১নং বিল্ডিংয়ে আইসা গেছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা দেখি
নিজামুল হক নাসিম : মালুমের কাছ থেকে কোন ম্যাসেজ ট্যাজেজ, খবর-টবর আছে? পাইছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, এই দুই তিন দিন ধরে হয় উনি আসলেও আমি, আমি না হয়তোবা এই জন্য কিনা যোগাযোগটা হয়েছিল যে, সেটা হচ্ছে যে উনি আমারে বলেছিলেন যে, আপনার সাথে যদি যোগাযোগ হয় তাহলে ঐ যে দুই দিনই না করতে আরকি, কোর্টে না বসতে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : কেন বসব না কেন? কোর্ট হয় না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : খুবই হয়, যাই হোক মালুমের সাথে এটাই লাস্ট কথা। এই তিন দিন ধরে আর কোন কথা নাই। হয়তোবা উনি আসলে আমি থাকি নাই। এখন কি হইতেছে না হইতেছে কথা না হইলে ঠিক বোঝা যাইতেছে না।
নিজামুল হক নাসিম : একটা ছেলে জয়েন করছে, সেটা কি ICSF-এ ছিল?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অ, হ্যা হ্যা, এটা রায়হান আমাকে জানাইছে, শওকত
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, ওকে কি আমি বলব একথা যে তুমি ICSF এ ছিলা আমি খবর পেয়েছি, আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাইখো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উম… আপনি এইটা বইলেন যে আমাদের সাথে…. দাঁড়ান চিন্তা কইরা নেই…. ছেলেটার সাথে বাংলাদেশে আমার দেখা হইছে এবং ভালো ছেলে, … তো জয়েন করেছে এবং পড়ালেখা ইউকে থেকে করে এসেছে। তো বিসিএস পরীক্ষা দিয়া সে ইতে জয়েন করেছে। আমাদেরই ছেলে আর কি। হ্যাঁ, গুড, ভালো ছেলে বলে আমরা মনে করি। আপনি বইলেন আরকি, আপনি বইলেন যে বরং ICSF না বইলা বা ICSFও বলতে পারেন। যেহেতু আমার সাথে কথা হইছে এবং আমার সাথে আমাকে চিনে মানে বাংলাদেশে আরকি, আপনি বইলে যে, মানে ইয়ে আছে আরকি মানে সে যে জয়েন করছে তা আমাকে জানাইছে এরকম একটা।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং আপনি জানছেন আমাদের কাছ থেকে আরকি এবং সে যেন যোগাযোগ রাখে আপনার সাথে এভাবে বইলেন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ সেইটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ছেলেটা ভাল ছেলে। তাকেও … কথা বলা হইছে। বাট ভালো ছেলে আরকি। জুডিশিয়ারিতে ভালো….মানে পড়ালেখা জানা ছেলে। সে নাকি নিজেই আগ্রহ করে আসছে এখানে
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, শুনলাম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে অ্যাসিসট্যান্ট… এভাবে আসছে, নাকি কি হিসেবে আসছে?
নিজামুল হক নাসিম : Assistant Register
আহমদ জিয়াউদ্দিন : খুব ভালো। তাইলে register office-টা একটু শক্তিশালী হয়। এটা কি আপনারা request করেছেন নাকি Organogram আছে?
নিজামুল হক নাসিম : Organogram ….. আমরা বলেছিলাম যে আমাদের দরকার
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ছেলেটারে আপনে আপনারা কাছাকাছি রাইখেন আরকি। এতে কোন ই আছে?
নিজামুল হক নাসিম : না না ঠিকই আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা দুইটা ট্রাইব্যুনালতো, তার সাথে কথা হবে আরকি। তারে আমরার ব্রিফ করার কথা। একটু সেটেল হইয়া সে Skype -এর access-টা তার যখনি হবে তখন সে আমাদের সাথে কথা বলবে। সেই infact জানাইছে রায়হানকে। যে তার জয়েন করছে আরকি। তার সাথে আমাদের লম্বা কথা হইছে। বই-টই লিখছে। ছেলেটা খারাপ না কিন্তু। সেই বই টইয়ের মধ্যেও আমাদের ইয়ে আছে, লেখা থেকে রেফারেন্স আছে। তো এই জাহাঙ্গীর সাহেবের সঙ্গে কথাবার্তা কী হইল আর মানে….।
নিজামুল হক নাসিম : আমার সঙ্গে সারাদিনই ছিল….. ঠিকই আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জহির সাহেবের কোন যোগাযোগ হইছে কোন কিছু না কি আর কোন খবর ই নাই?
নিজামুল হক নাসিম : যোগাযোগ মানে ওই আমি ফোন করেছিলাম কালকে, আমরা তাকে একটা Farewell দেবো। সে খুব, deny করল যে আমি Farewell নেবো না। আরেকটা কথা বলছে যে, সেটা আপনাকে বলতেছি বায়রা বলবো না, সেটা হইলো ওই বিল্ডিংয়ে আমি আর যাব না। এটা তো উনার আগের Strand যে আমি মেডিকেল Leave চলে গেলাম, সেডার লগে মেলে না, কি করমু কন।
আহমদ জিয়া উদ্দিন : আয় হায়!
নিজামুল হক নাসিম : কারণ, এই ম্যাসেজটা যদি বায়রা যায়, যাবে না আশা করি, কারণ আমি তো বলবো না কাউরেই। তাইলে ভবিষ্যতে যে চাকরির কথা ছিল, আর হইবে না। আমাকে বলেছে ভিন্নকথা, বায়রায় কোন জায়গায় কি বলে না বলে আল্লাহই জানে। আমি তারে বলছি যে আপনি কোন কথাবার্তাই বলবেন না কোন সম্পর্কে। সিম্পলি আপনি বলবেন-আমি মেডিকেল রিজাইন দিয়া আসছি, যেডা ফ্যাক্ট। এছাড়া কিছু বলবেন না কিন্তু আপনে। আমাকে যে Language-টা বলল এই Language-টা যদি সে আর কাউরে বলে তাহলে ক্ষতি হবে। তাইলে তার ঐ চাকরিডা আর হবে না। কি করবো কন? এতো বেশি বোঝে যে বিপদ আমাদের। যা হোক..
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেদিন তো উনি অনেক Properly ইয়ে করছে, Rightly Behave করছে আর কি
নিজামুল হক নাসিম : না ঠিকই আছে, Rightly Behave করছে, আমরাও Rightly Behave করছি। যাইয়া নিচে নাইমা গাড়িতে ঢুকাইয়া দিয়ে আসছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এদিকে আপনার Feeling-টা হইতেছে কী এটা কি শুধু আপনাকে ম্যাসেজ দিলো নাকি বাকি সবাইকে মেসেজ দিল?
নিজামুল হক নাসিম : আমি বলতে পারি না সেটা, এইটা আমি বলতে পারি না কারণ কি কমু, তবে আমার দেশ পত্রিকা লিখছে যে উনার এক নিকটতম লোক জানাইছে যে, এখন কিছু বলবে না সে তবে পরবর্তীতে সে বলবে, কেন সে রিজাইন করল। এখন মিথ্যাও হইতে পারে। বানায়াও লিখতে পারে আবার কেউ কইতেও পারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটা ও তো নজরে রাখবে। এটা যদি রিপোর্ট করে থাকে বা বলে থাকে যদি পরে বলবে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : এটাও তার against এ যাবে। হা.. হা.. হা.. (হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি সেটাই বলতেছি। সেটাও তার against-এ যাবে। উনি বরঞ্চ কম চাপের ভেতর থাকত, যদি উনি আইন কমিশনে যায় আর কি। এখানে ওনার Status টাও ঠিক রইলো, বেতন-টেতনও ঠিক থাকবে আর হালকা ধরণের কাজ হবে। উনার যে অভিজ্ঞতা আছে এত বছরের সেই অভিজ্ঞতাও ওনি ব্যবহারও করতে পারবে। এটা একদিক দিয়ে কিন্তু খুবই right ইয়ে আরকি, মানে placement উনার জন্য। সারাদিন একেবারে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এজলাসে বইস্যা এটাও লাগতেছে না, এটা অনেক রিলাক্সে ওয়েতে উনি কিন্তু ওখানে কাজ করতে পারবে। কারণ, আইন কমিশনে খুবই রিলাক্স ওয়েতে কাজ হয়। ওম, তো আর কি খবর আছে বলেনতো দেখি? আমিতো ঠিক মতো ফলো করতে পারি না সবকিছু।..
নিজামুল হক নাসিম : খবর তো আপনার কাছে। আমার কাছে কি খবর থাকবে? খবর আরও আপনার কাছ থেকে আমরা পামু
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনার এই জাহাঙ্গীর সাহেবকে এমনি মানুষ হিসেবে কি রকম মনে হলো?
নিজামুল হক নাসিম : আমি তো আগে থেকে চিনি, আছে ভালোই, পলিটিক্যাল লোক তো, কথাবার্তা মিষ্টি আছে এডা ঠিক, লোক কেমন হেডা আল্লাহ জানে, কইতে পারি না হেডা এহনও কিছু
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন তাহলে কি.. উনি কি সেকেন্ড জাজ হয়ে যাচ্ছেন উনি?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ওনি সেকেন্ড জাজ right… (গলায় একটা ন্যাচারাল ঢেকুর ওঠে)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দেখেন আনোয়ার সাহেব জয়েন করার পর কি কম্বিনেশনটা দাঁড়ায় বা কি ব্যাপারটা দাঁড়ায়।
নিজামুল হক নাসিম : দেখা যাক, খারাপ হবে না। তারে বইল্যাও দিছে, তুমি যা বলবা রুমে বলবা, কোর্টে চেয়ারম্যান যা বলবে তা ok, ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এটা অন্ততপক্ষে পাবলিক সাপোর্ট থাকলেই হলো আরকি, মানে পাবলিকলি সাপোর্ট করাটা অনেক ইমপোরটান্ট এটা-আর আনোয়ার সাহেবের সাথে আপনার সম্পর্কটা যে ডেভেলপ হয়েছে এইটাকে ঠিকমত ধরে রাখলেই হবে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এট দা ইন্ড অফ দা ডে তে গিয়া। আর আপনিতো এখন একটু ব্যস্ত ছিলেন বোধহয়, এখন আপনি একটু দেখেন যে ফ্রিম্যানের ব্যাপারটা আগাইলো কিনা কিছু টিছু?
নিজামুল হক নাসিম : ফ্রিম্যান, পরবর্তীতে ওর এপয়েনমেন্টের লগে লগে চিঠি লেখছে, ওর পাঠাইছে, ওর ইংল্যান্ড পাঠাইয়া দিসে।….ওদের একজন আসতেছে নাকি ঢাকায় শিগগিরই..
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা ঠিক আছে। তাহলে একটা opportunity পাওয়া যায় যেখানে আপনারা সবাই তিনজনই মিল্লা এবং আহসান সাহেব সহ সবাই একটা সময় কাটাতে পারবেন কিছু একটা মানে একটা ঢাকার কনটেক্সটয়ের বাইরে। (একটা মোবাইল রিং বাজতেছিল) ফোন আসছে আপনার
নিজামুল হক নাসিম : জাস্ট ১ মিনিট। (হ্যাঁ শামিম-ফোন করছিলাম একটা কারণে বলছি আমি চিপটাতে দেখলাম যে ফটোকপিতে চারু আছেই ইনভলব, এমন ইনভলব হইয়া গেছে আমি যা বলতেছি আমরা কারেকশন কইর্যা দেব, তার চেয়ে বরং মামলাটা কইর্যা দেলে ওরাও সেলফ ডিফেন্স থাকবে আর নাইলে গ্যাঞ্জাম টেঞ্জাম করতে পারে তারা। মামলাটা যদি তাড়াতাড়ি করাইয়া দুই চার দিনের মধ্যেই দায়ের কইরা দেয়ন যায়, আর আমি জজ সাহেবরে বইল্যা তাড়াতাড়ি অর্ডার করাইয়া দেম্যুয়নে। সেটা দেখা যাবে পরে। মামলাটা কইর্যা ডিক্লারেশন নিয়া রাখতে পারে। তোর লগে এত কথার দরকার নাই আমার, পরে কথা কমুয়নে। রাতে যাইয়া ড্রাফটা দার করা। …………………….কোর্ট ম্যাটারতো তোমার কিছুই করা লাগবে না, সেটা দেখমুয়নে আমি। ) জি
(after finishing talking over mobile phone)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ বলেন
নিজামুল হক নাসিম : ওটা ওই আমার মনে হয় যে জাহাঙ্গীররে নিয়া প্রবলেম হবে না। আর দ্বিতীয় কথা হইলো, ও তো এখনো বুইজ্জাই ওডে নাই। ওর বুইজ্জা উঠতে সময় লাগবে না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না তা তো বটেই। না বুঝার সময় যদি রাইটলি বুঝে তাহলে ই হয় আরকি
নিজামুল হক নাসিম : সে আমারে কইছে যে ভাই আপনি আমারে চালাইবেন, সোজা হিসাব। এই ল্যাঙ্গুয়েজ সে পরিষ্কার আমারে বলছে। তবু স্বাভাবিক। আমার মনে হয় অসুবিধা হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দ্যাটস গুড। মানে, এখানে ওয়েল কাজ তো আপনাকে এখানে এমনিই বেশি করতে হইবো আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : হুম
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু যখন Critical, যখন challenging সময় বা Critical সময় যেন Full support-টা থাকে, publicly as well as privately.
নিজামুল হক নাসিম : right, হ্যাঁ, correct,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ, different views-টা ওই যে যেভাবে অন্যরকম orientation-এর চাইতে আপনি উনাকে.., আপনাদের তো জুনিয়র কাজেই আপনি ওনাকে বলতে পারেন যে আপনি দেখেন, দেখতে থাকেন আর আপনার কোন কিছু আলোচনা করার দরকার থাকলে আপনি কিন্তু ফ্রিলি আমার সাথে আলোচনা করতে পারেন। মানে এটা হলো ওই বুঝার ক্ষেত্রে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এগুলো তো বলা হয়ে গেছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমরাও কিন্তু শিখতেছি। এখন আমরা এতো বছরে একটা পজিশনে আসছি। এখন এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের ভিতরে আছে এবং এটা আসলে আমরা অন্যান্যরা আগে যা কাজ করে আসছি, তার চাইতে এটা একটু ভিন্ন রকম কাজ। এবং চিন্তাটা ভিন্ন রকম চিন্তা, এর ভিতরে অনেকগুলো চিন্তা আছে সেগুলো একটু ভিন্ন রকম। যেগুলোয় আমরা কখনও আগে Familiar ছিলাম না। ছিলাম না কিন্তু আস্তে আস্তে এক পর্যায়ে আসছি। এবং ঐ যে ইন্টারন্যাশনাল ল’র ব্যাপার চক্করগুলো একটু বুঝাইয়া শিখায়া দিয়েন যে আমাদের স্ট্র্যাটেজিটা কি? আমরা international law-টাকে দেখবো কিন্তু এটা যেহেতু বাংলাদেশের আইন এবং এইটা যেহেতু বাংলাদেশের পার্লামেন্টের ঘটনাটা এখানের, সাক্ষী টাক্ষী সব এখানকার। আমরা আমাদের আইনটাকে আমাদের মতো করে ব্যাখ্যা করবো, আমাদের দেশীয় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। তবে, definitely মানে international law যখন refer করা হবে বা বলা হবে হয়তবা কোনো এক পর্যায়ে হয়তোবা আমরা ব্যবহারও করতে পারি। কারণ, এই ধারণাগুলো কিন্তু international law এর ধারণা। আমরা international law কে অস্বীকার করতে পারবো না, আবার international law-এর সব ধারণাগুলো সবই আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে সেটাও না আবার। কাজেই আমরা international law থেকে ধারণা নেবো কিন্তু তা প্রয়োগ করবো আমরা আমাদের মতো করে। এটাই হচ্ছে এটার চ্যালেঞ্জ। এই ট্রাইব্যুনালে কাজ করার বা এই ট্রাইব্যুনালের মেম্বার হিসেবে কাজ করার এটাই হচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জ। এটা আশা করি হয়ে যাবে। আর উনি যদি একটু মানে ঠিক মতো ইচ্ছা থাকে আরকি, মানে-ঠিকমত follow করতে পারেন কুইকলি আর আগের কিছু কিছু অর্ডার সেগুলো খুব significant order…..বইলেন সেগুলো যেন পড়ে।
নিজামুল হক নাসিম : হু, ওগুলা পড়াবো তারে, হু দেবো তারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যেগুলো একটু বড় অর্ডার, আপনারা যারা আলোচনা করেছেন, বেসিক ল’ সম্পর্কে বা ইভেন যা কিছু সম্পর্কে সেগুলা উনাকে পড়তে হবে। ইভেন যেগুলো ফরমাল চাজর্, যেগুলা আরে ফরমাল চার্জ বলতাছি, মানে চার্জ ফ্রেম করা হইছে, যে অ্যাপ্রোচে চার্জগুলা ফ্রেম করা হইছে এগুলো উনারে কিছু পড়াইতে হবে আর কি। এবং এটা অলমোস্ট যদি কাছাকাছি টিউটরিংয়ের মতো করা যায় এবং উনার প্রশ্নগুলোর উত্তর ঠিকমতো দেয়া যায় তাহলে কিন্তু আমার মনে হয় যে, অই রাইট মাইন্ড সেট থাকে আরকি এবং অন্য কোথাও থেকে যদি উনি আবার যদি ব্রিফড না হন যদি আর আরকি, তাহলে অসুবিধা হবে বলে মনে হয় না। আর একবার যদি এই দিকে আসে তাহলে তো আমরা উই উইল হ্যাভ সাম টাইম টুগেদার যে এগুলা আলোচনা করার জন্য। আর আমি এমনিতে যাবো একটু ইয়েতে, আমি আসতেছি হলো ২১/২২ শে অক্টোবর গিয়ে পৌঁছাব ঢাকাতে। তো বেশি সময় হয়ত আপনাদের ওখানে যাওয়া হবে না, কারণ আমি অন্য কাজে যাচ্ছি, কিন্তু তারপরেও। উনি থাকেন কোথায়?
নিজামুল হক নাসিম : উনি থাকেন রাজাবাজার, পূর্ব রাজাবাজার, ফার্মগেটের ওখানে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা কোন প্রাইভেট ইয়েতে থাকেন নাকি, না?
নিজামুল হক নাসিম : উনার মনে হয় নিজের বাড়ি নাকি..
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও নিজের বাড়ি
নিজামুল হক নাসিম : অথবা নিজে ফ্ল্যাট-টেলাট নিতে পারে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাজাবাজার, এটা কোন জায়গাটা, ফার্মগেট? আপনি চিনেন রাজাবাজার? আমি নাম শুনেছি, এটা কি ইন্দিরা রোডের ওই দিকে?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ইন্দিরা রোডের দক্ষিণে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, তাইলে নিজের অ্যাপার্টমেন্টও হইতে পারে হয়তোবা। তাইলে কালকে থেকে আপনার সব এজেন্ডা ফুল, ট্রাইব্যুনালও ফুল, সবই ফুল ফুল
নিজামুল হক নাসিম : হু
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দেখি মালুম ভাইর সাথে আমার কথা হয়নি এই কয়েকদিন, তার সাথে কথা বলে দেখি। কি জানি আলোচনার কথা মনে পড়তেছে না।
নিজামুল হক নাসিম : তো ঠিক আছে আপনে রেস্ট নেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যা ঠিক আছে ok
নিজামুল হক নাসিম : আল্লাহ ভরসা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ok ok, thank u very much.

আমরা একটা স্কেচ তৈরি করে দেয়ার চিন্তা করছি
কথোপকথন ১০ সেপ্টেম্বর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ডাক্তার কী বলছে আপনাকে?
নিজামুল হক নাসিম : ডাক্তার তো চেক-টেস্ট দিয়া ভালোই বলছে। আরেকটু প্রবলেম হয়তো মনে হয় রিপোর্টটা পাইয়া বুঝবে। করাইছি তো সব ইকো, ইসিজি, লিভার, সমস্ত ব্লাড টেস্ট যত আছে সব কালকে রিপোর্টটা পাব আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, ডাক্তারের কি ইনিশিয়াল কোনো ধারণা আছে, না রিপোর্ট ছাড়া সে…
নিজামুল হক নাসিম : বলছেন যে ডায়াবেটিস তো এখন আমার নাই। একেবারে বর্ডার পয়েন্ট। এটা একটু বাড়তে পারে, আর ওজনটা কমাইতে হবে। এই হলো ফার্স্ট কথা তার। ওজন কমানো আর ডায়াবেটিস একটু বাড়তে পারে সামান্য। আর ইকোটা করলে বুঝতে পারব যে… ইকোটা করার সময় বলছে, আপনারটা ভালো। তবে উনার কথায় একটু টান আছে, সামান্য প্রব্লেম থাকতে পারে ইকোতে। একটু মনে হইছে আমার টেস্টের সময়…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : দেখি পাই আমি, তার পর…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু ওজন তো বুঝলাম, ডায়াবেটিসও, কিন্তু ব্যথার কারণ কি কিছু বলতে পারছে, ব্যাথাটা কেন হচ্ছে?
নিজামুল হক নাসিম : ব্যথা তো আমার না…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাতে বললেন না পা-টা একটু ফোলা ফোলা মনে হচ্ছে…
নিজামুল হক নাসিম : উনি বললেন যে না, এটা হলো প্রস্রাবের ট্যাবলেটের জন্য। অন্য চিন্তা করার কারণ নাই। ট্যাবলেট বদলাইয়ে দেছে আর…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন কার কাছে কচ্ছেন উনি কিসের স্পেশালিস্ট?
নিজামুল হক নাসিম : মেডিসিন অ্যান্ড ইউরোলজি। তারপরে সেখান থেইকা টেস্ট পাইয়া দেখে, প্রয়োজনে সে আরেক ডাক্তারের কাছে রেফার করবে বলে আর কি। এরম করে। অসুবিধা নাই ইনশাল্লাহ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওজন তো আসলে… এটা তো একটা ভেজালের জিনিস আর কি। আপনার আবার ওই.. ওই না খাওয়া সিস্টেম চালু করতে হবে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওজন তো কমছিল আসলে, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : কমছিল এখন আবার ১০৩ ওরে বাবারে, বাবা। আমিই তো ঘাবড়াই গেছি, ১০৩ কেজি!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনার হাইট অনুযায়ী কত বলছে?
নিজামুল হক নাসিম : ৮০-এর নিচে, বলে যে আপনি চিন্তা করবেন না, কমাবার চেষ্টা করেন। দেখেন যে কদ্দূর যায়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এত কমবে না কখনোই। কারণ একটা বয়স হয়ে গেলে পরে আর ওজন কমে না। সেটা আমি নিজেও দেখতেছি আর কি। যতটুকু কমানো যায় ততই ভালো আর কি। আর ডায়াবেটিস-টায়াবেটিস এগুলো হচ্ছে এইজের একটা কিছু থাকে আর কি…। এরপরে যা চিন্তা করছিলাম আর কি, যে এরপর কি হলো…। একদিনে সব কাজ করে আসছেন এত বিশাল ব্যাপারে এটা…
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, একবারে ৪টায় গেছি আর ১০টার পর ফিরছি। সব সাইর্যা আইছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : টেস্টগুলা কোথায়, কোন ল্যাবে করালেন এগুলা?
নিজামুল হক নাসিম : ওই তো আমি স্কয়ারেই করি। ডাক্তার বসেও স্কয়ারে, টেস্টগুলা সব স্কয়ারেই করি আমি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, তার মানে একই বিল্ডিংয়ের ভিতরে সব করতে হইছে। কালকে দেখছে আপনারে দেখার পরে কী অর্ডার দিছে—
নিজামুল হক নাসিম : দেখার পর প্রেসক্রিপশন দিছে। রাত্রেই অর্ধেক করছি। আজকে ভোরে গিয়া বাকি অর্ধেক করছি, শেষ। এখন রিপোর্টগুলা পাব—কিছু আজকে, কিছু কালকে। এগুলো নিয়া কালকে নিয়ে, এরপর বিকালে ডাক্তারের সাথে মিট করব। এই হলো প্ল্যান…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : তারপর দেহি কী হয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হোপফুলি এইটা… হ্যালো, সরি ফোলাটা বলছেন, আজকেই কমে গেছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, কমে গেছে। এখন এক্কেবারে সামান্য একটু আছে। খুব ডিপলি তাকাইলে মনে হয় সামান্য একটু আছে আর এমনে তাকাইলে বুঝতে পারবে না মানুষে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাহলে তো এটাতে কোনো ইয়ে না…, এবারে অন্য খবর বলেন, কী আছে খবর দেখি, আপনের তো কালকে টেস্টের দিন, মনে হয় ভালোই হইছে। পুরা দিন কোর্ট করা লাগে নাই বোধহয়।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে দিনটা কেমন গেল।
নিজামুল হক নাসিম : আজকে তো ভালো গেছে। গোলাম আযমের সাক্ষী হইলো… সুলতানা কামাল। সাঈদীর সাক্ষী হইছে ৩ নম্বর সাক্ষী ডিফেন্স উইটনেস। এরা যে কী ডিফেন্স উইটনেস দিতেছে, আমরা কিছু বুঝতে পারতেছি না। আরও কনফার্ম করে অ্যালিগেশন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ-হ্যাঁ…, আমি পত্রিকায় দেখলাম যেটা, সেটা হইলো যে, তারে ওই জায়গাতে দেখে নাই, যেসব জায়গার কথা বলা আরছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : এটাই হলো কথা, আর কি হইলো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমরা ওদের স্ট্র্যাটেজি নিয়া কিন্তু খুবই চিন্তাতে আছি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ওমুক গ্রামে সাঈদী কইয়া কোনো রেপ করে নাই। তুমি জান কেমনে রেপ করছে? অ্যালিগেশন আসছে? হাও ডু ইউ নো ইট?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : শিখায়ে দেয়া হইছে তারে। বলা হইছে যে গিয়া বলবা।
নিজামুল হক নাসিম : যা অ্যালিগেশন আছে খালি বলে যে, এগুলো ঘটে নাই। ঘটলে আমারে কইত, ব্যাস শেষ। এইটা কোনো ডিফেন্স উইটনেস হয়। হা… হা… হা…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না এইটা কিন্তু আরেকটা… ওই যে গোলাম আযমেরটা আমরা দেখতেছি আর কি। এবং আমাদের কাছে, আমি তো নিজেই একটু চমকে আছি আর কি। তারা যে কাগজপত্র ডকুমেন্টস যেটা দিয়েছে, এখন পর্যন্ত তো এভিডেন্সের প্রশ্ন আসে নাই, যেসব ডকুমেন্টস দিয়েছে তারা এবাং কম ডকুমেন্টস দেয় নাই কিন্তু। মানে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে যে, ওই ডকুমেন্টের কয়েকটা কিন্তু আবার প্রসিকিউশনও দিয়েছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। সেটাও তারা আবার দিয়েছে। আচ্ছা ভালো কথা, দিল। আর বাকি যেগুলো দিয়েছে, সেগুলোর যে উদ্দেশ্যটা কি আর কি, সেখান থেকে তাদের স্ট্র্যাটেজিটা কি যে ডিফেন্সের স্ট্র্যাটেজিটা কী? তারা কী জিনিস প্রমাণ করতে চাচ্ছে, সেটা কিন্তু কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। এবং কেন তারা শুধু কাগজপত্র দিয়ে এটাকে ভলিউমস বানাইয়া রাখছে। কিন্তু যেখান থেকে তার কালপাবিলিটির কোনো ইয়ে নাই, কোনে নেগেট করতেছে না। কোনো একটা সিঙ্গেল আর্টিক্যালও নাই ,যেখানে বলা আছে যে, সে এটা করে নাই, ইভেন সে জড়িত ছিল না। তার রেসপনসিবল ছিল না। এই টাইপের কিন্তু কোনো কিছুই নাই। বিভিন্ন রকমের তার লেখা, তাদের পাবলিকেশনস, জামায়াতের পাবলিকেশন্স—এগুলো দিয়ে তারা আমার কাছে যেটা মনে হচ্ছে, অলমোস্ট তারা, মানে আমাদের পুরা ইনভেস্টিগেশন যেভাবে কাগজপত্র সব উইদাউট মাচ চিন্তা ভাবনা না কইর্যা শুধু কম্পাইল কইরা দিয়া দিছে বিশাল কইর্যা, তারাও ঠিক একই ভাবে দিতেছে। এবং এইটা কীভাবে সম্ভব হয়? এটা আমি কিন্তু বুঝতেছি না আর কি। যে তাদের স্ট্র্যাটেজিটা কী আসলে। এখন তারা কি এই সাক্ষী দিয়াই এ জিনিসটা প্রমাণ করাইতে চাইবে? এই হাজার হাজার সাক্ষী দিয়া! নাকি তারা যে কি যে করতে চাইতেছে…। মানে একটা কিন্তু বড় সুযোগ তারা কিন্তু লস করতেছে আর কি। টু দ্য এক্সটেম্লট আসলে ওই… মানে এদের এখন দিতে হইব। প্রবাবলি হইতে পারে তারা শুধু টাইমটা কিল করার জন্য এতগুলো সাক্ষী তারা দিবে। এইটাও সিমিলার স্ট্র্যাটেজি কি না। বাট গোলাম আযমের ক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে ইমপোর্টেন্ট কেস—সেখানেও দেখা যাচ্ছে যে, তারা খুব বেশি চিন্তা করছে বইল্যা মনে হইতেছে না। মানে এটা তো কোনো চিন্তাই করে নাই তারা। সামনে উইটনেসরা আইসা কী বলে কে জানে? সুলতানা আপা কী রকম দিচ্ছেন সাক্ষী? …এই কালকে শেষ হয়ে যাইবে সাক্ষীটা, মানে সুলতানা আপা?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সুলতানা আপা কাইল শেষ হয়া যাইবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে কি সারাদিন সাক্ষী হইছে? আজকে ফার্স্টহাফ দিছে উনি?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, শুধু ফার্স্ট হাফ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা তার মানে ৩ ঘণ্টা হইছে? এত স্বাক্ষী দিছে?
নিজামুল হক নাসিম : ঘণ্টা ২।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এত দরকার তো না, আরও কম হলেই হয়। এগুলা বেশি জিজ্ঞাসা করবে আবার। দেখা যাক ওরা তো যেভাবে প্ল্যান করতেছে। গতকালই কি দেখলাম—নিউজটা কি কারেক্ট কি না যে, দুই জনের নাম দেখলাম, আনোয়ার সাহেব কি ছিলেন না মাঝখানে?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ ছিলেন। হ্যাঁ কী নাম দেখছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কোনো একটা হাফ-এ কি… উনি কি দুই হাফেই ছিলেন?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ। গতকাল বসেই নাই বেশিক্ষণ। ১০ মিনিটেই অ্যাডজরমেন্ট হইয়া গেছে। কেন কী জন্য?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না একটা ইয়েতে দেখলাম আপনাদের ২ জনের নাম বলতাছে আবার একজনের নাম নাই। আমি আবার মনে করলাম যে, উনি আবার কোনো কারণে অনুপস্থিত…
নিজামুল হক নাসিম : সেটা না উনারা দরখাস্ত করছে যে, দুই জাজ চেঞ্জ হইছে। এখন নতুন কইরা ট্রায়াল করা হউক। এটা রিজেক্ট করছি আমি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটা তো রাবিশ কথা আর কি। তারপর হচ্ছে জাজেসরা কারা থাকে না, যারা অ্যাপিলেট অথরিটি তারা তো কোথাও থাকে না। তারা তো শুধু কাগজে দেখে এবং তাদের হাতে ফাইনাল সে দেয়া হইছে। সো তাদের স্টেটমেন্টটা— তাদেরটাই ফাইনাল। এখানে যারা প্রতিটা সেশনে উপস্থিত থাকার পরেও যে অপিনিয়নটা দিবে, যে কনক্লুশনটা দিবে, উপরের ওনারা ডিসাইড করবে কাগজ দেখে। সো, এটা একটা প্রসেস। এটা একটা ট্রাইব্যুনাল শুনে নাই দেখে এটা বাদ। একই রকম—সিমিলার ইয়া করছে। এটা বাদ। ইন্টারেস্টিং কিন্তু ইটা আনঅ্যাক্সেপ্টেবল—এটা হয় না। একটা ইনস্টিটিউশনাল মেমরির ব্যাপার আছে আর কি। আর সব রিলিভ্যান্ট অংশটুকু তো ইয়ে করা আছে, মানে সবই তো ডকুমেন্টে আছে। আপনার এই আওয়ারটা হলো ইমপোর্টেন্ট আওয়ার। আপনার প্রেশার তো—হাইপ্রেশার কি ধরা পড়ছিল, নাকি আপনাকে ইয়ে হিসাবে দিছে… ওই সিএনএনের কোনো ওই খবর চেক করতে পারছিলেন আর…
নিজামুল হক নাসিম : না আর পাই নাই। কালকে পর্যন্ত খবর পাই নাই। আজকে আর জিজ্ঞাস করতে পারি নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : খবর থকালে তো হয়তো, সে হয়তোবা জানাবে। এখন তাদের জানানোর কথা? নাকি আপনাদের… এটা কোন কমিউনিকেশনটা কার পক্ষ থেকে আসবে রেসপন্স? এটা কী দেখছি… বিচারপতি নিয়োগ করতে আইন। হেলথওয়াইজ আমি একটু কনসার্ন আছি আর কি। এটা ঠিক আছে। এখনও পর্যন্ত আমার ফাইনাল রিপোর্টটা দেয়নি। আমি আশা করতেছি কিছু হবে না আর কি। আর আমার প্রবাবলি বাতের একটা সমস্যা হচ্ছে বলে আমার ধারণা হচ্ছে। এটা আছে ১৩ তারিখে। মানে ব্যথা হচ্ছে এবং ব্যথাগুলা ইনডিকেট করে বাত। এবং এটা কি ওজন বেশি আছে বা এইজন্য কি না কে জানে? বাট… আরেকটা হচ্ছে যে, মালুম ভাই আমাদের রিকোয়েস্ট করছে কয়েকটা ছেলেমেয়ে দিয়ে দেয়ার জন্য। যেগুলো ওনারা ওই সিজারলিস্টগুলো অ্যাটলিস্ট গোলাম আযমের ক্ষেত্রে এগুলা চেক করা আর কি। কারণ ওনার এতগুলো ডকুমেন্ট পড়ার মতো বা এগুলাকে… উনি আমাকে সাজেস্ট করেছেন যে, লিবারেশন ওয়ার মিউজিয়ামে যারা কাজ করে, তাদের মধ্যে থেকে বাছাই করে নেন। যেহেতু তাদের সাথে আমাদের ওইভাবে সরাসরি যোগাযোগটা নেই ২-১ ছাড়া। এবং আমরা যদি কাউরে আমরা তো এ রকম সজীব-মহসিনার মতো মানুষরেই দিব, যাদের আমরা যাচাই-বাছাই করা আছে এবং আমরা শিওর আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উই টেক ইট ভেরি সিরিয়াসলি যে, আমরা এমন কাউকে দিব না যে যার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না আর কি। সো ইভেন হটা মানে একদিক থেকে এটা খুব সিনোরিটিভ একটা কাজ হবে আর কি। যে প্রসিকিউশন এবং ডিফেন্সের এ কেসের সমস্ত কাগজপত্র যারা দেখবে বা অ্যাক্সেস থাকতে পারে, সেই চেকিংটা আর কি। ওনারা কি লিস্ট-টিস্ট করবে সেগুলা আর কি। এইটা নিয়া আজকে রাত্রে হয়তোবা একটু কথা বলতে হবে আমাদের ভেতরে। আমরা এটা নিয়ে খুব বেশি ইয়ে না আর কি… কমফোর্টেবল না, কারণ উনাদের ওইখানে যারা আছেন তারা যে কী করতেছে, সেটা নিয়ে আমর কিছু ধারণা আছে, কিন্তু পুরাপুরি ধারণা নাই। তারা কখনোই আমাদের সাথে ঠিক ওইভাবে… মফিদুল ভাইয়েরা যেভাবেই হোক না কেন, উনারা হয়তো মনে করে উনারা বেশি কাজ করতাছেন, গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতাছেন, যেটা আমাদেরকে না জানালেও চলে। আমরাও আসলে জানি না, উনারা আসলে কী কাজ করতাছেন। তাই কোনো ধরনের, মানে বড় ধরনের কোনো ইন্টারেকশন নাই আর কি।
সো… এইটাও আমি খুব বেশি ইয়ে না আর কি। মোটামুটি আনকমফোর্ট্যাবল আর কি। সো… এখনও পর্যন্ত আমরা কাউকে ডেজিগনাইট করি নাই আর কি, যে কাজটা করতে পারে আর কি।
আর হলো, ৩ নম্বর হচ্ছে যে আজকে আমি একটা মেইল পাইছি। আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগছে মেইলটা। শিশির মনির নামে এক লোক আমাকে মেইল দিছে। আপনাকে মেইলটা আমি ফরোয়ার্ড কইরা দিছি এখনই। সে বলতাছে, সে সুপ্রিমকোর্টের ল’ইয়ার।
নিজামুল হক নাসিম : কী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে বলতাছে, সে সুপ্রিমকোর্টের ল’ইয়ার।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে বলতাছে, আই হ্যাভ কাম টু নো অ্যাবাউট ইউ অ্যান্ড ইয়োর অ্যাক্টিভিটিস ফ্রম ডিফরেন্ট সোর্সেস স্পেশালি ফ্রম ইন্টারনেট… এটা খুবই ডিফিকাল্ট—মানে আমার সম্পর্কে ইন্টারনেট থেকে জানা খুবই কঠিন ব্যাপার…। সার্টেনলি অ্যাজ এ বাংলাদেশী আই ফিল প্রাউড অব ইওর কন্ট্রিবিউশন ন্যাশনাল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইস্যুস স্পেশিয়ালি ওয়ার ক্রাইম বিডি। আই লিসেন টু ইয়োর ইন্টারভিউ ব্রডকাস্টিং ইন বিবিসি অন দ্য কনস্টিটিউশন অব দ্য ওয়ার ক্রাইম সেকেন্ড ট্রাইব্যুনাল ইন বিডি। ক্যান ইউ প্লিজ লেট মি নো ইওর পার্সোন্যাল ডিটেইল, ফোন নম্বর, অ্যাডরেস অ্যাজ এ ডিম পারপাস সো দ্যাট আই ক্যান রিচ ইউ অ্যাট ইউ পারসোন্যালি। আই লুক ফরওয়ার্ড ফর ইয়োর রিপ্লাই। রিগার্ডস… শিশির মনির।
নিজামুল হক নাসিম : ও তো জামাতের ল’ইয়ার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : চিনেন আপনে তারে?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ!
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা…, তারপরে আমি রায়হানরে এইটা পাঠাইছি। যে রায়হান দেখেন এটা এ রকম একটা মেইল। এই লোক কে, এটা একটু খোঁজ নেন। রায়হান আমারে বলছে যে, আমি খোঁজ লাগাইছি। রায়হান তখন সাথে সাথে তার ফেসবুক থেকে সে খোঁজখবর করল আর কি…। রায়হানের মেসেজ হচ্ছে, হি সিমস টু বি লিঙ্কড টু দ্য ছাত্রশিবির ঢাকা সিটি সাউথ অ্যান্ড হি ইজ ফ্রেন্ড উইথ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, এবং ওয়ান রিয়াজুস সালেহিন ক্যাডার দ্যাট আই পারসোন্যালি নো। অর্থাত্ ওর সাথে যারা লিংক করা আছে, তার মাঝখানে থেকে দেখে রায়হান এইটা চিনছে। তারপরেও ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে যে, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক সেন্টারের একটা সার্টিফিকেট দেয়া আছে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সম্পর্কে। সেটাও আপনারে আমি ফরোয়ার্ড কইরা দিতাছি। তো, আপনি তারে আগে থেইকাই চিনেন বলতাছেন?
নিজামুল হক নাসিম : চিনি, হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগছে যে, সে আমারে মেইলে… আমার ওয়াই মেইল আপনি পাইছেন… সারাদুনিয়ার মানুষ এখন মেইলে যোগযোগ করে, তাই কারও ঠিকানা-ঠুকানা কারোরই জানা দরকার পড়ে না এখন আর। এইটা আমার কাছে খুবই আশ্চর্য লাগছে আর কি। কারণ এইটার তো দরকার পড়ে না আর কি। এইটা আমি আর এখন রিপ্লাই করব না চিন্তা করছি। কার সাথে কাজ করে এরা?
নিজামুল হক নাসিম : ওই তো তাজুলরা আছে না, ওই টিমেই…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও আচ্ছা আচ্ছা। তাজুলদের টিমে আছে, ঠিক আছে। তাইলে তো রায়হানের যে সার্চ এবং আপনি তো তারে চিনেনই আর কি—
নিজামুল হক নাসিম : হু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি পাঠাইছি আপনারে তার মেইলটা, এছাড়া আর কোনো খবর নাই। তো যা-ই হোক, আমরা নিজেরা আমি আর রায়হান আলোচনায় বসতেছি। রায়হান সেপ্টেম্বরের পর থেকে একটু বেশি সময় দিবে, সো… আমরা মানে ইনফ্যাক্ট আপনার একটা স্কেচ তৈরি করে দেয়ার কথা চিন্তা করতেছি আমরা নিজেরা। এটা… দেয়া হবে মূলত উদ্দেশ্য হলো—আপনাকে, যে হোল আউটলাইনটা আমরা যেভাবে দেখি—একটু ইয়ে করা দেয়া আর কি আপনাকে। অলমোস্ট স্ট্রাকচারটা তৈরি করা আর কি। এটা নিয়ে একটু গবেষণা করা একটু দেখা।

সনজিবরা (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আনোয়ার হোসেনের ছেলে) তো একটু করে আবার কাজ শুরু করছে—ব্যস্ততার দিকে আবার আসছে বোধহয় আমাদের দিকে। মোহসিনা বোধহয় জয়েন করেছে দিল্লি ইয়াতে মোস্ট লাইকলি, এইটা ভালো। আর সনজিব তো তার টিচিংটা নিয়েই আছে। তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির বাড়িঘর ছেড়ে দিয়ে ইয়েতে চলে গ্যাছে…
নিজামুল হক নাসিম : জাহাঙ্গীরনগরে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ।
নিজামুল হক নাসিম : ঢাকা ইউনিভার্সিটির বাড়িঘর ছাড়াডা কি ঠিক হইছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি মনে করি না। আই ওয়াজ ভেরি সারপ্রাইজড, আমাকে যখন রায়হান বলল যে, বাড়ি ছেড়ে দিছে, আমি বলছি যে, হায় হায় এটা কি করছে! উনি তো উনার ঢাকা ইউনিভার্সিটির মূল চাকুরিটা তো ছাড়েন নাই?
নিজামুল হক নাসিম : না
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর উনি যে প্রফেসর তো, এইটা তো সে সেনসেটিভ পজিশন একেবারে। উনি যে অ্যাপ্লিকেশন করছেন, সেইটা ছুটি হিসেবে থাকবে। তো বাড়ি ছেড়ে দেয়ার তো দরকার পড়ে না। অথবা উনি চিন্তা করছেন যে, দুইটা বাড়ি ধরে রাখা ইয়ের দিক থেকে ঠিক না। দুইটা আসলে ডিফরেন্ট শহর। ওইখানে থেকে এখানে এসে কাজ করা… জাহাঙ্গীরনগর থেকে, বাট এনিওয়ে উই আর সারপ্রাইজড যে বাড়িটা ছেড়ে দিয়েছেন—মানে উনি খুব বেশি কারেক্ট থাকতে চাচ্ছেন আর কি। অথবা এ ধরনের কোনো সিস্টেম আছে যে, একটা মাত্র বাড়ি রাখতে পারবেন আপনি তাই না, আপনার কি ধারণা?… তো ঠিক আছে আপনি রেস্ট নেন, রাখি।
নিজামুল হক নাসিম : হুম, আচ্ছা রাখি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, আজকে আপনার অনেক ইয়ে গেছে আর কি। আর অন্য কোনো খবর থাকলে পরে জানাব। ওকে ঠিক আছে…
নিজামুল হক নাসিম : ওকে, ঠিক আছে রাখি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো কালকে কখন পাবেন আপনি রিপোর্টটা?
নিজামুল হক নাসিম : কালকে বিকেলেই তো দেয়ার কথা। রিপোর্ট নিয়া সন্ধ্যার পর ডাক্তার দেখাইয়া ফিরব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাইলে তো অনেক রাত হয়ে যাবে মনে হয়।
নিজামুল হক নাসিম : না হবে না, মনে হয় না। দেখা যাক, বাকি আল্লাহ ভরসা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা আচ্ছা, তাইলে রাখি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।

সাহারাকে সরিয়ে দেয়াটা গুড নিউজ আসলে—–জিয়াউদ্দিন

কথোপকথন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যালো, হ্যাঁ কেমন আছেন ?
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই। আপনি কেমন আছেন কন দেহি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি, শরীরটা ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : ভালো খবর বেশ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : টিক আছে, গুড, সমস্যা নাই।
নিজামুল হক নাসিম : আমি এই পাঁচ মিনিট আগে আইসা বসছি। আমি একটু বায়রায় ছিলাম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা। আজকে তো মনে হয় একটু পজিটিভ নিউজ মনে হচ্ছে আপনাদের দিক থেকেও, আমাদের মানে, সার্বিক বিবেচনাতে।
নিজামুল হক নাসিম : কী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে সাহারা খাতুনকে যে সরাইছে। It’s a very good news আসলে এবং যারে দিছে, তাদের সাথে অনেকেরই এক্সেস ভালো আছে। কাজেই, এবং উনি তো ইনফরমালি অলরেডি ICT’র contact person ছিলেনই। so… এইটা পজিটিভ হবে। অ্যাট লিস্ট প্রসিকিউটরদের, মানে যারা, ওই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ টাইপের যারা, যারা চিপে ধরেছিল ICT-কে, এটা হোম মিনিস্টার আর ছোট আইনমন্ত্রীর যৌথ প্রচেষ্টা।
নিজামুল হক নাসিম : হুম, হুম… (হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেইটা দেরি হয়ে গেছে যদিও, এটা অনেকটা আগে হইলে ভালো ছিল। বাট, এই লাস্ট মোমেন্টে যতটুকু করা যায় অতটুকু হবে আর কি, it is good. মানে I think it’s very good news. আমি প্রিটি শিওর যে মালুম ভাই এবং অন্যরা অনেক হ্যাপি হবে আজকে।
নিজামুল হক নাসিম : ভালো মতন আরামে ঘুমাইবে, আরামে ঘুমাইবে, হা..হা…হা… (হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা…হা…হা… (হাসি)। হ্যাঁ মানে এক্ষুনি গাড়ি টাইনা নেই, এক্ষুনি এইটা করে, এক্ষুনি ওইটা করে। এই টাইপের এদের যে কিছু কিছু প্রসিকিউটর যারা ছিল, যারা ওই আওয়ামী টাইপের আইনজীবীর কনটেক্সট থেকে… ফলে দু’জনই আওয়ামী আইনজীবীর লোক আর কি—সাহারা খাতুন আর ছোট মন্ত্রী। অন্ততপক্ষে এখন একটাই ছোট মন্ত্রী থাকবে তার যে বড় ক্ষমতা আছে এটা রিয়েল ক্ষমতাটা হাত থেকে ছুটে গেল আর কি। It’s a very good news আর কি! ICT’র জন্য ভালো নিউজ আর কি। দেখা যাক এটাকে কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে আরকি, এবং কী হয়। আর ওইদিকে ইনু ভাইকে খুবই important একটা দায়িত্ব দিছে information-এ।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনাকে দিয়ে দুইটা কাজ করাইতে হবে। একটা হচ্ছে ওই information-এর উপরে বা ওয়েবের উপরে একটা policy government খুবই ইদানীং একটা তৈরি করতেছিল, যেটা নিয়ে আমরা খুবই worried ছিলাম সেইটা। প্লাস হল information-কে information ministry-টা সবচেয়ে কম ইয়ে করছে আরকি, ICT’র পক্ষে প্রচারণার জন্য, সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হইছে এবং government কিছুই কাজ করে নাই। মানে law-এর কাজ, কিন্তু এটার প্রচারণার কাজটা তো আসলে information-এর। কাজেই এইটা এই দুটো কাজ ইনু ভাইরে দিয়া—মানে উনারে ঠিকমত যদি বুঝানো যায় যে, এটা কত important, এবং এটা উনি বুঝবে। উনি যে স্টেটমেন্ট করতেছে সেইগুলা থেকে… আর উনি জানে এইসবগুলা, এই ইস্যুগুলা জানে। বিভিন্ন ব্যাপারে উনার সাথে আমরা ICT-তে আমাদের concern-গুলা শেয়ার করছি, আমিও বিভিন্ন সময় শেয়ার করছি। কাজেই মানে He is aware of it এবং এটাও ভালো হইছে। কাজেই এটাতে আমি মোটামুটি হ্যাপিই আছি আসলে। দুইটাই গুড নিউজ। এবং দুইটাই খুব key ministry দেয়া হইছে। আমি মনে করেছি একবার ডাক-টাক টাইপের কিছু একটা দিয়ে দিবে আর কি। so information দিয়েটা ভালো করছে। আর সবচেয়ে ভালো করছে যে, মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে দিছে এই যে হোমটা, very good news। আর এর মাঝখানে তো বোধ হয় মালুম ভাইর সাথে আপনার কথা হইছে, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : আমার?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ।
নিজামুল হক নাসিম : ওই তো ওই বুধবার না বৃহস্পতিবার দিন হইছে কোর্টে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু উনার তো ফাঁকে একবার আপনার সাথে কথা বলার কথা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : না, আমার লগে এই পর্যন্ত কোনো কথা হয় নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ফোনে কথা হয়নি, না?
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা উনি কতগুলা real valid question raise করছে আর কি। উনি যেটা বলল (দাঁড়ান আমার notes-টা আমি বের করি) উনি বলেছে যে, উনার মেইন concern শফিউল্লাহ সম্পর্কে হচ্ছে, আপনি যেটা বলেছেন সেটা উনি agree করে এবং সবকিছু করে আর কি। কিন্তু, শফিউল্লাহ সাহেব কিন্তু আসলে মনে রাখতে পারেন না কথাবার্তা এবং উনার বোধহয় এই টাইপের কিছু একটা সমস্যা আছে। সেকেন্ড হচ্ছে উনি আমাদের একটা major concern আছে যেটা, এটাকে উনি যে কথাটা উনি বলতে পারবেন মূলত সেগুলো…
আচ্ছা। সেকেন্ড পয়েন্ট হচ্ছে যে, যেসব ইস্যুগুলা এখানে আপনি বলছেন যে এগুলো হলো cover হয়নি, সেগুলো কিন্তু আসলে আমরা historical fact হিসেবে নিতে পারব eventually.
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, তা পারব…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : More importantly যেটা হচ্ছে, সেটা হচ্ছে যে উনি দেখা গেল যে, উনাকে উনি control করতে পারবে না। অর্থাত্ সুলতানা আপাকে যেভাবে সমস্ত কিছু তথ্য দেয়ার পরে সুলতানা আপাকে কিছুই বলা লাগে নাই, মানে হইছে… good number of আলোচনা হইছে, কিন্তু উনাকে শুধু এগুলো দিয়ে দেয়ার পরে উনি বুঝে গেছে যে, কোন জিনিস্টা emphasize করতে হবে এবং কী করতে হবে না করতে হবে। কিন্তু এই ধরনের জেনারেল সাহেবের উপরে উনার কোনো ইয়ে নাই। আর জেনারেল সাহেবকে বললে, জেনারেল সাহেব মনে রাখতেছে না। এটা মনে হয় এর মতো problem হইছে কিছু চিফ প্রসিকিউটরের মতো। so তারপর উনাকে হলে উনি control করতে পারবে না। প্লাস হলো যে, উনি দেখা যায় কী যে এখনও উনার ভেতরে ওই কমান্ডারের একটা attitude আছে। যে উনি এর আগে যুদ্ধ করছে, আর্মিরা যুদ্ধ করছে এই টাইপের। এই অংশগুলা যুদ্ধের দিকে উনি চলে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি আছে। যে কারণে মালুম ভাই যেটা মনে করে যে, আমরা তো আসলে war issue-টাকে ওই সেন্সে avoid করতে চাই, কারণ উনার মুখ দিয়া যদি এখানে যদি দেখাই যে, এখানে একটা real যুদ্ধ হইছে, এবং এটা পাকিস্তানি আর্মিরা এইটার main protagonist এবং এরা যারা ছিল তারা কিছু না আসলে, মানে বা এরা হলো…, মানে ওই জিনিসটাকে establish করতে যদি পারে তারা আর কি, উনার মুখ দিয়া, যেটা mainly যেটা হইছে সেটা হলো যুদ্ধ, যেটা আসলে আমরা খুব একটা বেশি comfortable হব না, এটা মালুম জানে এবং ঐটা হলো উনার major concern, ওইটা আমাদেরও concern… but আমরা এখানে যুদ্ধ নিয়ে খুব বেশি interested না। আমরা হচ্ছে যে, যেসব লোকরা তাদের একাত্তরের criminal activity নিয়ে really what we are interested in.
ওইটার wider perspective কী ছিল, তখন বড় একটা যুদ্ধ হচ্ছিল, তার ভেতরে তারা ছোট ছোট player ছিল, কী কী ছিল না ছিল। সেগুলো কিন্তু আসলে মানে বড় যুদ্ধ বড় প্রেক্ষিতটা কিন্তু important না। এবং আমরা এইটাকে ঠিক আপনার জাজমেন্ট লেখার সময় হয়তোবা কোন একপর্যায়ে এই liberation war-এর কথা তো আসবেই, কিন্তু ওই সেন্সে একটা war তো চলতেছিল। কিন্তু war আর crime-এর ভেতরে যে difference মানে যে তফাতটা আছে, যেই জিনিসটা তা হলো আমাদের মেইন concern। কাজেই আমরা war-এর উপরে emphasize দিতে চাচ্ছি না, যেহেতু আমরা আসলে war crime-টাকে খুবই delibarately মানে legally, correct legal ভিউতে এনে আমরা exclude করে রাখছি এবং আমরা কাউরেই এদেরকে war crime-এর কাউকে কোনো charge করা হয়নি আর কি। এবং কয়েকবার validly charge করা হয়নি। তো সেই কারণেই war-এর issue-গুলা উনি হঠাত্ উত্তেজিত হয়ে যেতে পারে আর কি এটা মালুম ভাইর ধারণা। যে উনি ওই জিনিসগুলা একটু জোরেসোরে বলে দিতে চাইতে পারে আর কি। আর সার্বিকভাবে উনাকে যেহেতু উনি বলতেছেন আমি যে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না এইটা, এইটা হচ্ছে উনার main concern। এখন এইটার পরিপ্রেক্ষিতে উনি আমাদেরকে বলছে যে, আপনারা একটু চিন্তা করেন যে, এইটা কি মানে আপনারা যদি বলেন বা যদি really প্রয়োজন হয়, যদি আমরা এটাকে অন্য otherwise কোনো cover করতে না পারি এইসব ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো, তাহলে হয়তো বা উনাকে আনতে যদি হয়, আপনারা বলেন তাহলে আমরা হয়তো বা উনাকে আনব। কিন্তু মানে যদি না হয়, তাহলেই সবচেয়ে ভালো হয় আর কি। কারণ উনাকে উনি বলতেছে যে, আমরা বরং উনাকে যদি আমি না আনি, তাহলে সেক্টর কমান্ডার ফোরামে অন্যান্য যারা আছে তাদেরকে বুঝানো যাবে। including খন্দকার সাহেবকে যে কেন উনাকে আনা হয়নি আর কি। এবং সেটা মালুম বললেন আমি ওইটা ম্যানেজ করতে পারব। কিন্তু এনে ফেললে তখন উনাকে আমি এভাবে ম্যানেজ যদি না করতে পারি, তিনি যদিও উনার সাথে উনি বলতেছে যে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো এবং ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু উনি উনার ওই কমান্ডারের ভাবটা থেকে যাবে আর কি এবং থেকে যেতে পারে এবং এটা কী জিনিস যে কী বলবে শেষকালে, তখন দেখা গেল কী যে আমরা মানে কোনো খুব বেশি লাভ হবে না, কিন্তু potential প্রবলেমে পড়ে যেতে পারি। এইটা হচ্ছে উনার মেইন concern, কিন্তু এইটা মালুম ভাইর গতকাল আপনাকে জানানোর কথা; আমি তো কালকে গতকালের কথা, আমি তাকে বললাম যে, আমার সাথে আপনার যোগাযোগ হবে না, আপনি এটা উনাকে মেসেজটা দিয়ে দিয়েন। তা উনি বোধ হয় সময়-সুযোগ পাইনি আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : না সময় আছে, পরেও দেতে পারবে, অসুবিধা নেই, সেটা ঠিক আছে। আচ্ছা, কিন্তু আমার মনে হয় কি জানেন, আমরা তো এই ফ্যাক্টটা নেতে পারি.. জয়দেবপুর পার্কটা উনি না অন্য কোনো উইটনেসের মুখ দিয়া, হারুন-মারুন এরা সাক্ষী আছে কিনা আমি জানি না, হারুন এখন যে ফোরামের সেক্রেটারি, এরা যদি আইসা কেউ বলে, এই একটা-দুইটা settle থাকলে খুব ভালো হতো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একটা-দুইটা জিনিস আমি চিন্তা করতেছি যে, আমি তো এখনো সাক্ষীগুলা পুরোটা দেখি নাই, দেখলে যেমন ধরেন কি যে মুনতাসির মামুন টাইপের উনাদেরকে দিয়া মানে রিএক্সামিনেশনের কিছু… যেগুলা গ্যাপ হইয়া গেছে সেগুলা কি আনা যায় কি না আর কি। এইটা আপনি দেখেন আর এইটা আপনি যেটা বলছেন যে আর কি আছে তা জানি না আমি, জিনিসপত্র আমার কাছে নাই, সো আই ডোন্ট নো এক্সাক্টলি আর কী আছে এবং এটা ডেফিনিটলি আমি আবার আলোচনা করব এবং মালুম ভাইও কিন্তু close করতেছে না আলোচনাতে, উনি just বলতেছে যে এটা উনার concern-গুলো উনি raise করতেছে, যে উনি বলতেছে…
নিজামুল হক নাসিম : Genuine concern, concern is genuine.
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটাই আমি বলছি যে, আপনি যেটা বললেন, সেটা কিন্তু আমাদেরও concern। সেদিন পরশুদিন খুবই ভালো লাগছে আমি রায়হানকেও বলছি আর কি, যে মালুম ভাই এতদিন পরে আমাদের তো কী রকম একটা ধারণা ছিল আর কি, কিন্তু মালুম ভাই এখন আমি বুঝছি, যে মালুম ভাই কন্তু ICT’র আইনটা এবং আমাদের এই whole প্রসিকিউশনের strategy-টা really বুঝে গেছে। মানে এইটা even মানে really really উনি appreciate করছে। উনি কতটুকু communicate করতে পারতেছে that is different, কিন্তু উনি বুঝে গেছে যে, কোন জিনিসটা এখানে থাকা দরকার আর কোন জিনিসটা থাকা দরকার না এবং কোন জিনিসটা has to be avoided at all cost. So আমি very happy যে, এই জিনিসটা উনাদেরকে বুঝাইতে গিয়েও আমাদেরকে অনেক পরিশ্রম করতে হইছে। যে এই যুদ্ধাপরাধ যুদ্ধাপরাধ থেকে সড়াই নিয়ে আসতে। So উনি really এটা বুঝছে এবং এই যুদ্ধটাকে আমরা আসলে ওইভাবে অত highlight করতে চাই না, at least serious প্রসিকিউশন উইটনেসের মাধ্যমে আর কি এবং এটা উনি যেটা বলতেছে যে, এই লোকটা তো আসলে মানে আমরা, আমারাই তো control করতে পারব না। কাজেই… তারে না আনাটাই ভালো হবে। So, এটা যেটা বললেন যে, আর জানি না কী আছে না আছে, তো সেটা নিয়ে আমরা কথা বলে নেব আর কি। ওই যে ১৯ মার্চ-টার্চের ঘটনাগুলাকে আর কীভাবে আনা যায়?
নিজামুল হক নাসিম : এইটা আর কি,আমি চাই এইটা, একটা সেশন-দুই সেশন আনলেও জাজমেন্টে আমাদের জন্য সুবিধা হইত আরকি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, সেইটা ঠিক আছে সেটা আমি উনাকেও বলছি আর কি, আমি আলোচনা করছি। আমি দেখেন যে, আমিও চাই ব্যাক্তিগতভাবে যে judges-রা যেন জুডিশিয়াল নোটিশ খুব minimum নেক আর কি। minimum নেক in the since, আইন যেভাবে বলা আছে উনারা পুরাটাই জুডিশিয়াল নোটিশে নিতে পারে, কিন্তু যদি প্রসিকিউশন witness বা কোন witness-রা যদি বলে তাহলে উনাদের ওই কাজটা easy হয়ে যাই আর কি। তাহলে উনারা ওইটাকেই রেফারড দিয়েই বলল আর কি আসলে, আর না হলে তো তারা পারবেই, যেটা করা দরকার সেটা তারা নিবেও। কিন্তু সে কারণেই আমি মালুম ভাইকে বলছি যে, নাসিম ভাইয়ের যে major concern-টা যে এই story-গুলার এই অংশগুলা যদি আসে তাহলে উনারা তখন জাজমেন্টে আনতে সুবিধা হয় আর কি। আর তখন ওইটা বলা লাগে না যে আমি জুডিশিয়াল নোটিশ দিতেছি
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এইটা আর তখন বলা লাগে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা উনিও বুঝছে, উনারা ওই জিনিস নিয়ে শুধু without resorting to judicial notice-এর provision-টা আর কি। এইটা উনিও বুঝছে, কিন্তু উনি এখন এই যে, মালুম ভাই বলল যে চিন্তা করেন যে কোন দিকটা মানে আমরাও খুবই concern আছি আসলে এবং আমি দেখছি আপনিও এই একই জিনিসে concern যে, উনারে দিলে এই সামাল দেয়া যাবে না আর কি এবং উনার মতো একটা হেভিওয়েট উইটনেস যদি, একটু এদিক-সেদিক বলে ফেলে আর কি সেটাকে তখন আবার ম্যানেজ করা কঠিন হয়ে যাবে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ.. সে তো বটেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং তাছাড়া more importantly উনি যেটা বলছে, সেই information-টা আমাদের কাছে ছিল না। উনি কিন্তু বলছে যে, তার আসলে এই ইয়ে শুরু হয়ে গেছে আর কি। মানে অনেক কথাই উনি ঠিকমত মনে রাখতে পারেন না। even উনাকে, উনার সাথে কিন্তু চারবার exclusive কথা হইছে। এবং উনি বলছে দরকার হয়, আমি আপনাকে video-গুলো দিয়ে দিব, video করে দিব যে, আপনি কী কী বলবেন, কী ইস্যুগুলা থাকবে সেগুলা। উনি বলছেন (শফিউল্লাহ) যে, তুমি যে video করে যে দিবা, আমি তো এগুলা মনে রাখতে পারব না। So তখন তো আসলে মানে…
নিজামুল হক নাসিম : হুম..। তবে আরেকটা সুযোগ আছে। মুনতাসির মামুন তো আসতেছে ঐতিহাসিক হিসেবে, তারে দিয়া মার্চের ১৯ তারিখের এই ঘটনাটা নিয়া আসতে পারে রি-এক্সামিনেশনে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, রিএক্সামিনেশনে। সেটা হচ্ছে একটা মানে এই জন্যই আমি মালুম ভাইকে সাজেস্ট করছি ইতিমধ্যে যে, হয় কোনো কোনো এরিয়া বাদ গেছে। as historian উনি কিন্তু আর উনার সবকিছুর উপরেই লেখা আছে। কাজেই উনাকে মানে উনাকে as a authoritative witness আপনি accept করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনাল মানে easily can accept him as a athority of 1971. So সেই হিসাবে উনারে দিয়া যদি যেগুলা গ্যাপ থাকবে বড় পয়েন্টগুলা থাকবে সেগুলা আমরা cover করাই নিতে পারব। উনাকে দিয়ে এইগুলারে আমরা উনারা ঠিকমত মানে যেভাবে চাই মানে যেভাবে দরকার সেভাবে এটাকে হতে পারে। এটা already আমি বলছি। এটা হলো back up plan হিসেবে আছে। যেমন মুনতাসির মামুন হচ্ছে যখন সবার শেষের দিকে তখন তারে নিয়াইসা যেখানে গ্যাপ আছে সেইখানে আবার if necessary এখন তো ক্রস এক্সামিনেশন আসবে যেহেতু incomplete যে অংশটুকু আছে। দরকার হয় রিএক্সামিনেশনের জন্য তারে ডাকা হইতে পারে। এইটা আপনার এই গ্যাপের ভেতরে আপনার সাথে কথা বলার কথা ছিল উনার। কারণ উনি হইয়তবা সুযোগ পায়নি আর কি। কারণ উনাদের আসলে ইয়ের ব্যাপারে মিটিং করার কথা ছিল মানে ওই মীর কাশেমের ব্যাপারে, তা… এইটা হচ্ছে শুক্রবারের কথা ছিল।
নিজামুল হক নাসিম : gxi Kv‡k‡gi †Zv AvR‡K B›Uv‡iv‡Mkb nB‡Q
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা কি, আপনাদের ক্যাডম্যান ম্যাডম্যান চারিদিকে ছড়াই দিতেছে যে ইন্টারোগেশনের বিষয়টা, এই কমিউনিকেশনটা করে কীভাবে through register না?
নিজামুল হক নাসিম : না এইটা register না, এইটা করে investigation authority যারা আছে তারা, দু’দিন আগে তারা জানায় যে, আমরা তাকে interrogate করব আপনারা থাকবেন
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা কি through register or not through register
নিজামুল হক নাসিম : No no no, not through register
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওরা তো জোরেশোরে বলতেছে ওদেরকে জানাই নাই। আর হান্নান সাহেব আজকে রিপোর্ট করতেছে, বলতেছে যে, এটা আজকে রেজিস্টারকে জানানো হয়েছে, রেজিস্টারের জানানোর কথা। আবার তাতেই আমি confused যে কোনটা আসলে…
নিজামুল হক নাসিম : হান্নান ভুল করছে তাইলে। এটা রেজিস্টারকে জানাবে না, তারা জানাবে স্ট্রেইট ল’ইয়ারকে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অর্ডার তো এরকমই ছিল বোধ হয়, মানে ডিফেন্স lawer কে notify করতে হবে, মানে Concern Lawyer কে
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, Notify টেলিফোনে করলেও চলে এটা কোনো matter না
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, তারা এখন এই চিত্কার করতেছে দেখে, ঐ বাকি ক্যাডম্যান থেকে শুরু করে বাকিরা যারা আছে তারাও already তাদের site এ লিখছে যে, এইগুলা… তিনটা জিনিস, তাদের কে না জানায়ে …
নিজামুল হক নাসিম : What is the purpose of this, purpose is simple that they should look after the matter so that he is not tortured or threat is not given. যদি তারা কেউ threat এর allegation না আনে, তাহলে এগুলা তো meaningless.
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না মানে… ফানি জিনিসটা হচ্ছে যেটা সেটা হচ্ছে আইন is very clear. যে ঐখানে সে যা বলবে, কোনোটার কোনো evidentially value নাই এবং ট্রাইব্যুনালে কোনোটাই এটা submit করা যাবে না যে, বলবে যে সে ওই খানেই এইটা বলছে। সেই বলে তো আপনি এটাতে submit করা যাবে না as an evidence. So কাজেই এইটা নাই আর কি আর second objection দিছি যেটা সেটা হলো যে এই যে, ওই সময়ে তাদের যে প্রশ্ন করা হইছে মানে প্রশ্নগুলাও তাদের জানানো হয়নি যে কি তাকে প্রশ্ন করা হবে।
নিজামুল হক নাসিম : না তারা জানাবে না কোনো সময়ই, never, they should never
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি কই, কোনো দেশের interrogation এর সময়ে আগাম প্রশ্ন accused কে দিয়ে দেয়া হয় যে, তোমাকে এই এই প্রশ্ন করা হইব।, তুমি ঘরে থেকে তৈরী হইয়া আইস আর কি। এটা হইতেই পারে না। এবং থার্ড যেটা বলছে সেটা হল যে এইটা হচ্ছে একটা intimidation এর একটা scope তৈরী করার জন্য কাউকে জানানো হয় নি। যদিও তাজুল কইছে যে তার family রা জানে, আর সে বলছে যে family কে notification করা টা is not necessarily যে এটা lawer কে জানানো। আর তার ছেলে বলেছে, কাশেমের ছেলে যে ব্যারিস্টার একজন আছে নাকি, সে present their half a day রিপোর্টে সেটাই আসছে
নিজামুল হক নাসিম : হ্যা, তাইলে বলেন..
আহমদ জিয়াউদ্দিন : so আমার ধারণাতো তারা এটা automatic জানানোর কথা because এটাতো নতুন ঘটনা না এর আগে তো অনেক লোককেই জানানো হইছে এবং এই procedure টা
নিজামুল হক নাসিম : একত্রে খাইছে, বড় বড় মাছ দিয়ে ভাত খাওয়াইছে ঐ উকিলদেরকে investigator রা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে লাঞ্চ ব্রেকে…। হ্যা, এইগুলার তো কাগজ বাইর হইয়া আসছে। এটা পাইবেন আপনি আর কি, রবিবারেই হইতবা petition পাইবেন আর কি যে, cotemptএর petition রেডি হইয়া গেছে already
নিজামুল হক নাসিম : cotempt কি জন্য ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে আপনের অর্ডার violate করছে। যে, তাদেকে জানাইতে বলছে জানায় নাই তারা, এই জন্যে contempt। প্রসিকিশন থেকে বোধহয় সিমন ছিলেন মনে হয়, থাকার কথা ছিল। so এইটা আমি মালুমের সাথে কথা বলে নিব যে, আর কে কে সাড়্গী আছে না আছে বা কি করা যায় আর কি। তো মালুম ইয়ে নিয়ে আসবে আর কি, ওই সিজার লিষ্টের witness দের কে শুরু করে দিবে। আর তার পরপর করবে আর কি ওই সিরু মিয়ার ছোট্ট ছোট্ট নাকি witnesse আছে বলতেছে, উনি এটা দ্রম্নতই করতে চায়, মানে র্যাপিং আপ করতে চায়। তো এই খবরটা খুবই ভাল খবর এখন আমাদের এইটা net loss হয়ছে যে ঐ চক্রটা ভেঙে, যদি ভাঙা যাই আর কি। ICT’র ভিতরে যে হোম মিনিস্টার আর ছোট আইন মন্ত্রীর যে একটা click ছিল আর কি, একটা গ্যাঙ্গ ছিল, এইটাকে নিউট্রেলাইজ যদি করা যায়। মহিউদ্দীন খান আলমগীর, মানে শিক্ষিত মানুষ, এটা hopefully মানে এই process এ উনি আছে। আপনের কাছে আর কোন খবর আছে নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : না, আমার কাছে আর কোন খবর নাই… (বড় নিশ্বাস)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : Bangladesh24 এর এই ওয়েবসাইট টা এত দুর্বল হয়ে যাচ্ছে
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, আমাগো এদিকেও যে পাই না, আবার মাঝে-মধ্যে পাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : একটুই পাই না, একটু অন করা থাকলে এটা অফ হইয়া যাইতেছে time out হইয়া যাইতেছে খুবই বিরক্তিকর। এত শক্তিশালী একটা সংগঠন, তাদের পয়সা এত আছে, এইখানে তারা যে কি করতেছে কে জানে। আপনি বোধ হয় ওইটা দেখেন নাই বা government একটা খুব deadly পলিসি করতেছে আর কি, informatin এ। মানে প্রস্তাবিত online গণমাধ্যম পরিচালনা নীতিমালা। এটা আমি এখন আপনাকে পাঠাই। এটা আমরা really worried আর কি। এটা পাঠিয়ে দিতেছি আপনাকে। যে online মিডিয়া কিন্তু আসলে really main stream media হয়ে যাচ্ছে আসলে। মানে আমরা main stream নিউজ গুলা পড়তে পড়তে আমরা online। এবং ব্লগিংটা আসলে মেইন হয়ে যাচ্ছে। কাজেই সরকার যে আইনটা মানে…, এখানে ফানি লাগতেছে দুটো জিনিস কমেন্ট আছে এইখানে আবার ইনিশিয়াল কমেন্ট-এর পর আরও অনেক ডিটেইল কমেন্ট আছে একটা হচ্ছে যে, online এর নিয়মটাই হচ্ছে যে মোটামুটি যে কেউ কিছু একটা শুরু করে দিতে পারে। কিন্তু এইখানে আপনি যখন online এ একটা ওয়েবসাইট যখন তৈরি করেন, আপনি কিন্তু পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় সেই ওয়েব সাইটটাকে হোস্ট করতে পারেন অর্থাত্ কেউ একজন আপনার ওয়েব সাইটটা নিয়ে বসে আছে। তার সাইটে আপনার এটাকে হোস্ট করতে দিতেছে। এটাকে হোস্টিং বলে। তো এখন এরা বলতেছে এটা কিন্তু এতো ফ্রি যে, আপনার ইন্টারনেট থাকলে আপনি পৃথিবীর যে কোনো সাইটে যে কোনো দেশে যে কোনোভাবে যেতে পারেন আর কি। তো এখন এরা বলছে যে, এক হলো যে এইটা করতে গেলে আপনাকে পুরা মিডিয়ার যে আইন-কানুন আছে সেগুলা মানে ওই রকম কাছাকাছি আইন-কানুন ফলো করতে হবে, আপনাকে রেজিস্টার্ড কোম্পানি হতে হবে, আপনাকে সাংবাদিক হতে হবে, যে ওইখানে লিখতে গেলে আপনার সাংবাদিকের প্রোফেশনাল এইটা থাকতে হবে। এইটা আপনার পাঠাই, রায়হানরা খুবই worried আছে। so আমি তাদেরকে বলছি যে, আপনি আপনাকে যারা যে ব্যাপারে মানে…, সবকিছু এখন সংবাদের ভিতরে চলে আসে আর কি, আমরা যে বিভিন্ন কিছু শেয়ার করি ওয়েবসাইটে সেটাও কিন্তু সংবাদেও ভেতরে চলে আসে। কাজেই government ইচ্ছা করলে সব গুলাকেই বন্ধ করে দিতে পারে। মানে হয়তোবা তারা এইভাবে তারা ইচ্ছা করতেছে না কিন্তু দেখা যাবে যে যারা চাইবে তখন এটা বন্ধ করে দিতে পারে। so এইটা নিয়ে আমরা really মানে worried ব্যাপার একটা। so এইটা নাকি বেবি মওদুদ না কে জানে এইগুলা তারা আছে বা bdnews24 নাকি এটার পেছনে আছে। তারা চাইতেছে না যে অন্যান্য ছোটখাটোভাবে বেশকিছু ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতেছে যেগুলো তাদেরকে compete করে আর কি। তারা competitor বাজার থেকে ভাগায় দিতে চাইতেছে আর কি মূলত এবং একটু দেইখেন যে, পরিমাণ ফিসের কথা বলা হয়ছে, সেই পরিমাণ ফিস দিয়া কোনো ইয়াং এন্ট্রাপেনার বা কেউই একজন, অনলাইন মিডিয়ায় পলিসি, আমি এই হেডলাইন এ দিতেছি…
নিজামুল হক নাসিম : আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, আমি যদি একজনরে ম্যাসেজ পাঠাই এইটা তো মিডিয়ায় যাবে না। তো অসুবিধা কি, মিডিয়া control করুক …
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কিন্তু আপনি যদি একটা কমেন্ট করতেছেন, আপনি ম্যাসেজ পাঠাচ্ছেন পার্সোনাল ইমেইল-এ পাঠাচ্ছেন ঠিক আছে, কিন্তু আপনি যে রকম ধরেন—আমাদের আইসিএস-এর ক্ষেত্রে যে সাইট আমরা করছি আরকি ঠিক আছে, এই সাইটে আমরা কি করতেছি এটাকে কিন্তু এইটা টেকনিক্যালি এবং গুগোল এটাকে consider করে এটা মিডিয়া। কারণ আমরা এখানে তথ্যগুলাকে collect করে রাখতেছি। আপনি করতেছেন যেটা, আমরা কোনো কমেন্ট করে দিতেছি না, যেহেতু কমেন্ট-এ দেয়ার মতো আমাদের সময় নাই আর কি, কিন্তু আমরা যদি এর সাথে কমেন্টও দিয়ে দিতাম বা আমরা শুধু কমেন্টই দিতেছি না এই যে, আপনি যে ভিজিট করতেছেন আমাদের সাইটে আর্কাইভ আছে, আপনি যা বার বার দেখতেছেন, সেখান থেকে ইনফরমেশনগুলা নিয়ে আপনি রিইউজ করতেছেন যে, এইটা টেকনিক্যালি এর ভিতরে পরে, মিডিয়ার ভিতরে পরে।
নিজামুল হক নাসিম : এইগুলা মিডিয়ায় পড়বে না, এগুলা হেগোরে বুঝাইলে হয় না? এইডা মিডিয়ায় পড়বে না। মিডিয়া মানে শুধু অনলাইন নিউজ পেপার-এর মতো যেগুলা সেগুলাই মিডিয়া, এগুলা বুঝান যায়
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন এই নিউজ পেপার-এর ইয়েটাতো খুব ব্লগার হয়ে গেছে না, আপনি নিউজ পেপারের নিউজ সাইট, যেমন আমাদের সাইটেও তো নিউজ আছে কিন্তু আমরা অন্যের নিউজ শুধু এনে দিতেছি ঠিক আছে। আমরা নিউজ কিন্তু ওই সেন্সে কালেক্ট করতেছি না কিন্তু আমরা নিউজগুলাকে আর্কাইভ করে রাখতেছি। যে নিউজ সেগুলা হচ্ছে সেগুলাকে আমরা ঐখান থেকে kind of মানে টোকাই নিয়া গিয়া, বাছাই করে নিয়ে এটা আমাদের ওখানে জমা রাখতেছি। উদ্দেশ্যটা কি যে এটা আমরা ব্যবহার করব। আমরা এবং অন্যরা যার ইচ্ছা সে ব্যবহার করবে। এইটা থাকতেছে এই ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত যত খবর বেরোয় এইগুলা আমরা collect কইরা রাখতেছি। এটা হলো মানে বর্তমানে ব্যবহারের জন্য এবং ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য এবং এটা আমাদের কাছে একটা রেকর্ড হিসেবে থাকতেছে, আর্কাইভ থাকতেছে।
নিজামুল হক নাসিম : এই রাখাটাকে তো আমরা রিসার্চ হিসেবে বলতে পারি, ইট ইজ নট মিডিয়া।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমরা রাখি মূলত রিসার্চ হিসেবে। কিন্তু এইটাকে যখন আবার Google করে কি যে, তারা এইটাকে যেহেতু এইটা আমরা তথ্য সরবরাহ করছি, তথ্য রাখতেছি, সংগ্রহ করতেছি এবং সরবরাহ করতেছি। সরবরাহ মানে আমরা কারও কাছে গিয়ে গিয়ে দিতেছি না কিন্তু আমরা দরজা খোলা রাখছি যে আপনারা আইসা, আসতে পারেন দেখতে পারেন, সেইজন্য সেইটাকে ধরা হয় মানে international practice টা হচ্ছে এটাও মিডিয়া একটা। তারপর হচ্ছে যে এই যে ব্লগ যেটা এটাও কিন্তু মিডিয়া। এটা কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত কমেন্ট্রি। এই যে যেমন আপনার ডেভিডের ব্লগটা যেটা ফর এন এক্সামপল, এইটাকে Google ধরবে অথবা internationally ধরা হবে যে এটাও একটা মিডিয়া। কারণ হচ্ছে কি যে এইখানে সে মন্তব্যটা সে করছে, করার পরে অন্যরা এখানে আসছে এবং সেখানে আবার মন্তব্য দিতে পারতেছে। কাজেই তথ্য রাখা হচ্ছে এবং তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে। ফলে এইটা মিডিয়ার ভিতরে আসবে এখন ওই মিডিয়ার যে strict যে বাউন্ডারি ছিল, সেই বাউন্ডারিগুলা অনেক বড় হয়ে গেছে এবং এই নতুন টেকনোলজির কারণে, এই মিডিয়া এখন এগুলোকে সবগুলোকেই ব্রড স্ট্রোকে মিডিয়া বলা যেতে পারে। প্রবলেম হয়ে গেছে যেটা সেটা হলো যে, এখানে আপনি যেটা বললেন সেটা সবচেয়ে important, এবং আপনি দেখবেন এইখানে কোনো সঙ্গা দেয়া নাই যে, কোনটা ইন আর কোনটা নট ইন। সঙ্গাটা যদি থাকত তাহলে কিন্তু এই confusion টা হতো না। এখন এই গণমাধ্যমে বলা আছে এখন এই গণমাধ্যমের কোনো সংজ্ঞা এখানে দেয়া নাই। মানে গণমাধ্যমকে আমরা যদি ইংরেজি করি তাহলে এটাকে mass media বলা যেতে পারে বা in short ‘media’ বলা যেতে পারে। এখন এই মিডিয়া হলে সবই তো কাভার করে যাই তাহলে। এখানে যদি তারা যেমন বলেছে ‘প্রচলিত সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতারের বিভিন্ন চ্যানেলের পাশাপাশি ওয়েব বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন সংবাদ বা অনুষ্ঠানের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সম্প্রচার, প্রকাশনা, প্রদর্শন ও পরিচালনায় কোনো বিধিবিধান বিদ্যমান নাই এবং এ সম্পর্কিত একটা নীতিমালা প্রয়োগ করা জরুরি’। … এখানে কিন্তু কোনো আইন নাই তারা কিন্তু এখানে even পলিসিতে তারা পেনাল প্রোভিশনও রাখছে যে, এটা যদি না মানা হয় তাহলে এত বছর শাস্তি হবে আর কি। so এই জিনিসগুলা লেজিসলেশনে থাকা দরকার, এটা পলিসির ভেতরে থাকা দরকার মানে থাকতে পারে না কখনও। নীতিমালাতে কখনও, নীতিমালা কখনও legislation হতে পারে না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ. পারে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : নীতিমালাটা হচ্ছে একটা legislation-এর ভিত্তিতে, একটা legislation থাকবে সেটাকে application করতে গেলে কোনো একটা এরিয়াতে একটা পলিসি থাকবে যে, হ্যাঁ ঠিক আছে আমরা এইটা দিয়ে আইন এইটাকে বলতেছে সেইটাকে আমরা এইভাবে প্রয়োগ করব আর কি।

কিন্তু এটাকে নতুন করে পেনাল প্রোভিশন নীতিমালাতে আপনি তৈরি করতে পারেন। আপনি দেখবেন এইটা পাঠিয়ে দিয়েছি আপনাকে। আপনি দেখবেন যে এইখানে নীতিমালাটাকে, এইখানে তারা পেনাল প্রোভিশনেও রাখছে। so আমি বলছি যে, যেহেতু এখন ইনু ভাই আসছে, এটা opportunity যে এটা আমরা এটা থাকুক এটা আমাদের কোনো অসুবিধা নাই কিন্তু আমরা এখানে কিছু কিছু যে সবগুলাকে রিগ্রেসিভ মনে হচ্ছে, যেগুলো আমরা মনে করি না যে এইগুলা ঠিক হচ্ছে কারণ এইগুলা রেস্ট্রিক্ট করে ফেলবে আর কি বা এইটাকে abuse করার সম্ভাবনা আছে। এই government-ই হোক অথবা পরবর্তী government-ই হোক একবার পলিসি হয়ে গেলে তো ওটাতো মানে it stays কাজেই এইটা আমরা বিপদে পড়ে যাব, এটা অনেকেই বিপদে পড়বে কাজেই এই ফ্রি মিডিয়াটা যেটা really মানুষকে empower করেছে, এই যে citizen, netzen বলে এখন এইটাকে। এই যে সিটিজেন জার্নালিজম যেটা ডেভেলপ করেছে, এখন যার হাতেই একটা ল্যাপটপ আছে এবং যার হাতেই ইন্টারনেট কানেকশন আছে সেই কিন্তু জার্নালিস্ট হয়ে গেছে, সেই কিন্তু একটা খবর লিখতে পারছে সেই কিন্তু একটা কমেন্ট্রি করতে পারছে। এটা একটা caos তৈরি করতেছে এটা সত্যি কথা কিন্তু সেই caos টাকে আপনাকে হ্যান্ডেল করতে হবে নতুন টেকনোলজির যে keeping that in mind. Not really এটার যে solution সেটা হচ্ছে যে ঐ ট্রেডিশনাল ওয়েতে যেভাবে পত্রপত্রিকায় লাইসেন্স দেয়া হয় এবং তাদেরকে লাইসেন্স রিনিউ করা লাগে, এই টাইপের যে ট্রেডিশনাল ওয়ে আছে, এইভাবে এটাকে করাটা ঠিক হবে না এবং এটা উচিত না আর কি। কারণ এইখানে আমরা যে এই যে মানে 21 সালের দিকে বাংলাদেশকে টেকনোলজির দিক থেকে যে পর্যায়ে নিতে চাচ্ছি আমরা, বা যেভাবে চিন্তা করা হচ্ছে, এইগুলাকে আটকে দিবে আর কি তখন এইগুলাতে underground করে দিবে। যেটা আসলে একটা legitimateactivity টাকে illegitimate হয়ে যাবে তখন মানে অবৈধ হয়ে যাবে। আপনি তো কোনো দিনই আটকাতে পারবেন না, ঘরের মধ্যে বসে বসে ছেলেমেয়েরা বহুত কিছু করবে যেগুলা আপনি আটকাতে পারবেন না। তারপর যেমন ধরেন যে একটা condition দিয়েছে যে, ওয়েবসাইট যেটা হবে সবই হলো দেশের ভেতরে হতে হবে এখন দেশের ভেতরে আমাদের এর capacity নাই আর কি, আপনার reliability নাই। আপনি একটা ওয়েবসাইট করবেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে কি যে কিন্তু এটাকে হোস্ট করতে হবে দেশের ভিতরেই, এখন দেশের ভিতরে হোস্ট করার মতো আপনার ability নাই, technical ability নাই। যে কারণে মানুষ বাইরে হোস্ট করে আর কি এবং সবাই কিন্তু বাইরে হোস্ট করে এবং backup টা easily রাখা যায়, যে এগুলা যেন হারিয়ে না যাই আর কি। আর এইগুলা যেহেতু ব্যুরোক্রেটরা apply করবে এই সব policy। কাজেই এইগুলা বেশ কিছু চিন্তার ব্যাপার আছে। যদিও এখনও আমি পুরাটা আমি ওদের কমেন্টগুলা দেখি নাই। মানে এটা আমি নিজে অত ভেবেও এনালাইসিস করি নাই, কিন্তু এটা কালকে আমার সাথে একটু কথা বলল। আমি একটু দেখলাম এক নজর। তো আজকে thankfully অ্যা…আসছে, কাজেই উনি এটা বুঝে একটু, তো ইনু ভাই এগুলো বুঝে ভালো। আমি বলছি যে আপনারা একটা তৈরি করেন, খুব ছোট্ট করে উনাকে যেন মেসেজ দেয়া যায় যে, আপনি rethink করেন এইটা। এমন কিছু করবেন না যেটা eventually আমাদের ঘাড়ে এসে পড়ে আর কি। যে আমরা পরে restricted হয়ে যাই। আর উনি থাকাতেও উনার এই প্রচারণাটাও আমি চিন্তা করছি এটা আপনিও একটু চিন্তা করেন যে, ministry of information কীভাবে আমাদের, মানে এই সরকার যে বলতেছিলাম যে এতদিন ধরে কিছুই করতেছে না, এই সরকারকে দিয়া ministry of informaion কে কিভাবে ICT’র প্রচারণার স্বার্থে ব্যবহার করা যায়। এইটা কিন্তু হচ্ছিল না। উনি নতুন নতুন আসছে, এটাকে উনারে দিয়া মানে এইটা হলো উনার ফার্স্ট ওয়ার্ক দেয়া হবে আর কি। উনাদেরকে আইডিয়া দিয়া দিতে হবে যে, এই এই জিনিসটা করবেন আপনারা। মানে সরকারকে এইটার পক্ষে, মানে এইটা এখনও আমি চিন্তা করি নাই বাট এটা আপনিও একটু চিন্তা করেন যে মানে ICT’র পক্ষে কি প্রচারণা government করতে পারে, কি ধরনের সিস্টেম ministry of information huge ministry একটা, খুবই important ministry। ICT’র পক্ষে সবচেয়ে কম প্রচারণা হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ….কাইল থাইক্যা তো আবার শুরু হয়ে যাচ্ছে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ছাত্রশিবির তো দেশের বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল করছে ওই ফিল্মের ছুতা কইরা।
নিজামুল হক নাসিম : করুক, ওরা পিছায়া গেছে, কালকে করে নাই, আজকে নামছে আরকি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন :পুলিশের ফাঁকি দিয়াও তারা কয়েক জায়গায় কইরা ফালাইছে।
নিজামুল হক নাসিম : দেশে আছে, একটু করুক না, অসুবিধা কি
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই ফিল্মে যে এত অফেন্ডেড হওয়ারও কিছু নাই। আপনি দেখছেন এইটা?
নিজামুল হক নাসিম : না, দেখি নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাইলে আপনারে পাঠাইয়া দেই এবং এইটাতে অফেন্ডেড হওয়ারও কিছু নাই এত, মানে ইসলাম এত এ না। মানে কেউ একজন… এত পচা একটা ইয়ে করছে আর কি… it’s just nothing আসলে। একটা আছে ১৪ মিনিটের, মানে ফুল ভিডিওটা এখনও পাওয়া যায় না। তাই ১৪ মিনিটের একটা আছে ঐটার একটা ক্লিপ …করছে আর কি। দেখেনতো ওইটা গেল কিনা, আপনার কাছে। লিঙ্কটা পাঠাইছি ইউটিউবের।
নিজামুল হক নাসিম : দেখবেন, ঠিক আছে এখন না, পরে দেখবেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো, আইনমন্ত্রী আবার অ্যাম্বাসিতে, মানে ইউকে-লন্ডন এম্বাসিতে ওদেরকে, যারা ইউকে পার্লামেন্টের মধ্যে কিছু ডকুমেন্ট যেটা তৈরি করছিল, সেটা নাকি আমরাতো just ওদেরকে হেলপ করছি। এদিকে হাইকমিশন রেস্পন্ড করার জন্য, তো এইটা বোধহয় দেখাইছে আইনমন্ত্রীকে যে, এই জিনিসটা তারা তৈরি করছে এইগুলা এবং তখন আমাদের কথা আসছে, তখন আইনমন্ত্রী বলছে যে, এটা আমি জানি। আপনারা সব সময় তাদের সাথে যোগাযোগ রাখবেন এবং তারা আপনাদেরকে মানে তাদের সাহায্য আপনার সব সময় নিবেন।
নিজামুল হক নাসিম : আপনার কথা, আপনাদের কথা বলছে?

আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, ICSF এর কথা, আমাদের কথা আর কি, যে আমি জানি, আপনারা তাদের সাহায্য নিবেন। তো আমি দেখলাম যে, এইটা কিন্তু সেকেন্ড টাইম করছে আর কি। উনি কিন্তু মালুম ভাইকেও বলছে এইটা। মানে যখন জহির সাহেবের এপিসোড যখন কথাবার্তা হচ্ছে কিছু একটা সময়ের একপর্যায়ে আর কি, এটা মালুম ভাই আমারে জানাইছে আর কি। এইটা আমি আপনাকে বলছি কি না মনে নেই আমার।
নিজামুল হক নাসিম : না, বলেন নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাদের সাথে যোগাযোগ আছে কিনা এবং এটা যেন, মানে তারা যেন আমাদের হেল্প নেন আর কি, যোগাযোগটা রাখেন আমাদের সাথে। মানে এইটা সেকেন্ড টাইম দেখলাম যে উনি এইভাবে বলতেছে, যে পজিটিভলি বলল যে, আমার তো ধারণা ছিল যে ঐ সেকেন্ড ইয়ের পর থেকে আমরা তো আর যোগাযোগই রাখি না আসলে কারণ একদমই মানে we were not happy. কিন্তু উনি দেখা যাই কি যে, এখন যে কোনো কারণের জন্যই হয়তোবা বুঝছে, হয়তোবা সেই কারণেই বলছে আর কি। আচ্ছা থার্ড একটা impoprtant point এই যে একটা, এইটা অবশ্য আইনটা হবে না যে private member bill হিসেবে এই যে বিচারক নিয়োগের যে আইন যে প্রস্তাবিত আইন যেটা
নিজামুল হক নাসিম : ও নিয়ে চিন্তা করি না আমি, এগুলা ফাইজলামি, এগুলা পুরা ফাইজলামি
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, ঐটা হবে না, মানে individual-এর প্রপোজ নিয়ে বিশ্লেষণ, so এখন যেহেতু legislationটা নাই, কাজেই এইটা হওয়ার সম্ভাবনা নাই কিন্তু হলে আবার তখন দেখা যাবে, কিন্তু government ও বলতেছে যে তারা কিছু একটা করবে আর কি। আমাদের যেটা চাওয়া সেটা হচ্ছে যে এই process এ হওয়ার আগেই আপনারটা হইতে হইবো আর কি, মানে কি ঢুকাইবে এর ভিতরে, মানে চিফ জাস্টিস-এর রিকমেন্ডেশনটাই বোধ হয় ইয়ে করবে মনে হচ্ছে, চিফ জাস্টিসের রিকমেন্ডেশনটা already একটা তো আছে মানে… convention
নিজামুল হক নাসিম : Convention আছে judgment আছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও ঐটা নিয়ে judgment ও আছে…! হ্যাঁ আচ্ছা ঠিক আছে… তো কাজেই এইটাকে আবার legislation করার দরকারটা কি সেটা মানে government কিছু একটা করবেই আর কি। কিন্তু কি করবে সেটা হয়তোবা এই শেষ মুহূর্তে এসে কি দিয়ে কি চিন্তা করতেছে নাজানে। এটা হচ্ছে আমাদের একটা concern যে এইটা ওই কোনো ধরনের কোনো formalization এর আগে যেভাবে যে process টা চলতেছে যেই process-এর ভিতরেই এইটা হতে হবে। এবং এইটার না হওয়ার কোনো কারণ আমি এ দেখতেছি না। কাজেই i dont know. … thinking যে ঐটা চালু করে government আবার নিজেরা একটা introduce করে কি না legislation যেটা দেখা যাবে কি যে আবার একটু জটিল করে ফেলল আর কি। এখন এটা কঠিন জিনিস হয়ে গেছে। যে আমি এক্ষুণি একটা নিউজ পড়তেছি চট্টগ্রামের নিউজ। কাজের বুয়া করছে কি যে রান্নার সময় কিছু একটা করছে সবাইরে নেশা জাতীয়, নেশা করাই দিয়া, সবগুলা লোকরে ড্রাইভারসহ মানে বাড়ির দারোয়ান সবাইরে অজ্ঞান কইরা টাকা-পয়সা গয়নাগাটি নিয়া, সব নিয়া ভাগছে।
নিজামুল হক নাসিম : ভালোই করছে, সবাই হাসপাতালে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং এখনও পর্যন্ত গৃহকর্তা এবং স্ত্রী দু’জনেই অচেতন অবস্থায় রইছে। বাকিদের জ্ঞান ফেরত আসছে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : আপনার ওই ক্লিপ্টা আসছে, ইউটিউবের ইডা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দেইখেন, এইটার জন্য এত অস্থির হওয়ার কোনো কিছু আছে কিনা?
নিজামুল হক নাসিম : অনলাইন মিডিয়া পলিসিও আইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, অনলাইন মিডিয়া পলিসিটা একটু দেইখেন, just ওইটা আপনার জানার জন্য আর কি, জেনে রাখা ভালো যা কি হচ্ছে না হচ্ছে। মানে ICT’র বাইরেও তো বহুত কিছু হইতেছে। এই পলিসিগুলা তো ঠিক আছে। মিডিয়া পলিসিও থাকা দরকার সেটা আমরা বুঝি এবং আমাদের আইনেও বলা আছে যে, ফ্রিডমটা সব সময় ফ্রিডম বাট আন্ডার ল’। কিন্তু ল’ আবার যদি ডেভেলপমেন্ট কে রেস্ট্রিক্ট করে ফেলে, তাহলে আবার প্রবলেম আছে আরকি। মানে এটাকে যদি abuse করার সম্ভাবনা থাকে আর কি। এবং এইটা অনেকরেই এফেক্ট করবে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : আমি তো বুঝিনি তাই জিজ্ঞেস করছি আর কি, মনে করেন আপনাদের ICSF, তারা যেসব কাগজপত্র ইয়ে… করতেছে, এইটা কি বাংলাদেশে এন্ট্রি বন্ধ করা যায়?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ , বাংলাদেশ সরকার চাইলে তো এটা বন্ধ করে দিতে পারে।
নিজামুল হক নাসিম : মানে বাংলাদেশের মধ্যে রাখতে পারবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই সেন্সে যে বাংলাদেশ থেকে কেউ এটা দেখতে পারবে না
নিজামুল হক নাসিম : না সেইটাই, সেটা পারে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এটা ব্লক করে দিতে পারবে
নিজামুল হক নাসিম : আমি মনে করি, এই অথরিটি অন্তত বাংলাদেশ government-এর থাকা উচিত। এটা আমি মনে করি। কিন্তু করতে গেলে শর্ত হেনতেন এগুলো করার কোনো অর্থ হয় না। এই অথরিটি government-এর থাকা উচিত।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যেমন প্রেসিডেন্ট ওবামা নিজে রিকুয়েস্ট করেছে আপনার ইউটিউবকে, যে তুমি এই ফিল্মটা উঠিয়ে ফেল আর কি, এই যে, যে ফিল্মটা আপনারে পাঠায়ছি। white house থেকে request করা হয়েছে অর্থাত্ প্রেসিডেন্ট রিকুয়েস্ট করছে গুগোলকে, যারা ইউটিউবের মালিক, যে তোমরা এইটাকে রিমুভ করে দাও। ইউটিউব কিন্তু রাত-দিন রিমুভ করতেছে আর কি। ইউটিউব কিন্তু যখনি objection পায় ইউটিউব করে কি যে রিমুভ করে দেই, যদি দেখা যায় কি যে কারো ব্যক্তিগত ছবি আপনার ওখানে দিয়ে দিল আর কি, privacy খুবই violated হইছে এই টাইপের ছবি এবং সে objection দিছে এবং ইউটিউব ঠিক করে দেখছে যে ইউটিউবের কিছু নীতিমালা আছে, তারপর যদি কোনোকিছু সন্ত্রাস প্রমোট করে এই টাইপের কিছু একটা, যদি violence promote করে এইটাইপের যদি ইউটিউবের কাছে মনে হয়, অভিযোগের ভিত্তিতে obviously, ইউটিউব কিছুই নিজে করে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তার দর্শকরা অভিযোগ না করে এবং অভিযোগ করার পরে তাদের একটা প্রক্রিয়া আছে যেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী হলে তারা রিমুভ করে ফেলে আর কি। তাদের হাতে সেই ক্ষমতাটা আছে আর কি। কিন্তু এই ছবিটার ব্যাপারে তারা হোয়াইট হাউজ থেকে রিকুয়েস্ট পাঠাইছে কিন্তু তারা রিমুভ করে নাই। কিন্তু আমাদের দেশে এটা ব্লকিংটার পক্ষে আমরা, সরকার যদি মনে করে যে কোনো একটা ওয়েবসাইট যেটা আসলেই আমাদের দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করতেছে টাইপের ওই ধরনের serious হতে হবে আর কি, মানে এটা ঠিক যে কোনো সাইটকে ব্লক করাটা চাইতে এটার একটা গুড রিজন থাকতে, এখানে একটা লিগ্যাল বেসিস থাকতে হবে এবং একাট প্রসেস থাকতে হবে এবং সেটা ক্লিয়ার হতে হবে এবং সেটা গেল এক দিক থেকে। কাজেই এটা এখনও পারে। যেমন করছে তো, আমাদের সাইট কিন্তু করছে, কয়েকটা সাইটকে বাংলাদেশ সরকার ব্লক করছে আর কি, যারা ঐ হজরত মোহাম্মাদ (সা.)-এর আগের কার্টুনগুলা নিয়ে এই সাইট যে কয়েকটা আছে আমাদের বাংলাদেশ থেকে ওইটা আপনি দেখতে পারবেন। সেইটা ঠিক আছে, সেটা we have no problem with that. কিন্তু জিনিসটা হচ্ছে যে, আপনে এখন একটা সাইট ওপেন করবেন আপনি একটি ইয়াং ছেলেমেয়েরা, আপনারা একটা কিছু করবেন আর কি, আপনারা মনে করলেন আপনারা একটা কিছু ইস্যুতে আপনারা কাজ করতে চান। প্রত্যেকেই কিন্তু তার একটা ওয়েবসাইট করে এখন মানে ব্যক্তিরাই এখন ওয়েবসাইট করতেছে এবং তারা একটা কিছু করতে চাই, এখন করতে গিয়ে এখন আপনার কোয়েশ্চেন হচ্ছে কি যে ১০ টাকা… ১০ ডলার দিয়েও কিন্তু আপনি এই সাইট করতে পারেন, মানে জায়গা একটা কিনা নিয়া একটা নাম কিনা নিয়া, আপনে কিন্তু নাম কিনতে গেলেও সারা বছরে ১০ ডলার লাগে হয়তোবা যদি কেউ না নেই ওই নামটা আর কি বা ২০ ডলার লাগে বা ৩০ ডলার লাগে ২০/৩০ ডলার দিয়ে কিন্তু আপনি নামটা কিনে নিয়ে আপনি এটা কোথাও এটা আপনার ঘরেও বসাই রাখতে পারেন আপনার কম্পিউটারের ভেতরে অথবা আপনি অন্য কোথাও থেকে এটা ভাড়া নিতে পারেন ২০, ৫০ ডলারে ১০০ ডলারে ভাড়া নিতে পারেন যেহেতু আপনার এক্সেস এক বছরের জন্য। তারা আপনার ঐ জিনিসটাকে হোস্ট করে রাখবে এটাকে হোস্টিং বলে, এখন এখানে যে আইনটা যেটা আপাতত প্রস্তাব করা হয়েছে যেখানে তারা বলছে যে, বাংলাদেশে কেউই কিন্তু আসলে কোন বাইরে কোথাও হোস্টিং করতে পারবে না। এটা বাংলাদেশে হোস্টিং করতে হবে এখন বাংলাদেশে হোস্টিং করতে গেলে বাংলাদেশের হোস্টের যে অবস্থা, practical অবস্থা, technical অবস্থা এবং security safty অবস্থা। আমি একটা জিনিস যে হোস্ট করতেছি, এইটা দেখা যায় কি যে সে তো আসলে পুরা মানে… আমি যদি আওয়ামী লীগ হই তাহলে আমারে বিএনপি’রে দিয়ে দেবে আর বিএনপি হয় তাহলে তো আমি জামায়াতরে দিয়ে দেব বা আওয়ামী লীগ হইলে জামায়াতরে দিয়ে দেবে এইগুলা আর কি। কারণ তার কাছে কিন্তু সব তথ্য থাকতেছে, এটা যদি আপনি গুগোল, ইয়াহু এই টাইপের কারো কাছে হোস্ট করেন বা বড় বড় হোস্টিং কোম্পানি আছে আর কি hptmail ওরা কিন্তু আপনাকে কোথাও দিতেছে না কাউকে, আপনার যে ডাটা সেফ অ্যান্ড সিকুউর থাকতেছে আর কি। তারপর হচ্ছে যে এটাকে আবার লাইসেন্স নিতে হবে, তারপর হচ্ছে যে প্রতি বছরে লাইসেন্স রিনিউ করতে হবে, দেখে রাখতে হবে এটা পড়ার পড়েই আপনার মনে হবে যে না এইগুলা তো ঠিক না। মানে এইটা তাহলে এই নতুন যে ডেভেলপমেন্ট যেটা হবে কি যে এই ধরনের রেস্টিক্টেড আইন করলে আমাদের দেশের যে opportunities আছে এবং এইটা কিন্তু একটা বিজনেস opportunity এইটা কিন্তু not necessarily যে আপনে শুধু সংবাদ মাধ্যম বা সংবাদটা না কিন্তু এর মাধ্যমে কিন্তু যে আপনি প্রতিটা ওয়েবসাইটই কিন্তু আপনার বিগ বিজনেস। আপনি দেখছেন যে, প্রত্যেকটা ওয়েবসাইটের চারিদিকের পাতায় উপর-নিচ, নিউজের মাঝখানে কিন্তু বিজ্ঞাপন আছে। মানে ভরা advertisement। যে কারণে ওরা ফ্রি দিতেছে আপনাকে। মানে যে সব দুই-চারটা ওয়েবসাইট আছে সেখানে কিন্তু আপনাকে পয়সা দিয়া মেম্বার হইয়া তারপরে আপনি দেখতে পারেন। কিন্তু বেশিরভাগ ওয়েবসাইট ফ্রি দেই তার কারণ হচ্ছে কি যে এইটা তারা তাদের ওই ভিডিওটার উপর করে তারা তখন বিজ্ঞাপন চার্জ করে। so সেখান থেকে আপনি income tax রাখেন তার, সেটার কোনো অসুবিধা নাই আমার, না আমি যদি ব্যক্তি হিসেবেও একটা ওয়েবসাইট করি সেই ওয়েবসাইটেও দেখা যায় কি যে প্রচুর লোক বিজ্ঞাপন দিতেছে এবং সেখানে আমি কিছু রোজগার করতেছি সেই হিসেবে আমি ইনকাম ট্যাক্স দিতে বাধ্য, আমার ইনকাম হইলে, সেইগুলা ঠিক আছে, ওই যে ঐ সেন্সে some form of information registration এ কিন্তু আমাদের কোনো objection থাকার কথা না, যে রেজিস্ট্রেশন হছে আর কি, যে জানতেছে যে আর এমনিও জানা যায় আর কি। যে কোনো ওয়েবসাইটে গেলে আপনি ‘হুজ হু’ বলে একটা সাইট আছে, একাধিক সাইট আছে যেখানে গেলে ওরা জানতে পারবে যে এই ওয়েবসাইটটা কার, কে তৈরি করছে, এটা কার নামে রেজিস্টার্ড আছে, এগুলো জানা যায় আর কি। so ঐখান থেকে ইনকাম হইলে আপনি পয়সা নেন এবং সেই ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ করেন কোনো সমস্যা নেই কিন্তু আপনি এইটাকে ওই সংবাদত্রের মতো ওরকম লাইসেন্স নিয়া সাংবাদিক হইতে হইব, তারপরে সাংবাদিক হইতে গেলে যে ধরনের সংবাদ সংগঠনের আপনার লাইসেন্স লাগে এই সমস্ত কিছু এই টাইপের ব্যাপারগুলা আসলে i think it’s not right. এইটা আমি এখনও পর্যন্ত আমার ফাইনাল ঠিক করিনি, আমার ব্যক্তিভাবে বাট এইটা আপনারে আমি পাঠাইলাম আর কি
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা একটা জিনিস আমি একটু বোঝার জন্য আপনারে ফোন করি, কথা বলি একটু, এইটা একটা জিনিস আসছে আমার কাছে গুগোল প্লাস। জাস্টিস গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর, মানে আমাদের এক জাস্টিস গোবিন্দ আর কি, added you to his circles and invited you to join google plus. এই join টা কেমনে করে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই joinটা আপনার করার যদি চান, করেন। কিন্তু আমার সাজেশন হবে যে, এটা করার দরকার নেই আর কি
নিজামুল হক নাসিম : সেটা বুঝি আমি, কিন্তু নিয়মটা কি করার, আমি জানতে চাচ্ছি সেইটা। আমি তো হব না এইটা ঠিক আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি যখনই ওদের ওখানে, ওখানে জায়গা আছে ক্লিক করার, ঐ খানে ক্লিক করলেই কিন্তু আপনি এড হয়ে যাবেন।
নিজামুল হক নাসিম : গুগোল প্লাসে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই যে invited you যে মেসেজটা আসছে সেখানে কোনো একটা আপনি কার্সারটা নিয়ে যান, দেখবেন যে কার্সারটা যেখানে আপনার হাত উঠায়ে দিতেছে সেখানেই আপনি ক্লিক করলে দেখবেন যে ঐটা চলে গেছে এবং আপনাকে তখন join করতে বলবে গুগল প্লাসে। আপনিও তখন join করে নিন। গুগোল প্লাস হচ্ছে almost একটা ফেসবুক-এর মতো একটা গ্রুপ করছে গুগল, ফেসবুককে ডাউন করার জন্য, যে সেখানেও তারা alternative মানে গুগোলের ফেসবুক তারা করছে, সেখানে তারা আপনার প্রত্যেকটা লোক আপনি আপনার গ্রুপকে ডাক দেবেন, মানে ধরেন আপনার একটা ক্লাব আর কি হচ্ছে, যে প্রাইভেট ক্লাব আর কি। মানে আমার যত বন্ধু আছে সেও আপনাকে দেখতে পেতেছে, আপনিও আবার আমার সমস্ত বন্ধু দেখতে পাইতেছেন আবার ঐ বন্ধুর নামে চাপ দিলে আবার ঐ বন্ধুর কোনো বন্ধু আছে সেটাও আপনি দেখতে পাইতেছেন। তো এইটা একদিক থেকে লাভ আছে যে যারা, যেমন ধরেন কি যে আমরা এই যে চেক করি এই যে আমাদের অনেক ছেলেমেয়েতো বিভিন্ন দেশ থেকে আসতেছে তো এই যে শিশির ছেলেটাকে রায়হান যে ফার্স্ট যে খুঁজে পেল আর কি, ঠিক এইভাবেই খুঁজে পাইছে আর কি। সে দেখছে যেটা, তার ফেসবুকে একাউন্ট আছে কিনা, দেখে যে আছে। একাউন্টে তার ফ্রেন্ড কে কে আছে, ফ্রেন্ডলিস্টে সে দেখতেছে যে এইখানে এই কি কি জিনিস আছে তার লিস্ট এর ভিতরে সেখানে দেখা যায় কি যে সাঈদীর সেই সার্টিফিকেট থেকে শুরু করে জামায়াতের রেফারেন্স থেকে শুরু করে এবং it happen to be রায়হান চিনে এমন একজন known জামাতি ছেলে তার গ্রুপে আছে সে আর কি। তখন সে আমাকে এই জিনিস মেসেজ করে দিয়ে দিল যে জিয়া ভাই এইটা কিন্তু এই ছেলে। আমরাও এইভাবে চেক করি আর কি, মানে এটাও টুল একটা চেক করার যে আপনার বন্ধু কারা, যদি দেখা যায় কি যে বন্ধুরা নিরাপদ বন্ধু আর কি তাহলে ধরে নেয়া যেতে পারে নিরাপদ। আর না হলে আমাদের principle টা হচ্ছে এটা কালকে রাতেও একটা বড় কনফারেন্স হইছে সেখানে আমরা বলছি যে, যদি কোনো সন্দেহ থাকে কাউকে আমরা তো আসলে চিনতে পারব না এবং আমাদের কাজের লোকও দরকার, ভলেন্টিয়ারও দরকার কিন্তু আবার আমাদের চেকও করতে হবে এই ভলেন্টিয়ার আসলে কি জিনিস। so একটা উপায় হচ্ছে যে ফেসবুক দিয়ে চেক করা, যে তার বন্ধু কারা আছে। সুতরাং ফেসবুকে যে রকম আমার একটা একাউন্ট আছে সত্যি কিন্তু আমার কিন্তু আসলে ঐখানে আমি i am not an active member. আমার এই জিনিসটা আবার পছন্দ হয় না একটা কারণে, আমার যারা বন্ধু হবে আমি তাকে ফোনও করতে পারব, আমি তারে ইমেইলও করতে পারব, তার সাথে আমি স্কাইপে কথা বলতে পারব কোনো অসুবিধা নাই কিন্তু আমার বন্ধুদের সাথে আবার, এখন আমি আপনার বন্ধুর সাথে আছি এখন আমার সমস্ত বন্ধু কিন্তু আপনার বন্ধ হয়ে গেল এবং সে জানল যে আপনি আমার বন্ধু এবং আপনার ওখানে চাপ দেয়ার সাথে সাথে আবার আপনার বন্ধু কারা কারা সেটাও তারা দেখে ফেলল তারপর আবার সেই বন্ধুর বন্ধু কারা তাও সব দেখা যাচ্ছে। এই কারণেই আমি খুব বেশি comfortable না আসলে। যার সাথে যোগাযোগ করা দরকার তার সাথে ফ্যাক্স, ইমেইল, স্কাইপ কথা বলার দরকার হলে তার সাথে আমি স্কাইপে কথা বললাম কোনো সমস্যা নেই আর কি। কিন্তু আমি ফেসবুকে গিয়ে এখন যেভাবে হইতেছে যে আমি এটা করি, প্রত্যেকদিন ছবি চেঞ্জ করা, প্রত্যেকদিন আমি এইটা করতেছি … আমি তো কিছুই দেখি না, এবং মানুষ ধরেই নেই যেটা যে সব মানুষই ফেসবুকে থাকে কারণ হচ্ছে কি যে তার কোনো দোস্ত কি করতেছে না করতেছে এখানে ভালো কাজ করতেছে সেটাও দেখা যাচ্ছে আবার আকাম করতেছে সেটাও দেখা যাচ্ছে। so কে কাকে ডিভোর্স করতেছে, কে কাকে কি করতেছে না করতেছে, কে কার সাথে এক্সট্রা মেরিটাল করতেছে সবই আসলে ফেসবুকে দিয়ে দিতেছে মানুষ এখন একটা openness এসে গেছে। গুড, কিন্তু আমার এই ধরনের openness-এর আসলে দরকারও নাই, আমার কে কি করতেছে সেটারও জানারও দরকার নাই। যারে দরকার আমি শুধু তার সাথে ডিরেক্ট যোগাযোগটাই আমার পছন্দ। কাজেই এই সাইটগুলা আমি ঐ সে গুগোল প্লাস এবং ফেসবুক আমি really মানে, ফেসবুকে আমি একাউন্ট করে রাখছি এটা সত্যি কথা। কিন্তু এটা জাস্ট শুধুমাত্র inactive একাউন্ট আর কি। ওরা সবাই জানে যে আমারে ফেসবুকে মেসেজ দিয়া কোন লাভ হবে না কারণ আমি এটা দেখি না। যেটা আমারে মেসেজ দিতে গেলে আমারে ইমেইলেই দিতে হইব। আমি এখন ইমেইলটা দেখতেছি constantly যে আমার সাথে কে যোগাযোগ করছে বা কি, আমি উত্তরও দিতেছি যারটাতে আমার ইচ্ছা হইতেছে। মানে ফেসবুকে আপনার গুগলের ভার্সনটা আর কি গুগল প্লাস।
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক আছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে, থ্যাঙ্ক ইউ
নিজামুল হক নাসিম : আজকে রাখি, থ্যাঙ্ক ইউ

এইডার রিপ্লাইডা লেইখা দেলে আমার এ কাজটা

কথোপকথন ১৩ অক্টোবর ২০১২
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালোই ইনশাল্লাহ! আপনাদের খবর টবর কি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : …আজকে তো শনিবার, বৃষ্টি হচ্ছে, এটাই। এছাড়া আর কোনো খবর নাই।
নিজামুল হক নাসিম : বৃষ্টি হচ্ছে, এটাই খবর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু। কোন খবর নাই্ আপনাদের ওখানে কি খবর?
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের এখানে কোনো খবর নাই। কোনো খবর নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু, আজকে তো দেখি… ছোট আইনমন্ত্রী মিজানুর রহমান সাহেবের উপরে, অ্যা.. উপর দিয়া নিছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : একটু ক্ষোভ প্রকাশ করছে আরকি, হা হা হা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ছোট, উনারা মনে হয় বসছেন একসাথে।
নিজামুল হক নাসিম : না, ছোডো আইনমন্ত্রীর কথাবার্তা কইম্মা গেছে এহন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : .. ইয়েস টু সাম এক্সটেম্লট। সেটাই মনে হইতেছে যে, সে আগে যেভাবে বলত…, আবার কোন সময় কী বইলা ফেলায় তার নাই ঠিক।
নিজামুল হক নাসিম : দেখা যাক।
১:৩৭
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাত্রেতো মালুম ভাইয়ের বসার কথা, হইল.. ওই শাহ আলমের সাথে।
নিজামুল হক নাসিম : শুনছিলাম কেডা কেডা যেন বইবে আজকে। শাহ আলম, শাহদীন মালিক আর ড. মিজানুর রহমান।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমাকে যেটা বলছে, শাহদীন মালিকের যেটা উদ্দেশ্য হল যে, প্রফেসার রফিক নিয়ে কথা বলা। এখন মূলত, ওইটা বোধ হয় কোথায়ও থেকে সাজেস্টেট হইছে। বা মিজানুর রহমান করতেছে কিনা কে যানে। এখানে ইয়েরও আসা দরকার, মানে শাহদীন মালিকের।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যা..।
২:১৫
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওইটা বোধ হয় কোথায়ও থেইকা সাজেসটেড হইছে। বা বুদ্ধি কইরা করছে কিনা কে জানে। যে, এখানে শাহদীন মালিকেরও থাকা দরকার। শাহদীন মালিকের। আন্ডার স্ট্যান্ডিং (Understanding)-টা নিয়ে সমস্যা আছে, প্লাস মানে ..।
নিজামুল হক নাসিম : শাহদীন মালিকেরে তো আমার চেয়ে কেউ বেশি চেনে না, ঢাকা শহরের কেউ ট লিস্ট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হি… হি… হি.. হি…. (হাসি)।
নিজামুল হক নাসিম : একেবারে নাইনটি থ্রি (৯৩) থেকে, জজ্ হওয়ার আগে ২০০৯ পর্যন্ত। মধ্যে দুই বছর বাদে এক নাগারে কাজ করছি দু’জনে আমরা।
৩:১
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কারণ এই টাকে আইসিটি কেইস প্রো-একটিভলি ডিফেন্ড করাটার কোনো উদাহরণ উনার কাছ থেকে পাওয়া যায় না। সে সাপোর্ট করে। বাট নট নেসেসারিলি…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ওই পর্যন্তই। উনারে আমরা এমিকাস কিউরি হিসেবে কি জন্য আনবো? এমিকাস কিউরি হিসেবে আনতে গেলে, তখন সার্টেন পয়েন্ট বোঝার জন্য আনতে হইবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমার প্রশ্ন সেটাই। ব্যাস দেটস অল। ইনেশিয়ালি ওয়ারিড ছিলাম আরকি্ এইডা কি ব্যাপার, এইডা উনি কেন বলতে আজকে স্কাইপে আসলে মালুমের সাথে কথা হবে দেখা যাক। যদি তারা তাকে আনার ডিসাইড করে থাকে, বাট আমি মনে করি না যে, হি ইজ দা বেস্ট পারসন। ইনফ্যাক্ট হি ইজ নট। প্রফেসর রফিকের বিষয়টিও আমাদের হিসাব করতে হবে, দেখতে হবে। আগে আমরা একটা এমিকাস ব্রিফ চাইব আমরা, যদি এট অল ডিসাইড করে। তাদের কাছ থেকে একটা লিখিত ব্রিফ আপনি চাইবেন আরকি। এটা নিয়মই আছে লিখিত ব্রিফ চাওয়া।
নিজামুল হক নাসিম : না সেতো বটেই। আমিতো বলবোই। যদি আনি, আপনারা যা বলছেন সব ডিটেইল দিয়া যাইবেন।
৩:৫৫
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, না, বলার আগেই দিতে হবে। কারণ, বলার সময় ঐখানে দাঁড়াইয়া আবার তারা ওখানে উলটা-পাল্টা বইলা ফেলাইলে বিপদ আছে আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : হেইয়াতো মানতে আমরা বাধ্য নাতো। এমিকাস কিউরির বক্তব্য জজ সাহেবরা তো মানতে বাধ্য না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানতে বাধ্য না, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু ওইটা তো রেফারেবল হয়ে যাচ্ছে, তাই না? মানতে তো বাধ্য না-ই। কিন্তু আরো একটা জিনিসকে ইয়ে করতে হইতেছে, মানে এইটা ইন কেইস যদি রিকুইট করা লাগে, তখন কিছু করতে হইতেছে। বা না একসেপ্ট করা লাগে, তখন না একসেপ্ট করা লাগবে। কাজে এটা ওইখানে যদি এমন কিছু কথা আসে, যেটা তারা নিজেদের ওই…বেলেন্স করার জন্য…। প্রবলেম হইতেছে যে, বাংলাদেশে সবাই তো আসলে যখন বক্তব্য দেয় এখন, ঠিক কারেক্ট কোনটা সেইটা দেয় না। তারা হচ্ছে যে, মানে যেইডা তারা মনে করে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে, যেইটা মানে-একটা হয় বেলেন্স করে। অথবা তারা মানে…অনেক বিবেচনা করে বক্তব্যগুলো দেয়। এই বিবেচনা গুলা থাকলেই বিপদ, বিপদ আরকি। সেটা আমি দুই পক্ষকে একটু ব্যালেন্স কইরা দিলাম আরকি। কারণ, রায়হান ওয়ার্নস যে, আপনার ট্রাইব্যুনাল যেভাবেই হোক একজনকে যদি এমিকাস কিউরি হিসেবে বলতে দেন, তাহলে ওরা তখন আবার বলবে যে আমাদেরও লোক নিয়ে আসতে দেন।
নিজামুল হক নাসিম : কাদের লোক-টোক ব্যাপার না। আমি যাকে প্রয়োজন মনে করবো সেডা নেব। এডা কাদের আর ফাদের কোনো লোক নাই। আচ্ছা আপনাকে একটা জিনিস একটু আলাপ করি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : করেন।
নিজামুল হক নাসিম : আমি আজকে আমাদের চার্জের অর্ডারটা পড়তেছিলাম, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর। ওখানে আমরা কিছু বলছি না যে, প্রয়োজনে পরে এইডা আমরা ডিসাইড করবো। আপনার কাছে চার্জের কপি তো আছে, আছে..?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু.., আছে, আছে।
নিজামুল হক নাসিম : থাকতেই হবে, থাকতেই হবে। তো, এই জিনিসগুলোর রিপলাইডা আপনি যদি একটু ইয়ে করে দেন আমাকে। তাইলে আমি জাজমেন্টের জন্য একটু রেডি হইতে পারি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা আপনি ধরে থাকেন, আপনি একটু হোল্ড করেন, আমি একটু চেক করে নেই আসলে আপনি কোনটার কথা বলছেন। আমার দুই মিনিট লাগবে। আমি অর্ডারটা নিয়ে নিচ্ছি। আমি এইডা বোধহয় বলেছিলাম ইন্টারন্যশনাল ল’এর কনটেক্সট থেকে
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ ঠিক আছে, আপনি যান কাগজ আনেন, আমি দিমুয়েনে আপনারে…, আই উইল গিভ ইউ দ্য লাইন ইভেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দাঁড়ান, আমি এটা দেখতিছি। কারণ এটা আমি আলাদাভাবে এক্সটার্নাল ড্রাইভে রাখছি। আমার কম্পিউটারের ভিতরে কিছুই নাই। ডেফিনেটলি, যেটা যেটা লাগবে আপনার, আপনি ডেফিনেটলি বলবেন। … ড্রাফ্ট চার্জ, ফরমাল চার্জ…। এই যে, পাইছি অর্ডার অফ চার্জ, ওডার নাম্বর টুয়েনটি থ্রি। এই যে অর্ডারটা পাইছি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা অর্ডারটা আমি আপনারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি কত পাতা চাচ্ছেন, বলতে পারবেন?
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, আট নাম্বার পাতা দেখেন-আট। আট থেকেই শুরু। প্রথম হলো ডেফিনেশন অফ ক্রাইমস। নিচে দিয়া সেকেন্ড প্যারা। ডেফিনেশন ক্রাইমস-এ বলছি যে, আমাদের অ্যাক্ট-এ ক্রাইমস আর ওয়েল ডিফাইনড, কোয়াইট ক্লিয়ার। তারপরে লাস্টে যাইয়া বলছি, হাউ ইভার দ্য ট্রাইবুনাল মে টেইক ইনটু একাউন্ট জুরিসপ্রুডেন্সিয়াল ডেভেলপমেন্ট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাইট, রাইট, রাইট।
নিজামুল হক নাসিম : ফ্রম আদার ডিকশনস সুড ইট বি সো রিকুয়েয়ার্ড ইন ইন্টারেস্ট অফ জাসটিস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাইট।
নিজামুল হক নাসিম : এইটার একটা উত্তর এহন দেয়া লাগবে জাজমেন্টে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই মুহূর্তে উত্তর…! হ্যাঁ, জাজমেন্টে দিতে হবে এটা সত্যি কথা।
নিজামুল হক নাসিম : জাজমেন্টের কাজতো শুরু করছি আমি, অন্য কাজ ফেলাইয়া টাইপ শুরু করছি আমি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি ওই জায়গাটাকে, আপনি করেন কি যে… এই জায়গাটিতে একটু গ্যাপ রাখেন, কারণ এখনও লিগ্যাল আর্গুমেন্ট কিন্তু তারা প্লেইস করে নাই।
নিজামুল হক নাসিম : না.., তা যা হউক, আমি আমার জাজমেন্টের জন্য, আমি নিজে পৃপারেশন-এ যাচ্ছি আরকি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এইখানে আমরা, এইটা যখন এখানে যেটা হচ্ছে… সেটার অর্থটা হচ্ছে মূলত দুইটা। একটা হচ্ছে যে, ক্রাইম এগেইনস্ট হিউমেনিটিতে যদি তাকে চার্জ করতে হয়, এবং ক্রাইমস এগেইনিস্ট হিউমেনিটিটা আসলে বেসিক্যালি যে জিনিসটা ডেভেলাপ করেছে জুরিসপ্রুডেন্সএ, এই যে সো কলড ওয়াইড স্পেড এন্ড সিসটেমেটিক।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, হ্যাঁ…ইয়েস…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটাকে আমরা ঠিক ওইভাবে অ্যাক্সসেপ্ট করবো না্ কিন্তু আপনি দেখবেন যে, প্রসিকিউশন ওইটাই সাবমিট করতেছে। Which is that যে, তারা বলবে যে, বাংলাদেশে ৭১-এ যে ক্রাইমগুলো হয়েছে অর্থাত্ এই যে ক্রাইম, যেগুলা আমি দেখাইয়া দিছি, এগুলো আসলে পুরো দেশে ব্যাপকভাবে হইছে এবং সিসমেটিকভাবে হইছে। সো ওই এলিমেন্টটা শুধু উনাদের রেফারেন্সটা দিয়ে এইটাকে নট নেসেসারিলি এজ এ কনডিশন ওফ দা ক্রাইম, অর এজ পার্ট ওফ দা, মানে ডেফিনেশন অফ দা ক্রাইমের পার্ট না নিয়ে এসেও..।
নিজামুল হক নাসিম : পার্ট না হলেও এভিনিউ এটা অ্যাস্টাবলিশ করেছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাইট।
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক না? আমি এইটাই বলছি, এই Language-টা এইখানে এই একটা। আমি আপনারে বলে দিই, আপনি কি নোট নেবেন একটু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এক মিনিট দাঁড়ান।
নিজামুল হক নাসিম : এইডা আপনি সময় পেয়ে যাবেন। যদি সময় করে এইডার রিপ্লাইডা লেইখা দেলে আমার একাজটা এরপর আর ইনশাল্লাহ লাগবে না কোন-কোন ব্যাপারে। এইটার ব্যাপারে একটু লাগবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ ঠিক আছে। এই এটা আমাদেরও চিন্তায় যেটা আছে, সেটা হইল যে, আপনার যারা ওই যে ও স্ট্যাটমেন্ট-এর ফেকট টেকটস যা হচ্ছে, সেগুলো আপনারা হ্যান্ড্যাল করবেন। এরপরই এখানে যেটা লাগবে, সেখানে পরে ফাইনেলি আমি ঠিক করে দেব। এটা হচ্ছে, আদার জুরিসপ্রুডেন্স যেটার কথা আছে। আর এইটা এটা আরেকটু দিতে হবে। যদি দেখা যায় যে, তারা কোনো জুসিপ্রুডেন্স রেফার করে,—সেইটা আপনাকে কিন্তু আমাদের সাথে আলোচনা করতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম : হে যাক, হে ঠিক আছে। আলোচনা করা যাবে অসুবিধা নাই। সেটা পরের কথা, কেননা রেফার করবে তার পরে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ইয়েস, যদি রেফার করে তারা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, সেডা পরের কথা। ঠিক আছে। আচ্ছা নেক্সট আরেকটা দেখেন পরের প্যারা ‘ইন রিগার্ড টু সেশনস আপ টু দি ক্রাইম গেইন্ট হিউমেনিটি. এন্ড টু নেক্সাস টু আনকনফ্লিক্ট’, ওইখানে যে লাস্টে বলছেন হাউ এভার দি ট্রাইব্যুনাল মে টেইক ইন টু একাউন্ট রিফরমেটিভ ইট নরমেটিভ ডেভোলপমেন্টস সুড ইট ফিল সো রিকয়ার্ড ইন ইন্টারন্যাশনাল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এক্সেক্টলি। এইটা ঠিক, এই একই জিনিস। এইটা হলো আরেক রকম ওই একই কথা…।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, এইটারও আপনি একটা রিপ্লাই লেইখা দিবেন। তারপর পর চলে, যাই হোক আমরা আল লাগে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, এই যে, নরমেটিভ ডেভোলপমেন্টস এর মানে হচ্ছে যে, আসলে এগুলাতো কোন জায়গাতে ছিলন, যেমন আপনি দেখছেন যে বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালে, কোন জায়গাতেই কিন্তু ক্রাইম এগেইনিস্ট, সরি ক্রাইম এগেইনিস্ট হিউমেনিটিতে ওয়াইড স্প্রেড সিসটেমেটিক কিন্তু ছিল না। কিন্তু আস্তে আস্তে এটা ডেভলপ করছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অর্থাত্ এটাকে ইট বিকাম পার্ট অফ দা ডেফিনেশন ওভার কনসেপ্ট অফ ক্রাইম এগেইনস্ট হিউনিটি। এই যে ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে, তার মানে হচ্ছে এখানে যে ফর্মটা ডেভলপ করেছে নতুন, সেটাও যদি আমরা প্রয়োজন মনে করি, তখন দেখবেন আরকি। এটাই হলো সেইটার ব্যাখ্যাটা এবং ঘুরেফিরে আমাদের টার্গেট হচ্ছে এবং এই জিনিসটাই বুঝানোর চেষ্টা করছিলাম আমি যে, আমরা আসলে ক্রাইম এগেইনস্ট হিউমেনিটিতে এখানে, আমাকে অ্যাক্টটাকে চেইনজ করে দিয়ে করার দরকার নাই। কারণ, আমাদের দেশে যেটা হয়েছে আপনি যখন হিস্ট্রিটা লিখবেন তার আগে, তখন কিন্তু এর ভিতরে যে বিবরণটা থাকছে, সে বিরবরণে থকতেই হবে যে, অপরাধ পুরা দেশটাতে হয়েছে এবং এই অপরাধ গুলিকে সুপরিকল্পিতভাবে বা পরিকল্পিতভাবে অপরাধগুলো করা হয়েছে।
নিজামুল হক নাসিম : ইয়েস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো…, তো এইটা হলেই তো আপনার ওই দুটো যে রিকুয়্যার, ওরা যে লাফায়, যে সংজ্ঞার মধ্যে থাকতে হবে, এ দু’টো থেকে ব্যাখ্যা এসে যায়। তো, আপনাকে ডেফিনেশন চেইঞ্জ করাটার কোনোই প্রয়োজন নাই এই কারণে।
নিজামুল হক নাসিম : না… না… না…, এটা করমুই না। এটা করার কোনো কারণও নাই, করবও না। কিন্তু ঐইটা যেইটা আপনি বলছেন, সেইটাতো জাজমেন্টে আসবে। সেইটার একটা এক্সপ্লানেশনতো দেতে হবে আমাকে…। আমি বলতেছি সেইটাই আমরে লেইখা পাঠান, এই কথাডা বলছি আপনারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। ঠিক আছে। এটা নো প্রবলেম, তো আমরা দেখতে চাই আসলে, কারণ এইক্ষেত্রেও বড় সাহেবের ক্ষেত্রেও আমরা ওয়েট করতেছি। যে, তারা কোনো আরগুমেন্টা দেয়, কোনো ডকুমেন্টগুলা সাবমিট করে বা কারও উপরে রিলাই করে।
নিজামুল হক নাসিম : আমি আপনারে একটু বলে নেই। যে, আমাদের তো প্লান হলো যে, গোলাম আজমরে ফাস্টে জাজমেন্ট দেয়ার। কিন্তু আমার মনে হয় ২ নম্বর ট্রাইব্যুনাল তা শুনবে না। ওরা যেভাবে কাদের মোল্লা নিয়ে আগাচ্ছে তাতে হয়তো আমাকে ফার্স্ট থাকতে হইলে সাঈদী দিয়েই ওপেন করতে হইবে। কারণ সাঈদী প্রায় শেষ। সাঈদী আপনার ঈদের আগে সাক্ষী শেষ হয়ে যাবে। ঈদের পরে আগ্যুমেন্ট এরপর ফিনিশ….।
আমি সাঈদী নিয়া স্টার্ট করলেও আমি এই সব পয়েন্ট কিছু নিয়ে আসব। এরপর গোলাম আজম-এর সময় যাইয়া আরও ডেফিনেশন বাড়বে। পরে আরও জাজমেন্ট ইউল বি ডিসাইডেড দেয়ার…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেন, ওইটাতো… ঐ কেইসের নেচারটাইতো আলাদা। ওই কেইসটা হবে পিউর কনস্ট্রাকটিভ কেইস একটা। আপনার সংজ্ঞাগুলোকে তার তো সরাসরি ইনভলমেন্টের পরিমাণ কম থাকতেছে তো, কিন্তু এই তাঁর সাথে তার যে দায়দায়িত্বের…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, তাই আমি মনে করি, সাঈদী আগে থাকলেও আমার লস নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, বুঝছি।
নিজামুল হক নাসিম : ওদের আগে আমার হতে হবে নইলে বিপদ আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না… না… না… সেটাতো বটেই, ওরে বাপরে বাপ…।
নিজামুল হক নাসিম : কিন্তু তারা খুব স্পিডে আগাচ্ছে এবং আমার গোপন খবর হইলো শাহীনুরকে বলা হইছে জাজমেন্ট রেডি করার জন্য। এবং হি ইজ ট্রাইং টু রাইট। তারা একটা চ্যালেঞ্জের মধ্যে মনে মনে আছে যে, তারা আমার আগে জাজমেন্ট দেবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না, এইটা তো আমরা জানি, এইটা তো আন হেলদি একটা কমপিটিশনে তারা ঢুকছে এবং এই জিনিসটাই আমরা রিপিটেডলি বলছিলাম। দুইটা ট্রাইব্যুনাল করলে এই ধরনের একটা পরিস্থিতি হবে। এটা তো আমাদের কথা ভদ্রলোক শুনলই না একেবারে…।
নিজামুল হক নাসিম : এহন তিন নম্বর করবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এখন তিন নম্বর করবে। তিন নম্বর কইরা কি নাইট শিফট চালু করবে নাকি! না অন্য কোথাও…।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা… হা… (হাসি), জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : নাকি, মন্ত্রীর বাড়ি খালি কইরা চালু করবে কে জানে? নাকি, প্রসিকিউটারদের বাইর কইরা দিবে, আমি সেটাই চিন্তায় আছি আসলে। ঐ যে এনেক্স বিলডিংটা। যেটা প্রসিকিউটাররা বসে সেইখানে কয় যে, ওইখানে বসার দরকার নাই। ওই জায়গাটা কোর্ট রুম কইরা দেই। কারণ, ওইখানে রুম বড় আছে। বরং এর চাইতে বড়ই রুম। বড় ইয়ে হবে কোর্ট রুম হবে।
এইটা ঠিক আছে, এইটা একটা ব্যাখ্যা দিতে হবে। এখানে আমরা একটা, সাজেস্টেড একটা ইয়ে দিব আর কি তাইলে। কারণ, এই ডোরটা আমরা ওপেন রাখছি ঠিকই ডেলিবারিটালি এই উদ্দেশ্যে, যদি দরকার হয় তাইলে, মানে এইডাকে আপনারা মানে এইডাকে ব্যবহার করা যাবে এবং আমাদের এপ্রোচও সেইটাই হওয়া উচিত এবং আমি মনে করি এইটা রাইট এপ্রোচ। যে কোনো ডোমেস্টিক ট্রাইব্যুনালের ফার্স্ট উদ্দেশ্য হচ্ছে না যে, ইন্টারনেশনাল এক্সজ্যাম্পল গুলাকে রেফার করে ফেলা এট দ্য ফার্স্ট অপরচুনিটিতে? দ্য আনসার ইজ নো, তাই না। যেখানে দরকার পড়বে কেবল মাত্র টু দ্যটি এক্সটেম্লট হয়ত বা সেখান থেকে তারা ইন্সপিরেশন নিতে পারে এবং তার পরেও, সেটা নিলেও, সেটাকে একটা নিজের মতো করে নিতে হবে।
আচ্ছা এই খবর? না! আবার চিন্তার খবর আরকি। মানে, এইটা মন্ত্রী অন্য কারও কথা শুনতেছে বইলা মনে হইতেছে না। কেউ কথা বলতেছে কিনা সেটা আমি জানি না, দেখি সেটা আমি আজকে চেক করব।
নিজামুল হক নাসিম : না, তা আমি জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এডা আমি আজকে চেক করব। ইন এ সেন্স আপনার তো রেডি হতেই হবে। কারণ, এই কেইসটা অনেক দূর এগিয়ে আসছে, তাই না? আর তাদের মাত্র কয়েকটা মোটে সাক্ষী। দুই-চারটা কয়টা দেয় কে জানে?
নিজামুল হক নাসিম : আটটা হবে আটটা। নেক্সট উইকে শেষ করে দিব ইনশাল্লাহ্।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন হয় তারা আনবে সাক্ষী, অথবা সাক্ষী হয়ে যাবে। আর সাক্ষীগুলো দ্রুতই হচ্ছে। তবে এইটা একটা টেস্ট কেসই হইতে পারে এক সেন্সে যে, এক হলো—এটা আগে শুরু হইছে। দ্বিতীয় হইল যে, কি পরিমাণ সময় লাগে আপনাদের এই রাইটিং এক্সারসাইজটাতে। মানে কত আগে থেকে ডেইট-টেইট। ওই দিনে, যে দিন অর্ডার দেয়া হবে সেদিন ইয়েও দিয়ে দিতে হবে। মানে অর্ডার শিটও দিতে হবে, তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : এ আরেকডা ফাইজলামি আইন করছে, এইডা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই জন্যই তো জানতে চাইতেছিলাম আমি। এখনও পর্যন্ত কেউই বলতে পারল না যে, আসলে এইটা কার বুদ্ধিতে করা কারণ এইটা তো আপনাদের সাথে কথা বলে নাই?
নিজামুল হক নাসিম : আমি একটু চিন্তা করতেছি। দেহি, কাইল-পরশু আইনমন্ত্রীর ধারে যাই আনোয়াররে নিয়া। গেলে আমি জিগামু।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। কারণ, এইটা আপনারে বলা ঠিক হবে কিনা। এইটা আমি যখন যাব তখন সুযোগ বুইঝা…। আমার ইচ্ছা নাই যদিও তারপরেও দেখা করতে পারব আর কি। দেখা কইরা বলে দিব যে আপনারা…।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা, আপনি আসতেছেন কবে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি আসতেছি হচ্ছে, ২২ তারিখ পৌঁছাব, হুইচ ইজ…।
নিজামুল হক নাসিম : ২২ তারিখ থাইকা আছেন ক’দিন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি আছি হলো ১২ তারিখ পর্যন্ত।
নিজামুল হক নাসিম : লম্বা সময় আছেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, কিন্তু আমি আসলে ঢাকার বাইরে থাকব বড় একটা সময় আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হেতো বুঝি আমি, সেডা জানি আমি। যদি আমাদের যাওয়া পরে তাহলে আপনারে ঢাকায় রাইখা আমরা চলে যাব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : নো, অলমোস্ট আমরা একই দিনে ফ্লাই করতে পারি বলা যায়।
নিজামুল হক নাসিম : একই দিনে ফ্লাই করতে পারলে ভালো হয়, যাউক দেখা যাবে সেডা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনারা যদি টার্কিসে ফ্লাই করেন, তাইলেতো আমি টার্কিসেই যাইতেছি।
নিজামুল হক নাসিম : আমারতো টার্কিস খুব পছন্দ হইছে এডা ঠিকই। এহন ফ্রেঞ্চ এমব্যাসী তো ফ্রেন্চ এর ব্যাপার, হেরা কি করবে না করবে কেডা জানে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, তারা কি করে, দ্যাট আই ডোন্ট নো। টার্কিসে দিবে না তারা, যেটাতেই দেক এইটা তাদের ব্যাপার, অসুবিধা নাই।
নিজামুল হক নাসিম : এই সময়তো আপনার ঢাকায় থাকা পড়বে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ ঢাকাতে। ঢাকা থেইকা আমি ধরেন ঈদের… ২৮ তারিখে আমি ঢাকা ছারতেছি। ইনফ্যক্ট আমার ২৮ তারিখে। যাওয়ার কথা ছিল ঈদের পরেই। এখন আমি ২৮ তারিখের রাত পর্যন্ত আমি ঢাকায় থাকব-এক। আর হলো যে, ওখানে ৫ তারিখের পর থাইকা ঢাকায় থাকব।
নিজামুল হক নাসিম : ৫-এর পর।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ৫ থেকে ১২।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর ঐ ২২ থেকে ২৮।
নিজামুল হক নাসিম : আমাদের তো ১২-এর আগেই পড়বে যাওয়া। আমার তো মনে হয় টেনথ নাইট পড়বে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ প্রবাবলি ৯-১০ এর ভেতরে যেতে হবে।
নিজামুল হক নাসিম : ১০ই যেতে হবে, ১১ তে পৌঁছাইয়া ওখানে আরকি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : টারকিতে, টারকিতে গেলে আপনার ওই দিনেই পৌঁছাইতেছে।
নিজামুল হক নাসিম : দিনে গেলে ওই দিন রাত্রিবেলা। আর রাত্রিতে গেলে পরেরদিন ভোরবেলা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ সেইটা। বাট আমরা যদি দিনেই যাব ৭টার সময়, ওদের একটা ফ্লাইট আছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি ওই ফ্লাইটেই যাইতেছি। আমি যখন ব্রাসেলসে পৌঁছাব তখন বিকাল ৫টা। তার মানে ঢাকা সময় সকাল ৭ তে ফ্লাইট এবং ব্রাসেলস টাইম বিকাল ৫টায় পৌঁছাচ্ছে। সো এইটা আমার জন্য…।
নিজামুল হক নাসিম : ইসতামবুল পর্যন্ত একই, তারপরে ভিন্ন আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারপরে যেটা যার দিকে, যার-যার রাস্তায় চইলা গেল। এইটা আপনারা বইলেন, আপনাদের পক্ষে বোধহয় বলা কি সম্ভব হবে? না উচিত হবে কিনা সেটা দেখেন।
নিজামুল হক নাসিম : না…না…না হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না এটা হবে ন। আমরা পাবলিকরা বলা উচিত। আপনার কাছে কি কোনো তথ্য আছে? বা এইটা এই যে, এই ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি কি বোধ হয় ডিরেক্টর-পিরেক্টর এই টাইপের পজিশন তৈরি করতেছে।
নিজামুল হক নাসিম : এইডা মালুম বলল আমারে, আমি জানি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারা কিন্তু সাম ফর্মে এই জিনিসটাকে পারমানেন্ট স্ট্রাকচার দেয়ার চিন্তা করতেছে। তারা ১৮টা জেলাতে…এটাতো তাদের পাবলিক স্টেইটমেন্টেই আছে। যে, আঠারটা জেলায় তাদের অফিস লাগবে।
নিজামুল হক নাসিম : কইছে, হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো, তাদের কি ধারণা আছে যে, হোল প্রসেসটা একটা এডহক প্রসেস আসলে? যে বিচারটা হয়ে গেলেই এইটা, এই প্রসেস মানে বন্ধ।
নিজামুল হক নাসিম : না। বিচার যদি হয় মানে… দাবি তো আছে যে মিনিমাম এক থেকে দেড় হাজার লোকের বিচার করতে হইবে। ৫০০ তো মামলাই হইয়া গেছে। তাতে তো সময় লাগবে এইডা ঠিকই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইগুলা যদি, ছোট ছোট মানুষদের ধরা শুরু করে না…, তাহলে এই ট্রাইব্যুনালের আপনার ট্রাইব্যুনালটা! মানে আপনার এই ট্রাইব্যুনালের যে ইমপ্যাক্ট এবং হিসটোরিক ইমপ্যাক্টটা, সেই ইমপ্যাক্টটা থাকবে না। এই ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে যে, বিচার হীনতার পরিবেশটাকে শেষ করা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সেটা মোর সিমবোলিক র্যাদার দেন মানে…, আপনার নাম চাইলে তো ১ লাখতো রাজাকারই ছিল আরকি, সারা দেশব্যাপী।
নিজামুল হক নাসিম : তা না, কিন্তু ৫০০ এর মতো তো মামলাই হইছে ঠিকই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মামলা তো হবেই। মানুষকে যেভাবে এনকারেজ করা হইছে, মানুষ সেভাবে দিয়েছে। সেই মামলাগুলোকে একটু অন্যভাবে ডিল করা। মানে এই ট্রাইব্যুনালের যে ডিগনিটিটা, এই ট্রাইব্যুনালের মানে ওজনটা এবং ইমপ্যাক্টটা, লোকাল, দেশীয় এবং বিদেশি-টোটাল যে ইমপ্যাক্টটা ট্রাইব্যুনালের এবং ট্রাইনাল থাইকা একটা অর্ডার হওয়ার মানেই হলো যে গুরুত্বটা। তাদের দিয়ে যদি অখ্যাত ছোট-খাটো জায়গায় একটা লোক একটা রাজাকারকে যদি ধইরা আনা হয়, তখন কিন্তু এটা এর সাথে যায় না। যে কারণে পৃথিবীতে যত বড় বড় ট্রাইব্যুনালেই হইছে, লোকগুলো তো তারা লিডারশিপদের ধরছে। এটা আমাদের ও সাবমিশন হবে সেটা হলো যে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে লিডারশিপের দিকে নজর দেয়া। যারা ইনডিভিজুয়েল উইথ হাইয়েস্ট রেসপনসিবিলিটি। যারা না হইলে আসলে এইসব ছোট-খাটো লোকেরা তৈরি হইত না। ইয়েস, কেইস হইছে সেইটা ঠিক আছে। কিন্তু এরা প্রত্যেকেই কিন্তু কিছু কিছু, কয়েকটা লোক না থাকলে তারা যদি এই ধরনের একটিভিটিতে জড়িত না হইত, তাহলে কিন্তু এই অপরাধগুলা হয় না।
কালকেও উনাদের যে ডিসকাশেনটা হইছে যে, ডিফেন্সের আরগুমেন্টের যে পজিশন, যে তারা আসলেই তারা নাকি এখনও পর্যন্ত ডকুমেন্টের উপরে কোনো ইয়ে করতেছে না। মানে ক্রস করতেছে না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বড়ডার ক্ষেত্রে এবং এক পর্যায়ে তাদের করতেই হবে না হয় এটা অ্যাকসেপটেড হয়ে যাবে এজ ইট ইজ এজ ইনট্রডিউস অথবা তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। বাট এইটা তো চ্যালেঞ্জ করার কিছু নাইও আসলে। কারণ এটা তো ইনভেস্টিগেশনের কোন কিছু…। ইনভেস্টিগেটার শুধু আদার দেন কীভাবে নিছে, কবে নিচ্ছে কার মাধ্যমে নিছে এইগুলা ছাড়া এই বেসিক জিনিসগুলা ছাড়া তারা তো ডকুমেন্ট সম্পর্কে ইনভেস্টিগেটদেরও কিছু বলার নাই। সে শুধু কালেক্ট করছে…।
নিজামুল হক নাসিম : না। এই প্রশ্ন করবে যে, আপনি পত্রিকা অফিসে ভেরিফাই করছেন কিনা, এই লেখাটা সত্য, না মিথ্যা? কইবে করি নাই, এইতো শেষ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওয়েল্ সে এটা করে নাই, এটা মানে পত্রিকায় যেটা বেরিয়েছে সেটা পত্রিকা অফিসে গিয়ে ভেরিফাই করার কোনো কারণ নাই। বাট এনি ওয়ে সে উত্তর দিবে।
নিজামুল হক নাসিম : হেতো পরের কথা। সে বলবে ভেরিফাই করি নাই। ব্যাস, হে.. হে.. হে..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হি সিমস টুবি সার্মট গাই সো ফার। আপনার দেশের যে কি অবস্থা আসলে। বাংলা নিউজ একটা রিপোর্ট করতেছে দেইখেন, হাতিয়ার আবহাওয়া অফিসে যন্ত্র আছে, মানুষ নেই। চৌদ্দজন লোক থাকার কথা ছিল। চারজন আছে। ১৭টা যন্ত্র আছে আবহাওয়া মাপার জন্য, ৪টা নষ্ট এবং বেশিরভাগই ব্যবহার করা যায় না। কারণ এগুলো চালানোর মতো লোক নেই। বিদ্যুত্ নাই। যে কারণে কম্পিউটারেও চলে না। এই যে হঠাত্ কইরা যে একটা ঘূর্ণিঝড়ে যে এতগুলো লোক মারা গেল…।
ওরে বাবা, সেদিন বুধবারে বাতাসের কিলোমিটার ছিল, মানে গতি ছিল ২৭২ কিলো, এটা একেবারে বুলেট ট্রেইনের চাইতে বেশি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মাই গড! ডেমরাতে একবার ঝড় হইছিল সেই সময়কার মানে সিপ্ড বাতাসের!
চাকরি দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারের যে ঢিলামি এবং মানে কি জানি কি চাকরিটা মানুষকে কখনোই এমপ্লয় করতে দেয় না। তাতেও ইন্টারেস্ট জড়িত এটার সাথে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ফোন আসছে।
নিজামুল হক নাসিম : এক সেকেন্ড জাস্ট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : (ফোন রিসিভ করে…কী বাবু? তোমাদেরটা? হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ, সব ঠিক আছে হয়ে যাবে) জী বলেন… (এখানে উল্লেখ্য, পরের দিন বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস বাবু স্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ পান)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সাঈদীর, ও খবর আছে। দেখা যায় বোর্ডের লোকদের ডাকছে পার্লামেন্টে।
নিজামুল হক নাসিম : হুম…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সাঈদীর যে নাম আর বয়স পাল্টানোর…।
নিজামুল হক নাসিম : ইয়েস, ইয়েস, ইয়েস দেখছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বোর্ডের তদন্তে ডাকছে। হয় না আমাদের দেশে এমন কিছু নাইরে ভাই! এমন প্রিটেম্লট করবে যে, ভদ্র লোক সব…। থ্যাঙ্কস টু মিডিয়া যে আমরা কিছু কিছু জানতে পারতেছি। আপনার জন্য কিছু আনতে হবে? নাসিম ভাই?
নিজামুল হক নাসিম : কি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনাদের জন্য দরকার আছে এই এই সব অঞ্চল থেকে।
নিজামুল হক নাসিম : না কিছু দরকার নাই, ওহানে কিছু নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা…. হা….(হাসি)।
নিজামুল হক নাসিম : হা… হা.. হা… হা….(হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এহন দেখি বাংলাদেশে এত কিছু পাওয়া যায়। অনেক কিছু পাওয়া যায়। আগে কিন্তু অনেক রিকুয়েস্ট থাকত…।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ,
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন একদম কেউ বলে কিছুই লাগবে না, কারণ মোটামুটি সব জিনিসই এবং একই কোয়ালিটির এভরিথিংস পাওয়া যায়। ইভেন আরও বেটার পাওয়া যায়। কী…অ্যাপার্টমেন্টের পার্টিশন কি এত ঝামেলার জিনিস নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : কি…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে পারভীনদের…। ওরাতো ওদের ধানমন্ডির বাড়ি যে ডেভলোপাররে দিছে এবং তারপর নিজেরা-ভাইবোনেরা নিতেছে, ডেভলোপারে যা দিয়েছে…।
নিজামুল হক নাসিম :হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো সেইটা এখনও পর্যন্ত তো তারা ইয়ে করে নাই আরকি। ভাগ করে নাই আরকি।
১৭ সেপ্টেম্বরের কথোপকথন পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা হলো।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যালো…।
নিজামুল হক নাসিম : কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি, আছি। আপনি কেমন আছেন?
নিজামুল হক নাসিম : আছি ভালই, কালকে একটা বিয়েই গেছিলাম। সেই জন্যে কথা কওয়া যায় নায়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না সেটা বুঝছি, আর কি। নিশ্চয়ই আপনি যে বাইরে কোথাও গেছেন বা কিছু একটা হইছে এতটুকু আরকি। এমনি ভালো আছেন আর।
নিজামুল হক নাসিম : ইনশাল্লাহ ভালোই আছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে…ই
নিজামুল হক নাসিম : সব দেখলাম অনলাইনের কাগজপত্র পাঠাইছেন আপনে, সব পড়লাম।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও, আচ্ছা এক সেকেন্ড দাঁড়ান, আমাদের লাইট একটা নষ্ট হইছে এটার জন্য একটারে ডাকছি, একটা লোকরে। সে আসছে, কয়েক মিনিট লাগবে, সেটা ঠিক করতে।
নিজামুল হক নাসিম : জি…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জিনিস না জানলে যা হয় আর কি হি: হি:।
নিজামুল হক নাসিম : আপনার কাজ হইছে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হইছে, এত ছোট কাজ যে এটা, এখন বললেই মানে এটা হাসাহাসির ব্যাপার হয়ে যাবে আর কি। এই যে সিলিং বাল্প আছে না, তো আমাদের গ্যারেজের উপরে দুইটা সিলিং বাল্প আছে, একটা খারাপ হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো আমি যেহেতু একটু লন্ডনে যাবো আবার বাংলাদেশে যাবো এই জন্যে বলতেছি যে দুইটা বাল্বের ভিতরে একটা বাল্ব খারাপ…। কেমন আছেন বলেন আর।
নিজামুল হক নাসিম : আছি আর কি…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জাজমেনটা দেখলেন নাকি-আপনে?
নিজামুল হক নাসিম : না, জাজমেন্টটা তো আমি দেখি নাই। ওটা দেখার ইচ্চ্ছাও আমার নেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জাজমেন্টটা আপনাকে পাঠাই দিতে পারি। কিন্তু আপনি তো এই এই ওনারা এতো পণ্ডিতি করছে একটা, মানে এখানে-ই মেজাজটা গরম হয়।
নিজামুল হক নাসিম : না দরকার নাই। ওটা রিপোর্টে পামু আমরা। ক’দিন পর বাইর হইবে। এর প্রতি আমার এত ইন্টারেস্ট নাই। ইয়ের প্রতি জাজমেন্টের প্রতি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওনারা এত বড় একটা জাজমেন্ট দিছে। ঠিক আছে, ৩২০-৩০ পাতার মতো বাংলায় লিখছে। এটা সাথে সাথে রাতের বেলায় কালকে ১০টা সময় নেটে দিয়া দিছে, সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে দিছে। খুবই ভালো কথা। কিন্তু বাংলাটা কেউ পড়তে পারতেছে না। কারণ বাংলাটা এমন ফরমেটে লেখা হইছে যেটাকে ইউনিকোড ফরমেট না। অর্থাত্ আপনি ইন্টারনেটে পড়ার যোগ্য কইরা করা হয়নি। এই যে বাংলা যত পত্রপত্রিকা আমার পড়ছি, ওটা একটা নির্দিষ্ট টাইপে রেকর্ডিংয়ে মানে ইউনিকোডে কনভার্ট কইরা করে তারা আরকি। এটাতে না লেখাতে- অর্থাত্ অনলাইনে যে করবে, তারা কিন্তু online দিতেছে। অনলাইনে দিলে প্রত্যাশাটা হচ্ছে যে অনলাইনেই তো পড়বে মানুষ। এখন এটা কাল ডাউনলোড কইরা— কোনো ছেলেমেয়ে যদি কেউ ভলান্টিয়ার করে। যে মানে তারা যদি রাজি হয়, যে এটা কনভার্ট করতে। তা না হলে এটাকে আমরা কনভার্ট করতে পারব না। বুঝেন অবস্থা! আপনি দিলেন একটা জিনিস, খুবই ভালো কথা। কিন্তু এটা ঠিক পাঠযোগ্য করে দেন নাই আপনে। আবার আরেকটা এমেন্ডমেন্ট করবে, এটা দেখছেন?
নিজামুল হক নাসিম : কী…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন কোনো মামলার পলাতক বা আত্মগোপন থাকা আসামির বিচার, তার অনুপস্থিতি সম্পন্ন করার সুপারিশ করে International Crimes Tribunal Second amendment bill 2012 রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছে।
নিজামুল হক নাসিম : ওরে ওই আল্লাহ..! এখন কেমন কইরা পাস করবে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইডা তো দরকার নেই তো আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : দরকার নাই আমরাও বলছি। যাক এরা যদি মনে করে করবে আরকি। অসুবিধা নাই। আইলে আইতে পারে, আরো স্ট্রং হইল। কিন্তু দরকার ছিল না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সংসদীয় কমিটি প্রস্তাব করেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে দায়ের পক্ষ সরকার পক্ষ আইনজীবী নিয়োগ করবে এবং ওই আইনজীবীর খরচ রাষ্ট্রপক্ষ বহন করবে। এটা তো আবার এমেন্ডমেন্ট করার দরকার নেই।
নিজামুল হক নাসিম : এটাতো এমেন্ডমেন্ট করার দরকার নেই আরকি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, এমেন্ডমেন্ট করার দরকার নাই। এমেন্ডমেন্টের ব্যাপারে দেখা যায় যে, খুবই সতর্ক হয়ে যাচ্ছে। মানে.. যেখানে দরকার নেই সেখানে সেখানেও এমেন্ডমেন্ট করতাছে সমানে। এটা অলরেডি provision-এ আছে। আপনি কি সেদিন লক্ষ্য করছেন যে সাকার যে সাক্ষ্যটি দেয়া হয়েছে।
নিজামুল হক নাসিম : জ্বি
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সে কিন্তু ম্যানেজ হয়ে গেছে এবং লাস্টলি..।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ এটাতো Clear-ই
আহমদ জিয়াউদ্দিন : লাস্ট সেকেন্ড পর্যন্ত সে পক্ষে ছিল, পরে আর কিছুই বলেনি আর কি। এখন মালুম ভাই কিন্তু একটু… মানে মালুম ভাইয়ের ফিলিংস হচ্ছে হিন্দু সাক্ষীরা প্রবাবলি আর ভালো সাক্ষী দিবে না।
নিজামুল হক নাসিম : দিবে না হ্যাঁ, ভয় পাচ্ছে তারা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও কয় যে এইটা জানলেই কি আর সাক্ষী দেই না কী ? না সাক্ষী উঠাই। আর যদি নাও নেই তাহলে দেখা যাবে যে সে তো আবার ডিফেন্স সাক্ষী হয়ে যেতে পারে। সরকার কি ধরনের ইনফ্লুয়েন্স ঐ এলাকাতে। না মানুষ এত ভীতু।
নিজামুল হক নাসিম : ভয়-ভয়ে…অ্যা..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভয় কিন্তু, আমাদের সেদিন বড় মিটিং হলো আর কি। আগে যারা ভলেন্টিয়ার ছিল মানে আগে না, এখনও যারা ভলেন্টিয়ার আছে। বিশেষ করে যারা ঢাকাতে আছে তারা বোধ হয় একটু ওরিড হয়ে যাচ্ছে আস্তে-আস্তে।
নিজামুল হক নাসিম : কেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তারা ওয়ারিড হচ্ছে যে, তাদের ফিলিংসটা হচ্ছে যে, মনে হয় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে না। তখন কি হবে? আপনারা তখন আমাদের মানে-তখন কি চিন্তা কইরা রাখছেন? সেটার জন্য এখন কি করতেছেন আপনারা। তাদের কথা হচ্ছে যে, আমরা কী চিন্তা করতেছি কিনা। মানে প্রস্তুতিমূলক কোন কিছু নিচ্ছেন কিনা। Incase যদি আওয়ামী লীগ না আসে ক্ষমতাতে। তখন কি হতে পারে?
নিজামুল হক নাসিম : যাই হোক, হতেতো পারে। কিন্তু প্রস্তুতি নেয়ার আবার কি আছে? আমি তো এটা বুঝতে পারতেছি না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : প্রস্তুতি মানে হচ্ছে, হয়তবা যেমন ধরেন কি যে, অন্য কোনো রাস্তা আছে কিনা। যে রাস্তা দিয়ে এটাকে ডিজার্ভ না করা যায়। এমন কিছু এখন থেকে করে রাখা যায় কিনা আরকি। হুম’-একটা সম্ভাবনা আছে- যে এটাকে Constutionally Status দিয়ে দিলে এটা probably will be difficult হয়ে যাবে তখন dissolve করা। এ বিষয়টা কি হবে-না হবে সেটা ভাল করে চিন্তা করতে হবে আর কি। এবং এরকম কিছু একটা করা যায় কি না, কারণ এটাতো যদি Genuinely, সরকার তো মনেই করে না যে সরকার আসবে না তারা ক্ষমতায়।
মনে হইতেছে যেভাবে। So I don’t know| সো, এই গুলো তারা চিন্তা করতেছে কিনা। বা আমরা কোন চিন্তা করছি কিনা। অথবা আমাদের পক্ষে যারা Negative campaign করতেছে তাদের বিপক্ষে আমাদের-আমরা ভালো করে campaign করছি কিনা। মানে campaign টাকে আরেকটু intensify করা যায় কিনা? আমি বললাম, আমরা তো দুটা জিনিস করছি। একটাতো নতুন তথ্যমন্ত্রী হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে campaign-টা কিভাবে করা যায় সেটা নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে চিন্তা করতেছি। এবং ইতিমধ্যে সেটা ওনাকে approach করা হবে এবং এটা মানে ওনার যতটুকু করা যাবে অতটুকু করা সম্ভব হবে, মানে অতটুকু করা যাবে বলে আমরা মনে করি। বিকজ এটা করা কঠিন করা হবে ওনারে দিয়ে। নতুন নতুন অবস্থায়। But সেটা কতটুকু helpful হবে। আপনার একই information থাকার কথা। আমাদের আলোচনার সময়ে আমার ধারণা ছিল শুধুমাত্র BTV সারাদেশে দেখা যায়, গ্রামের সব জায়গা দেখা যায়। কিন্তু অন্য টেলিভিশনে এভাবে দেখা যায় না। এটা ঠিক কি না? বলেন তো।
নিজামুল হক নাসিম : এক সেকেন্ড, জাস্ট ওয়ান সেকেন্ড। (টেলিফোনের রিং বেজে উঠছিল।) কি বলছিলেন যেন…?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : প্রশ্নটা হচ্ছে যে বাংলাদেশ টেলিভিশন কী একমাত্র চ্যানেল যেটা সারা বাংলাদেশের সব আনাচে-কানাচে দেখা যায় ? নাকি অন্যগুলাও দেখা যায়।
নিজামুল হক নাসিম : অন্যগুলো তো Dish. Dish যাদের আছে তারা দেখতে পারবে। আর বাংলাদেশ টেলিভিশন সবাই দেখতে পারে ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যেখানে Dish নাই, গ্রামের সেখানে তো দেখা যাবে না।
নিজামুল হক নাসিম : না পারবে না। তবে এখন Dish সব জায়গায় আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন Dish সব জায়গায় আছে।
নিজামুল হক নাসিম : হু..ম..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বাংলাদেশ টেলিভিশন হচ্ছে সব জায়গায় দেখা যায় উইদাউট ডিস।
নিজামুল হক নাসিম : রাইট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন আইডিয়াটা হচ্ছে সরকারের হাতে বাংলাদেশ টেলিভিশন আছে, প্লাস হচ্ছে যে, ও অন্যান্য চ্যানেলও আছে যেগুলো তারা ব্যবহার করতে পারে আর কি। Important হচ্ছে তাদের content-টা কি? তারা কি করবে সেটা আর কি। Pure সস্তায় প্রচারণা করলে তো বিপদ। মানে, চিন্তাভাবনা করে করলে লাভ আছে আর কি। আপনার কাছে কোনো চিন্তা আছে? মানে কিভাবে আমরা এ প্রসেসটাকে এগিয়ে নিতে পারি কোন ডিজরাপশন যেন না হয়?
নিজামুল হক নাসিম : এমন কোন চিন্তা করি নাই এহনো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা একটু কইরেনতো। আমাদের কাজই হচ্ছে আগাম চিন্তা করে রাখা আর কি। শুধু একটা আছে যেটা সেটা হলো Constution-এ protection দিয়ে রাখা। সেটা হচ্ছে সবচেয়ে মানে Sure উপায় আর কি। কিন্তু সেই protection-টা কিভাবে দিব- সেটাও এখনো আমি clear না আর কি। কিন্তু এটা ছাড়া Short ওয়েতে আর কি অপশন আছে। Constitution দিলে তাদের ২/৩ Majority ছাড়া যদি ধরেন Assuming দিয়ে তারা আসে হাইপোথিটিক্যাল স্পিকিং।
ত্রিদিভ রাজা পাকিস্তানে মারা গেছে। যাক, বেঁচে থাকলে তার বিচার হতো। তাকে বোধহয়, এদেশে আসতে দেয়নি, সে বোধহয় এদেশে আসেনি। না?
নিজামুল হক নাসিম : জ্বি…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রাজা ত্রিদিভ রায়, এদেশে আসেনি।
নিজামুল হক নাসিম : না, ত্রিদিভ রায় আসে নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছে যে, তার বাডিটা যেন এখানেই করা হয়। বডি দেয়া যেতে পারে, বেচারা আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : ত্রিদিভ রায়ের?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু,
নিজামুল হক নাসিম : ত্রিদিভ রায় করছে না কি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঐ যে দেবাশীষ করছে। দেবাশীষ তার বাবার জন্য, তার বাপ না! দেবাশীষ প্রাইম মিনিস্টারের কাছে একটা রিকোয়েস্ট করছে যে, অনুমতি চাইছে, তার বাবাকে বাংলাদেশে সমাহিত করার।
নিজামুল হক নাসিম : বাপ কি মারা গেছে নাকি?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, মারা গেছে।
নিজামুল হক নাসিম : তা জানি না তো। কবে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, মারা গেছে আজকে। ইসলামাবাদে। মানে সোমবারে মারা গেছে। মানে আজকেই তো। সে তখনই রাজাগিরি করেছে। এরপর থেকে আর একটি ভলি কিছু করেনি।
নিজামুল হক নাসিম : না করেনি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দেবাশীষ কি মানে ল’ইয়ার হিসেবে বা ল’ইয়ারদের সাথে থাকত সব সময়, থাকত?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, না ইশতিয়াক স্যারের চেম্বারে জুনিয়র ছিল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, কিন্তু সে কি মোটামুটি পক্ষের মানুষ ছিল ? নাকি সে ওই রকম মানুষ ছিল?
নিজামুল হক নাসিম : কইতে পারি না, সে রাজা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তার সাথে আমার অনেক বার দেখা হইছে। এখানে-মানে এখানে আসার পরে দেখা হইছে। আচ্ছা যাক এটা আপনি ফিল করছেন যে সাক্ষী ডেমেজ হয়ে গেছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, ইয়াতো লগে লগেই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মাঝে মাঝে আমি কিন্তু রিটের ইয়ে বুঝতে পারতেছি না। যেমন ধরেন, একটা ল’ইয়ার এই যে হল মার্ক গ্রুপের MD- চেয়ারপারসন ওনাদের এগেনস্টে রিট চাইছে। যেটা সালমার কোর্টে যাচ্ছে যে টাকা পয়সা সে নিয়েছে, এবং এটা ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে। এটা কিভাবে রিট জাস্টিফাই করবে।
নিজামুল হক নাসিম : ডায়রেকশন, ক্যালকুশনের ব্যাপার না। ডায়রেকশন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে ডাইরেকটিং ইন্ডিভিজুয়াল টু পে মানি বেগ অর পার্ট ।
নিজামুল হক নাসিম : এটা কিসের দ্বারা করছে আমি জানি না। জানলে কইতে পারব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে এখানে রিপোর্টটা যেভাবে বলা হচ্ছে আরকি? ওইদিন আমি চিন্তা করেছি রিটের এমবিটা কোথায় writ jurisdiction as being filed by a Supremecourt lawyer seeking high court direction needed a refund of National Bank credit money, then little Known Hallmark Group & five other companies allegedly suite led a petition filed by lawyer Yumi Akond on Monday also sought an order for confiscation of properties of Hallmark Group Managing Director Tanvir Mahmood &his wife Jesmin Islam, also the chairperson of the group, the secretary of the Bank Division of the Finance Ministry, Bangladesh Bank Governor, Chairman Director of Sonali Bank, General Manager, Sonali Bank, Ruposi Bangla Hotel Branch, Home Secretary, Inspector of General of Police, Director General of Rapid Action Battalian, DMP Commissioner, Dhaka, Janata Bank, Agroni Bank, Rupali Bank, Basic Bank, Bangladesh Krishi Bank & all the private Banks have been made respondent in the case.
Petitioner Yunius Ali Akand told in his writ that, having the petition aggrieved to be held at a High Court Bench led by justice Salma Masud on Tuesday.
An investigation by the BD Bank recently found, that some officers of the Sonali Bank, Ruposi Bangla Branch, who are involved in misappropriating 36 Billion Tk through irregularities between 2011 & 2012. Investigation also revealed that, Hallmark Group alone took 26 Billion, of the total loan money.
এখন এই হলো রিভিউ রিপোর্টটা। So তাকে বলছে যে, তার passport টাসপোর্ট seize করতে বলছে। এইটা কি আমি পারি কিনা, আরেকজনের জন্য, মানে আরেক client-এর জন্য ?
নিজামুল হক নাসিম : দেখা যাক কি হয়।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে PIL বারছে কিছুটুকু বুঝি আমি। এভাবে মানি কালেক্ট করার জন্য রিটতো করা হয় না আসলে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে হয় কি না? মানে হয়তো বা বলবেন যে এটা public-এর মানি এবং public-এর money’র হিসাবে এইটাতে আমার interest আছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : public এর জন্যি সেই ভাবে …………. দেখা যাক না
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এটা rule দেয় কিনা?
নিজামুল হক নাসিম : মানে usually money collect করার জন্য writ তো করা হয় না বোধহয়। আপনি Highcourt থাকাকালীন কোন Bench-এ বেশি সময় কাটাইছেন..।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি এইবারও তো criminal-ই কাটাইছি।
নিজামুল হক নাসিম : আর এর আগের বারে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর আগের বারে criminal, civil, writ সবই।
নিজামুল হক নাসিম : আর এইবারে বেশি criminal-বেঞ্চ দিছে আপনারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরে মালুম ভাইরে একটা ইয়ে দিতেছি…।
নিজামুল হক নাসিম : কী… ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ভিসা দিতেছি, ২ জন। যারা থরোলি কাজ করছে এবং উনারে বলা হয়েছে যে, এটা যারা কাজ করবে তারাও যেন না জানে, অন্য কে কাজ করছে। আর অন্যরাও যেন না জানে যে কে কাজ করতেছে আপনার সাথে। আপনি এইভাবে কাজ করাইবেন। ২টা amendment-ই একসাথে করে আসতেছে।
নিজামুল হক নাসিম : মনে হয় তাই করবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এই 60 daysটা হলো 30 days + হলো যে absents মানে ফিউজেটিভ-এ করা যাবে। আমার তো মনে হয় না আর কিছু change করার দরকার আছে। আপনাদের তো আর কোন অসুবিধা হচ্ছে না legally speaking.
নিজামুল হক নাসিম : না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যাক এই একটা ভালো খবর দিলো এখন। পৃথিবীতে এই প্রথম এইডস পেশেন্ট কিউরড হইছে।
নিজামুল হক নাসিম : আর কি খবর-টবর কন দেখি এখন? আমি মনে করি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী case-এ তাকে সাক্ষী আনা উচিত।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি তাকে ঐটা বলছি-বলছে, এখন আমি মুসলমান সাক্ষী আনব। আর হিন্দু সাক্ষীদের ব্যাপারে খুবই নার্ভাস হয়ে গেছে উনি। যে, দেখেন উনার ভাইতো serious অসুস্থ। তার ভিতরে উনি কিন্তু পুরো সময়টা ওইদিকে দিয়েছে। এবং বলছে যে, ঢুকার আগ পর্যন্ত সব ঠিক ছিলো। উনার কাছে information হচ্ছে যে, ওরে যদি আবার না উঠায়, সে আবার ওইদিকে চলে যাবে, d-w হয়ে যাবে। So, এইটাও আবার বেকায়দা অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। ওই মানে উনার কোনো লাভ নাই, কিন্তু সিরিয়াস কোনো লসও হয় নাই আর কি। আপনার কি মনে হয়?
নিজামুল হক নাসিম : না লস হয় নাই, কিন্তু সেটা তো কোন কাজে লাগে নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ মানে, এটা কোন কাজ হলো না আর কি। এটা হয়তোবা defense বলবে যে, again এই লোকের খুব strong role আছে। এই হেনা সাহেবের। মানে হেনা সাহেব কিন্তু এদের মতো শুধুমাত্র lawyer না শুধু। সে seems to be অনেক বেশি। এবং সে গুলশানে এখন বাড়ি করছে, family সব নিয়ে আসছে। মালুম ভাইয়ের কথা অনুযায়ী এবং সবই সে ওই এক case-এর ওপর দিয়ে দিতেছে। এইখানে কিনছে সে বাড়ি।
নিজামুল হক নাসিম : কিনতেই পারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আরো কিছু খবর আছে। যেটা আপনার জেনে রাখা দরকার। ভালো কথা যে নাইলে আবার ভুইল্যা যাইতে পারি। হায়দার আলী সাহেবকে নিয়ে তারা খুবই সন্দেহের ভিতর আছে। হায়দার আলী গতকাল উনারে জানাইছে, রাত্রে বেলাতে উনি স্কাইপে আসার আগে। যে, ইয়ে হইছে—-অ্যা.. ওনার বাসাতে জানালা থেকে ওনার ল্যাপটপটা নিয়ে চলে গেছে।
নিজামুল হক নাসিম : হায়দার আলী?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি কাউকে বইলেন না। উনি বোধ হয় কাউকে জানান নাই। আজকে কাউকে জানাইছে কিনা জানি না। বাট তখন জানায় নাই। ল্যাপটপ নাকি নিয়ে চলে গেছে। ল্যাপটপের বক্সটা রাইখ্যা। ল্যাপটপটা ছিল না, ল্যাপটপের বক্সটা ছিল ভিতরে। আর বক্সের ভিতরে সমস্ত চাবি ছিল আরকি। ইনক্লুডিং প্রসিকিউশন অফিসের চাবি আরকি।
নিজামুল হক নাসিম : ….
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তো এইডা জানাইছে ওনারে। আমি বললাম এখন তো এইটা prosecution office-এর চাবি। আপনারতো তাইলে ফাস্ট হচ্ছে —-মালুম ভাই তখন খুবই ইয়ে করছে। সিকিউরিটি গুলাকে আরেকটু রি-অর্গানাইজ করছে। মানে ঐ রাতের বেলাতেই। আজকে নিশ্চয়ই গিয়া কিছু একটা এদিক-সেদিক করছে। তালা-টালা হয়তোবা change করছে।
নিজামুল হক নাসিম : আজকে তো হায়দার আলীকে court-এ দেখি নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি, মালুম ভাই কিন্তু এখন খুবই সন্দেহ করতেছে মানে তাকে। মানে হায়দার আলীকে নিয়ে এখন। সন্দেহ করছে। এটা কি উনার প্যারনয়েড, নাকি না। কিন্তু খুবই স্ট্রংলি সন্দেহ করতেছে। বলছে যে, দেখেন এখন আমি তো বলতে পারি না আপনাদের কাছে আরেকটা প্রসিকিউটর সম্পর্কে। কিন্তু ওনি খুব ম্যাসিভ আকারে-মানে উনি যে ধরনের, উনার বাড়ির যে ব্যাপক আকারে পরিবর্তন করতেছে, যে এক্সপেনসিভ রিমডেলিং করতেছে, যে গাড়ি উনি কিনছে, নতুন গাড়ি- এইটা হয় না আসলে। ওনার কথা অনুযায়ী। মানে এইটা মিলে না, হিসাবে।
এখন আবার laptop হারায় নাই probably। যা বলছেন, জানাইছেন উনি। চাবি-টাবি সব চলে গেছে। ল্যাপটপটা নিয়ে এসেছে। উনার টার্গেট ছিলো ল্যাপটপটা আর কি। উনি কী ধরনের- মানে, জানালার কাছ থেকে ল্যাপটপ নিয়ে চলে যায়! prosecution office-এর চাবি চলে যায়! এটা কি ধরনের মানি-ওয়ারিং একটা ব্যাপার। তো মালুম ভাই আসলে অ্যা..অ্যা.. এমনি হলো যে তাঁর কেস গুলা। তারপর সাক্ষীগুলো, তারপরে এই সব গুলা। মানে in-out এই সব নিয়ে উনি খুবই ইয়ের ভেতরে আছে। যে, দেখেন কি অবস্থা। প্রত্যেকটা prosecutor-এর মনে রাখা দরকার যে, ল্যাপটপ-টেপটপের ব্যাপারে অনেকেরই ইন্টারেস্ট থাকবে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : উনার ল্যাপটপ নিয়ে অন্য মাইনসে কী করতে পারবে? ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তা জানি না।
নিজামুল হক নাসিম : কিছুই পারবে না। খুলতেই পারবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কেন খুলতে পারবে না ?
নিজামুল হক নাসিম : খুললে রাত্রে খুলবে। কিন্তু ঐ সময় code নিয়ে মাতামাতি করবে কিডা?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বললেন যে আর কি খবর আছে। আমি তা ভুলেই যাচ্ছিলাম। তো উনি আছে, আর উনার ছোট ভাইয়ের অবস্থা খুবই খারাপ। উনার ছোট ভাই যেটা SAUARE-এ সব সময় তারা বলতেছে ওদের ICU না কি….?
নিজামুল হক নাসিম : কী ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বলতেছে Intensive case-টা। আমার বোনরে এ জানাইছে আমরা patient-কে ICU দিতে পারবো না। এটা অন্যত্র কোথাও দেবেন। এটাইতো বুঝতে পারছি না। এটা কি খুবই Limited না expensive?
নিজামুল হক নাসিম : হয়তোবা ওদের ICU নাই। তা ত হতে পারে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই ধরনের বড় হাসপাতাল, যদিএ space-এত বড় না, কিন্তু ICU তো খুবই প্রয়োজনীয় অংশ একটা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে।
নিজামুল হক নাসিম : ঠিক আছে। দোয়া-টোয়া করেন। নাকি ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ঠিক আছে। বিষয়ডা নিয়ে চিন্তা-টিন্তা করেন। আমরা এই process টাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। সুযোগ হলে কারো সাথে কথা-টথা বলেন আর কি যে, কি করা যায় আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : আচ্ছা ঠিক আছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : শাহিনুর সাহেব (ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক) আমার পায়ে পইড়া গেল … এটা আওয়ামী চরিত্র…
নিজামুল হক নাসিম : আওয়ামী টাইপ চরিত্র এইটাই। ফাস্ট ভুলে যায় আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যালো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জী কেমন আছেন। আমি এখনই এলাম। এই ঢুকতেছি এক সেকেন্ডের ভিতরে।
নিজামুল হক নাসিম : আমি খুলছি পাঁচ-সাত মিনিট আগে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাই নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : আপনার মেসেজ পাইছি ত, পাইয়া ভাবলাম পরে খুলি। কেমন আছেন?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আছি-আছি, ত আপনার সাথে আমার যে, আমার ত অনেকগুলো কথা আছে ত মনে হইতেছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : কন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে-এই যে অ্যাপ্লিকেশনটা আমি দেখতিছি এখন। আমাকে অলরেডি মেসেজ দেওয়া হইছে আর কি, এসএমএস এ -আজকে যেটা দুইটা অ্যাপিস্নকেশন আপনে পাইছেন ইয়ের জন্য।
নিজামুল হক নাসিম : দুইডা ফরেনার সাক্ষী।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ…।
নিজামুল হক নাসিম : দেবো না ও কি। সমন দিব না আমরা। আপনারা নিয়া আসেন হইয়া গেল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা-হা-হা, আপনাকে তার কাছে কি সাক্ষী চাইছেন নাকি যে, স্পেশালাইজ নলেজ আছে তার।
নিজামুল হক নাসিম : না আমরা চাই নাই। এটা ডিফেন্স কেস, ডিফেন্স কেইস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা কিন্তু আপনি লিখিত অর্ডার দিয়েন তাইলে।
নিজামুল হক নাসিম : কি অর্ডার দিবো?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি বলবেন যেটা রেফার কইরা আর কি যে, আমারে স্পেশালাইজ নলেজ কার কাছে এইটা ত থ্যাঙ্ক ইউ যে জানাইছ আমারে। কিন্তু আমাদের ওইটার কোনো দরকার নাই। আর এইটাই কি আছে তার, ২০টা বই আছে-টই আছে সব জানি আমরা। আমার যতবার মনে হইছে ডিফেন্স উইটনেস। দেখি আমি পইড়া দেখি। আপনি কি পড়ছেন পুরোটা?
নিজামুল হক নাসিম : আমি পিটিশন পড়িই নাই এহন পর্যন্ত। আর বলে বলে অর্ডার দিব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা হা হা। দ্যাট ইজ স্টেইটের্ড দ্যাট আপন ইসুয়েনস অফ দ্যা—খারান প্রথম থেইকা একটু দেখাই দেই আরকি কি লিখছে ভাতিজারা। -(এই বলে পুরো পিটিশনটি পড়ে শোনান।) — অ্যা তা এইটা নিয়া উনারা আমাকে সাথে সাথে ইয়ে চাইছিল। কিন্তু আমিতো বাইরে ছিলাম। ইনপুট চাইছে। আমি বললাম ব্যপারটা কি বলেন। বলতেছে এইটা আপনাকে কি এখনই জানায় দিতে হবে? সে কয়- আজকে না হইলেও জানাইতে হবে আমাদেরকে। আচ্ছা ঠিক আছে আসতেছি। তারা অ্যাপ্লাই করতেছে। এই সব রুলসের ভেতরে অর্ধেক পাতা আসে নাই। পাতার প্রথম অংশ আসে নাই বা যেডাই হোক এ্যা ও এ্যা ডিসিশন অফ দ্য সামনস অফ দ্য (পুরো পিটিশন পড়ে শুনান) —————————এন্ড অফ জাস্টিস এটার ভিতরে আনাটা ত কঠিন হবে। হাউ ক্যান ইউ ডাইরেক্ট? হা…..হি। আপনার তো বাংলাদেশের উপরে জুরিসডিকশন আছে। আপনার কি বিদেশি নাগরিকের উপরে জুরিসডিকশন আছে নাকি?
নিজামুল হক নাসিম : হা হা হা (হাসি)
আহমদ জিয়াউদ্দিন : Ok, বোধ হয় এর পরের টাও বোধ হয় একই রকম গ্রাউন্ড আছে আর কি, আমি ধরে নিতেছি। আমি এটা এখনও দেখি নাই।
নিজামুল হক নাসিম : জানি না, যাই হোক এটা শুনলাম ঠিক আছে, এটা কোনো ব্যাপার না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এমনিতে একটা হলেও দিতে হবে আর কি। কারণ এইটা না হলে আবার ক্যামপেইন খুব হেভিলি একেক বারে।
নিজামুল হক নাসিম : কি ক্যামপেইন করবে?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে আপনে প্রফেসার সাবাসকে ঢুকতে…..।
নিজামুল হক নাসিম : আমি বলমু আপনে নিয়া আসেন-আপনে নিয়া আসেন। কোনো আপত্তি নাই। সমন দিব না আমরা। ব্যাস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই একই জিনিস লেখছে এটাতে।
নিজামুল হক নাসিম : কিন্তু এখানে যেটা বলেছে আপনার ওর যে সাবাসেই আমিত মনে করছি তারা কিছু একটা বলবে আর কি। এইটা ডিফেন্স উইটনেস হয় কি কইরা, সে। সে তো হচ্ছে সভরেইনটি এবং ইন্টারন্যাশনাল লয়ের উপরে। হু। হেয় হেয় গিয়া এমিকাস কিউরি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না এইটা তো ওয়েল। এমিকাস কিউরি হইলে তো আপনি ডিসাইড করবেন আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এ্যা…এ্যা এবং এমিকাস কিউরি হলে আপনার লাভ হবে কিনা সেটা দেখতে হবে। সেত অলরেডি-অলরেডি সে তাদের, তাদের পক্ষ থেকে যদি ডাকা হয়, তাকে ত এমিকাস কিউরি হিসাবে ডাকতেও পারবেন না। কারণ এটা ত ফরমালি ইয়ে চাইছে আর কি। আইদার ইউ অ্যাকসেপট, মানে ইস্যুড এ সমন অর ইউ হ্যাভ টু রিজেক্ট ইট। কিন্তু এখানে গ্রাউন্ড গুলা ভালো দেয়নি তারা। এখানে ডিফেনসকে কীভাবে যে হেলপ করবে, একুইজকে কীভাবে হেলপ করবে, একুইজের কেসটাকে সে কীভাবে ইয়ে করবে। কোথা থেকে লোক নিয়া আসতেছে তারা। আচ্ছা আরটিক্যাল আরেকটা যেমন স্যার জাক ডেভোরেল (এটা পড়ে শুনান)। এইটাও হইল না আসলে। একটা আর্মি অফিসার কমাণ্ড রেসপনসিবিলিটি সম্পর্কে হেয় কেমন কইরা বলবে? এত হচ্ছে একটা লিগ্যাল নোশান। আচ্ছা দেখা যাক। ওতো পাঁচটা দিছে প্রসিকিউটারাতো চারটা কেন খবর আসলো। আজকে তো দেখি। পাঁচটা নাম দিছে। দেখছেন তো এইটা তাই না?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ পরে একটা যোগ করছে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ও, আচ্ছা তাই তো। তাহলে পত্রিকাওয়ালা ঠিকই আছে। আপনি কি ইয়ে পাইছেন? রায়হানের একটা চিঠি পাইছেন?
নিজামুল হক নাসিম : দেখছি…ও পড়া লাগবে না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না পড়া লাগবে না, কিন্তু এটা কি আপনি জানতেন?
নিজামুল হক নাসিম : কি
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই চিঠিটা
নিজামুল হক নাসিম : না, হ…। তার মানে আপনার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : রায়হান তো বেশি বলে নাই। এর থেইক্যাও আপনারটা বড়। ওই যে এর-ক্যাডম্যান যে রিপলাই আপনে দিছেন না?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : না-না। হ্যাঁ, ওইটা না, ওইটা না। এই যে এ্যা রেজিস্টার, এ্যা রেজিস্টার যে আপনারে জানাইছে যে এই চিঠিটা আসছে।
নিজামুল হক নাসিম : হেত দেখছি, জানাইছে। জানাইছে চিঠির উত্তর ওইটাত?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ,
নিজামুল হক নাসিম : হ আই সি, ওই ডা আগে জানি, হ্যাঁ…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে পর্যন্ত এ্যা দু’জন, আজকে পর্যন্ত পাঠাইছে। ২৫ মে পাঠাইছে সে। আর কি খবর আপনার? অনেক মেসেজ আছে দেখি। আইনমন্ত্রী গিয়া ওইখানে বইল্যা আসে কথা, কিন্তু এটা ফলোআপ করতেছে না।
নিজামুল হক নাসিম : কোনডা?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : উনি লর্ড কারলাইলরে ইনভাইট করবে। এইটা নাকি বইল্যা আসছে এবং লর্ড কারলাইল তারে চিঠি দিছে। এই যে এখন আমি আরও পাইতেছি মেসেজ আর কি। যে, তারা এখন পর্যন্ত উনি কোনো উত্তরত দেয় না। বা তাদের ইনভাইট করবে কি, করবে না। বইলা আসছে করবে। কিন্তু এখন আর খবর নাই। তার সব ফুসে গেছে। এখন বলতেছে সে এ্যা…এ্যা, এই যে সেদিন যেটা ছিল অলরেডি তার হাউস অফ লর্ডসে রেইজ করছে। লর্ড কারলাইল নিজেই রেইজ করছে। চিন্তা করা যায়, গালি দেয়ার সময় আইসা গেছে এদেরকে। তারা চাইতেছে যে একুইজদের সাথে বসবে প্রাইভেটলি মিট করবে এবং এইটার উত্তরে লিখতেছে—কে লিখতেছে, বাপজান লর্ড কারলাইল ফ্রম লর্ড কারলাইল। টু আনসার। আচ্ছা মানে ওই যে আমাদের সে আনসার বারী আছে তাকে লিখতেছে হোয়াট ইজ এ সারপ্রাইজ অ্যান্ড ডিসাপয়েন্টম্যান্ট অ্যান্ড সিম্পলি নট অ্যাকসেপটেবল। বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট সিয়রলি সুড রিকগনাইজ দ্য উইজডম অফ আওআর মিটিং অফ ডিফেনডেন্ট ইন প্রাইভেট………।
নিজামুল হক নাসিম : জী
আহমদ জিয়াউদ্দিন : জী বলেন–
নিজামুল হক নাসিম : শেখ রেজোয়ান আলী জাজটিস ফোন করছিল।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা-আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ…
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনারা ঠিক করলেন কবে আজকে সন্ধ্যা বেলায় এনাউন্স করছে কি ঈদ কবে হবে?
নিজামুল হক নাসিম : ঈদ ২৭, জী-ই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ। ২৭ তারিখে ঈদ। তাহলে ঠিকই হইতেছে। কারণ এইটা না হইলে আমি আবার ২৮ তারিখে চইলা যাইতে হবে আমাকে, কাজেই বিপদ হয়ে যেত।
নিজামুল হক নাসিম : ২৮ তারিখ যাইবেন খুলনা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ যশোর হয়া তারপরে হ্যাঁ, ওই দিকে আর কি। যশোরে যাকে ফাস্টে ২৮ তারিখ রাতরে যশোরে কাজ আমাদের। তারপরে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে কি শুধু সাঈদীর একজিবিটগুলা হইছে—না আরও কিছু?
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ, এ যেয়ে জেরা শুরু হইছে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আজকে তো তাইলে গোলাম আজম ধরা হয় নাই কিছু। আচ্ছা না উনিত-উনারা যেভাবে এ্যা এ্যা নার্ভাস হয়া ফোন করছে আমারে, এইটা এখন এত কিছু না। এইটা আন্ডার কনট্রোল। আপনি দেখতেছেন ওরা কিন্তু আসলে মানে এই ফেক্ট গুলাকে কনেকন্ট করার চেষ্টা করতেছে। না তারা এই জিনিসটাকে ইন্টার নেশনালাইজ করার চেষ্টা করতেছে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ রাইট…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এ্যা এ্যা জেনিউনলি সিরিয়াসলি এনগেইজ করত আর কি এবং এই যে সাক্ষী যেটা দিয়েছে এটা অবশ্য বুঝতে পারতেছি না, সে এ্যা এ বয়কি দু’জনের ব্যাকগ্রাউন্ডটা কি। ও ছেলের ব্যাকগ্রাউন্ড বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু বাকি তারা কি করে না করে তা জানি না। কিন্তু যেমন সাইদীর ক্ষেত্রে তারা যেমন ডিফেন্স উইটনেস আনতেছে। তারা কিন্তু চেষ্টা করছে একটা কিছু মানে এক একটা অংশ করে এক একটা টুকরা এক একটা এলিমেন্ট গুলাতে তারা চ্যালেঞ্জ করতেছে। সেটা ঠিক আছে দিস ইজ হাউ ইট সুড বি। কিন্তু এইখানে তারা এইটাকে ওই জিনিসটাকে একটা ইন্টার ন্যাশনালইজ করে, এইটাকে একটা কেম্পেইন হিসাবে তারা দাঁড় করাবে। এ্যা ইন্টারন্যাশনাল কেম্পেইন হিসাবে দাঁড় করাবে যে, ট্রাইব্যুনাল এ্যা তাদের ইনভাইট করতে রিফিউজ করছে আর কি। এবং তারা খুবই Fully জানে ভালো, মানে ক্লিয়ারলি তারা জানে যে, ওই ওই ধরনের-এছাড়া রিকুয়েস্ট ছাড়া এ্যা ট্রাইব্যুনালের রিকুয়েস্ট ছাড়া তারা যে আসতে পারবে না। এইখানে না আসার সম্ভাবনা আছে আর কি এইটা তারা জানে। আর এখন তো তারা যদি বলে আমরা বেড়াইতে আসতেছি তাহলেও আরই হবে না মানে গ্রহণযোগ্য হবে না সেটা আর কি। তো তাদের মূল অবজেকটিভটাই কিন্তু আসলে এই তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলা আনা হয়েছে এই গুলাকেই চ্যালেঞ্জ করা। এই ঘটনাটাকে চ্যালেঞ্জ করা না যে ধরনের অপরাধের কথা বলা হচ্ছে সেইটাকে চ্যালেঞ্জ করা না। কিন্তু এইটাকে মিয়ারলি ইন্টারন্যাশনালাইজ করা একটা কেম্পেইন করা আর কি। সো দিস ইজ আ এ্যা মানে আন ফরচুনেট এবং আনএক্সপেটেড আন এক্সপেকটেড না মানে আনফরচুনেট ট্রু আনফরচুনেট কারণ এটাকে ডিফেন্স বলে না কিন্তু। দিজ ইজ নো ডিফেন্স। আর তারা এক্সপার্ট উইটনেস হিসাবে প্রথম যেটা এক্সপার্ট উইটনেস আনতে চায় যে ফ্যাকচুয়েল যে অ্যাকুজিশন আছে ফ্যাক্টকে তো রিফিউজ করবে তারা। এক্সপার্ট তো পরে আসবে আসলে। আর উনাকে আনতাছে সভরেইনটির উপরে এক্সপার্ট বইলা এবং অনেক টই বই লিখছে। তাতে উনি কি করবে আইসা এখানে। এসিসট করবে কি ট্রাইব্যুনালকে ট্রাইব্যুনালকে এসিসট করা বুঝলাম আমি প্রত্যেক উইটনেসই ট্রাইব্যুনালকে এসিসট করে। কিন্তু এই এরিয়াটা তো আসলে ডিফেন্সের এ্যা এ দরকার নাই। এইটা এখনতো ওই স্টেইজ না আসলে, ফানি থিং হচ্ছে যে এটা যদি তারা যখন লিগ্যাল আরগুমেন্টের স্টেইজে হইত, তখন যদি তারা বলত সে লিগ্যাল আরগুমেন্টকে রি-ইনফোর্স করার জন্য আমি আরও একটা এক্সপার্ট উইটনেস আমি আনতে চাই। মানে এক্সপার্ট হেলপ করবে আমাকে সেটা মানে এ্যা সেটা কি হইত আর কি। আর এইটা কি সাজেস্ট করা ঠিক হবে আপনাদের পক্ষ থেকে তারা ইচ্ছাকৃত লিখিত কিছু দিতে পারে। নাকি না সেটাও হবে না?
নিজামুল হক নাসিম : সেটা আরগুমেন্টের সময় বলমু, এখন না। আরগুমেন্টের সময় বলমু আপনারা সব বলবেন আর লিখিত যা আছে যা দাওয়ার দিবেন লেইখা দেবেন। আরগুমেন্টের চিন্তা আমরা করতেছি। হায়দার আলী বলেন যে, এইডা চায়েন না। আমি কইছি এডা চাই দেখি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা তা হলে দু’পক্ষেরই সুবিধা হবে আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং আপনাদের তখন ওটার উপরে কনসেনট্রেইট করে ওটাকে জাজমেন্টটা লিখার সময় সুবিধা হবে আপনার।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ রাইট সে জন্যই আমি চাচ্ছি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দুই পক্ষই দেক না কেন সংক্ষেপে এ্যায়ে সংক্ষেপে আপনার আপনি হয়তো পেইজ লিমিটেড করে দিতে পারেন আর কি যদি চান। যে যে হয়তবা পাঁচ পাতা বা দশ পাতার ইয়ে দিলেন আর কি। এটা মেনেজ করতে পারা যাবে। একশ’ পাতার না। সংক্ষেপে যদি একটা একটা এইডা হয় আর কি আমি এডার আমি এটার পক্ষের মানুষ আর কি। তাহলে হচ্ছে কি আপনাদের আর্গুমেন্টগুলা রেকর্ডেড থাকতেছে। এ্যা ফোকাস করা যাচ্ছে ওই পয়েন্টগুলাকে আপনি একটা একটা করে ভিউতে বোথ সাইডের জন্যই এপ্লিকেবল। বোথ সাইডের জন্য এপালিকেবল মানে ঘটা হচ্ছে ওই আর্গুমেন্ট আমি বলছি সেটা হচ্ছে যে এই যে তারা তাদের সো কলড স্পেশালিস্ট এ্যা এ্যা এক্সপার্ট উইটনেস আনতে চাচ্ছে ত এইটা আপনার দুইটা রাস্তা। একটা হইল যে আপনি বলবেন যে আপনার উইটনেস আপনি নিয়া আসেন গিয়া।
নিজামুল হক নাসিম : সোজা রাইট। সে এইবার ক্লিয়ারলি বলে দিব আমি এইভাবে আর কোনো কথা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর এইটা চাইতে এইটার চাইতে আরেকটু বেশি পাবেন আর কি। আপনারা যে দিচ্ছেন সেটা আসলে ওই আর্গুমেন্ট যাওয়াও ঠিক হবে না। মানে এটলিস্ট সাবাসের ক্ষেত্রেও এই লোকের ক্ষেত্রে তাও তো স্পেসিফিকেলি বলেছে যে কমান্ড রেসপনসিবিলিটির কথা আছে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ
আহমদ জিয়াউদ্দিন : কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বুঝানোর জন্য আপনাদেরকে এ্যা এ্যা এ আসতেছে। একদিক দিয়া আসলে অসুবিধা হয় না যে ঠিকই এ কথাটা বইলা যাবে আর কি। কারণ আমরা ত ক্রমে দেখা যাবে কি সে তার বইগুলা তারই ধরা হইব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তখন। মানে সেখানে দরকার নাই আমার। কিন্তু সামন এই জিনিসটা আরেকটু আরেক বা আপনে পরিষ্কার করেন ত দেখি যে, সামন স তাহলে হচ্ছে কি যে সামনায় ত আপনাদের ট্রাইব্যুনালের ডিসক্রিশন না সামন ছাড়া উইটনেস আসতে পারবে না।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ পারবে পারবে পারবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো সামন তাহলে উইটনেস কে এপিয়ারের জন্য নট নেসেসারিলি একটা ইয়ে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : না…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে নেসেসারি প্রিকন্ডিশন।
নিজামুল হক নাসিম : আমরা তাকে সিকিউরিটি চাইতে পারে সামনসটা মেনইলি করা হইছে সিকিউরিটি চাইলে পরে। এমনে আনতে পারবে যে কোনো সময় যে কোনো সাক্ষী।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এখন বেশির সাক্ষী যারা আসছে তাদের কি সামনস দিয়া আনা হইছে কি না তারা এমনে এমনেই আসছে।
নিজামুল হক নাসিম : না না না সামন দিচ্ছি না আমরা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনারা সামনস কাউরে দিচ্ছেন মানে কয়টা সামন দিছেন এতদিন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ দিছি এমনে প্রসিকিউশন-উইটনেসকে দিচ্ছি যারা পুলিশের হাতে নাই সেই জন্য রইছে পথেঘাটে নিয়া আসবে সিকিউরিটি এগুলা দিছি আমরা। কিন্তু তোমাদের দেব আমরা যে সিকিউরিটির জন্য সামনস দেয়া হয় নাই। আদার ওয়াইজ কোনো সামনস দেয়ার দরকার নাই আমাদের। এমনে আনলেই আমরা দেব, সোজা হিসাব। এমনে আমরা নিছিও অনেক সামনস ছাড়া।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই তাহলে এই কথাটাও বইলা দিয়েন আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ যে
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যেমন সে বিদেশি মানুষ আসলে তার সিকিউরিটি লাগবে আর কি। ওইটা তো সে সরকারের কাজে তার প্রত্যেকটা নাগরিকের এবং ভিসিটারের রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। ওই আর্গুমেন্টে যাওয়া যাবে না। আপনি বলবেন যে বাবা তার উইটনেস তুমি নিয়া আসো গা গিয়া। এখন কি কোনো কমেন্ট করা ঠিক হবে যে এটা আসলে মনে হচ্ছে না যে তাদের টেস্টিমনি কোনো কিছুই ইয়ে করবে। যা আপনারা দিছেন।
নিজামুল হক নাসিম : আমি বলমু পিটিশনে আপনারা বলে দেন দ্যাট ডাজ নট ইন্সপেয়ার আস টু কল দেম বাই গিভিং সামনস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে এইটা। এইটা উনাদেরকে দিয়া বলাইতে হইব আর কি। প্রসিকিউশনকে দিয়া যে এটা হচ্ছে নাথিং বাট ইন্টারনেশনালাইজ চেষ্টা করা এটাকে। এ আর্গুমেন্ট তারা দিবে। এ যেভাবে যা বলা আছে তাতে এখানে কোনো কোনো সাব্সটেনসিভ আসেতেছে না। মানে ডিফেন্স এর কোন কিছু দেখি না আমরা। যেসব জিনিসগুলা আর কি কেইসগুলা ওরা আপনারে যে ফাস্টে যে চিঠিটা দিছে সেখানে বলেছে যে, চার্জ নাম্বর ওয়ান টু কিন্তু পিটিশনে সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। সিরু মিয়া বাদ দিয়া সব চার্জ আগে করবে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ ঠিক আছে, ভাবী ভালো আছেন তো?
নিজামুল হক নাসিম : হ, আছেন ভালই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আপনি আপনার ছুটি হচ্ছে কবে ২৪।
নিজামুল হক নাসিম : ২৫ তারিখ অফিস খোলা। ২৪ তারিখ বন্ধ আছে ১ দিন। ২৫ খোলা আবার ২৬, ২৭, ২৮ বন্ধ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আবার ২৯ খোলা।
নিজামুল হক নাসিম : এমনেও শুক্র শনি আছে ঈদের মাঝখানে। তারপরে খোলা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৬ ত শুক্রবার আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৬ শুক্রবার।
নিজামুল হক নাসিম : খোলা, ওখোলানা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৫ হইল বৃহস্পতিবার।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৬ শুক্রবার।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৬।
নিজামুল হক নাসিম : ২৬ খোলা না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২৪ তারিখ পূজা, ২৫ বৃহস্পতিবার, ২৬ শুক্রবার, ২৭ শনিবার ২৮ রবি, ২৯ হচ্ছে সোমবার। তার মানেও ২৯ খুলতেছে যদি না আপনি ২৯ বন্ধ রাখেন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে পরের দিনই দিবেন না কি? না জহির সাহেবের হিসাবে মানে..।
নিজামুল হক নাসিম : কোন ডা?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এর আগে জহির সাহেব বলত না যে ঈদের পরের দিনেই কোর্ট সকাল বেলাতে।
নিজামুল হক নাসিম : ওই সব কয়া লাভ নাই, পরিষ্কার চলবে কোন অসুবিধা নাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হা হা হা। আচ্ছা আজকে কি হইছে যে এ্যা এ্যা জাহাঙ্গীর সাহেব একটা কড়া ইয়ে দিছে মনে হচ্ছে, পত্রিকায় যেভাবে আসছে।
নিজামুল হক নাসিম : কইছে যে আপনারা যাই মনে করেন পলিটিক্যাল, আমরা পলিটিক্যালি না। আমরা অন ওথ জজিয়তি করতেছি। আপনারা দুইপক্ষ দুইজনের কথা বলেন, কিন্তু আপনারা কোন সময় কারোপক্ষের মনে করবেন না। এমনি কইরা কইছে আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : মানে স্টেটমেন্ট গুলা দেয়ার সময় সতর্কভাবে দিতে হবে। এইটা বোধ হয় ইয়ে দিছেন উনি।
নিজামুল হক নাসিম : হু হ্যা রাইট সেটাই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এইটা ত আপনে বহুবার অলরেডি, মানে বলা আছে সবাইকে। মনে করিয়ে দেওয়া আছে। ও আওয়াজ আসতেছে কোথ থাইকা?
নিজামুল হক নাসিম : আবার ঠিক হইছে। আপনে সোমবারে নামতেছেন-২২ তারিখ?
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ২২ তারিখ ভোর বেলাতে, হোপফুলি। আপনার তো কোর্ট থাকবে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি আপনাকে যোগাযোগ করবো। ধরেন এ্যা মানে… এ্যা আপনি তো চারটার আগে তো ফ্রি হবে না।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বিকালের দিকে। আচ্ছা এই এ যে আপনি কি মনে করেন যে উম, না আমি ত এখনও পর্যন্ত উত্তর পাচ্ছি না আমার ত মাথাই গরম হয়ে যাচ্ছে আসলে।
নিজামুল হক নাসিম : কোনটা ? এ্যা এ্যা
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এই যে আইসিটি ওয়াইকে সে মেসেজ পাঠাইছি। তারও কোনো উত্তর নাই।
নিজামুল হক নাসিম : আমার মনে হয় তারা, এখন রাত ওখানে মনে হয়। কেননা উত্তর তারা দেত। কার্টেসি ডিমান্ড।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হয়তবা নিবে। এখন দেখা যাক আমি এখনও আশা করতেছি যে দিবে আর কি। সো দ্যাটস মাই হোপ। যে সে রিগ্রেট করলেও দিবে। হে–য়ে এখন আমি চিন্তা করতেছি যে, যদি ইন কেস আপনাদের এখানে না আসা হয়ে থাকে, না আসা হয়ে থাকে-না আসা হয়, তা হলে ওই প্যারিসেই আপনাদের সাথে। প্যারিসে তো আপনারা-আপনিতো গেছেন। আর অতিরিক্ত একদিন দেখেন আর কি।যে কি করবেন আর কি। কারণ আমরা সেইভাবে প্ল্যান করতে পারি।
নিজামুল হক নাসিম : ওর কি, ওরা যদি টেইলস্টারে টারকিস টিকেট দেয় ফেরার যদি প্যারিস থেকে ডাইরেক্ট ডাচ প্রগ্রাম না হইলে তারা দিবে। কারণ, তার সাথে আমার যে কথা হয়ে রয়েছে যে যদি এটা আমার বলা আছে তাদেরকে কনফার্ম করেনাই আপনাকেও আমাকেও করেনাই যে। যদি দেখা যায় কিসে ডাচ থেকে প্রগ্রামটা হইছে, তখন আপনাদের প্যারিস থেকে ফ্লাই করতে হবে হয়ত। বা রির্টান ডেইটটা একটু ডিফারেন্ট হইতে পারে। আর আমি যদি হয়ে যায় কনফার্ম, তাহলে তখন তাকে বলবো যে তুমি তাকে প্যারিস-এই অ্যামস্টারডাম থেকে ফ্লাই করার ব্যবস্থা করব আর কি। এটা হচ্ছে যদি হয় না হলে তো এই ইট ইজ থাকতেছে আর কি। তাই তো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হেস এ প্যারিস-ঢাকা অথবা ঢাকা-প্যারিস- ঢাকা। আমি ধইরা নিতেছি যে সেটাই তারা দিবে সে এয়ারলাইনস এই দেক না কেন। সেইখানে আপনি যদি ধরেন যে একটা দিন যদি এক্সট্রা দিন থাকেন আর কি।
নিজামুল হক নাসিম :জি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : অনুষ্ঠানের পরে বা ট্রেনিংয়ের পরে একটা এডিশনাল দিন মিনিমাম যদি থাকেন, একটা মিনিমাম দিন লাগবে। এডিশনাল তাহলে হয়ত বা কিছুটুকু সময়, মানে এইখান থাইকা আমি হয়ত গেলাম বা আ অ্যা অন্যরাও বললেও এই আসতে পারবে না হয়তবা কিন্তু আমিতো যেতে পারবো। আর হয়তবা আসল আমি গেলাম ডেফিনেটলি। প্যারিসে গেলাম তার পরে আপনারা কি করবেন না করবেন এটা ওই ওবায়দুল হাসান সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে কথা বলে দেখা যাবে। উনার কি ইচ্ছা আছে আর কি। মানে একটা দিন অন্ততপক্ষে এ ইয়ে ইয়ে করা দরকার। মানে লিভিং ফর প্যারিস টাইপের হা হা হা।
নিজামুল হক নাসিম : সেটাও আগেই বলতে হবে যে টিকিট।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ সেটা আগেই বলে দিতে হবে যে মিনিমাম একটা দিন আমাদেরকে তোমরাই করবা আর কি। হেয় তাহলে সেভাবে তারা প্ল্যান করবে আর কি। এটাওতো গভার্মেন্টের প্রগ্রাম কাজেই এটা সমস্যা না। অ্যা অ্যা এ একটা দিনের জন্য কোনো সমস্যা হবে না আর কি। আর বাংলাদেশে গেলে অ্যা এই যে আপনার যারা মানুষ টানুষ পরিচয়ই হইয়া গেছিল মানে উনাকে হইছে আর কি। কিন্তু বাকি জাহাঙ্গীর সাহেব উনাদের সাথে আমরা কিভাবে ইয়ে করতে পারি।
নিজামুল হক নাসিম : শাহীনের সাথে পরিচয় ছিল আগে? ওবায়দুল হাসান।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হইছিল, কিন্তু এইটা কে উনার মনে আছে কিনা কে জানে। মানে এ অ্যা।
নিজামুল হক নাসিম : সেইটা মনে করানো যাইবে অসুবিধা নাই। না, এগুলা আমি ঠিক কইরা দিব।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওই যে আমি বলছিলাম না আমি তো ওইখানে খুবই শকড্ শাহিনুর সাহেবের টোটাল অ্যাটিচুডে।
নিজামুল হক নাসিম : ওই দিক যাবেন না, আমার বাসায় মিট করবো আমরা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা।
নিজামুল হক নাসিম : শাহিন— ও শাহিন ত আমার বিল্ডিংয়ে থাকে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এ যে শাহিনুর সাহেব তো যাস্ট পরিচয় করায় দেন নাই আর কি। আমাকে নিজেকে নিজে পরিচয়, উনি অত কিছু বুঝছে কি, বুঝে নাই কে জানে। হি ওয়াজ ভেরি নাইস। উনি সাথে সাথে আমাকে চা আনে চা মানে চা দেওয়ার কথা বললো, উনারা লাঞ্চটা অলমোস্ট শেষ করে বসছেন আর কি। আপনি যে ছেলেটাকে দিলেন নিয়ে যাওয়ার জন্য তো ওইখানে প্রথমে তো গেছি শাহিনুর সাহেব কাছে। শাহিনুর সাহেব রুমে নাই তো পরে ওর যে যে একটা যে লোক থাকে না এই সে এটেনডেন্ট থাকে সে বলতেছে যে স্যার এইখানে আছে আর কি। দুইজনেই এখানে আছেন আর কি, ত আমি গিয়া ঢুকছি ত, শাহিনুর সাহেব তখন রিল্যাক্স করতেছিল, বসে গল্প করতে ছিলেন আরকি। উনি দাড়াইলেন কেমন কেমন আছেন বাচ্চা কেমন আছেন না আছেন। এরকম কথা বলে এ বললো। কিন্তু উনি যে পরিচয় টরিচয় করায় দিব ওইটা আর করলা না আর কি। মানে ওই ভদ্রলোকও একটু ওঠা বেকায়দায় পরে গেছে আর কি। আমি নিজে নিজেই পরিচয় দিলাম আর কি।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : সো আই ওয়াজ রিয়েলি শক্ড, আসলে শাহিনুর সাহেবের এই টোটাল এটিচুডে আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হা হা হা।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হেয় এ, বাট এনিওয়ে সারপ্রাইজড না। শক্ড কিন্তু সারপ্রাইজড না। এক্সপেক্ট করতা ছিলাম আর কি। হু আপনারে কি কখনও বলছি যে উনি কি করছিল অ্যামসচারডামে হেগে?
নিজামুল হক নাসিম : না তো।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : বলি নাই আপনাকে? আপনার মনে আছে আপনারা যখন হোটেল থেকে বেরিয়ে -Just মনে করার চেষ্টা করেন গাড়িটা সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে, আপনি প্রথমে গিয়া সামনের সিটে বসলেন।
নিজামুল হক নাসিম : জি-ই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তার পরে উনারা তিনজন হচ্ছে এত আবার নেমে এসে পিছনের সিটে বসলেন। কারণ, জহির সাহেব সামনে গিয়ে বসতে চাইল আর কি।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ রাইট। এবং ডান দিকের সিটে।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : এবং ডান দিকের সিটে গিয়ে আপনি বসে গেলেন। তার পর দেখে যে অ্যা অ্যা উনারা দুইজন বাইরে আছে তো। তার পরে আমি তখন এই পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছি বাম দিকে গাড়ির, শাহিনুর সাহেব এসে টাস কইরা আমার পায়ে পইরা গেল। সালাম কইরা বলে যে, স্যার আমার জন্য দোয়া করবেন।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : দোয়া করবেন। আমি তো একবারে স্টানড হয়া গেছি।
নিজামুল হক নাসিম : হে..হে…।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আমি এইটা জানি কি হইছে এবং কেন হইছে। কারণ আমি আপনাকে ওই আইসিসির প্রেসিডেন্ট একটা চিঠি লিখছিল আসছেন তুমি দেখা করবা তো সেইটা আমি আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করছিলাম। সেখানে কিন্তু আই সিসির প্রেসিডেন্ট যে আমাকে লিখতেছে সেইটা হল ওই খানে আছে লেখাটাও আছে আমার লেখাটাও আছে তার লেখাটাও আছে। রিপ্লাইটাও আছে। এটা যে আমি ফরওয়ার্ড করছি সেইটাও আছে। উনি তখন চেষ্টা করতে ছিল আইসিসিতে অ্যা জবের ব্যাপারে উনি বোধ হয় কিন্তু যোগাযোগ টোগাযোগ করছে বলছে টলছে কারও কাছে। এইটা নিয়া আপনারা কথাও বলতে ছিলেন । জহির সাহেব বিশেষ করে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : যে তার তো কাজ হয়ে যাচ্ছে এই টাইপের । আমি কিন্তু আসলে এই ধরনের মানে এইটা যদি হইত আর কি, তাহলে আমার যতটুকু করা সম্ভব বলছিল আর কি, আপনি একটু চেষ্টা করবেন আর কি। আমি বলছি ঠিক আছে এইটা যদি মানে আমার এইটা যদি কতটুকু করা যাবে ওই খানে বাংলাদেশী একটা লোক ঢুকুক সেডা আমিও চাই এবং প্রফেশনালরা এটা হল আমার চাওয়া সিরিয়াসলি। কারণ, আমরা নাই এইখানে তো আমি জানি সেই সময় সেই সময় উনি উনি এটা আমি এটা এক্সপেক্ট করি নাই।
সে উনার মতো বয়স্ক মানুষ মানে উনি প্রবাবলি আমাদের কাছাকাছি হবে বা নিয়ার এবাওট হবে বা মানে একটা কিছু হবে আর কি, তবে সেটা ইমপর্ট্যান্ট না কিন্তু এই প্র্যাকটিসটা আমি এবসুলেইটলি পছন্দ করি না। এবং এই এটিচুডটা যে আপনে অ্যা অ্যা অ্যা যদি পটেনশিয়ালি দরকার থাকে অ্যা অ্যা অ্যা পায়ে ধইরা সালাম করবেন আর কি, এটা শেখ হাসিনার টেকনিক। শেখ হাসিনা মানে ছাত্রলীগের টেকনিক আর কি হে এই গুলা আন এক্সপেকটেড।
নিজামুল হক নাসিম : হা হা হা (হাসি)।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আর সেই লোক গিয়ে যখন মেম্বার হয়া গেল আমি তো স্টানড হয়া। আমি শুধু এটা রায় হানকে বলছি আর কাউরে বলি নাই আমি কিন্তু হা হয়া গেছি একেবারে। এটা করলটা কি। এটা কোন ইকুয়েশন ছিল না । কিন্তু জাস্ট শুধু মাত্র এইটা কালচার হয়া গেছে আমাদের, মানে যারা এই চাকরি বাকরি করে ইডিয়েটরা। তারা ওই সুযোগ পাইলেই আর কি যে ঠ্যাঙে ধইরা ফেলায় আর কি এবং এইভাবেই তারা মানে কেরিয়ার বিল্ডআপ করে। আই ওয়াজ শক্ড্, স্টান্ড্ একবারে আন এক্সপেকটেড এবং মানে এমবারাড্। যা বলেন সব কিছু হইছি আর কি। এন্ড দেন তার পরে ইয়ে হইয়ে কি বলে অ্যা অ্যা যখন মেম্বার হয়া গেছে তখন আমারে চিনে না। আমি একদম হা হয়া গেছি
নিজামুল হক নাসিম : আওয়ামী টাইপ চরিত্র এইটাই । ফাস্ট ভুলে যায় আর কি। আহমদ জিয়াউদ্দিন : হু মিনিমাম এতো আছে আর কি । মানে মিনিমাম ভদ্রতা আছে আর কি। বরঞ্চ ওইখানে কবির সাহেব কিন্তু ইয়ে করছে আর কি। আপনি আসেন-আপনি বসেন। এখন চা খান। আমি বললাম যে আমি দোকান থেকে চা খেয়ে আসছি। আমরা তো জাস্ট একটু পরে উঠব রিসেসের মাঝখানে লাস্ট আওয়ারের মাঝখানে আপনি আসেন রুমে আসেন । কোট রুমে ত অ অ ইয়ে ছিল উঁকি দিয়ে দেখি যে এখানেত বসার কোন জ্যায়গা নাই আর কি । ত আর আমিত গেলাম না কোর্ট রুমে আর বাট ওইখানে আমি খুবই শকড হইছি আর কি। এবং ফলে ওবায়দুল হাসানের সাথে আমার ওই সেন্সে মানে পরিচয় হয় নাই। হু।
নিজামুল হক নাসিম : এইবার হবে ইনশাল্লাহ আমার বাসায়ই।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : আচ্ছা, আচ্ছা তা ঠিক আছে তা হলে কালকে দেখেন।
নিজামুল হক নাসিম : দোয়াটা কইরেন।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ ভালভাবে হেন্ডেল করেন, এইটার জন্য মানে আমার মেইন কথা হচ্ছে এইটার ইন্টারনাল কোন লেজিটিমেসি নাই এই এপলিকেশন কিন্তু ইনটারনেশনাল অ্যা অ্যা অ্যা এঙ্গেল একটা আছে । আর কি, বাট এই টা যদি সিম্পলি যদি ই করে দেন, যেভাবে আপনি বললেন আমরা এমন কিছু দেখছি না। এর ভিতরে যেটা অ্যা অ্যা আপনাকে ইন্সপায়ার করে অথবা এন কারেজ করে।
নিজামুল হক নাসিম : ইসু সামনস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ইসু সামনস
নিজামুল হক নাসিম : তারে বলমু ইফ ইউ ওয়ান্ট ইউ। ইউ কেন ব্রিং অফ ইউর ওন। বাস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : হ্যাঁ, বাট ইউ কেন ইউ কেন অলওয়েস ব্রিং ইউর ইউর উইটনেস। আপনার ওই অর্ডার টাত স্টান্ড করতেছে, আইও শেষ হয় গেলেই শুরু হবে।
নিজামুল হক নাসিম : হ্যাঁ য়ে-এ।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : তাইতো।
নিজামুল হক নাসিম : ইয়েস।
আহমদ জিয়াউদ্দিন : ওকে।

সূত্রঃ http://w2.amardeshonline.com/pages/details/2012/12/09/177212#.UMPmoaxrqeY
http://w2.amardeshonline.com/pages/details/2012/12/10/177270#.UMUuMqxrqeY
http://w2.amardeshonline.com/pages/details/2012/12/11/177371#.UMZx1qxrqeY

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“‘গভর্নমেন্ট গেছে পাগল হইয়া তারা একটা রায় চায়’ : বিচারপতির স্কাইপি সংলাপ” লেখাটিতে 2 টি মন্তব্য

  1. palash বলেছেন:

    how can i download this video?

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    লিংকগুলোতে ক্লিক করলেই সেভ ফাইল অপশন আসবে। চেকবক্সে ক্লিক করে ওকে দিলেই ডাউলোড শুরু হবে। ধন্যবাদ। আর https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/6584 লিংক থেকে ফায়ারফক্স এডঅন ইনস্টল করে নিলে ভিডিও ডাউনলোড সহজ হবে।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন