দ্বীন নিয়ে প্রশ্ন করা মানা, ফেরেশতাদের মুখ বন্ধ করবে কিভাকে?

যারা ঈমানদার, বিশ্বাস স্থাপন করেছে আল্লাহর উপর, আল্লাহকেই কেবল তাদের ইলাহ ও রব বলে স্বীকার করে নিয়েছে, তারা জানে, সকল প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে হবে, অতপর পৃথিবীতে তার যাবতীয় ক্রিয়াকর্মের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব দিতে হবে এবং কর্মফল অনুযায়ী পরিশেষে জান্নাত কিংবা জাহান্নামে প্রবেশ করতে হবে। তারা এও জানে যে মৃত্যুর পরে প্রথমেই ফেরেশতাদের কাছে মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। মাত্র ৩টি প্রশ্নের জবাবের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে তার জন্য নির্ধারিত হবে শান্তি বা শাস্তির ব্যবস্থা। প্রশ্ন ৩টি হলো : ১) তোমার রব কে? ২) তোমার  দ্বীন কি? ৩) তোমার রাসূল (সা:) কে? (আবু দাউদ, ৪৭৩৫)। যারা দূনিয়ায় তাওহীন, রিসালাত ও আখেরাতে বিশ্বাস স্থাপন করে তদনুযায়ী সৎ কর্ম করেছে, অন্যায় থেকে বিরত থেকেছে, তাগুতের বিরুদ্ধে ছিল যাদের সুস্পষ্ট অবস্থান, তারা খুব সহজেই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিয়ে শান্তির আবাসস্থলে যায়গা করে নেবে। আর যারা ঈমানের দাবী করা সত্ত্বেও বুঝে কিংবা না বুঝে দূনিয়ায় খোদাদ্রোহী তাগুতি শক্তির পক্ষে কাজ করেছে, দ্বীন কায়েমের পরিবর্তে মানবরচিত মতবাদ প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছে, তারা প্রশ্ন ৩টির সঠিক জবাব দিতে ব্যর্থ হবে, নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিকুন্ডে। প্রকৃতপক্ষে ঈমানের দাবীদার হওয়া সত্ত্বেও অধিকাংশ অনেক আদম সন্তানকে বিপদে পড়তে হবে শুধুমাত্র অজ্ঞতার জন্য।

এ জন্য মুসলমনাদের ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো জানতে হবে, সব সময় আল্লাহর দ্বীনের সঠিক শিক্ষার উপর আমল করতে হবে। এজন্যই শিক্ষাকে ইসলাম অবিশ্বাস্য গুরুত্ব দিয়েছে। আর কে না জানে, পৃথিবীতে একমাত্র ইসলামই শিক্ষা অর্জন করাকে ফরজ বা অবশ্যকর্তব্য বলে সাব্যস্ত করেছে, রাসূল (সা:) এর প্রতি ইক্বরা তথা পড় শব্দ নাজিল করেছেন। আর অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করতে হবে রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। এজন্য যখন কোন মুসলিম পরিবারে সন্তান জন্মলাভ করে তখন তার কানে আল্লাহর একত্ববাদ ও রিসালাতের ঘোষণা সম্বলিত আজানের ধ্বনি শোনাতে হয়, শুরু হয় আল্লাহর নামে প্রশিক্ষণ। উবাইদুল্লাহ ইবনে আবূ রাফি (রা:) থেকে বর্ণিত, তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবূ রাফি) বলেন, ফাতিমা (রা:) হাসান ইবনু আলী (রা:) কে প্রসব করলে আমি রাসূলুল্লাহ (সা:) কে হাসানের কানে নামাজের আজানের মতোই আজান দিনে দেখেছি। (তিরমিযী : ১৫১৪)। এভাবে একটি শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তাকে প্রতি মুহুর্তে দ্বীনের শিক্ষা নিতে হয়, ইবাদতের চর্চা করতে হয়, প্রতিমুহুর্তে তাকে আল্লাহর স্মরণে কাটাতে হয়। আর এ সবকিছুই সম্ভব হয় যদি প্রতিনিয়ত তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া সম্ভব হয় যে পৃথিবীতে তার জন্ম নিছক কোন দূর্ঘটনার ফল নয়, নয় সে প্রকৃতির জুয়া খেলার কোন সামগ্রী, বরং তার জন্ম মহাপরাক্রমশালী, মহাজ্ঞানী অদ্বিতীয় এক শ্রষ্টা মহান রাব্বুল আ’লামীনের সুচিন্তিত ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যমূলক। কিন্তু এর বিপরীতে মানবসন্তানকে যদি ছেড়ে দেয়া হয় ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বাইরে তবে প্রতি পদে পদে সে শ্রষ্টার পরিবর্তে প্রবৃত্তির দাসে পরিণত হবে, পরিণত হবে নরকের আহারে। অথচ দেশব্যাপী ইসলামী শিক্ষার বদলে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে ইসলামী হুকুম আহকাম শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে হয়তো অনেকে জেনেছেন যে, গত ২৩ জুন ২০১২ তারিখে ভারতীয় একটি বাংলা দৈনিকে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি ভয়াবহ সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে । পত্রিকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২২ জুন ২০১২ তারিখে সিলেট শহরের মেন্দিবাগে বাংলাদেশ নমশূদ্র কল্যাণ পরিষদের সিলেট বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, বাংলাদেশের বিদ্যালয়ে শিশুদের ধর্ম জানতে চাওয়া যাবে না, শিশুদের ধর্ম নিয়ে কেউ প্রশ্ন করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদেরকে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীণ করার সুদুরপ্রসারী এ আইনের পাশাপাশি ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইসলামী হুকুম আহকাম পালনে তীব্র বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজে ছাত্রীদেরকে হিজাব পড়তে বাধা দেয়া হয়েছে, এমনকি নামাজের রুম তালাবদ্ধ করে ছাত্রীদের ইসলামের মৌলিক ইবাদতে তীব্র বাধার সৃষ্টি করা হয়েছে। হিজাব নিষিদ্ধে যুক্তি দেয়া হয়েছে যে অস্বাস্থ্যকর এ পোষাকের কারনে রোগীদের মাঝে রোগজীবানু ছড়িয়ে পড়তে পারে। অথচ একই সময়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ার‍ম্যান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে হাসপাতালটিকেই রোগাক্রান্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন। তো যেখানে হাসপাতালগুলোয় চরম অব্যবস্থাপনার কারণে টয়লেট থেকে শুরু করে আইসিইউ পর্যন্ত সর্বত্র রোগজীবানু কিলবিল করছে সেখানে অস্বাস্থ্যকর আখ্যায়িত করে হিজাব নিষিদ্ধ করা যে কতবড় ধৃষ্টতা তা সহজেই অনুমান করা যায়। এটিই প্রথম নয়, এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে চুরি ঠেকানোর অযুহাতে নার্সদের নিকাব পড়া নিষিদ্ধ করেছে, বোরকা পরার অপরাধে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে ছাত্রীদের বের করে দেয়া হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কালিয়াকৈরে বোরকা পরার অপরাধে পেটানো হয়েছে স্কুল ছাত্রীকে। । ইসলাম বিরোধী অপকর্মের তালিকায় রয়েছে দেশীয় নামীদামী আরো বহু প্রতিষ্ঠান, যেমন সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট ইত্যাদি।

এভাবে মুসলমানদের ঈমান আকীদার উপর একের পর এক আঘাত হানা হচ্ছে। নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ধর্মীয় অনুভূতির কারণে সরকার প্রতিনিয়ত এ ধরণের ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে, তবুও দমছে না বরং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এলাকা দিয়ে ইসলামী দূর্গে আঘাত হেনে চলেছে। আর এভাবে যদি চলতে থাকে তবে হয়তো দূর্গের কোন একটা স্থানে ফাটল ধরাতে সক্ষম হতেও পারে, ফলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ঈমানদারদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ঈমানের বিপরীতে তাগুতের পদচারণায় অশুচি হবে বাংলার জমিন। তাই সরকারের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতা প্রতিরোধে মুসলমানদের জেগে উঠতে হবে, ইসলামী দূর্গ রক্ষার্থে দূর্গের প্রতিটি ইঞ্চিতে নজরদারী বাড়াতে হবে, প্রতিটি মুলমানকে ইসলামী দূর্গ রক্ষার সিপাহসালারের ভূমিকা নিতে হবে। আর যাদের আওয়ামী সরকারের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতা সম্পর্কে সন্দেহ আছে তাদেরকে কবরের প্রশ্ন ৩টি আবারো স্মরণ করার পরামর্শ দিচ্ছি।

মাত্র ৩টি প্রশ্ন, যা সকলকেই জানিয়ে দেয়া হলো, আমৃত্য উত্তরগুলো জপ করেও সঠিক সময়ে জবাব দেয়া অসম্ভব হয়ে দাড়াবে তাদের জন্য, যারা নিজেদেরকে ঈমানদার বলে দাবী করলেও আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে কায়েম করার বিপরীতে মানবরচিত মতবাদকে প্রাধান্য দেয়, রাসূল (সা:) এর আদর্শের পরিবর্তে কোন নেতা-নেত্রীর আদর্শকে জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে, সুখে-দু:খে, বিপদে আপদে, উৎসবে-ইবাদতে আদর্শ নেতার মাজারে ফুলের তোড়া নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে, তাড়া শত চেষ্টার পরও মৃত্যুর পরের প্রথম ইন্টারভিউয়ে নিশ্চিতভাবে বিপদগ্রস্থ হবে। ঈমানদার দাবীবার এ সকল মুসলমানরা সেদিন আল্লাহর পরিবর্তে হয়তো কার্লমার্কস, লেনিন, আব্রাহাম লিংকন, মাওসেতুং, ডারউইন, সম্রাট আকবর, শেখমুজিব বিভিন্ন মতবাদের প্রবক্তাদেরকে প্রভূ হিসেবে স্বীকার করবে, ইসলামের পরিবর্তে তাদের দ্বীন হিসেবে হয়তো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, সমাজতন্ত্র, পুজিবাদ, মুজিববাদ, গণতন্ত্র ইত্যাদি নাম উল্লেখ করবে, রাসূল (সা:) তথা নেতা হিসেবে হয়তো সেদিন স্বীকার করবে বারাক ওবামা, পুতিন, মনমোহন, হাসিনা, সুরঞ্জিতদের নাম। সেদিনটি এমনই বিপর্যয়ের দিন হবে যেদিন কোন শক্তিমান নেতা-নেত্রীর সহায়তা কোনই উপকারে আসবে না, বরং হয়তো তারাই তখন থাকবে কঠিন বিপদের মুখে। তাই মুসলমানদেরকে এ কঠিন দূর্যোগের সময়ে ঈমান আকিদাকে সঠিকভাবে বুঝতে ও আমল করতে ইসলামী সংস্কৃতির ব্যাপক প্রচলন করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে শেখাতে হবে কি করে দৃঢ়তার সাথে বুক ফুলিয়ে ঘোষণা করা যায়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সা:) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। ইসলাম বিরোধী সরকার যেহেতু নতুন প্রজ্নমকে ইসলামবিমুখ করতে চায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলাম সম্পর্কে শিখতে, ইসলামী হুমুক আহকাম মানতে বাধা দিতে চায় তাই আমাদেরকে পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে কোমলমতি শিশুদেরকে প্রতি মুহুর্তে ইসলামী হুমুক আহকাম সম্পর্কে সতর্ক করতে হবে।

যেহেতু স্কুলে কলেজে শিক্ষার্থীর দ্বীন সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না, তাই আমাদের সন্তানদের আচার আচরণ, পোষাক পরিচ্ছদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ইসলামী স্বাতন্ত্র রক্ষার চেষ্টা চালাতে হবে। সরকারের ইসলাম বিরোধী অপতৎপরতা থেকে আমার সন্তানকে রক্ষার্থে নিজের জন্য ও সন্তানের জন্য কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যা যথাদ্রুত সম্ভব বাস্তবায়িত হবে (ইনশাআল্লাহ):

১) সন্তানকে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেষ্টা চালাব।
২) ছোট থেকেই হিজাব পড়াব অভ্যাস গড়ে তুলবো।
৩) নিয়মিত নামাজ, রোযা, তথা ইসলামী হুকুম আহকাম সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেব।
৪) ইসলামের ইতিহাস বিশেষ করে নবী, রাসূল (সা:), সাহাবীদের (রা:) জীবনী শোনাবো।
৫) ইসলামী ও সংবাদভিত্তিক টিভি চ্যানেল ছাড়া অন্যান্য চ্যানেলগুলো দেখা বন্ধ করবো।
৬) দাড়ি ছাত্রাবস্থা থেকেই রাখছি, তা আরো বড় করবো (একমুষ্ঠি পরিমাণ)।
৭) অশালীন ও অমার্জিত পোষাক সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে আমি পাজামা-পাঞ্জাবীকে প্রাধান্য দিচ্ছি। (ইনশাআল্লাহ, পবিত্র রমজান মাস থেকেই শুরু করার আশা রাখছি)।
৮) সকাল বেলা জামায়াতের সাথে নামাজ পড়ে ঘরে নিয়মিত শব্দ করে কোরআন তেলাওয়াত ও হাদীস অধ্যনয়ের করবো।
৯) ইসলামী বিভিন্ন দোয়া যেমন: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, ফি আমানিল্লাহ, জাযাকাল্লাহ ইত্যাদির ব্যাপক প্রচলন করবো।
১১) পরিচিত অপরিচিত সবার সাথে দেখা হলেই ছালাম দেব।
১২) পরিপূর্ণ ইসলামী শিক্ষা দেয়ার জন্য আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সক্ষমদের উদ্বুদ্ধ করবো।
১৩) নারীদের জন্য পৃথক যানবাহনের ব্যবস্থা করার জন্য সক্ষমদের সঙ্গে আলোচনা করবো।
১৪) প্রতিটি বাস/রেল/লঞ্চ স্টেশনে নারীদের জন্য অযু ও নামাজের আলাদা ব্যবস্থা করতে আন্দোলন গড়তে সক্ষমদের উদ্বুধ করবো। অন্তত বাস/ট্রেন/লঞ্চ স্টেশনের কাছাকাছি যাদের বাড়ী আছে তারা এক্ষেত্রে বাড়ীর একটা অংশকে নারীদের নামাজের স্থানের জন্য উপযুক্ত করে তৈরী করতে পারেন।
১৫) ইসলাম বিরোধী আইন অমাণ্য করতে জনমত গড়ে তুলতে চেষ্টা করবো। (দক্ষিণ আফ্রিকায় মহাত্মা গান্ধী তথা নেটিভদের জন্য ট্রেনের ১ম শ্রেণীর কামরা নিষিদ্ধ ছিল, কিন্তু তিনি জোর করে কামরায় উঠে পড়তেন শ্রেফ অনৈতিক এ আইনটি ভাঙ্গার জন্য।)

আরো করণীয় সম্পর্কে পাঠকের মতামত চাচ্ছি

** সক্ষম ব্যাক্তিদের উৎসাহিত করতে হবে আরও নতুন নতুন মিডিয়া প্রতিষ্ঠিত করতে যাতে নতুন প্রজন্ম আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে বাঁচতে পারে।
** মসজিদ মাদরাসা ও আলেম সমাজের মধ্যে সরকারের ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
** ইসলামের অনুসারীদের আরও বেশি বেশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে হবে যাতে সাধারন মানুষের মধ্যে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায়।
*
*
*
*
*

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“দ্বীন নিয়ে প্রশ্ন করা মানা, ফেরেশতাদের মুখ বন্ধ করবে কিভাকে?” লেখাটিতে একটি মন্তব্য

  1. motaleb বলেছেন:

    পরামর্শ
    ** সক্ষম ব্যাক্তিদের উৎসাহিত করতে হবে আরও নতুন নতুন মিডিয়া প্রতিষ্ঠিত করতে যাতে নতুন প্রজন্ম আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে বাঁচতে পারে।
    ** মসজিদ মাদরাসা ও আলেম সমাজের মধ্যে সরকারের ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
    ** ইসলামের অনুসারীদের আরও বেশি বেশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে হবে যাতে সাধারন মানুষের মধ্যে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা যায়।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন