‘র’ এর খাঁচায় বন্দী রয়েল বেঙ্গল টাইগার!

যারা নিয়মিত পত্র-পত্রিকা পড়েন কিংবা চোখ রাখেন টিভির পর্দায় তাদের কাছে ইতোমধ্যেই ভয়াবহ সংবাদটি পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের সংবাদে বোধকরি সচেতন মহলের ইতোমধ্যেই পিলে চমকে গেছে। তবু যারা এখনো সংবাদটি সম্পর্কে আধাঁরে আছেন তাদের জানাতে চাই যে গত ২৩ এপ্রিল ২০১২ শ্রীলঙ্কার প্রভাবশালী পত্রিকা “শ্রীলঙ্কা গার্ডিয়ান” এর অনলাইন সংস্করণে “The Bengal Tigers in the R&AW cage : R&AW trained Crusader 100 in action in Bangladesh” শিরোনামে প্রকাশ করেছে যে বাংলাদেশের বেশ কিছু রাজনীতিবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বুদ্ধিজীবীকে গুম করার উদ্দেশ্যে ‘র’ আওয়ামী লীগের বাছাইকরা ১০০ জন ক্যাডারকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছে। কি, চমকে গেলেন? তাহলে তো পুরো সংবাদটিই তুলে ধরতে হয়:

 

বাংলাদেশের বেশ কিছু রাজনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং বুদ্ধীজীবীদের পৃথিবী থেকে মুছে দেয়ার উদ্দেশ্যে  কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে বাছাই করা ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের ১০০জন সশস্ত্র ক্যাডার ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ এ্যান্ড এনালাইসিস উইং ‘র’ এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভারতের দেরাদুনে সুদীর্ঘ ৬ মাস ব্যাপী কমান্ডো ট্রেনিং নিয়ে ২০১০ সালের জুন থেকে শুরু করে গুপ্ত হত্যা, অপহরণ ইত্যাদিসহ বিভিন্ন অপকর্ম শুরু করেছে। “ক্রুসেডার-হান্ড্রেড” কোডমেনের এই দলটি ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারতের প্রবেশ করে এবং ২০১০ সালের মধ্য জুন পর্যন্ত অবস্থান করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু তরুন কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ দেয়ার নাম করে ভারতীয় সেনাবাহিনীর চৌকস কমান্ডো প্রশিক্ষকরা এইসকল তরুণদের দূর্ধর্ষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ এ্যান্ড এনালাইসিস উইং ‘র’ এর মূল পরিকল্পনায় এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় “ক্রুসেড হান্ড্রেড” এর পুরো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনকাল থেকেই মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিকী ভারতীয় ‘র’ এবং ব্রিটিশ এমআই সিক্স এর সাথে দীর্ঘকাল ধরে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপন করেন। শেখ হাসিনার সাথে তার পারিবারিক ঘনিষ্ঠতারসূত্রেই তিনি ‘র’ এবং এমআই সিক্স এর সাথে সর্ম্পক তৈরী করেন। ২০০৯ সালের জানুয়ারীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা হওয়ায় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটবোন শেখ রেহানার ভাসুর হওয়ার সুবাদে  মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিকী সরকারে অপরিহার্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।  “ক্রুসেডার হান্ড্রেস” টীমের পুরো ব্যাচের সদস্যদের তিনি নিজে এবং তার অনুগত কিছু সহকর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের দিয়ে সরকার দলীয় ক্যাডারদের মধ্য থেকে বাছাই করেন। ‘ক্রুসেডার হান্ড্রেড’ গ্রুপের সদস্যরা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ফিরে এলে তাদের হাতে বাংলাদেশের বিরোধী দলীয় বেশ কিছু রাজনীতিবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের একটি হিট লিস্ট সরবরাহ করা হয়। তথ্যমতে, ‘ক্রুসেডার হান্ড্রেড’ গ্যাং এর হাতে সরবরাহকৃত তালিকায় ৮৩ ব্যক্তির নাম রয়েছে যাদের নাম পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রশিক্ষিত এ গুপ্তঘাতক দলের সদস্যরা রাজধানীর গুলশান ও বারিধারা এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে অবস্থান করছে। বারিধারা ভিত্তিক গুপ্তঘাতকেরা মেজর জেনারেল (অব) তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং গুপ্তঘাতকদের আবাসস্থলসমূহ অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স যন্ত্রপাতি সজ্জিত ও এসকল আবাসস্থলে জনসাধারণের অনুপ্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। অতি সম্প্রতি গুম হওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতা এম. ইলিয়াস আলীর নামও “ক্রুসেডার হান্ড্রেড” ফোর্স-এর তালিকায় রয়েছে। হিট লিস্টে রয়েছে এমন কিছু নেতাদের নাম আমার নিউ দিল্লিস্থ সোর্স প্রকাশ করেছে যাদের মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিবিদ আমানুল্লাহ আমান, মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এম. ইলিয়াস আলী, হাবিবুন নবী সোহেল, আব্দুল্লাহ আল নোমান, কাজী জাফর আহমদ, মীর কাসেম আলী, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, শফিউল আলম প্রধান, আ. স. ম. আব্দুর রব, মুফতি ফজলুল হক আমিনী এবং মওলানা ফজলুল করীম, শফিক রেহমান, মেহনাজ রশীদ, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ক্যাপ্টেন তারেক রহমান এবং তাজুল ইসলাম ফারুক (কিছু নাম গার্ডিয়ানের ২৮ তারিখের রিপোর্ট থেকে সংযোজিত)। আওয়ামী লীগ এবং “র” সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এদেরকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করবে কেননা আগামীতে আবার ক্ষমতায় আসতে এ মিশনকে ক্ষমতাশীন দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাব্যস্ত করেছে।

ক্রুসেডার হান্ড্রেড গ্যাংটির ক্ষুদ্র ও মাঝারী পাল্লার সাইলেন্সারযুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, গ্যাস বোমা সমৃদ্ধ এবং অপারেশনের জন্য রয়েছে যানবাহন। বাংলাদেশী যে কোন গোয়েন্দা সংস্থার চোখ এড়াতে এ দলের কিছু সদস্য স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে। এ গ্যাং এর প্রতিটি সদস্য বিশাল অঙ্কের অর্থসহ বিবিধ অতিরিক্ত  সুযোগ-সুবিধা যথা সদস্যদের পরিবার-পরিজনদের জন্য ঢকা শহরে এ্যাপাটমেন্ট ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ পেয়ে থাকে।  দিনের বেলায় এরা প্রকাশ্যে মুখ দেখাতে পারে না এবং প্রায় পুরোদিন এদেরকে ঢাকা শহরের আস্তানায় অবস্থান করতে হয়। আর জরুরী প্রয়োজনে বাইরে রাস্তায় বের হতে হলে  তাদেরকে জনসাধারণের কাছ থেকে তাদের মুখ লুকানোর জন্য বাধ্যতামূলকভাবে কালো রঙ্গের হেলমেট পরিধান করতে হয়। পর্যায়ক্রমে এ টিমের সকল সদস্যকে ৭ থেক ১০ দিনের বিনোদনের জন্য গোপনে  ভারতে প্রেরণ করা হয় এবং ভ্রমনের কোন প্রকার দলিলপত্র প্রদর্শন ছাড়াই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নির্বঘ্নে পারাপারের জন্য তারা অনুমতিপ্রাপ্ত।

আশাকরি ধৈর্যধরে এতক্ষণ প্রতিবেদনটি পড়েছেন এবং নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে হয়তো আপনার। কিন্তু আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল তারিখে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকার “NSG boost to Hasina inner cordon : Handpicked commandos to train at Manesar” প্রতিবেদনটি। প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার নিরাপত্তার জন্য ভারতীয় প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীদের মতো একটি চৌকস কমান্ডো বাহিনী শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়ার কথা বলা হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় একদল তরুনকে ইতোমধ্যেই ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের মানেশ্বরে অবস্থিত ন্যাশন্যাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) এ প্রশিক্ষণ শুরু করেছে।

এবার একটু টাইমলাইনটা মিলিয়ে দেখুন। শ্রীলংকা গার্ডিয়ান পত্রিকায় যে তারিখে ট্রেনিং শুরুর কথা বলা হয়েছে কয়েকমাস পরে টাইম অব ইন্ডিয়া পত্রিকার রিটোর্টেও তেমনি স্বীকার করা হয়েছে যে ইতোমধ্যেই ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে। শুধু প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ভিন্ন বলা হচ্ছে। এর কারণও আগেই বলা হয়েছে, গুম অপহরণের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়ার ক্ষেত্রে সঠিক উদ্দেশ্য প্রকাশ করা অসম্ভব কেননা তাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যকার দু’য়েকজন মানবিকবোধ সম্পন্ন অফিসার বেঁকে বসতে পারেন এবং তথ্য ফাঁস হলে বিশ্বব্যাপী ভারত ও আওয়ামী লীগ বেকায়দায় পড়ে যেতে পারে। তাই কৌশলে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা বলে আওয়ামী লীগের গুন্ডাদের কমান্ডো প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশে গুমের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছ।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“‘র’ এর খাঁচায় বন্দী রয়েল বেঙ্গল টাইগার!” লেখাটিতে 3 টি মন্তব্য

  1. শাহরিয়ার বলেছেন:

    No headway to opposition leader disappearance
    by Jessica Fox
    ( April 28, 2012, Dhaka, Sri Lanka Guardian) The 96-hour deadline set by ex-Prime Minister and now leader of the opposition in Bangladeshi parliament, Khaleda Zia will end at the midnight of April 28, 2012 (Saturday), while there is no sign of any progress in returning Bangladesh Nationalist Party (BNP) leader M Ilias Ali. Ministers and leaders of the ruling Awami League are clearly in the wrong competition of making irritating comments, while lately shipping minister in the current government, Shahjahan Khan said the opposition leader was “abducted by Islamist agents”. It is important noting here that, according to reports in vernacular dailies in Bangladesh, quoting eye-witnesses, Ilias Ali was forcibly abducted by plain-clothe officials of an intelligence agency, while a police officer, who was present on the spot, indicated that members of the army intelligence picked up Ilias Ali during late hours from a place. In this case, what Bangladeshi minister said has simply echoed the earlier claim of the government that “Islamist agents have penetrated inside Bangladesh Armed Forces”. Hypothetically saying, the ruling party is putting the blame of abducting opposition leader Ilias Ali on country’s armed forces, while it was already claimed by most of the sitting ministers as well as the Prime Minister that, a large number of Islamists were already “planted” inside Bangladesh Army.

    Under international law, an enforced disappearance is any form of deprivation of liberty by agents of the state or by persons or groups of persons acting with the authorization, support, or acquiescence of the state, followed by a refusal to acknowledge the deprivation of liberty or by concealment of the fate or whereabouts of the disappeared person
    While M Ilias Ali’s whereabouts is totally unknown, people doubt if he is still alive or would ever return to his family. Major segment of the people in Bangladesh believe, Ilias Ali and his chauffer might have already been killed in custody of his abductors. The situation in Bangladesh can be easily understood by reading a commentary in Dhaka’s leading English language newspaper The Daily Star, which writes — “The government, Awami league and other components of the ruling coalition are not working in coordination for a way out of crises centred on issues like a BNP leader’s disappearance, railwaygate scandal and power outage.”

    New York-based Human Rights Watch (HRW) on Friday asked the Bangladesh government to immediately conduct independent and impartial investigation into the growing number of cases where opposition members and political activists have vanished without trace.

    The most recent episode on April 17, 2012 involved Ilias Ali, secretary of the Sylhet Division of the opposition Bangladesh Nationalist Party (BNP), the HRW said in a web post. Ali’s case is part of an alarming rise in such incidents, including those of opposition members and political activists. The Human Rights Watch recently expressed concern over the April 4 abduction and subsequent death of Aminul Islam, a prominent labor rights activist.
    Ain-O-Sailash Kendra, a leading human rights group in Bangladesh, has documented the disappearance of least 22 people in 2012 alone. According to Odhikar, another Dhaka-based human rights group, more than 50 people have disappeared since 2010.

    “The rise in disappearances, particularly of opposition members and activists, requires a credible and independent investigation,” said Brad Adams, Asia director at Human Rights Watch. “The government has taken no serious steps to ensure such an investigation of these disappearances or to prevent them in the first place.”

    Ilias Ali and his driver, Ansar Ali, have both vanished. The police found Ali’s abandoned car and mobile phone in a parking lot near his house in Banani in central Dhaka at around midnight on April 17. There has been no sign of Ali or his driver since then.

    Adams said that Prime Minister Sheikh Hasina called on the police to investigate Ali’s disappearance, but also said that she believed Ali and his driver were “hiding” at his party’s orders to create a situation that would allow the opposition to blame the government.

    He said Human Rights Watch has long documented abductions and killings by Bangladeshi security forces, especially the Rapid Action Battalion (Rab). In its World Report 2012, Human Rights Watch noted that although the number of Rab killings had dropped following domestic and international criticism, there had been a sharp increase in enforced disappearances, with persons disappearing after last being seen in the custody of security agencies leading to concerns that security agencies have replaced one form of abuse with another. Bangladeshi authorities routinely refuse to confirm the detention or fate of those persons who disappear after being seen in their custody.

    Under international law, an enforced disappearance is any form of deprivation of liberty by agents of the state or by persons or groups of persons acting with the authorization, support, or acquiescence of the state, followed by a refusal to acknowledge the deprivation of liberty or by concealment of the fate or whereabouts of the disappeared person, he said.

    Adams said Home Minister Shahara Khatun, speaking in January, dismissed Human Rights Watch’s allegations of possible security force involvement in abuses and laid the entire blame for disappearances on criminal elements.
    “The government of Sheikh Hasina has made repeated promises to end abuses and ensure justice and accountability,” Adams said. “But in spite of these public pledges, the government consistently dismisses or ignores evidence of abuses by the security forces. This is why an independent investigation into all cases of disappearances is urgently required.”
    Human Rights Watch further expressed concern about apparent excessive use of force by the security forces against protesters throughout Bangladesh during a general strike called by the BNP to protest Ali’s disappearance. Since April 21, two protesters, Monwar Miya and another who is yet to be identified, have been killed in clashes between protesters and security forces.

    It said thousands more protesters have reportedly been injured and about one thousand have been arrested. Human Rights Watch called on the government to ensure a full and effective investigation into the two deaths, and ensure security forces only use the minimum necessary force to deal with violent crimes, as set out in the UN Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials.

    “While the police are allowed to stop protesters from committing acts of criminal violence, they must not use excessive force to quell the protests,” Adams said.

    HRW’s statement centering the current situation and the cases of disappearance in Bangladesh will ring the bell very loud around the world, though the ruling party is seen turning deaf to any such international outcry on the issues of disappearance and extra-judicial murders.

    Politics in Bangladesh is getting difficult gradually with the clear sign of cloud deepening in the sky of democracy in that tiny south Asian nation. Whatever interpretation the rulers may try giving in Bangladesh, it has become clear that a team of 100 youths selected from the student and youth wings of Awami League have hands behind most of the cases of disappearances and murders. This group codenamed “Crusader-100” returned to Bangladesh after taking commando training in India directly under the supervision of Research and Analysis Wing (RAW). This deadly squad was provided a “hit-list” of 78 people, which also had the name of missing opposition leader Ilias Ali. Some of the names in the same list are, Amanullah Aman, Mirza Abbas, Sadeque Hossain Khoka, Brig. Hannan Shah, Goyeshwar Chandra Roy, M Ilias Ali, Habibun Nabi Sohel, Abdullah Al Noman, Kazi Zafar Ahmed, Mir Qashim Ali, Col. Oli Ahmad, Barrister Abdur Razzaque, Shafiul Alam Pradhan, ASM Abdur Rob, Mufti Fazlul Haque Amini, Moulana Fazlul Karim, Shafiq Rehman, Mehnaz Rashid, Abdul Awal Mintoo, Capt. Tarek Rahman and Tajul Islam Faruk.

    [উত্তর দিন]

  2. amin বলেছেন:

    আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। আমীন

    [উত্তর দিন]

  3. আওয়ামী জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে জামায়াতের হরতাল সফল হোক | শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস বলেছেন:

    […] নাম করে পূর্বের কিলিং মেশিন “ক্রুসেডার হান্ড্রেড“-এর মতো  আবারো যুবলীগ ছাত্রলীগকে […]

মন্তব্য করুন