ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে মসজিদে পুজা! হাসিনার বাংলাদেশে ব্যালে ড্যান্স!!

মসজিদে পুজো! মুসলমানতো দূরের কথা, অমুসলিম হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইহুদী, শিখ, বাহাই ইত্যাদি ইত্যাদি ধর্মের কোন অনুসারীর পক্ষেও এটা কল্পনা করা অসম্ভব যে মসজিদে হিন্দু ধর্মীয় পুজো সম্ভব। তবে এই অকল্পনীয় কাজটি ইতোমধ্যেই বাস্তবে সম্পন্ন করে ভারত সরকার দেখিয়ে দিয়েছে ধর্ম নিরপেক্ষতা বলতে যার যার ধর্ম পালন নয়, বরং সকল ধর্মের মাঝেই হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতির অনুপ্রবেশ, অনুকরণ, অনুসরণই শেষ কথা। গত ৬ অক্টোবর হিন্দুধর্মীয় দূর্গাপুজার বিজয়া দশমীতে ভারতের শিলচরে মসজিদকে পুজোমন্ডপ বানিয়ে রীতিমতো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, ধর্মনিরপেক্ষ ভারত ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছে বিভৎস্য ব্রাহ্মণ্যবাদ।

বিজয়া দশমীতে শিলচরের সদরঘাট থেকে প্রতিমা বিসর্জনের দৃশ্য শিলচর দূরদর্শনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। পত্রিকা রিপোর্টে জানা যায়, অতীতে সরাসরি বলতে কিছু সময় পর পর রেকর্ডকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখানো হলেও এবার সত্যিকারের লাইভ অনুষ্ঠান দেখাতে সদরঘাটের সবচেয়ে উচু স্থান তথা মসজিদের মিনারকেই বেছে নেয়া হয়। মসজিদে মাইকোওয়েভ লিংক, মিনারে ডিস এন্টেনা, ক্যামেরাসহ যাবতীয় সরঞ্জাম জুড়ে দেয়া হয়, এমনকি বিদ্যুতের সাপ্লাই পর্যন্ত নেয়া হয় মসজিদ থেকেই, দূরদর্শনের কাজের তদারকিতে এক পায়ে খাড়া ছিলেন মসজিদের কেয়ারটেকারসহ কয়েকজন । আর এ পুরো প্রক্রিয়াটির প্রস্তাব পত্রিকার ভাষ্যমতে মসজিদ কর্তৃপক্ষ সানন্দে লুফে নিয়েছে। পত্রিকা মতে, মসজিদ কমিটির সভাপতি নূরুল আলম বড়ভূইয়া বলেন, “এতে আপত্তির কি আছে। বরং আমরা এতে শরীক হতে পেরে খুশি। কারন আমাদের মিলে মিশে থাকতে হবে”। শুধু দূরদর্শনের সম্প্রচারই নয়, বরং মসজিদের ছাদে বসেই ধুমধামের সাথে প্রতিমা বিসর্জন প্রত্যক্ষ করেন অনেক দর্শক। দূরদর্শন “এলজি শুভ বিজয়া” নামের এই অনুষ্ঠানে কেবল প্রতিমা বিসর্জনই সম্প্রচারিত হয় নি বরং গান ও হিন্দু ধর্মীয় আলোচনাও সম্প্রচারিত হয়। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, পুরো প্রক্রিয়াটিতে মুসলমানেরা স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিলন, নাকি বাধ্য হয়েছিল?

একজন মুসলমান, বিশেষকরে যিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামায়াতের সাথে আদায় করেন, কিংবা মসজিদের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত তাদের কারো পক্ষে মসজিদকে পুজোর কাজে ব্যবহার করতে দেয়ার ধৃষ্টতা দেখানোর কথা নয় বরং যাদের অন্তরে জোনাকি পোকার মতোও এতটুকু ঈমান নীবু নীবু করে জ্বলছে, তাদের কারো পক্ষেই মসজিদের এমন অবমাননা সহ্য করা সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই এটি পরিস্কার যে স্বতস্ফূর্তভাবে নয়, বরং অস্ত্র কিংবা হুমকির মুখে বিপন্নপ্রায় মুসলমানেরা বাধ্য হয়েছে মসজিদকে পুজোর কাজের জন্য ছেড়ে দিতে। নুরুল আলমের অন্তত একটি কথার মাঝে তার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়, “আমাদের মিলে মিশে থাকতে হবে” তার এমন কথায় ভারতের মুসলমানদের অসহায়ত্ব অস্ফুটস্বরে ধ্বনিত হয়। বিশেষকরে বাবরী মসজিদ রক্ষা করতে গিয়ে পুরো ভারত জুড়ে মুসলমানদেরকে যেভাবে নির্বিচারে প্রাণ দিতে হয়েছে, তাতে নতুন করে ভারত সরকারের ইসলামবিদ্বেষী তৎপরতায় বাধা দেয়ার হিম্মত ভারতীয় মুসলমানদের থাকার কথা নয়।

ভারতের মুসলমানরা যে কতটা অসহায়, তার আরেকটি প্রমাণ হাইলাকান্দি মসজিদ। বিগত কয়েক বছর ধরে হাইলাকান্দিতে মসজিদের মেহরাবে হিন্দু নেতারা জোর করে ঢুকে বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে আসছেন। গত ৩ অক্টোবর আবারো তিলক কেটে, ধুতি পাঞ্জাবী পরে মন্ত্রী গৌতম রায় ঢুকে পড়েন মসজিদের মেহরাবে (ইমামের আসনে)। তার সাথে সাথে মেহরাবের যায়গা দখল করেন জেলা প্রশাসক ভূবন চন্দ্র বরা, অশোক দত্তগুপ্ত, গৌতম গুপ্ত, প্রবীর চন্দ্র পালসহ আরো অনেকে। প্রতিবাদে অধিকাংশ মুসল্লী মসজিদ থেকে বের হয়ে যান।

শুধু এখানেই থেমে নেই ভারতের ইসলাম বিদ্বেষী অপতৎপরতা। দেবী বিসর্জনের সময় নতুনবাজার মসজিদে ঢিল ছুড়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়ানোর জন্য উস্কানী দেয় ভারত সরকার। মাত্র এক সপ্তাহের মাঝে ভারতের শিলচরে প্রকাশ্য এ সকল ঘটনা প্রমাণ করে, ভারত সরকার মুসলমানদের উপর চরম কোন আঘাত হানার জন্য অজুহাত খুঁজে চলেছে, আর সেটি বুঝতে পেরেই হয়তো মুসলমানরা মুখবুজে সবকিছু সহ্য করে যাচ্ছে।

এই যদি হয় একটি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নমুনা, এই যদি হয় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, তবে সহজেই অনুমান করা যায় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কতটা বিভীষিকাময়। অথচ সে অন্ধকার মৃত্যুকূপের দিকে বাংলাদেশকেও হাকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার ইসলাম বিদ্বেষী সরকার। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ইতোমধ্যেই মসজিদের ঈমামদেরকে অনৈতিকতায় অভ্যস্ত করার প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হয়েছে, ঈমাম প্রশিক্ষণের নামে ঈমামদের বাধ্য করা হচ্ছে উদ্যম নৃত্য দর্শনে, এমনকি নাচগানের জন্য মাইকে আজান বন্ধ করার ধৃষ্টতাও দেখানো হয়েছে ইতোমধ্যে। হিজাব পড়া নারীদের রাস্তাঘাতে হেনস্তা করা হয়েছে, কোন কোন মেডিকেল কলেজে নার্সদের হিজাব পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মনিরপেক্ষাবাদী শিক্ষকেরা নেকাব খুলতে বাধ্য করছে, আবার স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া পর্দানশীল মেয়েদের জেলহাজতে পুরে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আর এভাবেই সমাজের আস্থার মিনারগুলো ভয়ংকর ঝাকুনি দিয়ে ধ্বংস করে দিতে চায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কারন, ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামী সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছেন, ইসলামই তার প্রধান প্রতিপক্ষ। তাই ইসলামী হুকুম আহকামের পরিবর্তে ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতিতেই তিনি আকন্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি হিন্দুদের দূর্গাদেবীকে মা বলে সম্বোধন করে তার কাছে সমৃদ্ধির বর চেয়েছেন, এর আগেও তিনি ভারতে গিয়ে মাথায় সিঁদুর ও তিলক ধারণ করেছিলেন। আর ইসলাম নির্মূলে ইসলামের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর মুলোৎপাটনে যুদ্ধাপরাধের বিচার নামে ভাঙ্গারেকর্ড বাজিয়ে চলেছেন। যার সুমধুর আহ্বানে সহস্রাধিক অমুসলিম আশ্রয় নিয়েছেন ইসলামের সুশীতল ছায়ায়, তাকে মিথ্যে অপবাদে দিনের পর দিন বন্দী করে রাখা হয়েছে। অথচ, আল্লামা সাঈদী মুক্ত থাকলে, অন্তত দু’শতাধিক তাফসীর মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈমানকে শানীত করতে পারতেন। আর এ কারনেই আল্লামা সাঈদীকি নিয়ে ইসলাম বিরোধী আওয়ামী সরকারের যত ভয়।

অথচ হিন্দুধর্ম প্রচারে, হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠান পালনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকা বাড়ানো হচ্ছে। মাত্র এক বছরে দুই হাজার অতিরিক্ত পুঁজোমন্ডপে পুজোর ব্যবস্থা করেছে সরকার। আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে ইসলাম বিদ্বেষী সরকারের প্ররোচনায় ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উস্কে দিতে প্রতিনিয়ত হিন্দুধর্মাবলম্বীরা উস্কানী দিতে শুরু করেছে। রাসূলকে (সাঃ) নিয়ে কটাক্ষ, ইসলামের মৌলিক ইবাদত কোরবানী নিয়ে কটাক্ষসহ বিভিন্ন ইসলামী বিধান নিয়ে কটাক্ষকরা মাত্র তিনটি বছরে রীতিমতো হিন্দু সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এমনকি বিজয়া দশমীর দিনে মুন্সিগঞ্জে পূজার কনসার্টে খুন করা হয় মুসলমান যুবককে, আহত করা হয় আরো ৪ জনকে। অথচ এতোদিন হিন্দু-মুসলিম ভাই-ভাই হয়ে রয়েছে বাংলাদেশে, সকলেই সমান সুযোগ সুবিধা লাভ করেছে, বরং রাষ্ট্রীয় বিভিন্নপদে সাংখ্যানুপাতিক হারের চেয়ে অনেক বেশী হিন্দু নাগরিকেরা অধিষ্ঠিত হয়েছেন। অথচ আজ মুসলমানদেরকে প্রতি পদে পদে হেয় করে, হিন্দুদেরকে মুসলমানদের উপরে শেষ্ঠত্বের আসনে বসানোর মাধ্যমে সরকার দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে ভারতের মতো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দেশে পরিণত করতে চাচ্ছে। আর এর মাধ্যমে পানি ঘোরা করে ভারতীয় প্রভূদের বাংলাদেশের মাটিতে মামদোবাজি করার সুযোগ করে দেয়ার অপতৎপরতায় লিপ্ত হাসিনা সরকার।

কিন্তু  ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা হাসিনার দশ টাকা সের চালের ছলনায় লোটাস ইটারদের মতো আর ঘুমিয়ে থাকবে না। মুসলমানদের কাছে শরীরের চেয়ে আত্মা বড়, পেটের চেয়ে ঈমানই শ্রেয়। তাই, ধর্মনিরপেক্ষতা নামের মাকাল ফলের সৌন্দর্যে কিছুতেই আর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঈমানকে সম্মোহিতকরে অচেতন করে রাখা যাবে না। ধর্মনিরপেক্ষ ভারত সরকার ইতোমধ্যেই ধর্মনিরপেক্ষ মাকাল ফলটি উন্মোচন করেছে, গা-গুলানো অখাদ্য বেরিয়ে এসেছে মাকাল ফলের খোলস ভেঙ্গে। এবার সময় এসেছে বাংলাদেশের ধর্মনিরেপক্ষতার ধ্বজাধারীদের মুখোশ উন্মোচনের। সময় এসেছে ভারত সরকারের ব্যাগভর্তি টাকা আর কূটবুদ্ধিপরামর্শে আতাঁতের নির্বাচনে জনতার ঘাড়ে সিন্দাবাদের ভুতের মতো জেঁকে বসা ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামী সরকারকে নর্দমায় ছুড়ে ফেলার। মনে রাখা দরকার, ধর্মনিরপেক্ষতার মাঝে ইসলাম টিকতে পারে না, হাসিনার কারাগারে মুসলমান বাঁচতে পারে না।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে মসজিদে পুজা! হাসিনার বাংলাদেশে ব্যালে ড্যান্স!!” লেখাটিতে 11 টি মন্তব্য

  1. পাশা বলেছেন:

    অন্যকে সহায়তা করাতে আমি কোন ক্ষতি দেখছি না। মসজিদে তো পূজা অর্চনা করা হয়নি, হলে সেটা মসজিদে পুজা বলা যেত। কিন্তু আসল ঘটনা, আপনার লেখার ফাকে হারিয়ে গেছে, সমালোচনা করার আপনার অধিকার আছে। তাই বলে এইভাবে মসজিদে পুজা বলার মানে কি? আপনার লেখার প্রথমদিকে পড়ে মনে করেছিলাম মসজিদে এসে হিন্দুরা তাদের দেবতাদের পুজা করেছে। আপনার লেখার বাকীটুকু পড়ে বজলাম, মুসলমানদের সহায়তার কারণে হিন্দুরা উপকৃত হয়েছে। এটা তো ভাল খবর। আমাদের মসজিদে এসে যদি কোন অমুসলমান ভাল কিছু শিখতে পারে তাতে আপত্তি করার কি আছে?

    [উত্তর দিন]

  2. Abubakar Siddique Mizi বলেছেন:

    ধন্যবাদ, শাহরিয়ার ভাই।
    যাদের অন্তরে জোনাকি পোকার মতোও এতটুকু ঈমান নীবু নীবু করে জ্বলছে, তাদের কারো পক্ষেই মসজিদের এমন অবমাননা সহ্য করা সম্ভব নয়।
    জানি না, পাশা মুসলমান না আওয়ামী লীগ?
    সে নামধারী মুসলমান হলেও কামাল পাশার মতো নাস্তিক হতে পারে । কারন, তার মন্তব্য তাই ই প্রমান করে।

    [উত্তর দিন]

    পাশা উত্তর দিয়েছেন:

    মিয়াজী ভাই, সালাম নিবেন।

    আপনি কিন্তু আমার প্রশ্নের উত্তর দেননি। আমি বিশ্বাস করি, আপনি নিশ্চয়ই অনেক ভাল মুসলমান। কিন্তু এইভাবে একজন ভাইকে আক্রমন করার মানে কি? আপনি কি আমার মন্তব্য পড়ে মন্তব্য করেছেন না, শাহরিয়ার ভাই এর লেখা পড়ে মন্তব্য করেছেন সেটা বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
    পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন, “মিথ্যার রঙে রাঙিয়ে সত্যকে সন্দেহযুক্ত করো না এবং জেনে বুঝে সত্যকে গোপন করার চেষ্টা করো না।” (সুরা বাকারা- ৪২)

    এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মওদুদী রহ. তার তাফহীমুল কুরআন তাফসীর গ্রন্থে লেখেছেন, আরবের ইহুদীরা বিভিন্ন মিথ্যা কথা বলে সাধারণ মানুষকে ইসলাম থেকে দুরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করত। সেই জন্য আল্লাহ তাদের বলছেন তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত কর না। সুরা বাকারার ৫৮ নং ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য।

    কিন্তু আজ আমাদের মুসলমানরা সেই একই রোগে আক্রান্ত। মুসজিদে পুজা? আসলেই কি মসজিদের পুজা দেয়া হয়েছে। তাহলে কেন তা মসজিদে পুজা বলা হবে?

    ভাই মিয়াজী, মুসলমানরা মানুষকে মূল্যায়ন করতে জানে। তারা মানুষকে সম্মান দিতে জানে, সম্মান দিয়ে কথা বলতে জানে। কাউকে আক্রমন করে তারা কোন কথা বলে না। আল্লাহর রাসুল (সা.) আর তার সাহাবীদের জীবন থেকে আমি তাই জেনেছি। হয়ত আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন। যদি আমার বুঝার ভুল হয়ে থাকে শুধরে দিবেন।

    ভাল থাকবেন। উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

    [উত্তর দিন]

    পাশা উত্তর দিয়েছেন:

    স্যরি আপনার নামটা ভুল বানানে লেখেছি। আবুবকর সিদ্দিক মিঝি হবে।

    [উত্তর দিন]

    Abubakar Siddique Mizi উত্তর দিয়েছেন:

    অয়ালাইকুম আসসালুম, ভাই। আপনি আমার মন্তব্যে দুঃখ পেয়ে থাকলে, আপনার দুঃখে আমি দুঃখিত।
    ভাই, আপনি ভাল করেই জানেন “শিরক কি? এটি কোন ধরনের গুনাহ?”।

    আপনি হিন্দুদের শিরকের কাজে মুসলমানদের সাহায্য করাকে বাহ!বাহ! জানিয়েছেন।

    এটা আপনি যেভাবেই বলেন না কেন!
    শিরকের কাজে মুসলমানদের এ ধরনের সাহায্য কখনও কি কাম্য??

  3. wahid বলেছেন:

    i am agree with you mr.Abubakar Siddique Mizi.Very big question about pasha….

    [উত্তর দিন]

  4. Zia বলেছেন:

    Hasina , Suranjit Gong believe in secularism. OK, Why do you stand against our Islam, belittle our philosophy ? Why do you remove Faith on Allah? Why do you stand against Quarn & Madrasha ? Is War crime your prime or problem ? Please concentrate on poverty alleviation and democracy.

    [উত্তর দিন]

  5. Abubakar Siddique Mizi বলেছেন:

    সময় এসেছে বাংলাদেশের ধর্মনিরেপক্ষতার ধ্বজাধারীদের মুখোশ উন্মোচনের। সময় এসেছে ভারত সরকারের ব্যাগভর্তি টাকা আর কূটবুদ্ধিপরামর্শে আতাঁতের নির্বাচনে জনতার ঘাড়ে সিন্দাবাদের ভুতের মতো জেঁকে বসা ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামী সরকারকে নর্দমায় ছুড়ে ফেলার। মনে রাখা দরকার, ধর্মনিরপেক্ষতার মাঝে ইসলাম টিকতে পারে না, হাসিনার কারাগারে মুসলমান বাঁচতে পারে না।

    [উত্তর দিন]

  6. umashankar mandal বলেছেন:

    I read this article and as an Indian and a Bengali i want to say that, these are not all true. There is no deference between Hindu and Muslims here in west Bengal. you just search any Bengali newspaper and u will see there is not a single report about communal riot or problems. I live in suburban Kolkata and there are so many Muslim brothers here. We both respect each other and live a wonderful life. I travel extensively and till now i have not find any place where there is any division between religions. In fact our
    Former president was a Muslim person. There may be some incident but you can’t impose that on whole nation. You may have your point of view as far as I know India was there when Bangladesh was in trouble. How can you forget that and say Muslims are tortured here. I live in Kolkata and I have house near Bongaon and I have not seen any.

    [উত্তর দিন]

  7. Guest বলেছেন:

    Assalamu-alaikum Wa Rah..Wa Barak..!!! vai ekta khub e informative site peyechi..jodi sotter sondhan koren tahole eai website visit korun..ekjon muslim vai hisebe amar kortobbo sottoke prochar kora..
    https://bab-ul-islam.net/forumdisplay.php?f=66

    Link visit a somossha holey..follow the instruction:

    1st click: I Understand the Risks
    2nd Click: Add Exception Button (Same Page)
    3rd Click: Confirm Security Exception Button (New Page)

    Zajakallahu Khairan

    [উত্তর দিন]

  8. উদাসীন চৌধুরী বলেছেন:

    লিখাগুলো খুবই ভাল লেগেছে। লিখককে ধন্যবাদ

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন