তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু : সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়

সুখে থাকলে ভুতে কিলায় বলে একটা কথা চালু আছে সমাজে। এখন তো দেখি সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়। না, দেশ ঠিক সুখে ছিল বলা যাবে না বরং তীব্র অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত উচ্চপদস্ত কর্মকর্তার মতো একবুক জ্বালা নিয়ে থমকে ছিল। তবে আদালতের অযাচিত হস্তক্ষেপে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ উত্তপ্ত কড়াই থেকে সরাসরি দোযখে পতিত হলো। আদালতের রায় শিরোধার্য, আর তাই আদালতের রায় মেনে বাংলাদেশের শিরচ্ছেদ করার মহাযজ্ঞ শুরু হলো। যেন মানুষ নয়, পৃথিবীতে টিকে থাকার একমাত্র অধিকার আইন-আদালতের। হাতুড়ে ডাক্তারের মতো যে কোন সমস্যার এক দাওয়াই, আদালত নামের মহাতীৎকুটে কুইনাইন। আরোগ্য হলে তো ভালো, না হলে মরুক গিয়ে, জনসংখ্যার ভারে ভারাক্রান্ত বাংলাদেশ জঞ্জাল মুক্ত হলো, এটাই যেন বড় পাওয়া। অথচ “প্রয়োজনের কারণে আইনসম্মত এবং জনগণের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ আইন”, সুপ্রাচীনকাল ধরে চলে আসা নীতিমালা ভুলতে বসেছে আদালত। একবারও ওরা ভেবে দেখে না, আইন-কানুন মানুষের কল্যাণেই। যে আইনে মানুষের অকল্যাণ সে তো আইন নয়, অভিশাপ; অবশ্যই তা পরিত্যাজ্য।

চলতি বছরের মে মাসে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে। একই সাথে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ বলেছে, তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আরও দুটি সংসদ নির্বাচন হতে পারে। অথচ ‘সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাখার সুযোগ নেই’, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যে সারা দেশে নরক নেমে আসার জোগাড় হয়েছে। এই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবীতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী ‘৯৬ সালে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, চলেছে অসহযোগ আন্দোলন, এমনকি তত্ত্ববধায়ক ইস্যুতে দেশে এ পর্যন্ত পৌঁনে দু’ শত আধা ও পূর্ণদিবস হরতাল পালিত হয়েছে। এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তনের জন্যই রাজপথে একজন সচিবকে দিগম্বর করেছিল আওয়ামী লীগ, এ তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে যমুনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনেও হরতাল ডাকা হয়েছিল। এখনো স্পষ্ট মনে আছে, এ যাবৎকালের দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যমুনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন আওয়ামী লীগ হরতাল ডাকার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগেরই জনৈক সংসদ সদস্য (এ মুহুর্তে নাম মনে পড়ছে না) পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন।  অথচ আজ শেখ হাসিনা আদালতের রায়ের প্রতি এতটাই শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠলেন যে, পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাওয়ার আগেই শেখ হাসিনা সংসদে ঘোষণা করেছেন,  আদালতের রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা রাখার সুযোগ নেই। তবে জনগন শেখ হাসিনার আইনের প্রতি শ্রদ্ধার কথা ভালো করেই জানে, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে লাঠি মিছিলের ইতিহাস আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলের আছে কি?

আওয়ামী লীগের স্পষ্ট ঘোষণা, বর্তমান সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আর একই সুরে সুর মিলিয়ে নর্দমা থেকে উঠে আসা পতিত স্বৈরাচার এরশাদের দাবী “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাজনীতিবিদদের জন্য কলঙ্ক, এ কলঙ্ক মুছে ফেলা উচিত”। তবে হঠাৎ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা কেন? বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রশ্ন, ‘সেনা প্রধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান সবই তো সেদিন নিজের পছন্দমতো ঠিক করে ক্ষমতা ছেড়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। কিন্তু লাভ তো হয়নি। জেলের ভাত তো তাঁরও খেতে হয়েছে। সেই জেল খাটার কথা, মার খাওয়ার কথা তিনি ভুলে গিয়ে সেই দরজা কেন আবার তিনি খুলে দিতে চান?’  এখানে স্পষ্টত “উদ্দিন দ্য ট্রায়ো” সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলা হচ্ছে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দু’টো বছর আদৌ কি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল? মোটেই নয়, বরং ইয়াজউদ্দিনকে কামানের ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা দখল করা “উদ্দীন দ্য ট্রায়ো” সরকার প্রকৃতপক্ষে সামরিক সরকারই ছিল। দেশের সকল মানুষ জানে, সকলেই বোঝে, তবু রাজনীতিবিদরা নিছক তাদের আত্মসম্মানটুকু জোর করে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে মুখ ফুটে স্বীকার করে না যে “উদ্দীদ দ্য ট্রায়ো” সরকার পরিপূর্ণরূপে সামরিক শাসন ছিল। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট এবং মঈন উ আহমেদের অতি সতর্কতার কারনে খায়েশ থাকার পরও তারা সরাসরি সেনা শাসনের কথা উচ্চারন করেনি, রাজনীতিবিদরাও মুখ খোলেন নি। অথচ, ধূর্ত মঈন যদি সাহসী হতেন, তবে সবাই জানতো, দেশ সামরিক বাহিনীর দখলে, বিক্ষুব্ধ দেশবাসী বিস্ফোরিত হতো ‘৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের মতো। আজ সেই ২ বছরের সামরিক শাসনের ব্যর্থতাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে প্রমাণ করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা উঠিয়ে দিতে চান শেখ হাসিনা। অথচ, ঐ সামরিক শাসনকে বৈধতা দেয়ার ঘোষণা দিয়ে মঈনের মদদে ক্ষমতা দখল করেছে আওয়ামী লীগই লাভবান হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজন কেন হয়েছিল? দেশের রাজনৈতিক দল বিশেষ করে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মাঝে যে সমুদ্রসম সন্দেহ আর অবিশ্বাস তা থেকে আপাত মুক্তির একটা পথ হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার। মাগুরা উপনির্বাচনে বিএনপির সীমাহীন কারচুপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনকে বেগবান করেছিল, দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব প্রমাণ করেছিল। তীব্র প্রসববেদনা নিয়ে সৃষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার দু’ দুটি সফল নির্বাচন উপহার দিয়েছিল। তৃতীয়টিও সফলভাবে হয়ে যেত যদি না এরশাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে না পড়তো। যেখানে আ’লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল সেখানে শেষ মূহুর্তে এসে বেঁকে যাওয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছিল। মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলন করে যারা সৃষ্টি করেছিল, সেই আওয়ামী লীগই আবার আতুরঘরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখে নুণ ঢেলে হত্যার চেষ্টা করেছে। আর এখন তো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিতে শেখ হাসিনা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অথচ যে অবিশ্বাস আর সন্দেহের জের ধরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্টি সে পরিস্থিতির আদৌ কি কোন পরিবর্তন এসেছে? মোটেই নয়, বিএনপি দেশকে উপহার দিয়েছিল মাগুরা উপনির্বাচন, আ;লীগ দিয়েছে ভোলা উপনির্বাচন। কেউ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান। এত বছরেও দলীয় চরিত্রে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসে নি বরং প্রধান দু’ দল প্রতিনিয়ত উল্কার গতিতে পরস্পরের থেকে দূরে সড়ে যাচ্ছে। এমনকি নেত্রীদ্বয়ের চরিত্রহণনেও এখন আর চিন্তা ভাবনা করা হয় না। তো, এই যখন রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থা তখন হুট করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে আ’লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনের চেষ্টা হলে তা আদৌ কি কেউ মেনে নেবে, আদৌ কি তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে? না, পাবে না; তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না এমনটাই মত দেশের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের।

তবে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু নিয়ে পানি ঘোলা না করাই ভালো ছিল, যদিও কেউ কেউ পানি ঘোলা করে খেতেই পছন্দ করে। আদালতের রায়ে বলা  হয়েছে, তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আরও দুটি সংসদ নির্বাচন হতে পারে। আওয়ামী লীগ আদালতের রায়ের প্রতি যদি এতটাই শ্রদ্ধাশীল, তবে রায়ের অর্ধেকটা নিয়ে লাফালাফি কেন? যেখানে প্রায় অধিকাংশ লোকই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনকেই যথোপযুক্ত মনে করে, যেখানে সুধীজনেরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, সেখানে একগুয়েমি করে এ ব্যবস্থাটিকে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র কি দলীয় সরকারের অধীনে কারচুপিঁর নির্বাচনের নীলনক্সাকেই প্রকাশ করে না? যেখানে মাত্র একজন বিচারপতির জন্য সংবিধান সংশোধন করা যায়, সেখানে জনগণের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলো তা বহাল রাখায় বাধা কোথায়?

হ্যা, এটা ঠিক, চেনা নেই, জানা নেই, রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ কিছু আমলা, গবেষক হঠাৎ করে দেশ পরিচালনা শুরু করবেন তা আমার কাছেও অযৌক্তিক। আমার কাছে এ বিষয়টি স্পষ্ট যে রাজনীতি খুব মেধাবী কিংবা খুবই খারাপ ছাত্রদের বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানের ধূর্ত ছাত্রদের বিষয় রাজনীতি। ভালো ছাত্ররা লেখাপড়া করে, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়, খারাপ ছাত্ররা হেল্পারী করে, শিল্পে শ্রম দেয়, আর সাধারণ অথচ ধূর্ত মেধার ছা্ত্রেরা উভয় শ্রেণীর ছাত্রদের মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে খেয়ে দিন কাটায়। তাই হঠাৎ করে যখন কোন বিচারপতি, যিনি সাধারণ মানুষের সাথে মেশেন না, প্রটোকল ছাড়া কিছু বোঝেন না, সামাজিকতার ধার ধারেন না, কিছু যুক্তি-পাল্টা যুক্তি বিশ্লেষণ ছাড়া বিচার ফয়সালা করতে পারেন না, এমন সুখী মানুষের হাতে যখন দেশের শাসনভার তুলে দেয়া হয় তখন তাদের পক্ষে রাজনীতির জট ছাড়ানো আদৌ সম্ভব হয় কি না তা আমার বোধগম্য নয়। রাজনীতির জট ছাড়াতে জটিল লোকজন প্রয়োজন যারা প্রতিনিয়ত মানুষকে প্রতারিত করে করে নেতা হন, অথবা এমন সৎ লোকের প্রয়োজন যারা সততার পাশাপাশি অসততা সম্পর্কেও সচেতন। কিন্তু এমন জটিলতার মাঝে যখন আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন লোকদেরকে ছেড়ে দেয়া হয় তখন তাদের জীবনেও জট লেগে যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কারনে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় জট লেগে গেছে। যারা ছিলেন সমাজে সবচেয়ে আস্থাভাজন তারাই আজ দলীয় সংকীর্ণতায় ধৃক্কিত। যে আদালত ছিল পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়, সে আদালতই আজ পরিণত হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে, পরিনত হয়েছে দেশের সবচেয়ে দূর্ণীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানেহাত-পা বাঁধা সাতারুর মতো স্বাধীনতা বিচারবিভাগ আজ কাচের ঘরের মতো ভংগুর। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ায় লোভে বিচারকরা দলীয় কৃতদাসে পরিণত হয়েছেন, কে কতটা দলীয় নেত্রীর আস্থাভাজন হতে পারবেন তার তীব্র প্রতিযোগিতা, এমনকি ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে আদালতের রায়ও রীতিমতো পাল্টে যায়, কিছুতেই আর নিরপেক্ষ থাকতে পারছেন না বিচারকরা, বেড়ালের মতো মিউঁ মিউঁ করে করে চলেছে ওরা। শুধু কি তাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের এই যে রায় সেটিও আদালতের উপর রাজনীতির নগ্ন হস্তক্ষেপকেই স্পষ্ট করে। নইলে এ রায় ঘোষণার ৩ মাস আগেই সরকার এ রায় মেনে সংবিধান সংশোধন করে মুদ্রণ করেছে কিভাবে? এই যখন আদালতের অবস্থা, তখন সে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থেকে বিচারকদের দূরে রাখা একান্ত জরুরী। রাজনীতিবিদেরা খারাপ, সে সবাই মানে, কিন্তু রাজনীতির কারনে সাধারণ মানুষের আস্থার মিনার ভেঙ্গে যাক সেটি কারো কাম্য হতে পারে না। তাই সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগটি অন্তত টিকে থাক সে প্রত্যাশায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সংস্কার জরুরী।

তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আদালত বাতিল করলেও দেশের স্বার্থে আগামী দু’টি নির্বাচন এ ব্যবস্থায় করার পক্ষে অভিমত দিয়েছে আদালত। একই সাথে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিদের বাদ রেখে সংসদ এ সরকার পদ্ধতি সংস্কার করতে পারে বলেও অভিমত দিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কারনে বিচারকদের মাঝে যে ক্ষমতাদখলের মোহ সৃষ্টি হয়েছে তা এ রায়ের ফলে কিছুটা অনুমান করা যায়। আদালত এ রায়ের মাধ্যমে দেশে যে অরাজকতার পরিবেশ তৈরী করেছে তা থেকে মুক্তি পেতে আদালতের দেয়া রায়ের অংশবিশেষ নয় বরং পূর্ণাঙ্গ রায় বাস্তবায়ন জরুরী। অবশ্যই আগামী দু’টি, প্রয়োজনে যতদিন পরিবেশ সৃষ্টি না হয় ততদিন, যতদিন রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টি না হয় ততদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখা হোক, তবে অবশ্যই বিচারপতিদের তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা থেকে বাদ দিয়ে। আমরা দেশের বিচার বিভাগকে নিরপেক্ষ ও জনকল্যাণকামী দেখতে চাই, বিচারকদের সততা নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলতে চাই না।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু : সুখে থাকলে হাইকোর্ট কিলায়” লেখাটিতে 6 টি মন্তব্য

  1. আরাফাত রহমান বলেছেন:

    ব্যারিস্টার রফিকুল হকের গল্পটি যথোপযুক্ত হয়েছে।

    [উত্তর দিন]

  2. mushfiqur rahman বলেছেন:

    adalot abomanona hawa bhoya onek abakto katha bollam na. jemon jei ainer karonay ager tinjon ch.justice ccg. halen sei ain arekjon kibhabay illegal balay. amader choto mathay ta dhaoray na. agulo bollamna. ballay pachay gordan jay.

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    সরকারের নির্দেশেই আদালত বাধ্য হয়ে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন। আদালতের রায়ের ৩ মাস আগেই সংবিধান মুদ্রিত হয়েছিল তাতে এ ধরনের কথাই উল্লেখ আছে।
    আদালত অবমাননা নামক জুঁজুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আর আমরা আদালত অবমাননা করছি না, বরং যে বিচারপতি দলীয় ক্রীতদাস হয়ে, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ঘুষ (অনুদান) নিয়ে এমন গণবিরোধী রায় দেন, তার অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত এবং একদিন নিশ্চয়ই হবে। সে বিচারটি হওয়া উচিত আদালত অবমাননার অভিযোগেও কেননা আদালতকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

    [উত্তর দিন]

    Jasim Uddin উত্তর দিয়েছেন:

    we need to punish that man (mr. khorul). like to hang-up and also how is the help him on that time.

    [উত্তর দিন]

  3. mushfiqur rahman বলেছেন:

    bar at law ta o shesh.

    [উত্তর দিন]

  4. mushfiqur rahman বলেছেন:

    bar at law ta shash karesen.

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন