প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ

সখি ভালোবাসা কারে কয়, সে কি কেবলি যাতনাময়, সেকি কেবলই চোখের জল, সেকি কেবলই দুঃখের শ্বাস, লোকে তবে করে কি সুখেরই তরে এমন দুঃখের আশ…
ভালোবাসা! পৃথিবীতে ভালোবাসার চেয়ে মধুর কোন শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় কি? হ্যা, যায়। ‘মা’ শব্দটি সমগ্র বিশ্বে সন্দেহাতীতভাবেই সবচেয়ে মধুর, সবচেয়ে আবেগময়। তবে সে আবেগের পেছনে কেবল ভালোবাসারই জয়গান। মায়ের ভালোবাসায় অন্ধকার মাতৃজঠরে একটু একটু করে বেড়ে ওঠে ভ্রুণ, মায়ের ভালোবাসায় নির্ভয়ে শিশু ভূমিষ্ট হয় পাপিষ্ট ধরায়, মায়ের আদরে সোহাগে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে পরিপূর্ণ আদম-হাওয়া। তাই, পৃথিবীতে যে কাউকেই জিজ্ঞেস করি না কেন, একই সুর শুনতে পাই, ভালোবাসি মাকে। নির্ভেজাল, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মায়ের আচল ছাড়া মিলে না যে আর কোথাও।
অনেকে ভালোবাসাকে আগুনের সাথে তুলনা করেন, তবে মা বলেন, “ভালোবাসা পানির মতো, নিম্নগামী, পূর্ব পুরুষ থেকে উত্তর পুরুষে প্রবহমান”। তাই কাউকে যদি ভেবে চিন্তে জবাব দিতে বলা হয়, তখন অনেকেই জবাব দেবেন, সন্তানকেই সবচেয়ে বেশী ভালোবাসেন তিনি। সেখানেও ঐ মা-বাবার ভালোবাসারই জয়।

ভালোবাসা, সে তো পুরোপুরি মনেরই বিষয়, শরীরে যে ভালোবাসা সে কখনো নিঃস্বার্থ নয়। কোন নারীকে দেখে হৃদয় সিন্ধুতে যে ঢেউ জাগে, সে ভালোলাগায় চাওয়া পাওয়াই মূখ্য, নিঃস্বার্থ নয় সে প্রেম। শরীর মন্থনেই পূর্ণতা পায় সে ভালোবাসা, আবার কখনো কখনো শরীরেই হারায় ভালোবাসা। শরীরের বিক্ষুব্ধ স্রোতে ভেসে ভেসে যদি ভালোবাসার নাও পৌঁছে যায় হৃদয়ের স্বচ্ছ সরোবরে, তবে সে ভালোবাসার আশ্রয় মেলে হৃদয়আশ্রমে। তবে যারা তটের বদলে তরীতেই বিশ্রাম চায়, সলিল সমাধি ছাড়া ভালোবাসা তাদের আর কি-ই বা দিতে পারে?

ভালোবাসা যদিও বা হৃদয়ের বিষয়, আবেগের বিষয়, তবুও তাতে বিবেকের কড়া নজরদারী চাই। আবেগ যেথায় বাঁধন হারা, বিবেক যেথায় নির্বাসিত, ভালোবাসার সেখানেই বিপর্যয়। তবু ভালোবাসার নিয়মনীতির বাইরেও ভালোবেসে অনেকে সুখী হতে চায়, তবু কেউ সুখী হয় কেউ হয় না। এভাবেই ভালোবেসে সুখী হতে চেয়েছিল মংলার সুরঞ্জিত মিস্ত্রী আর নুপুর বিশ্বাস। সমাজের নিয়মনীতিকে পায়ে দলে ভালোবেসে বিয়েও করেছিল ওরা, তবে সুখী হতে পারে নি সংসারে। অবশেষে গাছের শাখে একই দড়িতে ঝুলে সহমরণেই মুক্তি খুঁজেছে ওরা।
কারো কারো কাছে ভালোবাসায় শরীরটাই শেষ কথা, হৃদয়ের বদলে শরীরী ভালোবাসায় জানোয়ারের মতো গর্জায় কেউ কেউ। বুনো ষাড়ের মতো তাই দুমড়ে মুছড়ে একাকার করে দিতে চায় শরীরী চাওয়া পাওয়ার সামনে যত ভালোবাসার দূর্ভেদ্য দেয়াল। আর এমনই কিছু জানোয়ারের কবলে কলঙ্কিত হয় ভালোবাসা, পরাস্ত হয় হৃদয়। ঠিক যেমনটি ঘটেছিল পাঁচ বছরের শিশু সামিউলের জীবনে। মা আয়েশা হুমায়রা মাতৃজাতির ভালোবাসায় কালিমা লেপন করে হত্যা করেছিল নিজেরই সন্তান সামিউলকে। সামিলউল জেনে ফেলেছিল তার মায়ের অবৈধ প্রেমের কথা, দেখে ফেলেছিল আরিফের সাথে দীর্ঘদিনের শারীরিক সম্পর্ক। ভয় ছিল শিশুটি হয়তো অবৈধ সম্পর্কের খবর ফাঁস করে দেবে ওর বাবার কাছে। হয়তো ভেঙ্গে যাবে সংসার, হয়তো বা নির্যাতিত হবে সে স্বামীরই হাতে। নিজের নির্লজ্জতা ঢেকে দিতে বর্বরতাকে অস্ত্র হিসেবে তুলে নিয়ে শুধু সামিউল নয়, পুরো মানবতাকেই হত্যা করেছে যেন।
এভাবেই প্রাণ হারাতে হয় ৩ মাস ১৩ দিন বয়েসী ইয়াসির আদনান সুপ্তকে। সুপ্তর দোষ, সে ভালোবাসায় ভাগ বসাতে চেয়েছিল। শিশু সন্তানের প্রতি বাবার ছিল সীমাহীন ভালোবাসা। সে ভালোবাসাই কাল হয় সুপ্তর জীবনে, জবাই হতে হয় মায়েরই হাতে। যৌনতাড়িন মা ইতিয়ারা তার স্বামীর সঙ্গ থেকে বঞ্চিত হয় শিশুটির কারনে, স্ত্রীর চেয়ে শিশুটির প্রতি খুব বেশি সময় দিয়ে ফেলেছিল নাকি স্বামী সামাদ। ইতিয়ারা ভেবেছিল, সব কিছু ভাগ করা যায়, ভালোবাসা ভাগ করা যায় না, অথচ শিশুর জন্য বাবা পিতৃভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন, স্বামীর ভালোবাসা সেতো ইতিয়ারার জন্যই ছিল সংরক্ষিত। তবু পাশবিক তাড়ণায় বিভ্রান্ত মানুষেরা কখনো কখনো ভুলে যায় সব ফুলের ঘ্রাণ এক নয়, সব ভালোবাসার রং এক নয়।

পৃথিবীতে সবচেয়ে শক্তিশালী শব্দ কোনটি? নিঃসন্দেহে ভালোবাসাই সবচেয়ে শক্তিশালী। আর প্রাণ উজার করে ভালোবাসতে জানে বলেই তো মানবজাতি সৃষ্টির সেরা। তবু এ ভালোবাসাই কখনো কখনো পরিবর্তিত হয় তীব্র ঘৃণায়, সীমাহীন আক্রোশে ফেঁটে পড়ে প্রেমিক, প্রতিশোধের আগুনে পুড়ে ছাঁই হয় ভালোবাসা।  প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গ্রীক নাট্যকার ইউরিপিডিস তার ট্রাজেডি ‘মিডিয়া‘য় প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে ভষ্ম করেছিল ভালোবাসা। ভালোবাসার টানে জেসনের সাথে পালিয়েছিল মিডিয়া, পিছে ধাবমান বাবাকে ঠেকাতে আপন ভাইকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে ছড়িয়ে দিয়েছিল সমুদ্রে, যাতে সন্তানের লাশ সংগ্রহে বাধা পড়ে যান পিতা। যে ভালোবাসার জন্য ভাইকে হত্যা করে মিডিয়া, সে ভালোবাসায় যখন ভাগ বসায় অন্য কোন সুন্দরী, তখন যে সে ভালোবাসা তীব্র আক্রোশে রূপ নেয় সেটাই স্বাভাবিক। তাইতো প্রতিহিংসার রুদ্রমূর্তি মিডিয়া আবারও হত্যা করে স্বামীর নতুন বিয়ে করা বউকে, স্বামীকে শায়েস্তা করতে হত্যা করে নিজেরই দুই সন্তানকে, বঞ্চিত করে পিতাকে সন্তান সৎকারে। এভাবে পৌরানিকে ভালোবাসা আর ঘৃণার বিপরীতমুখী স্রোতের দেখা মেলে। তবে বাস্তবতা যে এর চেয়ে কোন অংশেই কম নয় তার প্রমাণ মেলে বিলাসী খাতুনের জীবনে।

স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি বিলাসী খাতুন। পারিবারিক নির্যাতন আর প্রতিনিয়ত স্বামীর অপমানে বিষিয়ে ওঠে বিলাসীর জীবন। যে স্বামীকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতো বিলাসী, সে স্বামীর প্রতি চরম প্রতিশোধ নেয়াই হয়ে পড়ে বিলাসীর জীবনের শেষ লক্ষ্য। আর তাই বিলাসীও বেঁছে নেয় মিডিয়ার পথ, স্বামীকে আমৃত্যু নরকযন্ত্রণা দিতে দুই শিশুসন্তানের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়ি হত্যা করে, আত্মহত্যা করে নিজেও। এভাবে ভালোবাসা হত্যা করে ভালোবাসার অধিকার আদায় হয় না বুঝেনা বিলাসীরা। বাবা-মায়ের অপরাধে কেবল প্রায়শ্চিত্ত করে যেতে হয় নিরপরাধ দুধের শিশুদের।
ভালোবাসার অধিকার থেকে বঞ্চিত বিলাসী হত্যা করে সন্তানদের, আত্মহত্যা করে নিজেও। নাদিয়া অস্ত্র হাতে তুলে নেয় অন্যের ভালোবাসার সংসার ভেঙ্গে নিজের জন্য জায়গা করে নিতে। ডিফান্ড হাসপাতালের নাদিয়া ভালোবেসেছিল জেসন ফার্মাসিউটিক্যাসের কর্মকর্তা মতিনকে। ভালোবেসে সঁপেছিল দেহপ্রাণ সবকিছু, দূর্ভিক্ষপিড়িত ভিখারীর মতো চেটেপুটে সবটুকু গ্রাস করেছিল মতিন। স্ত্রী পরিচয়ে রাতের পর রাত কাটিয়েছে হোটেলে, সফরসঙ্গী করেছে বিজনেস ট্যুরে। আর তাইতো মতিনের শরীরের শতভাগ অধিকার প্রতিষ্ঠায় হিংসাত্মক পথ বেছে নেয় নাদিয়া, ছুরি চালায় মতিনের ৩ বছরের শিশুসন্তানের গলায়
পরকীয়ার ঘুনে ধরা ভালোবাসার সংসারে সন্তানরাই যে সব সময় উৎসর্গিত হয়, এমনটি নয়, কখনো কখনো সন্তানও হয়ে ওঠে নির্মম খুনী। স্বামীর পরকীয়ার বিষাক্ত ছোবলে নীল হয়ে যায় পলি আর তার দুই মেয়ে জয়া ও অদিতির সাজানো সংসার। সেনাবাহিনীর ইন্সপেক্টরেট ইলেক্ট্রনিক এন্ড ইক্যুইপমেন্ট (আইইএন্ডই) ইউনিটের সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর (বেসামরিক) মার্টিনের দীর্ঘদিনের পরকীয়ায় প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে পড়ে তার স্ত্রী। পিতার বিয়ে বহির্ভূত যৌনাচারে সন্তানরা হয়ে ওঠে বিক্ষুব্ধ, হয়ে ওঠে খুনী মায়ের সহযোগী। সিনেমা স্টাইলে তাই পরিকল্পিতভাবে খুন করে, মার্টিনের লিংগ কেটে পরকীয়া প্রেমের উপন্যাসে উপসংহার টানে পলি আর তার সন্তানেরা।
না, শুধু নারীরাই নয়, পরকীয়া প্রেমে বিক্ষুব্ধ স্বামীরাও কখনো কখনো হয়ে ওঠে দানবের ন্যয় হিংস্র। দীর্ঘ ৭ বছরের প্রেমের ফসল রুমানা-সাঈদের ১১ বছরের যে ভালোবাসার ঘর, সেখানেও বেহুলার বাসরঘরের মতো পরকীয়া নামের বিষাক্ত নাগিনী ছোবল হানে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী-অধ্যাপক রোমানা মঞ্জুর উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডায় গিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ইরানের নাভিদ বিন তাহের নামে এক যুবকের সাথে, বসবাস করেন স্বামী-স্ত্রী’র মতো। দেশে ফেরার পরে সবকিছুই জানতে পারেন সাঈদ, পাশবিক হিংস্রতায় ঝাপিয়ে পড়েন রুমানার ওপর। যে সৌন্দর্যে বিভোর করে পরকীয়ায় জড়িয়েছে রুমানা, সাঈদের টার্গেট হয় যায় সেসকল অঙ্গ, নষ্ট করে দেয় চোখ, কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে ঠোট নাকসহ শরীরের বিভিন্ন অংগ। আর এভাবেই রোমানা স্পষ্ট করে পরকীয়া শুধু সাধারণের সমস্যা নয়, সমাজের নিয়ন্ত্রা শিক্ষক সমাজও আজ কলংকিত প্রেম-পরকীয়ায়।

এভাবে প্রেম আর পরকীয়ার বিষ নিঃশ্বাসে বিষাক্ত হয়ে উঠছে বাংলাদেশ, হয়ে উঠছে বসবাসের অনুপযোগী। পত্রিকার পাতা খুললেই চোখ আটকে যায় পরকীয়ায় বলি হওয়া শিশু সন্তানের নিষ্পাত ছবিতে। অপরাধের সংজ্ঞা বোঝার আগেই মা-বাবার অপরাধে ঝড়ে পড়ে গোলাপকুড়ি। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ পরিণত হচ্ছে গোলাপ শূণ্য নগরীতে। বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে বিবেকশূন্য, যৌনতাড়িত পশুদের খোয়াড়ে। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের চোখে সকলি শোভন, তাই বাংলাদেশ জেনে শুনে বিষ পান করে হেসে খেলে মৃত্যুকূপে ঝাপিয়ে পড়ছে। আর এ নিশ্চিত মৃত্যুযাত্রায় কান্ডারীর হয়ে শক্তহাতে দাড় টেনে যায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
আবহমান কাল ধরে সমাজকে কলুষমুক্ত, অশ্লীলতামুক্ত রাখতে যে শালীনতায় ঢেকে ছিল বাংলাদেশ, আচমকা ধর্মনিরপেক্ষ ঝড়ো বাতাসে তা সমূলে উপড়ে পড়ার উপক্রম। যে ধর্মীয় বিধিনিষেধের বেড়াজালে যৌনতাড়িত পশুছিল শৃংখলিত, ধর্মনিরপেক্ষ কুঠারের আঘাতে সে বাঁধন আজ ক্ষতবিক্ষত বিপন্নপ্রায়। যে পবিত্র পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক মূল্যবোধে আলোকিত ছিল বাংলাদেশ, ধর্মনিরপেক্ষ বেহায়পনা আর স্বার্থবাদীতায় সে বন্ধন আজ ছিন্নভিন্ন। ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, বাড়ছে এইডস, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি। যে মহান (!) ধর্মনিরপেক্ষ দেশের কলকাঠিতে বাংলাদেশের সরকার নিয়ন্ত্রিত, সেই ভারতে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এইডস, ৭০ হাজারের বেশী শিশু আক্রান্ত এ ঘাতকব্যধিতে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও চলছে এইডসের নীরব মহামারী, ছড়িয়ে পড়ছে দেশের সর্বত্র। আর এ মহামারীর অনলে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে দমকা বাতাস বইয়ে দিচ্ছে তথাকথিত জনগণের সরকার। অথচ এইডসের ঝুঁকি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে ধর্মীয় অনুশাসনের বিকল্প নেই বুঝতে অপারগ স্বার্থবাদী জ্ঞানপাপীরদল।

এ দেশ খালেদা-হাসিনার পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, এ দেশ সুরঞ্জিত-শাহরিয়ার কবির-কে.এম. শফিউল্লাহ নামের ধর্মদ্রোহীদের নয়, এ দেশ ঘাদানিক-সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম নামের শুয়োরের খোয়ারের নয়, এ দেশ ষোল কোটি শান্তিপ্রিয় জনতার দেশ, এ দেশ শাহজালাল-শাহ মাখদুম-খানজাহান আলী-হাজী শরীয়তুল্লাহর পদধূলিতে ধন্য ১৫ কোটি মুসলমানের দেশ। বাংলাদেশ নামের পবিত্র গুলবাগে কিছুতেই মরকফুলের দূর্গন্ধ ছড়াতে দেয়া যায় না। ষোল কোটি বাংলাদেশীর পবিত্র পারিবারিক বন্ধন নিয়ে টানাটানি করে যারা, ওদের লেজ ধরে টেনে টেনে দেশছাড়া করা দেশবাসীর পবিত্র দায়িত্ব।
সবুজ বাঙলার সুনীল আকাশে সোনালী সূর্য ঢেকে দিতে ধেয়ে আসছে শকুনের দল, পথে প্রান্তরে বিষাক্ত শ্বাপদের আনাগোনা। ভয়াবহ বিপদের মুখে দেশ, বিপর্যয়ের মুখে দেশের সমাজ, বিপন্ন মানবতা। এখুনি সময় ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিরোধ করার, এখুনি সময় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের বিতাড়িত করার। ১৫ কোটি মুসলমানের বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ হায়েনাদের হিংস্র আক্রমন থেকে রক্ষা করতে এক্ষুণি ঝাপিয়ে পড়তে হবে সম্মুখ সমরে। আসুন দেশের পবিত্রতা রক্ষার্থে পবিত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি, যেখানে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“প্রেম পরকীয়া প্রতিশোধ প্রতিরোধ” লেখাটিতে 5 টি মন্তব্য

  1. Mobashwer ahmed বলেছেন:

    নিরপেক্ষতা মানে যদি এই হয় যে তা সত্যের পক্ষেও নয় আবার মিথ্যার পক্ষেও নয় তবে আমরা নিরপেক্ষ নই বরং সত্যের পক্ষে ।
    ধন্যবাদ সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য । যেখানেই নিরপেক্ষতাবাদ সেখানেই প্রতিরোধ করতে হবে ।

    [উত্তর দিন]

  2. mushfiqur rahman বলেছেন:

    শরীরের বিক্ষুব্ধ স্রোতে ভেসে ভেসে যদি ভালোবাসার নাও পৌঁছে যায় হৃদয়ের স্বচ্ছ সরোবরে, তবে সে ভালোবাসার আশ্রয় মেলে হৃদয়আশ্রমে। তবে যারা তটের বদলে তরীতেই বিশ্রাম চায়, সলিল সমাধি ছাড়া ভালোবাসা তাদের আর কি-ই বা দিতে পারে?
    .ভালোবেসে সঁপেছিল দেহপ্রাণ সবকিছু, দূর্ভিক্ষপিড়িত ভিখারীর মতো চেটেপুটে সবটুকু গ্রাস করেছিল মতিন
    .ধীরে ধীরে বাংলাদেশ পরিণত হচ্ছে গোলাপ শূণ্য নগরীতে। বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে বিবেকশূন্য, যৌনতাড়িত পশুদের খোয়াড়ে। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের চোখে সকলি শোভন, তাই বাংলাদেশ জেনে শুনে বিষ পান করে হেসে খেলে মৃত্যুকূপে ঝাপিয়ে পড়ছে। আর এ নিশ্চিত মৃত্যুযাত্রায় কান্ডারীর হয়ে শক্তহাতে দাড় টেনে যায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
    balo basahr moyna todonto. ruchi thaklay emon lekha balo lagbayi.

    [উত্তর দিন]

  3. আরাফাত রহমান বলেছেন:

    লেখাটা সেরকম হইছে। কিন্তু ভাব এবং ভাষা আমার এন্টেনার উপর দিয়া…..

    [উত্তর দিন]

  4. Arghya Bhattacharyya বলেছেন:

    ধন্যবাদ সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য ।

    [উত্তর দিন]

  5. রাধা-কৃষ্ণের লীলা খেলা বলেছেন:

    কুত্তার-বাচ্চা নাস্তিক_কমনিস্ট ও নমু গুলারে জুতা মারতে মারতে এই বাংলাদেশ থেকে বের করে দিতে হবে!!!!!!!

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন