খালেদা-হাসিনাকে হাকিয়ে নিতে চাই ক্লিনার-ব্রাদারের ছুরি-কাঁচির তলে

সেলুকাস! বিচিত্র এ দেশ। বিচিত্র এদেশের মানুষ। বিচিত্র এদেশের  মানুষের পেশা। আর পেশার মাঝে প্রতারণাই যেন সবচেয়ে বেশী প্রিয় মানুষের। যে যেমন করে হোক অন্যকে প্রতারিত করে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে, আবার কোন না কোন ভাবে সে নিজেই জড়িয়ে যায় অন্য কারো প্রতারণায় কারেন্ট জালে। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-কুশিয়ারার নরম পললে জেগে ওঠা বাংলাদেশের নরম মাটির মতো এদেশের সাধারণ মানুষের মনও নরম, যেমন খুশি তেমন ছাঁচে ঢেলে সাজানো যায়। যত বড় প্রতারণাই হোক না কেন তা ধারণ করার মতো উদার হৃদয় বাংলাদেশের, সব কিছুই মেনে নেয়া যায়। তবু মাঝে মাঝে এমন কিছু প্রতারণা খবর শুনি যা ক্ষণিকের জন্য হলেও আমাদের থমকে দেয়।

মৃত্যুর চেয়ে সত্য কিছুই নেই, তবু মরণেই যত ভয়। আর তাই সামান্য সর্দি কাঁশি হলেও আমরা ছুটে যাই চিকিৎসকের কাছে, যেন তার হাতেই জীবন-মরণ, তার সন্তুষ্টিতেই রোগমুক্তি। ডাক্তারের প্রতি মানুষের এতটাই আস্থা, এতটাই ভরসা যে মাঝে মাঝে আমরা শ্রষ্টাকেও ভুলে যাই। খোদার আসনে বসিয়ে দেই ডাক্তারদের। অথচ তাদের দিকেই যখন প্রতারণার তীর বিদ্ধ হয় তখন মানুষের অসহায়ত্বের কোন সীমা থাকে না। এমনই এক প্রতারকের নাম এ ওহাব খান। এমডি (মেডিসিন), ডিআইএম (নিউরো-মেড), স্পেশালিস্ট ইন নিউরো মেডিসিন (অস্ট্রেলিয়া)। সহযোগী অধ্যাপক নিউরো মেডিসিন বিভাগ। জয়নুল হক সিকদার কার্ডিয়াক কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার।  এ-টু জেড ডিগ্রীধারী এ ডাক্তারের সবকটি ডিগ্রীই ভুয়া, আর এমন ভুয়া ডিগ্রী দিয়ে ওষুধের দোকানী ওহাব দেড় লাখ টাকা বেতনে চাকুরী করেছেন সিকদার কার্ডিয়াক কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে, বছরের পর বছর চাকুরী করেছেন  শাহাবুদ্দীন মেডিকেলসহ নানান স্বনামধন্য হাসপাতালে। অবশেষ তার প্রতারণা ফাঁস হয়েছে, হয়তো তার শাস্তি হবে। কিন্তু আইন যে বড় অসহায়, ভুয়া ডাক্তারীর জন্য তার ৩ বছরের জেল অথবা ১ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ড হতে পারে।  তার অপচিকিৎসায় কত মানুষকে অকালে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে যেতে হয়েছে তার পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই, অথচ ঠান্ডা মাথার সিরিয়াল কিলার এই নরপিশাচের তেমন কোন ক্ষতিই করতে পারবে না দেশের প্রচলিত আইন। এমন আইনের প্রতি শ্রদ্ধায় প্রাণ মন মাখনের মতো গলে যাওয়ারই কথা।

ক্লিনার-ব্রাদাররা অস্ত্রোপচার করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে

চিকিৎসা সেবায় দেশের ডাক্তাররা আন্তরিক না হলেও ঝাড়ুদার, ক্লিনার, ব্রাদার, নার্সদের চিকিৎসা সেবায় আত্মমগ্ন দেখে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় গর্ব করতেই পারে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ডাক্তাররা থাকতে চান না, চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার জোগাড়। প্রিয় মানুষদের ভালোবাসার ভূবনে ধরে রাখতে সর্বস্ব সম্বলকে পুঁজি করে তাই সাধারণ মানুষ ছোটে শহরের পানে, ভীড় করে রাজধানীর বড় বড় হাসপাতালে। আর সেই রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে যদি প্রিয়জনদেরকে ছেড়ে দিতে হয় ক্লিনার, ব্রাদারদের ছুরি-কাঁচির তলে তবে সে কষ্ট লুকোনোর জায়গা কোথায়? হ্যা, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, খোদ ঢাকা মেডিকেল কলেজে মালী, আয়া ও ঝাড়ুদার দিয়ে চলে জরুরী বিভাগ, ছুড়ি কাঁচি নিয়ে চিকিৎসার মহান দায়িত্বে ঝাপিয়ে পড়েন হাসপাতালের ক্লিনার-ব্রাদাররা। এ চিত্র শুধুমাত্র রাজধানীরই নয়, এ চিত্র পুরো বাংলাদেশের। বান্দরবনের আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেমন ব্যাবস্থাপত্র, অপারেশন সবই করেন চিকিৎসা সহকারী, রংপুরে ক্লিনিকে যেমন ওয়ার্ডবয় সিস্টার ব্রাদাররা দেন রোগীর ব্যবস্থাপত্র!,  সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তেমনি ব্রাদার নেমে পড়েন সার্জনের ভূমিকায়

একদিকে যেমন চিকিৎসকের অভাবে সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তেমনি চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবেও অকালে ঝড়ে যায় সাধারণ মানুষের জীবন। অধিকাংশ হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বছরের পর বছর বিকল হয়ে থাকে, কাজ করে না এম্বুলেন্স, তেমনি জ্বলেনা অপারেশন থিয়েটারের বাতিও। তাইতো দেশের কোথাও কোথাও হ্যারিকেন জ্বালিয়ে অস্ত্রোপচার করে জীবন বাচানোর চেষ্টা করেন চিকিৎসক। ফলে দিনে দিনে সাধারণ মানুষের আস্থা সরকারী হাসপাতাল থেকে একেবারেই উঠে গেছে, আর এর ফায়দা লুটে নেয়ার জন্য সবসময়ই একদল প্রতারকচক্র থাকে সুযোগের সন্ধানে। মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে তাই দেশে জমে উঠেছে ডায়াগনস্টিক  ও ক্লিনিক ব্যবসা। আর ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সাথে অনৈতিক যোগসাজসে প্রতিনিয়ত ডাক্তাররা সাধারণ রোগীদের বাধ্য করছেন অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে। আর এ সকল স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষা এতটাই মানের যে, এদের রিপোর্টের বদৌলতে পুরুষও গর্ভধারণ করে ফেলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সাইন করা প্যাডে সাধারণ টেকনিশিয়ানরা রিপোর্ট তৈরী করে মৃত্যু ফাঁদ তৈরী করে যাচ্ছে। আমি নিজেও আমার বাবার চিকিৎসার সময় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাইন করা এমন ভুঁয়া প্যাডে রিপোর্ট তৈরী করার সময় হাতেনাতে ধরেছি, যদিও প্রতিষ্ঠানটির সাথে হাজার হাজার সাধারণ মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকায় ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয় নি।

মডার্ন ডায়াগনোস্টিকের ভুল রিপোর্টে পুরুষ গর্ভবতী

গ্রাম-বাংলায় শোনা যায়, অষ্টপ্রহর শকুন গরুর মৃত্যু কামনা করে, ঠিক তেমনি যেন এদেশের ডাক্তার আর ব্যবসায়ীরা জোটবদ্ধভাবে সাধারণ মানুষের অসুস্থ্যতা কামনা করে, মৃত্যু কামনা করে। নইলে নবজাতকের স্যালাইনে শ্যাওলা পাওয়া যায় কিভাবে? কিভাবেই বা গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসার ওষুধে ইটের গুড়ো পাওয়া যায়? কিভাবেই বা সামান্য  প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে শত শত শিশু প্রাণ হারায়? কিভাবেই বা ভিটামিন আর কৃমিনাশক খেয়ে শিশুরা মরে যায়? এর থেকে পরিত্রাণের কি কোন উপায়ই নেই?

******

পৃথিবীর সবচেয়ে নোংরা জায়গা কোনটি? সারা বিশ্বের কথা জানি না, তবে বাংলাদেশে এত বেশি নোংরা জায়গা রয়েছে যে কোনটার চেয়ে কোনটা বেশি নোংরা তা বিচার করা খুবই কঠিন। তবে এ মুহুর্তে যে নোংরা জায়গার দৃশ্য আমার মস্তিস্কে উঁকি দিয়ে গা গুলিয়ে দিচ্ছে তা হলো হাসপাতাল। আমার মতে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা স্থান হলো বাংলাদেশের হাসপাতাল। পাবলিক হিসেবে পাবলিক টয়লেটে যাতায়াতের অভ্যাস আছে আমার, তবে পাবলিক টয়লেটের অপরিচ্ছন্নতারও একটা সীমা থাকে, মাঝে মাঝে পরিস্কার করা হয়। কিন্তু হাসপাতাল! যে কোন সুস্থ্য মানুষের অসুস্থ্য হওয়ার জন্য হাসপাতালই যথেষ্ট।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নানা অভিযোগ, শোনা যায় আগামীতে আর দেখা মিলবে না তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার। বিশেষ করে বিগত “উদ্দীন দ্য ট্রায়ো” সরকারের দূর্ণামের অন্ত নেই, সারা গায়ে ষড়যন্ত্রের দূর্গন্ধ। বুদ্ধির চেয়ে শক্তির প্রয়োগেও আগ্রহ ছিল ওদের। তবে এতকিছুর মাঝেও ওদের দু’য়েকটা জোর জবরদস্তি আমাকে আনন্দিত করেছে। এমনই এক আনন্দঘন মুহুর্ত এসেছিল হাসপাতালে। হাসপাতালের অপরিচ্চন্নতা নিয়ে বরাবরই অভিযোগ ছিল। গোছলখানা কিংবা টয়লেটে কয়েকইঞ্চি থকথকে তরল ময়লার সমুদ্র। মাঝে মাঝে ইট বিছিয়ে টয়লেট যাত্রা কিছুটা স্বাচ্ছন্ন করার ব্যবস্থা পাবলিকই করে নিয়েছে। আর এমনই একটা টয়লেট সেনাবাহিনীর মেজাজটাকে বিগড়ে দেয়।

পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে কে? মুহুর্তেই হৈ হুল্লোড় পড়ে যায়। মাঘের শীতে কাঁপা গরুর মতো কর্তাবাবু দাড়ান সেনা অফিসারের সামনে। জানান, দেখভালের দায়িত্ব তারই তবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কিছুতেই তার কথা শুনতে চায় না। সেনা অফিসার বুঝলেন, আসলে এ টয়লেট কর্তাবাবুর ব্যবহারে আসে না বলেই এর পরিচ্ছন্নতায় তার কিছু এসে যায় না বরং পাবলিক টয়লেটের চেহারা তো পাবলিকের মতোই হওয়া উচিত। সেনা অফিসার একটা উচিত শিক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। আর যেই ভাবা সেই কাজ, হাসপাতালের কর্তাবাবুকে পাবলিক টয়লেটের থকথকে ময়লার মাঝে দাড় করিয়ে বাইরে থেকে তালা মেরে দিলেন, বিকেল পর্যন্ত এ টয়লেটবাসই তার শাস্তি, দেখা যাক এর পরে টয়লেট পরীস্কার হয় কি না। আর কি আশ্চর্য, আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো জাদুকরী ক্ষিপ্রতায় ঠিকই টয়লেট ঝকঝকে তকতকে হয়ে যায়, যেন ওটি টয়লেট নয়, যেন বৈঠকখানা। তবে জাদুমন্ত্র স্থায়ী হয় না, এ ক্ষেত্রেও হয় নি, কিছুদিন যেতে না যেতেই সরকার পরিবর্তন হয়েছে পাবলিকের সরকার এসেছে এবং পাবলিক টয়লেট আগের চেহারা পেয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের ইজ্জত বাঁচিয়েছে।

খ্যাতনামা হাসতাপাতালে অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

******

অসুখ কি? সুখের অভাব। আর সুখ, সে তো মনেরই বিষয়। তবে অসুখ বলতে সাধারণত শারীরিক অস্বস্তিকেই বোঝানো হয়। আর মানসিকভাবে কেউ যদি নিজেকে সুস্থ্য মনে করে তবে শারীরিক অসুখেরও প্রায় ৭৫% সুস্থ্য করা সম্ভব। অথচ এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা এতটাই বেহাল যে সুস্থ্যব্যক্তিও অসুস্থ্য হয়ে পড়তে বাধ্য। স্বাস্থ্যখাতে এই যে এত সমস্যা, এত অভিযোগ, এত দূর্নীতি, এ থেকে বাংলাদেশের কি কোন মুক্তি নেই? না, আপাতত নেই, কারণ যারা এ সমস্যাগুলোর সমাধান করতে সক্ষম তাদের এগুলো মোটেই ছুয়ে যায় না। তারা বাংলাদেশের চিকিৎসার ধার ধারেন না, আস্থা নেই এ দেশের চিকিৎসা উপর। এমনকি খোদ বঙ্গবন্ধু হাসপাতালের ভিসি ডা. প্রাণ গোপালেরও আস্থা নেই, চিকিৎসা করান সিঙ্গাপুরে । আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা করান আমেরিকায়, বিরোধী দলীয় নেত্রী সৌদি আরবে, মহাসচিবরা চিকিৎসা করাতে গিয়ে মরেন সিঙ্গাপুরে। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা শুধু আমজনতার জন্য, আর তাই এর মানোন্নয়নে জনতাকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজন সম্মিলিত আন্দোলন। প্রধানমন্ত্রী বিদেশ থেকে এলেই বিশাল সম্বর্ধণা, বিরোধী দলীয় নেত্রী এলেই লাখো জনতার ঢল এগুলো বাদ দিয়ে নতুন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশের বড় কোন নেতা-নেত্রী চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ পাড়ি দেয়ার ঘোষণা এলেই বিমানবন্দরে তাদেরকে সম্বর্ধনা দেয়ার পরিবর্তে প্রতিহত করতে হবে, জোর করে তাদের হাকিয়ে হাকিয়ে নিতে হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ক্লিনার-ব্রাদারদের ছুড়ি-কাচির তলে। দলীয় সকল ভেদাভেদ ভুলে, সকল সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে নেতা-নেত্রীদেরকে এ দেশেই চিকিৎসা নিতে, তাদের সন্তানদের এ দেশের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে, এ দেশের পণ্য ব্যবহারে বাধ্য করতে আন্দোলন করতে হবে।

Be Sociable, Share!

6 Replies to “খালেদা-হাসিনাকে হাকিয়ে নিতে চাই ক্লিনার-ব্রাদারের ছুরি-কাঁচির তলে”

  1. কী আর বলব ভাই, নিজে মেডিকাল স্টুডেন্ট হয়েই বুঝতে পারছি, ডাক্তার হবার পর তারা এক একটা টাকার পিশাচ এ পরিণত হয়, মেডিকাল হাসপাতাল এ স্টুডেন্ট এর দেখে না, রোগী তো পরের কথা! সব ক্লিনিক নিয়ে ব্যস্ত। আর প্যাথলজী, ওষুধ কোম্পানীর কাছে হা করে থাকে টাকা খাবার জন্য। তারপরেও ভাল কিছু ডাক্তার আছে, যাদের কাছে গেলেই অর্ধেক রোগ ভাল হয়ে যায়। দয়া করবেন যেন ভালো মানুষিকতার ডাক্তার হতে পারি।

    [উত্তর দিন]

    raju উত্তর দিয়েছেন:

    best of luck shawon. i pray to almighty so that he helps you hold such mentality throughout your life. Allah bless you!

    [উত্তর দিন]

  2. jono durvog niay eto valo lekha ar porini. shahoser abar shima ki? mahmudur rahman halay hoyto eka shekh hasina kay churi kachir nichay nitay chaiten. kintu akhanay lekhok shahriar tai kus parwa nahy. jemon teji lekha temon shukh paththo. jaitu shahriar. bhalo laga ei sentance gulo jodi sobaikay paratay partam.
    01.এদেশের সাধারণ মানুষের মনও নরম, যেমন খুশি তেমন ছাঁচে ঢেলে সাজানো যায়। যত বড় প্রতারণাই হোক না কেন তা ধারণ করার মতো উদার হৃদয় বাংলাদেশের, সব কিছুই মেনে নেয়া যায়.
    02.অথচ ঠান্ডা মাথার সিরিয়াল কিলার এই নরপিশাচের তেমন কোন ক্ষতিই করতে পারবে না দেশের প্রচলিত আইন। এমন আইনের প্রতি শ্রদ্ধায় প্রাণ মন মাখনের মতো গলে যাওয়ারই কথা।
    03.চিকিৎসা সেবায় দেশের ডাক্তাররা আন্তরিক না হলেও ঝাড়ুদার, ক্লিনার, ব্রাদার, নার্সদের চিকিৎসা সেবায় আত্মমগ্ন দেখে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় গর্ব করতেই পারে
    04.যেতে না যেতেই সরকার পরিবর্তন হয়েছে পাবলিকের সরকার এসেছে এবং পাবলিক টয়লেট আগের চেহারা পেয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের ইজ্জত বাঁচিয়েছে।

    [উত্তর দিন]

  3. ডা: প্রাণ গোপাল ১টা ছাগল ডা:। শালাকে আমার গলার সমস্যার জন্য দেখাতে গেলে ১বার দেখে ১৫ দিন পড়ে আবার মেডিনোভায় পাগলের ডাক্তারের কাছে পাঠায়।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।