ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ ধেয়ে চলেছে যৌনতার কৃষ্ণগহ্বরে

সতর্কতা: বাস্তবতা তুলে ধরতে কিছু অশ্লীল শব্দ, ঘটনা  ও লিংক সন্নিবেশিত হয়েছে।

এক)

শিখাদের ঠাকুমা। মাথাভর্তি সজারুর কাঁটার মতো ছোট ছোট পাকা চুল। গায়ে বৈধব্যের সাদা শাড়ী। মুখে অশ্রাব্য গালাগালি।
পাড়ার সবাই তার তিরিক্ষ মেজাজে তটস্থ। সারাক্ষণই এটা ওটা নিয়ে বকে চলেন। বিশেষ করে বড় পুতের বউয়ের সাথে সারাক্ষণ ঝগড়া লেগেই থাকে। বড় বউটাও শয়তানের ধাড়ি, শ্বাশুড়ীর খিস্তি খেউড়ের ডিপোয় দিয়াশলাইয়ের শলাকার মতো অনুচ্চস্বরে নোংরা শব্দ ছুড়ে দিয়ে তামাশা দেখেন। ফলাফল অফুরন্ত স্টক থেকে অনর্গল গালাগাল, পুরো পাড়ায় নরক গুলজার।
স্কুল থেকে ফিরেই শুনি ক্লাস থ্রিতে পড়ুয়া অরুণী দি’র বিয়ে। চারিদিকে হৈ চৈ, সাজসাজ রব। আত্মীয়-স্বজনে পুরো উঠোন ভরা গাঙ্গের মতো থৈ থৈ। পুকুর পাড়ে বুড়ো বয়েসী দিদিমারা খোশগল্পে মশগুল। চৈত্রের মাঠের মতো নীরস ঠাকুমাও শামীল হয়েছেন আড্ডায়।
হঠাৎ করেই বিয়েতে বর কনের কান্ডকারখানা নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে বুড়িদের আড্ডাঘর। কার বাসরে কি ঘটেছে, কার বর কতটা সুপুরুষ ইত্যাদি ইত্যাদি বুড়ো বয়েসী ভিমরতী ধরণের কথা বার্তায় আমরা পাড়ার শিশুরা আগ্রহী হয়ে উঠি। বুঝতে পারি আজ নতুন কিছু হতে চলেছে।
চীরজীবনই ঠাকুমা জিততে চেয়েছেন, গালাগালিতে প্রতিদিনই তো  বৌমাকে হারান। তাই আজকের রসাত্মক আলোচনায় বাজি ধরে ফেললেন, পুকুর ঘাট থেকে নেংটো হয়ে দীর্ঘ উঠোন পাড়ি দিয়ে তিনি ঘরে যেতে পারেন।
কথার কথা যাকে বলে, এই বুড়ো বয়সে ব্লাউজ ছাড়া শাড়ী পড়া যায়, ভুলে ভালে শাড়ীর আচলও ফেলে দেয়া যায় তাই বলে তো আর নেংটো হওয়া যায় না। ছেলেরা আছে, ছেলের বউয়েরা আছে, নাতি নাতনীর ছড়াছড়ি, পাশাপাশি বিয়ে বাড়ী বলে কথা।
এসব হিসাব মিলাতে যখন ব্যস্ত তখনই চোখের সামনে উলংগ ঠাকুমা  হাপাতে হাপাতে উঠোন ভর্তি আত্মীয়স্বজনকে পাশ পাটিয়ে ঠিকই পৌঁছে গেলেন অন্দরমহলে।
বুড়ির অমন ছেলেমানুষিতে সেদিন আমি বেকুব বনে গেলেও সবার উৎফুল্ল শীসধ্বনিতে বুঝতে কষ্ট হয় না যে, এসব ওদের কাছে নিতান্ত স্বাভাবিক বিষয়।

দুই)

শিখাদের বাড়ীতে সারা বছরই একটা না একটা পুঁজো লেগে থাকে। শিখার মা’র কন্ঠ ভালো, যে কোন পুঁজোয় কীর্ত্তন গাওয়ার জন্য তাকেই নেতৃত্ব দিতে হয়। এছাড়া ভালো আলপনাও আঁকেন তিনি। চালের গুড়ো ভিজিয়ে আঙ্গুল দিয়ে উঠোন জুড়ে আল্পনা আঁকায় তার জুড়ি নেই। বণিক স্বামীর আয় রোজগারও ভালো, তাই সব সময় উৎসব লেগেই থাকে বাড়িতে।
তখন ক্লাস সেভেনের ছাত্র আমি। শিখা ক্লাস ফাইবে, তার ছোট বোনটি থ্রির ছাত্রী। স্কুল থেকে ফিরে দেখতে পাই পুঁজোর মহা আয়োজন। মসলা পেশাইয়ের পুতোর মতো অদ্ভূতদর্শন প্রতিমা পুঁজায় ব্যস্ত শিখারা। বিভিন্ন পুঁজো সম্পর্কে ধারণা থাকলেও এ  পুঁজোটি আমার কাছে একেবারেই নতুন। স্বরস্বতী পুজোয় কঞ্চির তৈরী কলমে মাথায় ঠেকিয়ে রাখতে দেখেছি, যার মাথায় যতক্ষণ কলম লেগে থাকে সে তত বিদ্যান হয়। কালীপুজো, লক্ষ্মীপুজো, দূর্গাপুজো, মনসা পুজা কত পুজোই তো হয়। হিন্দু অধ্যুষিত আমার এলাকায় মূর্খ মুসলমানরাও রাতে সর্প দংশনের ভয়াল স্বপ্ন দেখে সকাল বেলা ছুটে যেত মনসা পুঁজো দিতে। নামাজ রোজা না করলেও মাঝে মাঝে মিলাদ দিয়ে মুসলমানিত্ব নবায়ন করে রাখতো এসব মুসলমানেরা।
এ বাড়িতে কুমির পুজোও দেখেছি, ভারী মজার পুঁজো। বিশাল একটা কুমির মাটি দিয়ে তৈরী করা হয়, লেজটা মিশে থাকে ডোবার জলে, যেন জলাশয় থেকে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে আসছে ভয়ংকর কুমির। কিন্তু আজকের পুঁজোটি কোন পুঁজোর সাথেই মেলাতে পারছি না। এক সময় কাকীমাকে (শিখার মা) জিজ্ঞেস করলাম পুঁজোর নাম কি? কাকীমা জানালেন এটি শিব পুঁজা। আবার জিজ্ঞেস করলাম, এ পুঁজো দিলে কি উপকার হয়? কাকীমা জবাব দিলেন, এ পুজো দিলে ভালে োন পাওয়া যায়। বুঝলাম, আমি শব্দটি সঠিকভাবে শুনতে পাইনি, হয়তো কাকীমা ধনদৌলতের কথাই বলেছেন। শিব পুজো দিলে তার মেয়েরা ভবিষ্যতে অনেক ধন দৌলতের মালিক হবে এমনটাই ভেবেছিলাম আমি। কিন্তু পরিণত বয়সে এসে জানলাম, ভুল শুনিনি, কাকীমা ঠিকই পুরুষের গোপনাঙ্গের কথাই বলেছেন, তার মেয়েদের তিনি শিব পুজার শিক্ষা এ জন্যই দিচ্ছেন যে যেন তারা শিবের মতো শক্তিমান স্বামী পায়, তাদের যৌন জীবন যেন সুখের হয়।

তিন)

হিন্দু মেয়েরা যতদিন কুমারী থাকে (অবিবাহিতকেই কুমারী বলছি) ততদিন দেবতারাই তাদের স্বামীরূপে গণ্য। হিন্দু ধর্মীয় মতে যৌন বিকৃতি বলতে আদৌ কিছু আছে কি না তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। এখানে সবকিছুই বৈধ। আরেকটু স্পষ্ট করে বলতে, হিন্দু ধর্মকে আমার কাছে যৌনধর্ম বলেই মনে হয়। যৌনতাকে কেন্দ্র করেই এ ধর্মের যাবতীয় আচার অনুষ্ঠান। যে দেবীকে তারা মা বলে ডাকে তাকেই নিপুঁন হাতে তারা তৈরী করে, শরীরে সকল লজ্জাস্থানকে যৌনআবেদনময়ী করে ফুঁটিয়ে তোলে এমনকি যৌনাঙ্গকেও নিঁখুতভাবে ফুঁটিয়ে তোলে। পুরো ভারতজুড়ে এমন অনেক মন্দির রয়েছে যা হাজার হাজার বিকৃত যৌনাচারের মূর্তি দিয়ে সাজানো। মুসলমানদের মসজিদে, মিনারে যেমন ক্যালিগ্রাফী দিয়ে সাজানো থাকে হিন্দুদের এসব মন্দির সাজানো হয় সঙ্গমরত মূর্তি দিয়ে। বাংলাদেশে যা কিছু যৌন বিকৃতিরূপে গণ্য তার সব কিছুই এসব মন্দিরে পুজোর বেদী পেয়েছে।  সমকামিতা, পশ্বাচার, মুখমেহনপায়ূমৈথুন, ধর্ষকাম, মর্ষকাম, অজাচার এমন কোন যৌন বিকৃতি নেই যা মন্দিরে স্থান পায় নি।

নৈতিকতা একটি আপেক্ষিক বিষয়। ধর্ম, সমাজ কিংবা রাষ্ট্র এরাই নৈতিকতার সংজ্ঞা ঠিক করে। তাই এক দেশে যা নৈতিক অন্য দেশে তাই হয়তো চরম অনৈতিকতা। এক ধর্মে যা নিষিদ্ধ অন্য ধর্মে হয়তো সিদ্ধিলাভের জন্য তাই মোক্ষম হাতিয়ার। তাই ইসলামে বিশেষ কিছু নিকট আত্মীয়ের মাঝে যৌনাচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হলেও হিন্দু ধর্মে বাস্তবিক অর্থে এ ধরণের কোন বাছবিচার দেখতে পাই না। ধর্মীয়ভাবে নিকট আত্মীয়দের সাথে বিয়ে রীতিসিদ্ধ না হলেও মন্দিরে যখন মা-বাবা, ভাই-বোন একসাথে পুঁজো দিতে যান তখন যৌনবিকৃতির সবকিছুই তাদেরকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে, এবং বিয়ে সিদ্ধ না হলেও যৌনাচারকে অবৈধ মনে করার কোন কারণ তারা খুঁজে পান না। অজাচার অনুমোদিত না হলেও, প্রাচীন হিন্দু মতানুসারে দেবরকে দ্বিতীয় বর হিসেবেই গণ্য করা হয় এবং যাবতীয় যৌনসুখ তার মাধ্যমে লাভের অধিকারী হয়ে থাকেন বৌদিরা। একই সাথে পাঁচ ভাইকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করার ইতিহাসও প্রাচীণ হিন্দুগ্রন্থে পাওয়া যায়। এমনকি বর্তমানেও ভারতের কোন কোন স্থানে বড় ভাইয়ের বৌ দেবরদের স্ত্রী হিসেবে গণ্য হন। হিন্দু ধর্মে বহুগামিতা তথা একই স্ত্রীর একাধিকা স্বামী গ্রহণ খুবই স্বাভাবিক বিষয়। স্বাভাবিকভাবে হিন্দু ধর্মীয় সংস্কৃতির প্রতিটি অংগেই যৌনতার সরব উপস্থিতি। এই যে সংগীত, নৃত্য সবকিছুই মূলত যৌনতাকে উস্কে দেয়ারই হাতিয়ার। বিশেষকরে নৃত্যের বিভিন্নমুদ্রা চরম যৌনউত্তেজক।

চার)

কে না জানে, পেটে যদি ভাত থাকে তাহলে পৃথিবীতে যৌনাচারের চেয়ে আনন্দময় আর কিছুই নয়। তবে অবাধ যৌনাচারে যেখানে সমাজ এবং ধর্মই বাধা সেখানে হিন্দু ধর্মে যৌনতাই এবাদত। তাই প্রকৃতপক্ষে যারা জন্মগতভাবে কোন একটা ধর্মে জড়িয়ে পড়েছেন, কিন্তু মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন এ পৃথিবীটাই স্বর্গ, পৃথিবীটাই নরক তাদের কাছে হিন্দু ধর্মই হতে পারতো শ্রেষ্ঠ আশ্রয়স্থল। তবে হিন্দুধর্মে খুব সহজে ধর্মান্তরিত হওয়ার বিধান না থাকায় যে সকল মুলমান হিন্দু সংস্কৃতিতে হারিয়ে যেতে চান তারা যুগে যুগে বিকল্প পথ খুঁজেছেন। আর সর্বোৎকৃষ্ট বিকল্প পথ বাতলে দিয়েছেন দ্বীন-ই-ইলাহির প্রবর্তন সম্রাট আকবর।
উপমহাদেশে আজ যে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ব্যাপক চাষাবাদ, তা মূলত আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহীর নতুন সংস্করণ মাত্র। পাশ্চাত্যে ধর্মনিরেপক্ষতা বলতে ধর্মহীনতাকেই বোঝানো হয়, আর উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে সবধর্মের মিশ্রনে তৈরী জগাখিঁচুরীকেই বুঝানো হয়। আর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের মূলমন্ত্রই হলো স্বেচ্ছাচার। যার যা খুশি তা পালন করাই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, তথা অনিয়ন্ত্রিত চরম স্বাধীনতাই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। এখানে ভোগই মূখ্য, আর ভোগের সর্বোৎকৃষ্ট পন্থাই হলো রমনীদের রমন করা। ধর্মনিরেপক্ষতাবাদে নৈতিকতাকে এতটাই তুচ্ছজ্ঞান করা হয় যে এখানে ভোগের সর্বোচ্চ নিশ্চয়তার জন্য যে কোন কিছুকেই নৈতিক বলে স্বীকৃতি দেয়া যায়। আর ভোগের প্রধান উপকরণ রমনীদের রমনে প্রধান বাধা মূলত ইসলামসহ কয়েকটি ধর্মী। তাই নারীদেরকে পরিপূর্ণরূপে ভোগের জন্য ধর্মীয় বিধিনিষেধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ নারী স্বাধীনতার মতো চমকপ্রদ হাতিয়ার উপহার দিয়েছে। আর এর মাধ্যমেই যৌনতায় নারীর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত নারী স্বাধীনতা হলো নারীকে ভোগ  করার স্বাধীনতা। স্বাভাবিকভাবেই ধর্মনিরপেক্ষতা এবং হিন্দু ধর্ম একে অপরের পরিপূরক। যে ধর্মে যৌনতাই এবাদত, কামসূত্রই পবিত্র ধর্মগ্রন্থ।

পাঁচ)

নতুন একটা ভাড়া বাড়ীতে উঠেছি। খোলামেলা পরিবেশ; গাছপালা, আলো বাতাস, প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর। শহরের মাঝে এমন সবুজের সমারোহ অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। সমস্যা একটাই, পুরো এলাকাটাই আ’লীগের নেতাকর্মীতে ভরা।

তিন কামরার বাসায় একটা কামরায় আমার স্টাডি সাজিয়ে নিয়েছি। প্রশস্ত জানালা খুলে দিলেই ঝলমলে আলো ছড়িয়ে পড়ে। জানালার ওপারে ফুট দশেক দূরে আরেকটা ফ্লাটের ব্যালকনি, কাজের ফাঁকে সরাসরি চোখ চলে যায় সেখানে। ফ্লাটে স্বাস্থ্যবান এক মহিলা থাকেন, থাকে তার ছোট দু’টো ছেলে, স্বামী সরকারদলীয় ক্যাডার। ইদানিং লক্ষ করি কাপড় শুকোনের ছুঁতোয় ওপারের ফ্লাটবাসিনী ফিনফিনে শেমিজ গায়ে চলে আসেন ব্যালকনিতে। স্পষ্ট আলোর কল্যাণে বোঝা যায় শেমিজের নীচে কাচুলি পড়ার অভ্যেস নেই তার। ফলাফল, বন্ধ হয়ে গেলো আমার সোনালী রোদ্দুর।

ছয়)

কিছুদিন হলো আরেকটি ফ্লাটে উঠেছি। বেডরুমের খাটে হেলান দিয়ে টিভি দেখা, আর কোলে ল্যাপটপে অভ্যাস হয়ে গেছে ইদানিং। অব্যাহত লোডশেডিং আর গরমে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত জানালা খোলাই থাকে। জানালার ওপারে ছোট্ট একটা প্লট খালি পরে আছে, তার ওপারের দালানের ফ্লাটে বেড়রুমের পুরোটাই দৃশ্যমান। ও ফ্লাটে এখনো কোন পুরুষের ছায়া দেখিনি। মাঝ বয়েসী মহিলা থাকেন, মেয়েটি নবম/দশম শ্রেণীর ছাত্রী হবে। সমবয়েসী আরো একটি মেয়ে দেখা যায়, তবে আচরণে কাজের মেয়ে বলেই মনে হয়।

কাল রাতে ফ্লাটের রুমটি আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। বুঝতে পারি একাধিক টিউব লাইট জ্বালানো হয়েছে রুমে। মাঝ বয়েসি মহিলা কিশোরী মেয়েটিকে দাড় করিয়ে জানালা বরাবরে, ধীরে ধীরে কামিজ খুলে উলংগ করেন, অতপর অভ্যস্ত হাতে লোশন মালিশ করেন কিশোরীর কচি স্তনে। বিস্মিত আমি, যেন রুপোলী পর্দায় ভেসে ওঠা দ্বীপা মেহতার বিতর্কিত ফায়ার; যেন নি:সঙ্গ দু’টি নারীর ভূমিকায় শাবানা আজমী আর নন্দিতা দাসের অভিনয়। সন্দেহ, আমাকে দেখাতেই  তার আজকের এ মঞ্চায়ন। জানি, চোখ ফিরিয়ে নেয়া উচিত, তবু অদম্য কৌতুহলের বাঁধা মন। কবি আল মাহমুদের গল্পেও তো ঘুমন্ত কিশোরী মেয়ের স্তনে হাত বুলান মা, দেখেন, দেখতে দেখতে কতটা বড় হয়ে গেল মেয়েটা, জানি, মায়ের কাছে মেয়েদের লুকোনোর নেই কিছু, তবু মায়েরা মেয়ের স্তন ছুঁয়ে দেবে এমনটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।

আজ পহেলা বৈশাখ। সকাল বেলা উঠে এ লেখাটি যখন তৈরী করছি তখন আবারো চোখ আটকে গেল সামনের ফ্লাটে। আজ ইচ্ছে করেই বসেছি। জানার ইচ্ছে, গতরাতের ঘটনা কি কেবল অনিচ্ছাকৃত দূর্ঘটনা নাকি প্রদর্শনেচ্ছা। হ্যা, বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে তাদেরও বেড়িয়ে পড়তে হবে মঙ্গল শোভাযাত্রায়। গতকালের নাটক দেখে আমি ছিলাম বিব্রত, কিন্তু আজকের নাটকে পুরোপুরি বিভ্রান্ত। সরাসরি আমার দিকে তাকিয়ে এবং কাজের মেয়েটির সামনে মা ও মেয়ে দুজনই জামা খুলে ফেললেন, একে অন্যের কাচুলি পরিয়ে দিলেন এবং সেজেগুজে মঙ্গল শোভাযাত্রায় চলে গেলেন। এপারে স্তম্ভিত আমি, ওপারে হাস্যজ্জল কাজের মেয়ে, মাঝখানে রৌদ্রকরোজ্জল দিনে সীমাহীন অন্ধকার।

জানি, বাসা পাল্টানোর সময় হয়েছে, তবু ভাবি, নতুন বাসায় এর পুনরাবৃত্তি হবে না তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ ধেয়ে চলেছে যৌনতার কৃষ্ণগহ্বর পানে। বাসা বদলেই কি আর তা ঠেকিয়ে রাখা যায়?

Be Sociable, Share!

15 Replies to “ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ ধেয়ে চলেছে যৌনতার কৃষ্ণগহ্বরে”

  1. আপনি লোশন মাখানো সংক্রান্ত যে বিবরন এখানে দিয়েছেন সে ধরনের নজীর বাংলাদেশে কেমন? আপনার এই ধরনের পটভূমি অবতারনার কারন কী?

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    গতকালের আগ পর্যন্ত এর কোন নজীর আমার কাছে ছিল না।
    লোশন এ কারণে মাখানো হতে পারে যে হয়তো এতে অঙ্গটি আকর্ষণীয় হবে।
    এ পটভূমি অবতারণার কার একটাই, নৈতিকতার সংজ্ঞা ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, এতদিন যা অনৈতিক ছিল তা আস্তে আস্তে সমাজে সহনীয় হয়ে আসছে। মোট কথা সমাজটি দ্রুতগতিতে পাল্টে যাচ্ছে।
    এতদিন এ বিষয়গুলো এতোটা খোলামেলা ছিল না এবং খোলামেলা আলোচিতও হতো না। এ পরিবর্তনটা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ পরিবর্তনরোধে আমি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে চাই।

    [উত্তর দিন]

  2. আপনার ওয়েব সাইট আমার ভাল লেগেছে । আমার রিপোটার হওয়ার খুব সক্ । আপনার সাথে কাজ করতে চাচ্ছি । আপনার সাথে কাজ করতে হলে আমাকে কি কি করতে হবে। জানালে খুশি হব।

    [উত্তর দিন]

  3. o puthe
    puht hube,,,,,,,,
    o gahte gaht hube,,,
    manuhs jukhon jalem hube.
    amader sorkar o asbe jalem sorkar…….
    doniyata kotahy jacce bibekban manuhsd jara tara ekbar bavuhon tu deki.bulontu dormu niropekkho ta kake bule.ami apni sottu bulle.besir bag manush bulbe amra dormando.kinto tara ki ekbar bisoddo koran pure dekhecen??????? shek hasina naki koran puren.kintu koraner basah janenna.koran purle koraner basah jana jay na???????

    [উত্তর দিন]

  4. …. …. Tode ar Islam Dhormo to mohan na. 100 ta biya korle o toder dhormo takhe upadi de na. World a Shirsoya Jongi Mr. Laden to tode Dhormo. Oor 54 ta Bibi Balooi …………………
    Dhromo niya Knowledge na takhel Likis na………………

    [উত্তর দিন]

    MR.kk উত্তর দিয়েছেন:

    Nice, Tit for Tat

    [উত্তর দিন]

    looser উত্তর দিয়েছেন:

    কৃষ্ণ কথা

    কৃষ্ণের মোট ১৬১০৮ জন স্ত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে আটজন ছিলেন তাঁর প্রধান বউ এবং অপ্রধান বউ ছিলেন ১৬১০০ জন। প্রধান বউদের নাম–রুক্মিণী, সত্যভামা, জাম্ববতী, নগ্নাজিতি, কালিন্দি, মদ্রা, মিত্রবিন্দা, ভদ্রা ও রোহিণী। অনেকে রোহিনীকে জাম্ববতীর অন্যনাম হিসেবে ধরে থাকেন।
    রুক্মিণী ছিলেন শিশুপালের বাগদত্তা। কৃষ্ণ রুক্মিণীকে বিয়ের আসর থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন।
    সত্যভামা বাবা সত্রাজিতের কাছে একটি অমূল্য মণিরত্ন দেখে কৃষ্ণ প্রলুব্ধ হন। মণিটি দখল করার জন্য সরাজিতকে হত্যা করেন কৃষ্ণ এবং তার মেয়ে সত্যভামাকে বিয়ে করেন। সত্রাজিতকে হত্যা করার পরে যখন জানলেন মণিটি জাম্ববান নামে এক আদিবাসী রাজার কাছে আছে তখন কৃষ্ণ তাকে মেরে মণিটি দখল করেন এবং তার মেয়ে জাম্ববতীকে বিয়ে করেন। আরেকটি কাহিনীতে জানা যায়– বিয়ের আগে সত্যভামার সঙ্গে প্রেম ছিল এক তরুণের সঙ্গে। সত্যভামাকে পছন্দ হওয়ায় কৃষ্ণ তরুণকে মেরে ফেলেন।
    আটটি ষাঢ় মেরে রাজার মেয়ে নগ্নাজিতিকে বিয়ে করেন কৃষ্ণ।
    কালিন্দি নামে একটি অতি অল্প বয়েসী মেয়েকে যমুনা নদীর পাড়ে ঘুরতে দেখে কৃষ্ণ মোহিত হন। তাঁকে অর্জুনের সহায়তায় বিয়ে করেন।
    মিত্রবিন্দা নামের মেয়েটি কৃষ্ণের খলাতো বা ফুফাতা বোন। তার পরিবারের লোকজন মেয়েটির বিয়ে ঠিক করেছিল দুর্যোধনের সঙ্গে। বিয়েতে সবাইকে নিমন্ত্রণ করা হলেও কৃষ্ণকে নিমন্ত্রণ করা হয়নি। তখন কৃষ্ণ জোর করে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে বিয়ে করেন।
    ভদ্রাকে স্বয়ম্বর সভায় অংশ নিয়ে কৃষ্ণ বিয়ে করেন। আর রোহিনীকে বিয়ে করেন এক আদিবাসী রাজাকে মেরে।
    আর রাধা নামের রমণীর সঙ্গে কৃষ্ণকে পূজা করা হয় সেই রাধা ছিলেন কৃষ্ণের থেকে বয়সে বড়। সম্পর্কে আপন মামী। এটা ছিল পরকীয়া।
    কৃষ্ণের অপর কাজিন ভদ্রাকে বিয়ে করেন কালিন্দিকে বিয়ে করার পরে।
    কৃষ্ণ নানা সময়ে অনেক রাজার সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। বিভিন্ন রাজার কারাগারে নারী-বন্দীদের উদ্ধার করে কৃষ্ণ তাদের স্ত্রী করেন।

    [উত্তর দিন]

  5. Mr. Shahriar,
    apnar likha ti onk dhorjo niye porlam. Dorjo niye porlam ai karone j daklam apni kivabe ‘Hindu Dhormo’ k bikrito vabe uposthapon krte paren. Apnar gatarthe janiye rakhi apnar likha ktha gulo pray sobguloi vittihin & mongora! R jesob exmple dilen ta sudumattro apnar kolpona prosuto. ‘kam sutra’ k apni Hindu’ der dhormo grontho blechen, kothy palen ai information?? Hindu Dhormo na janei apni ukti krlen, ai dhorme nana jouno bikriti ache. Apni ‘kam sutra’ janen to, ota ektu pore nilei bujhte parbn kotota vul likhechen apni. Ai dhorme apon relative der sathe papacharer ktha kothao bla nai.

    Asob vittihin khbr prokash kre kn manush k bebhranto krchen? Ekta dormo k shroddha na krte paren kintu tai ble sei dhormo niye bikrito information diber kono odhikar apnar nai. Erokom colte thakle apnar Allah o apnak maf krbe na, mone rakhben. Apni j vabe ekta dhormo k manusher kache uposhapon krlen tate kre sondeho hoy apni apnar dhormo k kototuku somman ba sshrodha kren……

    [উত্তর দিন]

  6. এমন দূষিত মনের অধিকারিদেরই ম্লেচ্ছ বলা হয়-যেমন আপনি
    হিন্দু ধর্মের আলোচোনা করা কোনো ভুল কাজ নয় কিন্তু প্রোপাগান্ডা করে যতসব ভুলভাল নন্সেন্স জড় করে ইন্টারনেটে লেখা প্রমাণ করে যে আপনিও সেই দাড়িধারী আরবদের ধর্মীয় কৃতদাস, আপনি নিজের মন ও আত্মা খেজুরখোরদের বিকিয়ে দিয়েছেন

    [উত্তর দিন]

  7. চমৎকার! এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে সত্য।
    নমু-মালাউন_রা এদেশ টাকে শেষ করে দিল!!!
    কুত্তাগুলা ইনকাম করে এদেশে, আর বাড়ি বানায়, ইনভেস্ট করে ইন্দিয়ায়।
    ইন্দিয়ায় যেমন দাঙ্গা হয় ঠিক এদেশে দাঙ্গা করে কুত্তাদের কুপিয়ে, পুড়িয়ে, মেরে তারপর নৌকায় করে ওপাড় পাঠানো দরকার

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।