র‌্যাবের (RAB) পোশাকে ছাত্রলীগের তান্ডব

১৩৭০ দিন পর অনুষ্ঠিত হলো দেশ ব্যাপী সর্বাত্মক সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। স্বত:স্ফূর্ত হরতালে পুলিশী ও আওয়ামী লীগের এ্যাকশনে বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমশের মবিন চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য মির্জা আব্বাস, বিএনপির সাংসদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ রাজধানীতে বিএনপি জামায়াতের দুই শতাধিক নেতা-কর্মীসহ দেশব্যাপী সহস্রাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার হন, গুরুতর আহত হন সাংসদ এ্যানি ও বরিশালে এমপি সরোয়ারসহ   ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী। হরতাল নিয়ে জনমনে প্রথমে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও আওয়ামী লীগ হরতালের বিকল্প সকল গণতান্ত্রিক পথগুলো আগেই বন্ধ করে দেয়ায় হরতাল ভিন্ন কোন গতি ছিল না দেশবাসীর।  তাই মন্দের ভালো হিসেবে আওয়ামী অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে স্বতস্ফূর্তভাবে জনগণ সাড়া দেয়, এমনকি  জাতীয় সংসদের স্পীকার আবদুল হামিদ এডভোকেটও হরতাল পালন করেন। একদলীয় বাকশালের প্রবর্তক আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের ভাষা বোঝেনা, তবে গণতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ গালি ‘হরতাল’ ভালো বোঝে। তাই আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে তাদের পরিচিত ভাষায়ই জনতা জবাব দিয়েছে।

কেন এই হরতাল? গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সমস্যার সমাধান, টেন্ডারবাজি-দখলবাজি, সরকার বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-হয়রানি বন্ধ, বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ, প্রশাসন দলীয়করণ ও চাকুরিচ্যুতি, পক্ষপাতমূলক নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী লাঞ্ছনার বিচারসহ ১১ দফা দাবিতে সরকারকে সতর্ক করতে এ হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি। আর এ হরতালে যুক্তিযুক্ত কারণেই সমর্থন দেয় জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য সমমনা দলগুলো, সমর্থন দেয় সাধারণ মানুষ। তাইতো বিরোধী দলগুলোর তেমন জোড়ালো পিকেটিং না থাকলেও দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও স্বত:স্ফূর্তভাবেই পালিত হয় এ হরতাল।

কিন্তু আওয়ামী লীগ বিরোধীতা পছন্দ করে না, বিরোধীদল পছন্দ করে না, তাদের কোন কাজের সমালোচনা হোক তা পছন্দ করে না। তাই আওয়ামী অপশাসনের বিরুদ্ধে যে কন্ঠগুলো উচ্চকিত হয়েছে তা স্তব্ধ করে দিতে চালিয়েছে সন্ত্রাস, বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কয়েকটি প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, নির্যাতনে নির্যাতনে জড় পদার্থে পরিণত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের। আওয়ামী লীগ এতটাই হিংস্র রাজনীতিতে বিশ্বাসী যে গতকাল হরতালে তারা দেখিয়ে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে কি নির্মম পরিণতি হবে। বিরোধীতা যারা করবে শুধু তাদেরই নির্যাতন নয় বরং তাদের আবেগের স্থল মায়েদের উপরও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে সবাইকে জানিয়ে দিল আওয়ামী লীগ করতে পারে না এমন কোন অপকর্ম নেই।

গতকাল হরতালে সকালেই গ্রেফতার করা হয় মীর্জা আব্বাসকে। কিন্তু ওরা তাকে গ্রেফতার করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, আক্রমন করেছে বাড়িতে ঢুকে, নির্দয়ভাবে পিটিয়েছে নারীপুরুষ নির্বিশেষে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই। ওদের নির্যাতন থেকে নিস্তার মেলেনি মীর্জা আব্বাসের বৃদ্ধা মায়েরও। এ যেন মনে করিয়ে দেয় বাকশালী নির্যাতনের কথা, যখন সন্তানের মাথা কেটে দিতে  পিতাকে বাধ্য করেছিল বাকশালীরা, পিতার সামনেই সন্তানের কাটামুন্ডু দিয়ে ফুটবল খেলেছে রক্ষীবাহিনী। আজ আবারো সেই রক্ষীবাহিনীর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছে বাংলাদেশ। আজো বাকশালের প্রতাত্মাগুলো ছাত্রলীগ আর যুবলীগ ঘাড়ে ভর করে রক্ষীবাহিনীর নির্মমতায় রক্তাক্ত করতে চায় বাংলাদেশ।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় র‌্যাব বেড়ধক পিটিয়েছে মীর্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্যদের। অথচ র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মো. সোহায়েল শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, মির্জা আব্বাসের বাড়িতে কোনো অভিযান চালানো হয়নি। তাহলে কারা চালালো বর্বরোচিত নীপিড়ন? আওয়ামী লীগের উচ্ছৃংখল গুন্ডাবাহিনী ছাত্রলীগ হরতাল প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়। হরতালের দিন তারা দেশের বিভিন্নস্থানে চালিয়েছে পৈশাচিত তান্ডক। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসে আতংকিত সাধারণ মানুষ হরতালে রাস্তায় বের হতে সাহসী হয় নি, হরতাল সফল হওয়ার এটিও একটি বড় কারণ। ছাত্রলীগের এমন অপকর্মে বিব্রত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের অকপর্কের দায় নেবে না আওয়ামী লীগ। সবকিছু এ ইংগিতই বহন করে যে, মির্জা আব্বাসের বাড়ীতে র‌্যাবের পোষাকে নির্মম র্নিযাতন চালিয়েছে ছাত্রলীগ।

বিগত সরকারের আমলে সন্ত্রাস দমনে র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন বা র‌্যাব নামে যে এলিট ফোর্সের জন্ম তাকে স্বাগত জানিয়েছিল সকল শ্রেণীর মানুষ। সাপ্তাহিক যায়যায়দিন পত্রিকার ২১ ডিসেম্বর ২০০৪ সংখ্যায় একটি লেখা দেখেছিলাম, “মা দূর্গার আবির্ভূত হয়েছেন পৃথিবীতে  র‌্যাব রূপে, অসুর নিধনে ব্যস্ত মাকে রুষ্ট করো না” শিরোনামে। অথচ সন্ত্রাস নির্ভর আওয়ামী লীগ বারবার র‌্যাবকে তুলে নেয়ার দাবী জানিয়েছে, এমনকি ক্ষমতায় গেলে র‌্যাব বাতিল করারও ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। বাতিলে প্রতিশ্রতিবদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার তাই র‌্যাবকে বিতর্কিক করার পায়তারা করছে। আর এরই অংশ হিসেবে গতকাল র‌্যাবের পোষাকে ছাত্রলীগের গুন্ডারা নারকীয় সন্ত্রাস চালালো মির্জা আব্বাসের পরিবারের উপর।

সন্তান সে তো সন্তানই, যত অন্যায় করুর তার প্রতি মমতা থেকেই যায় পিতার মনে। তাইতো বেপরোয়া ছাত্রলীগের অপকর্মে ত্যক্ত-বিরক্ত আওয়ামী লীগ নেতারা তাদেরকে সন্তান পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।  অথচ তাদের কেউ রাস্তাঘাটে বেঘোরে প্রাণ হারালে ঠিকই আবার চিরুনি অভিযানে ঝাপিয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের এমন দ্বিচারিনী চরিত্র এটাই প্রমাণ করে তারা ছাত্রলীগের দায় থেকে মুক্তি নিয়ে মূলত ছাত্রলীগকে সর্বপ্রকার অপকর্মের লাইসেন্স দিয়েছে। আসলে বাপকা বেটা বলে যে কথা প্রচলতি আছে তা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে শতভাগ মিলে যায়। চরিত্রহীন ছাত্রলীগের অপকর্মে বিব্রত হলেও এটা সবাই বুঝে যে ভদ্রঘরে সাধারণত অসভ্য সন্তান জন্মে না। তাই ছাত্রলীগের অপকর্মের দায় এড়াতে যতই ফন্দিফিকির আওয়ামী লীগ করুক না কেন, যে পিতার নোংরা চরিত্রের জোরে লাফালাফি করছে ছাত্রলীগ তার দায় শুধুই আওয়ামী লীগের।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“র‌্যাবের (RAB) পোশাকে ছাত্রলীগের তান্ডব” লেখাটিতে 16 টি মন্তব্য

  1. Shahanur Rahman বলেছেন:

    আওয়ামীলিগ ও তার সহযোগি সংগঠনের পক্ষেই কেবল এসব মানায়। কারন তাদের রক্তে মিশে আছে ফ্যাসিবাদী ও বাকশালী চেতনা। নীল শেয়ালের গল্পের মত তারা যে রং-ই গায়ে মাখুক কোন একসময় তাদের আসল রুপ প্রকাশ পাবেই।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    সহমত।

    [উত্তর দিন]

  2. নো-নেম বলেছেন:

    thanks shahriar vai..
    may Allah bless you.

    [উত্তর দিন]

  3. হতবাক বলেছেন:

    হতবাক হয়ে গেলাম এসব দেখে…. নিন্দা জানানোর ভাষা জানা নেই।

    [উত্তর দিন]

  4. কাঙ্গাল বলেছেন:

    তথ্যভিত্তিক লেখা
    ধন্যবাদ

    [উত্তর দিন]

  5. স্বাদেশ আমার বলেছেন:

    হাছিনার উপর খোদার গজব পডুক,প্রতিবাদের আর ভাষা নাই…

    [উত্তর দিন]

  6. FAHIM বলেছেন:

    Thanks 4 ur writings

    [উত্তর দিন]

  7. zia বলেছেন:

    For the sake of Democracy, RAB must be impartial, otherwise it will be bumerang for AL.

    [উত্তর দিন]

  8. কাঙ্গাল বলেছেন:

    [sb]আওয়ামী স্বর্ণ যুগ : কিছু নমুনা[/sb]
    রাতে এই পোস্টটি দিয়ে ছিলাম, সেটাই আবার পূণরায় দিলাম।

    [sb]আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার শাসনকালকে (১৯৯৬-২০০১) স্বর্ণযুগ বলে দাবী করেছেন।[/sb]

    একবার দেখে নিন- সেই স্বর্ণযুগের কিছু নমুনা :

    [su]শীর্ষ আওয়ামী সন্ত্রাসী[/su]
    ১. ফেনীর জয়নাল হাজারী
    ২. নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমান
    ৩. বরিশালের আবুল হাসনাত আব্দুল্লা
    ৪. লক্ষ্মীপুরের আবু তাহের
    ৫. ঢাকার ডা: এইচ বি এম ইকবাল
    ৬. ঢাকার হাজী মকবুল
    ৭. ঢাকার হাজী সেলিম
    ৮. চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান বাবু
    ৯. ময়মনসিংহের আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ
    ১০. সিলেটের মহিবুর রহমান ওরফে বোমা মানিক।

    [su]শীর্ষ রাজনৈতিক হত্যাকান্ড[/su]
    * মালিবাগে আওয়ামী এমপি ইকবালের নেতৃত্বে গুলি করে চারজনকে হত্যা।
    * যশোরে সাংবাদিক শামসুর রহমান হত্যা।
    * নওগাঁয় আদিবাসী নেতা আলফেন্সড সরেন হত্যাকান্ড।
    * আইনজীবী কালিদাস বড়াল হত্যাকান্ড।
    * বিএনপি নেতা ও আইনজীবী হাবিবুর রহমান মন্ডল হত্যাকান্ড।
    * আওয়ামী পন্থী ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হামলায় অপর গ্রুপের নিহত আট সদস্য।
    * লক্ষ্মীপুরে এডভোকেট নূরুল ইসলাম অপহরণ, নিখোজ, যার লাশ আজ অবধি পাওয়া যায়নি।
    * শেখ হাসিনার বান্ধবী নগর আওয়ামী নেত্রী নসিবুন নাহারের ছেলে সুমনের হাতে সুত্রাপুরে জোড়া খুন।
    * আওয়ামী এমপি মকবুলের নেতৃত্বে ছাত্রদল কর্মী সজল হত্যাকান্ড।
    * সাংবাদিক মুকুল, মির্জা ইলিয়াছ ও নহর আলী হত্যাকান্ড।

    [su]নারী নির্যাতন[/su]
    পুলিশের হিসাব মতেই আওয়ামী শাসনের পাঁচ বছরে অপহরণ ৬,২৮৩ জন

    [su]নির্যাতিত নারী[/su] ৪৪,৩৫৮ জন

    [su]ধর্ষিত নারী[/su] ১১,৭৩৮ জন

    [su]শেখ হাসিনার সোনার ছেলে সেঞ্চুরি মানিকের কথা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে যে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রী ধর্ষণে সেঞ্চুরী করার পর উৎসব করেছিল।[/su]

    [sb]আলোচিত হত্যাকান্ড[/sb]

    * আওয়ামী লীগ নেতা কাদেরের হাতে রামপুরার হাজীপাড়ায় বুশরা হত্যাকান্ড।
    * আওয়ামী লীগ নেতা কামাল মজুমদারের ছেলে জুয়েলের হাতে ব্যবসায়ী শিপু হত্যাকান্ড।
    * আওয়ামী এমপি মায়া চৌধুরীর ছেলে দীপু চৌধুরী বাহিনীর হাতে তারাজ উদ্দিন হত্যা।
    * আওয়ামী নেত্রী মুকুলি বেগমের ইন্ধনে সিদ্ধেশবরীতে পুলিশ নির্যাতনে মেধাবী ছাত্র রুবেল হত্যা।
    * ঢাকা এয়ারপোর্টে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে লন্ডন প্রবাসী সুরত আলী খুন।
    * ডিবি অফিসের পানির ট্যাঙ্কে জালালের লাশ

    [sb]দূর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন[/sb]

    গত জোট সরকারকে দুর্নীতির অভিযোগে এককভাবে অভিযুক্ত করা হলেও আওয়ামী লীগ আমলেই প্রথম টন্সান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে নাম্বার ওয়ান বলে রায় দেয়।

    [sb]শেয়ার বাজারে মাথায় বাজ[/sb]

    * আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে (২৩·০৪·১৯৯৬) তখন শেয়ার বাজারে মূলসূচক ছিল ৯৭৬। আওয়ামী বাজেট সংকীর্ণতায় মাত্র পাঁচ মাস পরই (০৫·১১·১৯৯৬) এই মূল্যসূচক কৃত্রিমভাবে দন্সুত বেড়ে গিয়ে হয় ৩,৬৪৯। একটি কোম্পানির ১০০ টাকার শেয়ারের দাম উঠে যায় ২,৬০০ টাকায়। তারপরেই নামে বিরাট ধস।

    * আওয়ামী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি ব্যবসা-বাণিজ্য বুঝি না। আওয়ামী অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া বলেন, আমি শেয়ার মার্কেট বুঝি না। তাদের এই না বোঝার ফলে আওয়ামী শাসনের সাড়ে তিন বছরের মাথায় (২২·১২·১৯৯৯) শেয়ার বাজারে সূচক নেমে আসে মাত্র ৪৭৩-এ।

    * আওয়ামী সরকারের এই লুটপাট এবং ব্যর্থতার ফলে হাজার হাজার মানুষ হয়েছে দেউলিয়া। শ শ পরিবার হয়েছে নি:স্ব।

    [sb]সর্বনিম্ন রিজার্ভের রেকর্ড[/sb]
    আওয়ামী লীগ সরকার যখন বিদায় নেয় তখন ডলার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১০৫ কোটি যা ছিল তার আগের দশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। অথচ বাংলাদেশের তখনকার তিন মাসের আমদানী বিল মেটানোর জন্য প্রয়োজন হতো ২০০-২২৫ কোটি ডলার রিজার্ভ।

    [sb]আকাশকন্যা শেখ হাসিনা[/sb]

    * শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তার মেয়াদের পাঁচ ভাগের এক ভাগ সময় বিদেশে কাটিয়েছেন।
    * শেখ হাসিনা পাঁচ বছরে ৪৯ বার বিদেশ সফরে ২৪৮ দিন কাটিয়েছেন।
    * তার কমপে ১৬টি সফর ছিল ডক্টরেট ডিগ্রি ও পদক সংগ্রহের উদ্দেশে।

    শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে তার ম্যারাথন বিদেশ সফরে দেশের কতো কোটি টাকা খরচ হয়েছে তা জানা দুরুহ। তবে ১৪ এপ্রিল ২০০১ বিমান মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ বিমান একটি চিঠি দিয়েছিল যাতে শেখ হাসিনার ভিআইপি ফ্লাইট ব্যবহার বাবদ পাওনা ১৭ কোটি টাকা পরিশোধের অনুরোধ বিমান করেছিল। সফরের বিমান ভাড়ায় যদি ১৭ কোটি টাকা বকেয়া থাকে তাহলে মোট সফর খরচ অনুমান করা যায় কি?

    [sb]ডিগ্রীকন্যা শেখ হাসিনা[/sb]

    * শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্খায় দশটি অনারারি ডক্টরেট ডিগ্রি তার নামে ঘোষিত হয়। এরমধ্যে আটটি তিনি গ্রহণ করেন।

    * দেশ বা জাতির জন্য সম্পূর্ণ অর্থহীন এ ডিগ্রিগুলো সংগ্রহ করতে জনগণের কোটি কোটি টাকা শেখ হাসিনা খরচ করেছেন।

    * বিদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব অনারারি ডিগ্রি বিক্রি করা হয়। যে কোনো ব্যক্তিই টাকা দিলে তা কিনতে পারেন।

    আওয়ামী সন্ত্রাসে আক্রান্ত সাংবাদিক

    আওয়ামী সরকারের আমলে দৈনিক রানার সম্পাদক মুকুল, জনকণ্ঠের সাংবাদিক শামসুর রহমান সহ কমপে আটজন সাংবাদিক সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন। আহত হন ফেনীর (বর্তমানে প্রথম আলোর সাংবাদিক) টিপু সুলতান সহ আরো অনেকে। সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনে আওয়ামী মন্ত্রী, এমপি, নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত ছিল বলে অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া যায়।

    এই হলো শেখ হাসিনা কথিত আওয়ামী স্বর্ণযুগের সামান্য নমুনা মাত্র।
    ———————————————————————
    আপনাদের জানা থাকলে আরও যোগ করতে পারেন।
    ———————————————————————-
    http://www.somewhereinblog.net/blog/570blog/28885679

    [উত্তর দিন]

  9. m shauqat বলেছেন:

    apnake mubarok bad

    [উত্তর দিন]

    কাঙ্গাল উত্তর দিয়েছেন:

    আপনাকেও মোবারক বাদ

    [উত্তর দিন]

  10. emon বলেছেন:

    মজা পাইলাম। অনেক তথ্য জানতে পারলাম।

    [উত্তর দিন]

  11. লাশের রাজনীতি | শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস বলেছেন:

    […] বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের বাসায় র‌্যাবের পোষাকে ছাত্রলীগ যে বর্বরতা চালিয়েছে তা আওয়ামী লীগের […]

  12. মানুষ না আওয়ামী লীগ? | শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস বলেছেন:

    […] মীর্জা আব্বাসের ওপর। আর তাইতো র‍্যাবের পোষাকে ছাত্রলীগ নামের সারমেয়রা হামলে পড়ে মীর্জা […]

  13. ওরা মানুষ না আওয়ামী লীগ? « absmizi বলেছেন:

    […] মীর্জা আব্বাসের ওপর। আর তাইতো র‍্যাবের পোষাকে ছাত্রলীগ নামের সারমেয়রা হামলে পড়ে মীর্জা […]

  14. ওরা মানুষ না আওয়ামী লীগ? « আবুবকর সিদ্দীক মিজির স্বপ্নবিলাস বলেছেন:

    […] মীর্জা আব্বাসের ওপর। আর তাইতো র‍্যাবের পোষাকে ছাত্রলীগ নামের সারমেয়রা হামলে পড়ে মীর্জা […]

মন্তব্য করুন