পাথর সময়

মনটা এতই খারাপ হয়ে আছে যে কিচ্ছু লিখতে ইচ্ছে করছে না, তাই একটি জাতীয় দৈনিকে আজ প্রকাশিত সংবাদটি হুবহু তুলে ধরলাম।

কবরের মতো ছোট অìধকার প্রকোষ্ঠে চোখ বেঁধে এবং লোহার শিকের সাথে হাতকড়া লাগিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে আমার দেশ সম্পাদক ও সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানকে। গত বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১০ ঘন্টা এভাবেই তাকে টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গতকাল আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মাহমুদুর রহমান আদালতের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, টর্চারের ‘ডেফিনেশন’ (সংজ্ঞা)-এ কী আছে তা আপনারা ভালো বলতে পারবেন। আমি যতদূর জানি, বাংলাদেশ ‘ইউনাইটেড নেসন্স’র ‘কনভেনশন এগেইনেস্ট টর্চার’-এ স্বাক্ষর করেছে। এতে সই করার পর কোনো সরকার তার যেকোনো নাগরিকের সাথে এ ধরনের আচরণ করতে পারে কি না? এ ছাড়া সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চোখ বেঁধে রাখার কোনো আইনি বিধান আছে কি না? এটা বিবেচনা করার দায়িত্ব মাননীয় আদালতের।
বিমানবন্দর থানার দায়েরকৃত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল তাকে আদালতে আনা হয়। এ নিয়ে চারটি মামলায় তিনি ১২ দিন রিমান্ডে ছিলেন। গতকাল আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
আদালতের অনুমতি নিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় আমাকে ডিবি অফিস থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। বলা হয়, এটা র‌্যাব-১ অফিসের টিএফআই সেল। ওই সেলে নিয়ে আমার হাতকড়া পরানো হয় এবং আমার চোখ বাঁধা হয়। সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আমাকে চোখ বেঁধে এবং হাতকড়া বেঁধে রাখা হয়। এটা আইনের বিধান কি না মাননীয় আদালত আপনারা বিবেচনা করবেন। এখানে আইনের লোকজন আছেন। তা দেখবেন। সারা বাংলাদেশে আইনকে কোথায় নিয়ে যেতে চাওয়া হচ্ছে তা আপনারা বিবেচনা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘পুরো সময়টা চোখ বেঁধে রেখে এবং হাতকড়া পরিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমাকে যখন সেল নামক একটি জায়গায় দেয়া হয়েছে, সে জায়গাটা খুব বেশি হলে একটা কবরের সাইজ হতে পারে।’ আদালতের কাঠগড়ার শিক দেখিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, সেখানে এ রকম শিকের সাথে আমার এক হাত হাতকড়া বাঁধা এবং বাকিটাও ওই শিকের সাথে বাঁধা অবস্খায় ছিলাম। এভাবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমাকে সেখান থেকে আবার ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালতে তিনি বলেন, যে অত্যাচারের মধ্য দিয়ে আমি ২৪ দিন অতিবাহিত করছি সে অত্যাচারটা করা হচ্ছে আইনকে সামনে রেখে। আইনকে ব্যবহার করে। আইনকে ব্যবহার করে যদি এ ধরনের অত্যাচার একজন নাগরিকের ওপর করা হয়, তাহলে এর ধারাবাহিকতা চলতে থাকবে। এতে রাষ্ট্র কোন অবস্খায় যাবে তা আপনি বিবেচনা করবেন। আদালতকে ধন্যবাদ দিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।
এ দিকে পৃথক তিনটি মামলায় ১২ দিনের রিমান্ড শেষে মাহমুদুর রহমানকে গতকাল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে নতুন কোনো রিমান্ড আবেদন না থাকায় আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। একই সাথে কারাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার ব্যবস্খা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালতে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবীরা বলেন, রিমান্ডের নামে তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে রক্ষার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে সুচিকিৎসা দরকার। আইনজীবীরা আদালতকে আরো বলেন, মাহমুদুর রহমানের বিষয়ে হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশ তা মানছে না। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আদালত আসামিকে অসুস্খ মনে করলে তার সুস্খতার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু মাহমুদুর রহমানের ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। আইনজীবীরা বলেন, পুলিশ চার দিনের নামে পাঁচ দিন কেন তাকে রিমান্ডে রাখল এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তার কাছে আসামি না রেখে কেন তৃতীয় সংস্খার কাছে হস্তান্তর করল আদালত থেকে তারও ব্যাখ্যা দেয়া উচিত।
মাহমুদুর রহমানকে বেলা ১টা ৫০ মিনিটের সময় আদালতের গারদখানায় নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘক্ষণ গারদখানায় রাখার পর তাকে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে বেলা ৩টা ২০ মিনিটে ঢাকার মহানগর হাকিম মোস্তফা শাহরিয়ার খানের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নতুন করে রিমান্ড না চাওয়ায় মাহমুদুর রহমানকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সাথে কারাবিধি মোতাবেক তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
আদালত মাহমুদুর রহমানের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে জেলে পাঠানোর আগে এক ঘন্টা আদালত কক্ষে তার আইনজীবীদের সাথে মামলাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার অনুমতি দেন। মাহমুদুর রহমান আইনজীবীদের বলেন, ডিবি অফিস থেকে বের করার সময় তিনি তার মাকে রাস্তায় দেখেছেন। তার চোখে পানি দেখেছেন, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাননি।
এ দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমানকে বিমানবন্দর থানায় না রেখে তৃতীয় সংস্খার (পক্ষের) কাছে কেন হস্তান্তর করেছেন সেই বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেননি।
এর আগে সকালে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবীরা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পৃথক তিনটি মামলায় জামিনের জন্য আবেদন জানালে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো: ইসমাঈল হোসেন শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করেন।
মাহমুদুর রহমানের পক্ষে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো: সানাউল্লাহ মিয়া, মো: মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মো: খোরশেদ আলম, গোলাম মোস্তফা খান, সালেহ উদ্দিন, ব্যারিস্টার আহসান কবির, মো: মহসিন মিয়া, মোসলেম উদ্দিন জসিম, ওমর ফারুক, খন্দকার দিদারুল ইসলাম, সালেহ উদ্দিন, মো: জাকির হোসেন ভূঁইয়া, মো: তৈমূর আলম খন্দকার, মো: জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, মো: তাহেরুল ইসলামসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী মামলা পরিচালনা করেন।

রাতভর জেগে থাকা মায়ের সামনে দিয়েই অজ্ঞাত স্থানে যাত্রা মাহমুদুর রহমানের

শঙ্কা তাকে তাড়া করে ফিরছে। তাই ঘরে ফেরা হয়নি। মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত মিন্টো রোডের ফুটপাথে ডিবি অফিসের সামনে বসে ছিলেন। সন্তানের দু:সময়। মনের ভেতর চেপে ধরা অজানা শঙ্কা। সব মিলিয়ে অস্খির সময় কাটছে তার। তিনি আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মা। সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগম (৭২)।
অবশেষে তার শঙ্কাই সত্যি হলো। আদালতের নির্দেশনা শিকেয় উঠল। গতকাল ভোরে মাহমুদুর রহমানকে ডিবি অফিস থেকে দু’টি জিপ গাড়ির একটিতে করে নিয়ে যাওয়া হয় ক্যান্টনমেন্টে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে সেখানে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।
চোখে এখন কেবল পানি। মনে সন্তানের সুস্খতার জন্য প্রার্থনা ছাড়া এ মায়ের আর কিছুই করার নেই। রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে তিনি অসহায়। এখানে আইন-নিয়ম-রীতি-মায়ের আকুতির কোনো বালাই নেই। সেখানে তিনি কার কাছে চাইবেন বিচার। কাকে বলবেন তার সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে। হাতে তসব্হি, চোখে পানি আর সন্তানের জন্য উদ্বিগ্ন মায়ের জিজ্ঞাসা­ এটাই কী তবে আইনের শাসন।
মাহমুদুর রহমানের মায়ের সাথে তার স্ত্রী, মামা, খালা সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দও ছিলেন। তারা ঢাকার বিভিন্ন স্খানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফতরে মাহমুদুর রহমানের অবস্খান সম্পর্কে জানতে চেয়ে ব্যর্থ হন। পরে তারা শুনতে পান মাহমুদুর রহমানকে ডিবি অফিসেই রাখা হয়েছে। সেখান থেকে তাকে ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তাই তারা সেখানে অবস্খান নেন।
সূত্র মতে, কথিত উত্তরা ষড়যন্ত্র মামলায় মাহমুদুর রহমানের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সে-মতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এটাই নিয়ম। কিন্তু এর ব্যত্যয় ঘটছে মাহমুদুর রহমানের ক্ষেত্রে। রোববার রিমান্ডে তাকে আনা হয় মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে। সেখান থেকে মঙ্গলবার রাতেই তাকে নেয়ার চেষ্টা হয় অন্য কোথায়ও। পরে সে খবর পেয়ে মাহমুদুর রহমানের মা, মামা, স্ত্রী ও বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ সেখানে ছুটে যান। তাই রাতে তাকে অজ্ঞাত স্খানে নেয়া যায়নি। রাত জেগে অপেক্ষার কারণে বেশির ভাগই ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে বাসায় ফিরে যান সকালে। কিন্তু মাহমুদুর রহমানের মা মধ্যরাতে বাসায় গিয়ে রাত জেগে নামাজ পড়ে ভোরে আবার ফিরে আসেন। ভোরেই মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির ভেতর থেকে তিনি হাত তুলে মাকে ইশারা করেন। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। সে সাথে কেঁদে ফেলেন স্ত্রী।
পরে ডিবি অফিস থেকে বের হওয়া গাড়ির পেছনে সংবাদকর্মীরা ছোটেন। তারা ক্যান্টনমেন্টের জাহাঙ্গীর গেটের পর আর যেতে পারেননি। সে জন্য জানা সম্ভব হয়নি মাহমুদুর রহমানকে ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তার আইনজীবীরা ধারণা করছেন, তাকে অজ্ঞাত স্খানে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। তার অবস্খান না জানানোকে তারা মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করছেন।
মাহমুদুর রহমানের মা সংবাদকর্মীদের জানান, তার ছেলেকে অজ্ঞাত স্খানে নিয়ে নির্যাতন করা হতে পারে, এমন সংবাদ পেয়ে গত মঙ্গলবার রাতে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে ছুটে আসেন তিনি।
সেখানে তিনি, মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী ছাড়াও বিএনপি দলীয় ১১ জন সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মী ও পেশাজীবীরা ছুটে আসেন। রাতভর অবস্খান শেষে সকালে অবস্খানকারীদের অনেকে বাসায় ফেরেন। তবে প্রিয় সন্তানের নির্যাতনের আশঙ্কার কথা শুনে মাহমুদুর রহমানের মা ডিবি কার্যালয়ের সামনেই রাস্তায় বসা ছিলেন। তার সাথে ছিলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি, মাহমুদুর রহমানের খালা, মামাসহ সংবাদমাধ্যম কর্মীরা।
সকাল সাড়ে ৬টায় পুলিশের দু’টি জিপ গাড়ি ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ৬টা ৩৭ মিনিটে গাড়ি দু’টি মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়। পেছনের গাড়িতে সাদা পোশাকধারী অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তির মধ্যে মাহমুদুর রহমানকে আড়ালের চেষ্টা করা হয়।
এর মধেও রাস্তার পাশে বসা অশ্রুসিক্ত মাকে মাহমুদুর রহমান হাত তুলে ইশারা করেন। ‘আমার ছেলেকে বাঁচাও আল্লাহ’ প্রার্থনা জানিয়ে তসবিহ হাতে মাহমুদুর রহমানের মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। কিন্তু গাড়ি কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক দিয়ে ফার্মগেট হয়ে দ্রুতগতিতে ক্যান্টনমেন্টের দিকে এগিয়ে যায়। গণমাধ্যম কর্মীরা গাড়ি দু’টির পেছনে ছুটলেও বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর গেট দিয়ে ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের পর আর গাড়ির নাগাল পাননি।
মাহমুদুর রহমানের মায়ের অভিযোগ­ কথিত নানা অভিযোগে ডিবি পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে তার ছেলের ওপর উপর্যুপরি নির্যাতন চালাচ্ছে। আদালত, সংবিধান ও মানবাধিকার আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাহমুদুর রহমানের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। আরো নির্যাতনের জন্য অজ্ঞাত স্খানে নেয়া হয়েছে। গতকাল সকালে আমার দেশ সম্পাদককে কোথায় নেয়া হয়েছে তা জানতে দিনভর তার মা, স্ত্রী, স্বজনসহ অন্যরা ছোটাছুটি করেও তার খোঁজ জানতে পারেননি। কেউ বলেছেন, একটি গোয়েন্দা কার্যালয়ে, কেউবা বলেছেন, র‌্যাব-১ কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, তিন মামলায় আট দিন রিমান্ড শেষে গত বৃহস্পতিবার গুরুতর অসুস্খ মাহমুদুর রহমানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ক্যান্টনমেন্ট থানায় রিমান্ডে থাকাকালে বিবস্ত্র করে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। সে সময় তিনি অজ্ঞানও পড়ে যান বলে আদালতে উল্লেখ করেন মাহমুদুর রহমান নিজেই। পরে আরেকটি মামলার রিমান্ড শেষে আদালতে নেয়া হলে আদালত তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশ দেন। উন্নত চিকিৎসা না দিয়েই রোববার গুরুতর অসুস্খ অবস্খায় মাহমুদুর রহমানকে কারাগার থেকে বিমানবন্দর থানায় দায়েরকৃত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আবারো রিমান্ডে নেয়া হয়। এ জন্য তাকে ডিবি অফিসে নেয়া হয়। তবে বর্তমানে তার অবস্খান সম্পর্কে তার পরিবার-পরিজনসহ কেউই কিছু জানতে পারছেন না। হাইকোর্টের আদেশ সত্ত্বেও জিজ্ঞাসাবাদের সময় কোনো আইনজীবী রাখা হচ্ছে না।

http://www.dailynayadiganta.com/2010/06/24/fullnews.asp?News_ID=218210&sec=1

KgËkk iËZw ÌQwU AìcKwk eÞËKwËÅ ÌPwL Ìg^Ëc Ggv Ìlwpwk xmËKk owËa pwZKrw lwxMËt xRšwowgwb Kkw pËtËQ Awiwk Ìbm oóewbK I owËgK Ròwlwxd DeËbÄw iwpiÖbÖk kpiwdËK„ MZ gÖcgwk oKwl ÌaËK xgËKl ejêìæ 10 NåUw GhwËgB ZwËK xUGfAwB ÌoËl xRšwowgwb Kkw pt„ MZKwl AwbwlËZk KwVMrwt b^wxrËt xZxd Gog Kaw gËld„ iwpiÖbÖk kpiwd AwbwlËZk DË¥Ëm eÞmí ÌkËL gËld, UPêwËkk ‘ÌWxfËdmd’ (ovšw)-G Ky AwËQ Zw Awedwkw hwËlw glËZ ewkËgd„ Awxi jZbÔk Rwxd, gwvlwËbm ‘BDdwBËUW Ìdoëo’k ‘KdËhdmd GËMBËdýU UPêwk’-G þñwqk KËkËQ„ GËZ oB Kkwk ek ÌKwËdw okKwk Zwk ÌjËKwËdw dwMxkËKk owËa G ckËdk AwPkY KkËZ ewËk xK dw? G Qwrw oKwl 7Uw ÌaËK xgËKl 5Uw ejêìæ ÌPwL Ìg^Ëc kwLwk ÌKwËdw AwBxd xgcwd AwËQ xK dw? GUw xgËgPdw Kkwk bwxtZò iwddyt AwbwlËZk„
xgiwdgëbk awdwk bwËtkKÚZ kwÄÛËbÛwp iwilwt Pwk xbËdk xkiw« ÌmËn MZKwl ZwËK AwbwlËZ Awdw pt„ G xdËt PwkxU iwilwt xZxd 12 xbd xkiwË« xQËld„ MZKwl AwbwlËZk xdËbêËm ZwËK ÌRlpwRËZ ewVwËdw pt„
AwbwlËZk AdÖixZ xdËt iwpiÖbÖk kpiwd gËld, ‘gÖcgwk oKwl owËr 6Uwt AwiwËK xWxg Axfo ÌaËK Ìgk KËk xdËt jwItw pt„ glw pt, GUw køwg-1 AxfËok xUGfAwB Ìol„ IB ÌoËl xdËt Awiwk pwZKrw ekwËdw pt Ggv Awiwk ÌPwL g^wcw pt„ oKwl 7Uw ÌaËK xgËKl 5Uw ejêìæ AwiwËK ÌPwL Ìg^Ëc Ggv pwZKrw Ìg^Ëc kwLw pt„ GUw AwBËdk xgcwd xK dw iwddyt AwbwlZ Awedwkw xgËgPdw KkËgd„ GLwËd AwBËdk ÌlwKRd AwËQd„ Zw ÌbLËgd„ owkw gwvlwËbËm AwBdËK ÌKwawt xdËt ÌjËZ PwItw pËâQ Zw Awedwkw xgËgPdw KkËgd„’ xZxd gËld, ‘eÖËkw oitUw ÌPwL Ìg^Ëc ÌkËL Ggv pwZKrw exkËt AwiwËK xRšwowgwb Kkw pËtËQ„ AwiwËK jLd Ìol dwiK GKxU RwtMwt Ìbtw pËtËQ, Ìo RwtMwUw LÖg Ìgxm pËl GKUw KgËkk owBR pËZ ewËk„’ AwbwlËZk KwVMrwk xmK ÌbxLËt iwpiÖbÖk kpiwd gËld, ÌoLwËd G kKi xmËKk owËa Awiwk GK pwZ pwZKrw g^wcw Ggv gwxKUwI IB xmËKk owËa g^wcw Agþÿwt xQlwi„ GhwËg xgËKl 5Uw ejêìæ xRšwowgwb ÌmËn AwiwËK ÌoLwd ÌaËK Awgwk xWxg AxfËo xdËt jwItw pt„
AwbwlËZ xZxd gËld, Ìj AZøwPwËkk icø xbËt Awxi 24 xbd AxZgwxpZ KkxQ Ìo AZøwPwkUw Kkw pËâQ AwBdËK owiËd ÌkËL„ AwBdËK gøgpwk KËk„ AwBdËK gøgpwk KËk jxb G ckËdk AZøwPwk GKRd dwMxkËKk Iek Kkw pt, ZwpËl Gk cwkwgwxpKZw PlËZ awKËg„ GËZ kwÄÛ ÌKwd Agþÿwt jwËg Zw Awexd xgËgPdw KkËgd„ AwbwlZËK cdøgwb xbËt xZxd Zwk g£ßgø Ìmn KËkd„
G xbËK eÙaK xZdxU iwilwt 12 xbËdk xkiw« ÌmËn iwpiÖbÖk kpiwdËK MZKwl ÌRlpwRËZ ewVwËdw pËtËQ„ xgiwdgëbk awdwt bwËtk Kkw kwÄÛËbÛwp iwilwt Pwk xbËdk xkiw« ÌmËn MZKwl bÖeÖËk ZwËK AwbwlËZ pwxRk Kkw pËl dZ×d ÌKwËdw xkiw« AwËgbd dw awKwt AwbwlZ ZwËK ÌRlpwRËZ ÌeÞkËYk xdËbêm Ìbd„ GKB owËa Kwkwxgxc AdÖjwty Zwk xPxKuowk gøgþÿw I Adøwdø oÖxgcw xdxúPZ KkwkI xdËbêm Ìbtw pt„
AwbwlËZ iwpiÖbÖk kpiwËdk AwBdRygykw gËld, xkiwË«k dwËi Zwk Iek xdjêwZd Kkw pËtËQ„ ZwËK kqwk Rdø ÌixWKøwl ÌgwWê MVd KËk oÖxPxKuow bkKwk„ AwBdRygykw AwbwlZËK AwËkw gËld, iwpiÖbÖk kpiwËdk xgnËt pwBËKwUê Ìj xdËbêmdw xbËtËQd eÖxlm Zw iwdËQ dw„ pwBËKwËUêk xdËbêmdw AdÖjwty AwbwlZ AwowxiËK AoÖþÿ iËd KkËl Zwk oÖþÿZwk Rdø ÌixWKøwl ÌgwWê MVd KËk xgËmnš xPxKuoK xbËt xPxKuow KkwËZ pËg„ xKìç iwpiÖbÖk kpiwËdk ÌqË¢ Zw iwdw ptxd„ AwBdRygykw gËld, eÖxlm Pwk xbËdk dwËi e^wP xbd ÌKd ZwËK xkiwË« kwLl Ggv iwilwk ZbìæKwky KiêKZêw Zwk KwËQ Awowxi dw ÌkËL ÌKd ZÚZyt ovþÿwk KwËQ pþæwìæk Kkl AwbwlZ ÌaËK ZwkI gøwLøw Ìbtw DxPZ„
iwpiÖbÖk kpiwdËK Ìglw 1Uw 50 xixdËUk oit AwbwlËZk MwkbLwdwt xdËt Awow pt„ byNêqY MwkbLwdwt kwLwk ek ZwËK xgiwdgëbk awdwt bwËtk Kkw kwÄÛËbÛwp iwilwt Pwk xbËdk xkiw« ÌmËn Ìglw 3Uw 20 xixdËU XwKwk ipwdMk pwxKi Ìiwþæfw mwpxktwk LwËdk AwbwlËZ pwxRk Kkw pt„ iwilwk ZbìæKwky KiêKZêw dZ×d KËk xkiw« dw PwItwt iwpiÖbÖk kpiwdËK ÌRlpwRËZ ewVwËdwk xdËbêm Ìbd„ GKB owËa Kwkwxgxc ÌiwZwËgK Zwk oÖxPxKuow xdxúPZ Kkwk Rdø ÌRl KZÚêeqËK xdËbêm Ìbd„
AwbwlZ iwpiÖbÖk kpiwËdk AwBdRygyËbk AwËgbËdk exkËeÞxqËZ ZwËK ÌRËl ewVwËdwk AwËM GK NåUw AwbwlZ KËq Zwk AwBdRygyËbk owËa iwilwov¢ßwìæ xgnt xdËt AwËlwPdw Kkwk AdÖixZ Ìbd„ iwpiÖbÖk kpiwd AwBdRygyËbk gËld, xWxg Axfo ÌaËK Ìgk Kkwk oit xZxd Zwk iwËK kwþæwt ÌbËLËQd„ Zwk ÌPwËL ewxd ÌbËLËQd, xKìç Zwk KŸþñk ÂdËZ ewdxd„
G xbËK iwilwk ZbìæKwky KiêKZêw iwpiÖbÖk kpiwdËK xgiwdgëbk awdwt dw ÌkËL ZÚZyt ovþÿwk (eËqk) KwËQ ÌKd pþæwìæk KËkËQd ÌoB xgnËt AwbwlZ ÌKwËdw AwËbm Ìbdxd„
Gk AwËM oKwËl iwpiÖbÖk kpiwËdk AwBdRygykw XwKw ipwdMk bwtkw RR AwbwlËZ eÙaK xZdxU iwilwt RwxiËdk Rdø AwËgbd RwdwËl AxZxk£ß ipwdMk bwtkw RR Ìiw: BoiwCl ÌpwËod Âdwxd ÌmËn Rwxid dwi™Ök KËkd„
iwpiÖbÖk kpiwËdk eËq owËgK AøwUxdê ÌRdwËkl G ÌR Ìiwpwóib Awly, XwKw AwBdRygy oxixZk ohwexZ Ìiw: owdwDlöwp xitw, Ìiw: iwoÖb AwpËib ZwlÖKbwk, Ìiw: ÌLwkËmb Awli, ÌMwlwi Ìiwþæfw Lwd, owËlp Dx¥d, gøwxkýUwk Awpowd Kxgk, Ìiw: ipxod xitw, ÌiwoËli Dx¥d Rxoi, Iik fwkØK, LëbKwk xbbwkØl Bolwi, owËlp Dx¥d, Ìiw: RwxKk ÌpwËod hÔ^Btw, Ìiw: ÑZiÔk Awli LëbKwk, Ìiw: Rtdwl AwËgbyd ÌiRgwp, Ìiw: ZwËpkØl Bolwiop eÞwt AcêmZ AwBdRygy iwilw exkPwldw KËkd„
Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“পাথর সময়” লেখাটিতে একটি মন্তব্য

  1. mushfiq বলেছেন:

    সময়টা হঠাত করেই যেন একটু বেশী বেশী রকম দু:সহ হয়ে উঠেছে । কখন ও কখন ও মনেহয়
    আমরা বাস্তবে নেই ।
    .
    মানুষ হিসেবে নিজের অস্তিত্ব ভাবতে ভয় হয় । মানুষ হয়ে মানুষের বোবা কান্না একটু ও শুনতে পাইনা ।
    পশু পাখিরা পরস্পরের ভাষা শুনতে পায়, আমরা পাইনা ।
    .
    ভাই আপনার লেখা আমাদের জীবন্মৃত দেহ আত্মাকে বারবার থুচিয়ে থুচিয়ে বলে যায়, আমরা বড় বেশী সার্থপর, বড় বেশী অকৃতজ্ঞ । একজন মাহমুদুর রহমান আমাদের সবাইকে বাচানোর জন্য সাম্রজ্যবাদের অসুরের বিরুদ্ধে লড়লেন । আর আমরা সবাই মিলে ও তাকে বাচাতে পারছিনা ।
    .
    কেউ পরিবেশ বাচানোর আন্দোলন করছি, কেউ নদী বাচানোর আন্দোলনে ব্যস্ত ।
    কিন্ত একজন মানুষ বাচনো আন্দোলনে এগিয়ে আসছেনা ।
    নিজকে বাচাতে ব্যস্ত । কিন্ত বনে আগুন লাগলে যে কাচা পাকা সবই………………

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন