চসিক নির্বাচন: ফলাফল পাল্টে দেয়ার আশংকা

(সর্বশেষ সংবাদ: প্রায় লক্ষ ভোটে মনজুর বিজয়ী)

বহু প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ কেন্দ্রের ভোট গণণাও শেষ হয়েছে, শুধু দেরী হচ্ছে ফল ঘোষণায়। গণমাধ্যমগুলো শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করলেও আনারস প্রতীকের পক্ষ থেকে ২০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হলেও সময় যতই যাচ্ছে ততই ফলাফল সরকারের অনুকূলে ঘুরিয়ে দেয়ার আশংকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পর্যন্ত ৬৭৪টি ভোট কেন্দ্রের মাত্র ৪৯টির ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। (রাত ১১:৩০ পর্যন্ত)

এ নির্বাচনে এবারই প্রথম ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নামের অদ্ভূত দর্শন ও নিরাপত্তাহীন যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যালটবিহীন ভোট গৃহীত হয়। এ ধরণের যন্ত্র দিয়ে যে ইচ্ছে করলেই যে কাউকে জিতিয়ে দেয়া যায় তা সহজেই অনুমেয়। ধারণা করা হচ্ছে যে অতি নিম্নমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার যন্ত্র দিয়ে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপির সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। যে সব কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র দিয়ে ভোট গৃহীত হয়েছে সেসব কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী মহিউদ্দিনের জাহান প্রতীক এগিয়ে আছে।

এদিকে বিএনপি সমর্থক চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী মনজুরের আনারস প্রতীকের এজেন্টদের অভিযোগ যে সব কেন্দ্রে আনারস মার্কা এগিয়ে সেসব কেন্দ্রের ব্যালট গণনা শেষ হলেও নির্বাচনের ফলাফল কারচুপির মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য প্রকাশ করতে দেরী করছে নির্বাচন কমিশন। রাত যত গভীর হচ্ছে, কারচুপির গুঞ্জন তত বাড়ছে, বাড়ছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংএর আংশকা। ফলাফল ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ করছে মনজু সমর্থকরা

নির্বাচনী ফলাফল কারচুপির যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় মনজুরের আনারস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের অবশ্যই মাঠে শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে, নয়তো আরেকটি ভোলা নির্বাচনের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

http://www.shahriar.info/post-item/1800.html
Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“চসিক নির্বাচন: ফলাফল পাল্টে দেয়ার আশংকা” লেখাটিতে 7 টি মন্তব্য

  1. শাহরিয়ার বলেছেন:

    মহিউদ্দিন-মনজু সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে
    ঢাকা, ১৭ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সিসিসি নির্বাচনের পর ভোট গণনার সময় ইলেকশন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন কন্ট্রোল রুমের বাইরে মহিউদ্দিন ও মনজু সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা চালায় সংঘর্ষকারীরা। এতে পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। আহতের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো সংঘর্ষ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণ আনতে সেনাবাহিনী, বিডিআর, র‌্যাব, পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে সিসিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দাবিতে ইলেকশন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন কন্ট্রোল রুমের বাইরে বিক্ষোভ করে বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মেয়ার প্রার্থী মনজুর আলমের সমর্থকরা।

    মনজুর আলমে প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দাবি, আড়াইশ কেন্দ্রে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার ভোটে এগিয়ে আছেন মনজু। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) তা প্রকাশ করছে না। এখন পর্যন্ত তারা মাত্র ৪৯ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছে। কিন্তু এ ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়। বাকলিয়া, লালখান বাজার, হালি শহর ও রামপুর এলাকায় এখন পর্যন্ত বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মনজু। কিন্তু তাকে হারানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের পাশ্ববর্তী জিমনেশিয়ামে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন কন্ট্রোল রুমে সাংবাদিকদের আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা বলেন।

    এর আগে বিকেলে ২০ এরও অধিক কেন্দ্র দখল করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন চৌধুরীর জাহাজ মার্কায় ভোট দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন খসরু।

    তিনি বলেন, মহিউদ্দিনের লোকেরা ২০ এরও অধিক কেন্দ্র দখল করে জাহাজ মার্কায় সিল দিয়েছে। আমি আনারস মার্কার প্রধান এজেন্ট থাকা সত্ত্বেও নাসিরাবাদ টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারসহ অনেক কেন্দ্রে আমাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

    [উত্তর দিন]

  2. sajjad বলেছেন:

    amar kase ctg-er bakalia thana er news ase…eikhane monju pray 45000 vote jitse..& ami pray phon-e100 ta kendrer news nisi….jeikhane Allah’r rohomote monju 100ta kendrei bipul vote -er bebodhane joy lab korese.kintu,bhuje ashena 3.5hour age paowa news naki akono returning officer er kase jainiiiii……to eibar apnara bolun govn. eikhane ki korte chasche !!!!!!!

    [উত্তর দিন]

  3. শাহরিয়ার বলেছেন:

    চট্টগ্রাম, ১৭ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিসিসি) নির্বাচনে জামাল খান ওয়ার্ডের ৮৩ কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল বেসরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী জাহাজ প্রতীক নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার জাহাজ মার্কা পেয়েছে ৪৩ হাজার ৭শ ৫২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মনজুরুর আলম পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫০০শ ভোট।

    [উত্তর দিন]

  4. শাহরিয়ার বলেছেন:

    ঢাকা, ১৭ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সিসিসি নির্বাচনের পর ভোট গণনার সময় ইলেকশন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন কন্ট্রোল রুমের বাইরে মহিউদ্দিন ও মনজু সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে দেওয়ানহাট এলাকায় ১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    [উত্তর দিন]

  5. shuvro বলেছেন:

    Ami nije AL support kori na, kintu tarporeo technology somporke kisu jani bole Apnar inverted comma er ongso tuku pore hasi pelo. Manus ke confused na korle hoi na?

    “এ নির্বাচনে এবারই প্রথম ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নামের অদ্ভূত দর্শন ও নিরাপত্তাহীন যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যালটবিহীন ভোট গৃহীত হয়। এ ধরণের যন্ত্র দিয়ে যে ইচ্ছে করলেই যে কাউকে জিতিয়ে দেয়া যায় তা সহজেই অনুমেয়। ধারণা করা হচ্ছে যে অতি নিম্নমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার যন্ত্র দিয়ে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপির সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ”
    Kono idea ase apnar EVM nie? Germany/Netherlands/Belgium soho onek desei ekon ballot bihin kore felse. Kono kisu na jene sudu lafanor mane nai;

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    কোন কোন দেশে ব্যবহৃত হয় তা দেখে আমাদের দেশে প্রচলন করা যাবে কি না তা আগে ভাবতে হবে।
    একটা যন্ত্র কতটা জটিল বা ভালো তা আমাদের জানা প্রয়োজন নেই, আমরা জানি এবং দেখলাম অশিক্ষিত ভোটাররাও শ্রেফ বাটন টিপে ভোট দিচ্ছে। যন্ত্রটি কি দেয়ে বানানো হলো তা আমাদের জানার প্রয়োজন নেই, ওটা দিয়ে জালিয়াতি করা যায় কি না সেটাই আসল কথা।
    যদি যন্ত্রটি এমন হত যে আগে ন্যাশনাল আইডি কার্ড যন্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে swap করতে হবে তার পরে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে প্রতীকে চাপ দেয়া যেত, এবং কম্পিউটারে রক্ষিত ফিঙ্গার প্রিন্ট আর সঠিক কার্ড মিলিয়ে যদি ভোট গৃহীত হত তবে জালিয়াতির প্রশ্ন আসতো না।
    ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

    আরাফাত রহমান উত্তর দিয়েছেন:

    shuvro,
    জার্মানি নেদারল্যান্ডের যে উদাহরণ দিলেন ওদের সিসটেম আর আমাদের সিসটেমের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমাদের দেশের মেশিনে যে কেউ বাটন টিপে ভোট দিয়ে দিতে পারে। প্রিজাইডিং অফিসারের হাতে সব ক্ষমতা। উনি যদি কারচুপি করতে চান তাহলে পুরো সিসটেম টাই বরবাদ। একটি বুথে যদি কিছুক্ষণের জন্য ক্ষমতা হাতে নেয়া যায় তাহলে সব ভোট কাস্ট করে ফেলা সম্ভব।

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন