যমের সাথে লড়ছেন মাহমুদুর রহমান

প্রতি নি:শ্বাসে, মৃত্যুর দিন গুণছেন ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান।  কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে মাহমুদুর রহমান নিজের পক্ষে নিজেই শুনানিকালে তাকে হত্যা করা হতে পারে এমন আশংকা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তিনি টের পেয়েছেন সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় তাকে জীবিত অবস্থায় কারাগার থেকে বের হতে দেবে না।” এমনকি কারাগারে তার মৃত্যুর পরে তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি খেয়াল রাখতে দেশবাসীর প্রতিও তিনি অনুরোধ জানান।

না তিনি ভেঙ্গে পড়েন নি, মৃত্যু ভয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ভাসান নি, বরং দৃঢ়চেতা এ বীরপুরুষ তার উপর চাপিয়ে দেয়া সকল অন্যায়-অবিচারকে সাহসের সাথে মোকাবেলায় রয়েছেন অবিচল। হ্যা, তার পক্ষে আদালত ভর্তি আইনজীবী ছিলেন, তবুও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে তার অসমযুদ্ধ একাই মোকাবেলার জন্য নিজের পক্ষে নিজেই শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। অথচ কি আশ্চর্য বিষয়, প্রথম দিন আদালতে তাকে কথা বলতে বাধ্য করা হলেও তিনি যে দৃঢ়তার পরিচয় দেন তাতে সরকার পক্ষ দমে যায়। তাই গতকাল আদালতে তিনি কথা বলতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে বাঁধা দেয়া হয়। সরকার বুঝতে পারে, অত্যাচারের স্টীম রোলার চালিয়ে সাধারণ চোর-ছ্যাচোরদের দিয়ে যা খুশী তাই বলানো যেতে পারে, কিন্তু সত্যের পক্ষে নির্ভিক যোদ্ধাদের জুলুম-নিপীড়ণে দমানো যায় না। বনের মুক্ত বাঘকে খাঁচায় বন্দী করে অত্যাচার চালালেই মিউ মিউ করে পোষ মেনে যায় না বরং তাতে বাঘের তেজ বাড়ে বৈ কমে না। এভাবে তার কাছে থেকে কথা আদায়ের নামে শুধুমাত্র শারীরিকভাবেই তাকে দমানো যাবে হয়তো, কিন্তু ওরা জানে না, আদর্শের কোন মৃত্যু নেই।

১২ দিনের রিমান্ডে (আইনি হেফাজত) নেয়া হয়েছে তাকে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ৪ দিন, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় ৪ দিন, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় ১ দিন এবং পুলিশের উপর হামলার তেজগাঁও থানার মামলায় ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। আইনি হেফাজতে কিভাবে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়, তা আজ আর কারো অজানা নয়। অশ্বডিম্ব প্রসবে বাধ্য করতে পুলিশ হেন কোন অপকৌশল নেই যা প্রয়োগ করে না। ইলেক্ট্রিক শক, নানা সাইজের ডিম চিকিৎসা, হাত পা বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানো, উল্টো করে ঝুলিয়ে পানি ভর্তি বালতিতে চুবিয়ে নাক-মুখ দিয়ে পানি পান করানো, মাথায় কাপড় বেধে নাকে মুখে গরম পানি ঢালা ইত্যাদি নানবিধ নির্যাতনের কৌশল প্রয়োগে নিরাপত্তা হেফাজতকারীরা শয়তানেরও ইর্ষার পাত্রে পরিণত হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে কারাবন্দী আজকের প্রধানমন্ত্রীকেও বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। এভাবেই হয়তো নিভে যাবে মাহমুদুর রহমান নামের বিশ্বআলোকিত করা সত্যের মশাল।

মাহমুদুর রহমান একাই লড়েছেন সরকারের অপশাসন, দূর্ণীতি আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে। যেখানে প্রধান বিরোধী দল সরকারের দমন নিপীড়নের ভয়ে মাঠে নামতেই সাহসী হয় না, সেখানেই একাই তিনি প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। পুরো দেশটাই আজ বাকশালী রিমান্ডে, চলতে পারে আরো তিনটি বছর, যদিও আপাত ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টি ওয়ান। দেশবাসীকে বাকশালী রিমান্ড থেকে মুক্ত করতেই লড়েছেন তিনি। এর সুফল হয়তো পাবে বিএনপি, সাধারণ মানুষের আর যে কোন অপশন নেই, এমনটাই ভাবে তারা। আওয়ামী লীগের অপশাসন, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, নারী ধর্ষণ, প্রভৃতি কারনেই বার বার বিএনপি ক্ষমতায় আছে। এবারও বিএনপি সে দিবা স্বপ্নে বিভোর। আওয়ামী লীগের নিষ্পেষণে বিপন্ন মানবতা বিএনপিকে এমনিতেই ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে এমনটাই ভাবছে তারা। তাই সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে গলাবাজী করলেও কার্যকর কোন আন্দোলন গড়ে তুলছে না, এমনকি মাহমুদুর রহমানের মতো বীর সেনাদের আত্মউৎসর্গের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখলেও তাদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে না বিএনপি। তবে কি নপুংশকে ভরে গেল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল?

আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকলে কি করতো এখন, তা কারো অজানা নয়। আদালতের বিরুদ্ধে তারা লাঠি মিছিল করেছিল, ডান্ডা দিয়ে আদালত ঠান্ডা করে দেয়ার প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছিল। সেই আওয়ামী লীগ আজ ক্ষমতায় থাকায়  বিচারকরাই বাকশালী নির্যাতনের ভয়ে ন্যায় বিচারকে সরকারের বেদিতে উৎসর্গ করছে।

আদালত সাধারণ মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু আদালত যেভাবে আজ সরকারী অশুভ ছায়ায় ঢেকে আছে তাতে আদালত থেকে মানুষের আস্থা দিন দিন কর্পুরের মতো উবে যাচ্ছে। অনেকেই মনে করেন, দেশের বিচার বিভাগ, প্রতিরক্ষা বিভাগ, প্রচার মাধ্যম সবকিছুর উপর সরকারী নগ্ন হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সরকার আস্থার মিনার গুলো ধ্বংশ করে দিতে চায়। গতকাল এক স্মরণ সভায় প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতেই বক্তারা আক্ষেপ করে বলেন, “দেশের ৮০ ভাগ মানুষ জানে না ন্যায়বিচার কোথায় পাওয়া যাবে” আর যারা জানে তারা সেখানে ন্যায়বিচারের আশায় ছুটে গিয়ে বিচারকের পেছনে অদৃশ্য সরকারী ভূত দেখে আৎকে উঠে পালানোর পথ খুঁজে মরে। “আদালত অবমাননা” নামক জুজুর ভয় দেখিয়ে সরকার দলীয় বিচারকদের দিয়ে যা ইচ্ছে তা-ই জনগনকে মানতে বাধ্য করছে।এভাবে দলীয় বিচারকরাই দিনে দিনে আদালতকে আওয়ামী করণের মাধ্যমে আদালত অবমাননা করছে, আদালত অবমাননার দায়ে এসব বিচারকদের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত।

দেশের একটি প্রধান জাতীয় দৈনিকের সম্পাদককে যদি মিথ্যে মামলা দিয়ে দিনের পর দিন নিরাপত্তা হেফাজতের নামে নির্যাতন চালানো হয়, তবে সাধারণ মানুষের জন্য দেশ যে কতটা বিপদজনক আবাসভূমিতে পরিণত হয় তা সহজেই অনুমেয়। অত্যাচারের শব্দ যেন কিছুতেই বাইরে ছড়িয়ে না পরে তার জন্য আগেই আমার দেশ পত্রিকাটির মুখ সেলাই করে দেয়া হয়েছে, হাত-পা ভেঙ্গে জড় পদার্থে পরিণত করা হয়েছে পত্রিকাটি, ভয়ে থরকম্প মিডিয়া জগত। পুরো দেশটাই যেন আজ বন্ধীশালা, কারো নিরাপত্তা নেই, ইজ্জত বাঁচানোর পথ নেই, চারিদিক থেকে ধেয়ে আসছে বাকশালী প্রেত।

আসুন একবার দেখি গতকাল মাহমুদুর রমহমান আদলতে কি বলেছেন:

“এই সরকার আমাকে জীবনে মেরে ফেলবে। আমি হয়তো আর জীবন নিয়ে ফিরে আসতে পারব না। আমার লাশ পানিতে ভাসিয়ে দিলেও আমি চিন্তিত ও ভীত নই। আমি গণতন্ত্রের জন্য, জনগণের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। এই সরকারের হাতে যদি এমনটিই ঘটে, তাহলে আপনারা আমার মা, ভাই, বোন ও স্ত্রীর প্রতি খেয়াল রাখবেন।’

‘আমাকে গ্রেফতারের পর নির্যাতন করা হয়েছে। সকাল ৯টায় আদালতের গারদখানায় আনা হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত আমাকে প্রচন্ড গরমের মধ্যে রাখা হয়। খেতে চেয়েছি। কিন্তু খাওয়া তো দূরে থাক, পুলিশ আমাকে এক ফোঁটা পানি পর্যন্ত দেয়নি। পুলিশভ্যানে আমাকে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের প্রতি যদি এ ধরনের ব্যবহার করা হয়, তাহলে সাধারণ লোকের কী অবস্খা।’
‘আইনের রক্ষক হিসেবে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব আপনারও (আদালত)।’ ‘রোববার রিমান্ড শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ আমাকে আদালতে বক্তব্য দিতে জোরাজুরি করেছেন। আদালত নিজেও বলেছেন বক্তব্য দেয়ার জন্য। অথচ আজ আমি বক্তব্য দিতে চাইছি তখন রাষ্ট্রপক্ষ আমাকে বাধা দিচ্ছে। এটা কোন ধরনের আচরণ?’
“আমার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়া সংক্রান্ত মামলা দেয়া হয়েছে, অথচ এ মামলায় ঘটনা সম্পর্কে যে সময়ের কথা বলা হয়েছে সে সময় আমি ছিলাম পুলিশ হেফাজতে। পুলিশের হেফাজতে থেকে আমি কিভাবে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দিলাম? এটা মিথ্যার বেসাতি ছাড়া আর কিছুই না। যারা মুসলমান তারা অবশ্যই স্মরণ রাখবেন, কোরআনের সেই শাশ্বত বাণী­ ‘তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত কোরো না’।”
“আমি এই সরকারের ব্যর্থতা ও দোষত্রুটি সম্পর্কে বলেছি, লিখেছি­ যে কারণে এরা আমার প্রতি ক্ষুব্ধ। আর এদের কেউ কেউ আমাকে ‘ডেনজারাস’ লোক বলে অভিহিত করেছে।”
‘আমি গত ১৬ মে পদ্মার চরে সরকারের উদ্দেশে বলেছিলাম, ভারতের কাছে পানির হিস্যা নয়, বরং তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হোক। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার ও তার বিভিন্ন সংস্খার যে প্রতিক্রিয়া আমি লক্ষ করেছি তাতেই আমি বুঝেছিলাম তারা আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে।’
‘আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, দিচ্ছে তাতে আমি ভীত নই, আমার ঈমান শক্ত। আমি জানি মামলায়ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের সমর্থনে আমাকে রিমান্ডে দেয়া হবে। বলে লাভ নেই। বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে কি না নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করলেই তার উত্তর পাবেন।’
‘আওয়ামী লীগ ’৭২ সালেও ফ্যাসিবাদী কায়দায় চারটি পত্রিকা বাদে সমস্ত পত্রিকা বìধ করে দিয়েছিল। বর্তমানেও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। ’৭২ সালের সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় তারা আমার দেশ পত্রিকাটিও বìধ করে দিয়েছে।’-উদ্ধৃতিগুলো জাতীয় দৈনিক থেকে নেয়া।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“যমের সাথে লড়ছেন মাহমুদুর রহমান” লেখাটিতে 11 টি মন্তব্য

  1. ali বলেছেন:

    ডিজিটাল সরকারকে বলছি,ডিজিটাল হাসিনাকে বলছি..
    ডিজিটাল জুলুম আর ডিজিটাল অবিচার করে
    অনেক অনেক ডিজিটাল সুনাম অর্জন করেছেন ,
    যা দেশের ইতিহাসে কখনও কেউ অর্জন করতে পারেনি,
    সব কিছু বাদ দিয়ে এখন থেকে দেশকে নিয়ে ভাবুন,
    দলের জন্য ভেবে দেশকে ধংস করবেন না।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    সহমত।

    [উত্তর দিন]

  2. ফাহিম বলেছেন:

    আসলেই আমরা হিজড়া হোয়ে গেছি।মাহমুদুর রাহমানের জন্য আনদোলন করতে পারিনা

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    অন্যায়ের প্রতিবাদ না করলে তা বেড়েই চলে। এ মুহুর্তেই মাহমুদুর রমহানকে মুক্ত করার যাবতীয় গণতান্ত্রিক সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

    [উত্তর দিন]

    Mahtab Uddin Shahed উত্তর দিয়েছেন:

    mahamudur rahaman is great man of bangladesh, he is as like as a supper man.

    [উত্তর দিন]

  3. Auchin Pothik বলেছেন:

    Oppression n suppression can never stop the truth, seemingly truth may disappear, but it will come one day, no doubt, with it’s glorious, dazzling beauty! Real heroes never surrender before unjust….they revolt without fearing any one! May Allah help this true warrior!

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    আমীন।

    [উত্তর দিন]

  4. শাহরিয়ার বলেছেন:

    মাহমুদুরকে ‘নির্যাতনের’ অভিযোগ
    ঢাকা, জুন ৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সদ্য বন্ধ করে দেওয়া আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কারাবন্দি মাহমুদুর রহমানের ওপর ‘নির্যাতন’ চালানোর অভিযোগ করেছেন তার আইনজীবীরা।

    আদালতের আদেশ নিয়ে বুধবার বিকালে ঢাকা কোর্ট হাজতে মাহমুদুরের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার দুই আইনজীবী রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিঙে এ অভিযোগ করেন।

    মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, “মাহমুদুর রহমান সাহেবকে ১৫ ঘন্টা পানি খেতে দেয়নি বলে তিনি আমাদের জানিয়েছেন। আমরা হাজতখানায় ঢুকে দেখেছি তিনি মেঝেতে একটি বই মাথায় দিয়ে শুয়ে আছে। ওই কক্ষে কোনো চেয়ার নেই।”

    একজন সম্পাদকের ওপর ‘মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন’ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    মহানগর মুখ্য হাকিমের অনুমতি নিয়ে বিকাল পৌনে চারটায় সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার কোর্ট হাজতে মাহমুদুরের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, আদালতের অনুমতি নিয়ে গেলেও প্রথমে মাহমুদুরের সঙ্গে তাদের দেখা করতে দেয়নি কারা পুলিশ। মাহমুদুর রহমানকে খাবারও সরবারহ করা হচ্ছেনা।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।
    http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=128575&cid=2

    [উত্তর দিন]

  5. Shatil বলেছেন:

    মাহমুদুর রহমান দৃঢ়চেতা!!! বীরপুরুষ!!!! ফাজলামির সীমা থাকা উচিত…

    [উত্তর দিন]

    নাদান শাতিলের অবুঝ ছোটো ভাই উত্তর দিয়েছেন:

    মাহমুদুর রহমান আপনার ক্ষতি টা কি কোরছে ভাই?? বীরপুরুষ ইতো…াপানার সন্দেহের কারোনডা কি ভাই?? জামাতের লোক সব নাট বোলটু খুলে ফেলে সে জননো electricity নাই- এটা declare করােত বীরত্ব??? ফাযলামি করবে কেন ভাই আপনি কি শালা লাগেন নাকি????

    [উত্তর দিন]

  6. m shauqat বলেছেন:

    oh allah tumi rohum koru ay jalim sorkarer hat teke deshke bacaooooo

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন