আমার দেশ-এর ডিক্লারেশন বাতিল : পুলিশ প্রেসে গিয়ে ছাপা বন্ধ করে দেয়

দৈনিক আমার দেশ-এর ডিক্লারেশন ঢাকার ডিসি রাত পৌনে ১০টায় বাতিল ঘোষণা করেন এবং সাড়ে ১০টায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ তেজগাঁওয়ে পত্রিকাটির প্রেসে গিয়ে ছাপা বন্ধ করে দেয়ার জন্য ঢুকে। এ সময় পত্রিকাটি ছাপার জন্য প্লেট তৈরি হচ্ছিল। পত্রিকাটির কারওয়ান বাজার অফিসেও শত শত পুলিশ ঘিরে রাখে এবং ১১টায় তারা আমার দেশ কার্যালয়ে ঢুকতে যায়।

সূত্র দৈনিক আমার দেশদৈনিক প্রথম আলো এবং বিডিনিউজ২৪.কম

এর পূর্বে পত্রিকাটি নিষিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে পত্রিকার রিপোর্টটি (যা আর পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না) সবার জন্য তুলে দিলাম।

আমার দেশ বন্ধের পাঁয়তারা : মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া : বাকশালী কায়দায় পত্রিকা বন্ধ করা হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ ও পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পাঁয়তারা চালাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে পত্রিকার প্রকাশক আলহাজ হাসমত আলীকে গতকাল সকালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থার অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রায় ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে তাকে দুটি দরখাস্ত স্বাক্ষরে বাধ্য করা হয়। এর একটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে এবং অপরটি ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবরে লেখা। এরপর বিকালের দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হলেও ঢাকার বাইরে যেতে বারণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে আবারও ডেকে নেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলাটি দায়ের হয়। সিআরপিসি’র ৪১৯, ৪২০ ও ৫০০ ধারায় মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতারণার ও প্রকাশনা জোর করে অব্যাহত রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রায় একই সময়ে মাহমুদুর রহমানের গুলশানের বাসায় গিয়ে পুলিশ তাকে খোঁজাখুঁজি করে। আমার দেশ কার্যালয়ে সন্ধ্যার পর একদল সাদা পোশাকধারী পুলিশ মাহমুদুর রহমানের গাড়ি ঘিরে রাখে। এ সময় মাহমুদুর রহমান অফিসে তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আমার দেশ-এর বিরুদ্ধে সরকারের ষড়যন্ত্রের খবর মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আমার দেশ-এর সম্পাদক ও সংবাদ কর্মীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে বিকাল থেকেই পেশাজীবী, রাজনৈতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ আমার দেশ অফিসে আসতে শুরু করেন। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাংবাদিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ আমার দেশ কার্যালয়ে এসে পত্রিকার পাশে থাকার ব্যাপারে তাদের সংহতি প্রকাশ করেন। এর আগে বিকালে আমার দেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার তার ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করতে চায়। ইতোমধ্যে তারা দুটি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধ করেছে। এখন দৈনিক পত্রিকা আমার দেশ বন্ধ এবং আমাকে গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্র করছে। এই অবস্থায় তিনি দলমত নির্বিশেষে সংবাদমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের এই হীন চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জরুরি সরকারের সময়ে যেভাবে বিভিন্ন জনকে উঠিয়ে নিয়ে কাগজে সই করতে বাধ্য করা হতো গতকাল সকালে আমাদের প্রকাশক আলহাজ্ব হাসমত আলীকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নূর আলী, আজম জে চৌধুরীরা মামলা করেছিলেন। সেনা সমর্থিত মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীনের ১/১১-এর সরকারের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই সরকার যে পদ্ধতি শিখিয়েছে বর্তমান সরকার তা-ই অনুসরণ করছে। ওই সময়ের মতোই তারাও হাসমত আলী সাহেবকে ধরে নিয়ে কাগজে সই করে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিতে চাইছে।
হাসমত আলীর কাছ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে লিখিত নেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান বলেন, এই সরকার কোন আইনের তোয়াক্কা করে না। তারা আইন মানে না। রিমান্ড, ক্রসফায়ার, নারী নির্যাতন, রাজনৈতিক নিপীড়ন, গুপ্তহত্যাসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে আমার দেশ শক্ত অবস্থান নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ছেলেসহ সরকারের উপদেষ্টা, মন্ত্রী এমপিদের দুর্নীতির খবর আমার দেশ-এ প্রকাশিত হচ্ছে। এ কারণে বর্তমান সরকার আমার দেশের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। তারা চাইছে আমার দেশের কণ্ঠ রোধ করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করতে। হাসমত আলীকে কেন ধরা নেয়া হবে প্রয়োজনে মাহমুদুর রহমানকে ধরে নিয়ে যাক, হাসমত আলী সেটা জানতে চেয়েছেন কিনা এই প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান বলেন, তিনি এতটাই ভীত হয়েছিলেন যে তিনি কোন প্রশ্ন করতে পারেননি।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আমি অতি দুর্দিনে এই পত্রিকার দায়িত্বভার গ্রহণ করি। এই পত্রিকার দায়িত্বভার গ্রহণের সময় ৪০০ সংবাদকর্মী প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বেতনভাতা পাচ্ছিল না। তখন সাংবাদিকদের অনুরোধেই আমি এই পত্রিকার দায়িত্ব নেই। এর আগে সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে আমার কোন পরিচয় ছিল না। আমি ছিলাম একজন কলাম লেখক।
এই পত্রিকার একটি ধারা আছে। তাহলো স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলা। স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরা। কিন্তু এই পত্রিকার অনেক সংবাদই সরকারের অনুকূলে যাচ্ছে না এবং তাদের জন্য সুখকর হচ্ছে না। তাই আমি এখন ৩১টি মামলায় আসামি হয়ে গ্রেফতারের জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি বলেন, আজকের যে ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনো গণতন্ত্রের নাম আছে এমন কোনো দেশেও এটা ঘটতে পারে না। এই সরকার বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। আমার দেশকে কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মাহমুদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, সকাল ৯টার দিকে আমাদের প্রকাশক আলহাজ্ব হাসমত আলীকে এনএসআই ধরে নিয়ে যায়। এ খবর শুনে আমার দেশ-এর সিনিয়র সাংবাদিক তার ফোনে কয়েক দফায় যোগাযোগের পর এক পর্যায়ে তিনি জানান, তিনি বিপদে আছেন, এনএসআই অফিসে তাকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার দেশ-এর ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুটি দরখাস্তে স্বাক্ষর করার জন্য তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ঘন্টা দুয়েক পর তিনি জানান, তার কাছ থেকে দুটি কাগজে সই নেয়া হয়েছে। তার একটি ঢাকার জেলা প্রশাসককে ও অপরটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে লেখা।
মাহমুদুর রহমান জানান, এনএসআই অফিস থেকে বের হওয়ার পর হাসমত আলীর সঙ্গে তিনি আমার দেশ পত্রিকা অফিস থেকে ফোনে কথা বলেছেন। তিনিও তার কাছে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, হাসমত আলী সাহেব জানিয়েছেন তিনি যতটুকু দেখতে পেরেছেন তার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়া দুটি কাগজে লেখা রয়েছে, তিনি আমার দেশের প্রকাশক নন। জোর করে তার নাম ছাপা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয় আবেদনে।
মাহমুদুর রহমান জানান, সরকারের এসবি ও ডিএফপির ক্লিয়ারেন্স সত্ত্বেও দীর্ঘদিন থেকে আমার দেশ-এর প্রকাশক পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে উল্টো এখন বিদায়ী প্রকাশক দিয়ে ন্যক্কারজনক পথে এগুচ্ছে সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে আমার দেশ সম্পাদক বিভিন্ন নথিপত্র তুলে ধরে বলেন, গত ২৬ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, ‘আমি মাহমুদুর রহমান, চেয়ারম্যান আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড কোম্পানির বোর্ড অব ডাইরেক্টরস-এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক নিযুক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। উপরোক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে বাধিত করবেন।’
১৬ জুন ২০০৯ তারিখে বিশেষ পুলিশ সুপার আমাদেরকে অনাপত্তি পত্র দেন। এতে লেখা হয়, সংশ্লিষ্ট থানা, নগর বিশেষ শাখা, ঢাকা ও অত্র অফিসের রেকর্ডে তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া যায়নি।’
গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে ছাপাখানার রক্ষক ও মুদ্রাকরের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা হয়। এতে ঢাকার জেলা প্রশাসককে জানানো হয়, ‘আমি মাহমুদুর রহমান আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড নামক ছাপাখানার রক্ষক ও মুদ্রাকর নিযুক্ত হয়েছি; এ বিষযে ব্যবস্থা নিয়ে বাধিত করবেন।’ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকার ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ডিক্লারেশন ও রেজিস্ট্রেশন) আইনের ৪(২) মোতাবেক ছাপাখানার ঘোষণাপত্র দেয়া হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ আমার দেশের প্রকাশকের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা হয়। এতে বলা হয়, ‘আমি মাহমুদুর রহমান, চেয়ারম্যান আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেড কোম্পানীর বোর্ড অব ডাইরেক্টরস-এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রকাশক নিযুক্ত হয়েছি।’
গত ৫ নভেম্বর ২০০৯ দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দেয়া হয়। উপ-পরিচালক মাসুদা খাতুন স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয়, ‘আমারদেশ পত্রিকার প্রকাশক আলহাজ্ব মোঃ হাসমত আলীর পরিবর্তে জনাব মাহমুদুর রহমানের নাম প্রতিস্থাপন করার অনুমোদন যেতে পারে।
এরপরও জেলাপ্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হয়নি। আমরা বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করেও সেটা নিতেপারিনি। বলা হয়েছে ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছে।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আজ জুন মাসের ১ তারিখ। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৪টি সংবাদপত্র রেখে সবগুলো সংবাদপত্র বন্ধ করে দেন। তখন সাংবাদিকরা অনেকেই আত্মহত্যা করেছিলেন, অনেকে মুদি দোকান দেন, কেউ কেউ হকারি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সেই তথ্য জানেন না। আমি আপনাদের মাধ্যমে সেই তথ্য তরুণপ্রজন্মকে জানাতে চাই। এই সরকার ক্ষমতায় এসে ২টি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছে। এখন তারা জাতীয় দৈনিক বন্ধের চক্রান্ত শুরু করেছে। তারই অংশ হিসেবে আমার দেশের প্রকাশককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সকল সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমের উচিত এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসা। আমরা আইনের মধ্যে থেকে বস্তুনিষ্ঠভাবে আমাদের মত প্রকাশ করবো। সরকার এখন আমার দেশ বন্ধের চেষ্টা করছে, কাল অন্য পত্রিকা বন্ধের ষড়যন্ত্র করবে এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দিয়ে শুরু, আপনাদের দিয়ে শেষ হবে। তাই সকলের উচিত সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে এর প্রতিবাদ জানানো।
মাহমুদুর রহমান একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম উল্লেখ করে বলেন, সোমবার রাতে আমি শুনেছি একটি গোয়েন্দা সংস্থার এক বৈঠকে ১০ দিনের মধ্যে আমার দেশ বন্ধ করে আমাকে এ্যারেস্ট করার নিয়ে আলোচনা হয়েছে হবে। কিন্তু আমি একে গুজব বলে এড়িয়ে যাই। কিন্তু আজ সকালে দেখছি সেটা গুজব নয়। সেই খবরের সত্যতা আছে।
তিনি বলেন, আপনারা হয়তো জানেন ভয়-ডর আমার একটু কম। আমি কাউকে ভয় পাইনা। সরকারের সমালোচনা ও ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের বুিরুদ্ধে আমার লড়াই অব্যহত থাকবে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মাহমুদুর রহমান বলেন, এনএসআইয়ের কর্মকর্তা শফিকুল্লাহ জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন আলহাজ্ব হাসমত আলীকে। অথচ বিডি নিউজকে তিনি বলেছেন, তিনি বাসায় আছেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, বিশেষ কোন সংস্থাগুলোকে এখন রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। এই গণতন্ত্রের জন্য একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দেয়নি। দেশের মানুষ লড়াই সংগ্রাম করেনি।
আমার দেশ কার্যালয়ে রাজনীতিক ও পেশাজীবী নেতারা : দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশক আলহাজ হাসমত আলীকে ধরে নিয়ে গিয়ে জোর করে স্বাক্ষর রেখে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী নেতারা। গতকাল বিকাল থেকে তারা আমার দেশ কার্যালয়ে এসে সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহমর্মিতা জানান। হয়রানির খবর পেয়ে আমার দেশ কার্যালয়ে ছুটে আসেন প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, দিনকাল সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস শহিদ, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, সংসদ সদস্য প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুত্ফর রহমান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আবু নাসের মোঃ রহমাতুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক আমিনুর রহমান মজুমদার, ড. মামুন আহমেদ, ইস্রাফিল রতন, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, অতিরিক্ত মহাসচিব জাকির হোসেন, শিক্ষক নেতা মো. কামরুজ্জামান, আ. মফিজ, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, যুবদল সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, মোরতাজুল করিম বাদরু, মামুন হাসান, মাহবুবুল আলম, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সাবেক ছাত্রদল নেতা রফিক আহমেদ ডলার প্রমুখ।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“আমার দেশ-এর ডিক্লারেশন বাতিল : পুলিশ প্রেসে গিয়ে ছাপা বন্ধ করে দেয়” লেখাটিতে একটি মন্তব্য

  1. দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় আজ যা প্রকাশিত হতো | শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস বলেছেন:

    […] আমার দেশ বন্ধের পাঁয়তারা : মাহমুদুর রহ… ভারতকে বন্দর দেয়া ও এশিয়ান হাইওয়ে অন্যতম ইস্যু অধিকারের মাসিক প্রতিবেদন : মে মাসে প্রতি দুই দিনে একজন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার বিদ্যুত্ ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়ার দাবি চেম্বার নেতাদের গণভবনে নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক : সঙ্কটে মহাজোট ঐক্যবদ্ধ থাকবে : শেখ হাসিনা ইসলামী ব্যাংকের টাকায় আইন প্রতিমন্ত্রীর পারিবারিক বাড়ি : ইসলামী ব্যাংক জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের অর্থ ও পৃষ্ঠপোষকতা দেয় : কামরুল ইসলাম আমার দেশ বন্ধ ও সম্পাদককে গ্রেফতারের পাঁয়তারায় উদ্বেগ বিএনপির আইন ভঙ্গের অভিযোগ : সংসদ সদস্য পদ হারাচ্ছে আ’লীগ ও জাপার ৪ জন পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডিজিকে তুলোধুনো করলেন মতিয়া চৌধুরী বীরের বেশে দেশে ফিরলেন মুসা ইব্রাহীম সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু আজ শেষের পাতা তামাকে অগ্নিসংযোগ : লালমনিরহাটে হাজার চাষীর ডিসি অফিস ঘেরাও রাজশাহীর ভুয়া শিক্ষক প্রশিক্ষণার্থী কেলেঙ্কারি : অভিযুক্তদের দেয়া আম নিয়ে ফিরলেন তদন্ত কর্মকর্তারা কাচপুর রণক্ষেত্র : সড়ক অবরোধ গুলি গাড়ি ভাংচুর র্যাব-পুলিশসহ আহত অর্ধশত নির্বাচনী প্রচারাভিযানে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ : ১৭ বছর নগরবাসীকে কেবল স্বপ্ন দেখানো হয়েছে : মঞ্জু : সংখ্যালঘুদের জমি দখল হতে দেব না : মহিউদ্দিন দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে হতাশা : মৌসুমের দেড় মাসেও ইলিশের দেখা নেই সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৩ লাখ বোতল ফেন্সিডিল আসছে আলোকচিত্রে জীবন সংগ্রামের গল্প ভিন্ন খবর : শব্দ দূষণের শিকার মাছ জাবিতে ছাত্রদল নেতার হাত-পা ভেঙে দিয়েছে ছাত্রলীগ কর্মীরা জাতীয়তাবাদ সমর্থিত এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে জবি ছাত্রলীগ : সাহায্য করছে ছাত্রদলের একাংশ পল্টনের জনসভা বানচালের প্রতিবাদ : রাজধানীসহ সব মহানগরীতে জামায়াতের বিক্ষোভ খুলনার আইলা দুর্গত এলাকায় প্রতিদিন ২০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে ধনবাড়িতে সংখ্যলঘুর বাড়িতে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত ১৫ কুমিল্লায় ডেসার কোটিপতি ইলেকট্রিশিয়ানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রাজধানীতে গলা কেটে খুন : ময়নাতদন্তে কবর থেকে ৩ লাশ উত্তোলন চুয়াডাঙ্গায় গণপিটুনিতে চরমপন্থী নিহত ভূষণছড়া গণহত্যা দিবসে শোকসভা : পার্বত্য বাঙালিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি লড়াই করা হবে বাগেরহাটে ১৭ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী মামলা সম্পাদকীয় মাঝ দরিয়ায় আসুরিক বর্বরতা : জায়নবাদী ইসরাইলকে রুখবে কে হরতালের চেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সঙ্কট : ক্ষমতায় গেলে কি চোখ ওল্টাতে হয়! কোরিয়া উপদ্বীপে সঙ্কটের কালো মেঘ বিডিআর বিদ্রোহ : সরকারি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কাফেলা এগোবেই কয়লা কি মাটির নিচেই থাকবে […]

মন্তব্য করুন