নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?

নারীর কোন্ অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়? এ প্রশ্নের সঠিক জবাব সকলেই জানেন, তবুও অনেকেই অনেক ধরণের জবাব দেবেন। যারা ভদ্রসমাজে বাস করেন, তারা গায়ে কাঁদা না লাগিয়ে যতটা সম্ভব ভদ্র জবাব দেন, যারা শিল্প সচেতন, তারা হয়তো দেখেন ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে। তবে এ প্রশ্নের সঠিক জবাবটি মূলত বন্ধুদের আড্ডাতেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। ভদ্রলোকেরা বলবেন, নারীর মুখমন্ডলই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। শিল্পীরা পাখির বাসার মতো পট্ল চেরা চোখের সৌন্দর্য বর্ণনা করবেন শিল্পীর মুগ্ধ দৃষ্টিতে, বলবেন, গোলাপের পাপড়ীর মতো গালের কথা, বাঁশির মতো নাকের কথা, কমলার কোয়ার মতো তৃষ্ণা জাগানিয়া ঠোটের কথা। তবে অধিকাংশ মানুষ মনের মাঝে যে সঠিক উত্তরটি সতর্কতার সাথে লুকিয়ে রাখেন, সে জবাবটি বন্ধুদের আড্ডায় অকপটে বেড়িয়ে আসে। হ্যা, সামনে থেকে বুক (মূলত স্তন) এবং পেছন থেকে নিতম্ব (বিশেষত ভারী নিতম্বের দুলুনি) পুরুষকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করে। নারীরা যখন রাস্তা দিয়ে কোমর দুলিয়ে হেটে যায় তখন অধিকাংশ পুরুষের হৃদপিন্ডটাও পেন্ডুলামের মতো দোল খেতে থাকে। বলাই বাহুল্য, অপলক দৃষ্টিতে নারীর ফেলে যাওয়া পথের দিকে তৃষ্ণার্ত নয়নে তাকিয়ে থাকা লোকের সংখ্যা সমাজে বেশী বৈ কম হবে না।

হ্যা, আমি ইভ টিজিং বিষয়ে বলছি। ইভ টিজিং নিয়ে ইদানিং খুব বেশী আলোচনা হয়, এমনকি আজ (১৩ জুন ২০১০) ছাত্রী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে। চলছে মিছিল, মিটিং, র‌্যালী, গোলটেবিল বৈঠক ইত্যাদি। সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারী উত্ত্যক্তকরণ, বাড়ছে আত্মহত্যা, বাড়ছে শ্লীলতাহানি। এইতো সেদিন পল্লবীতে বখাটেদের আগুনে ঝলসে প্রাণ হারালো আলেয়া। একদিকে ছাত্রী উত্ত্যক্তকরণ প্রতিরোধে শপথ পড়ান শিক্ষামন্ত্রী, অন্যদিকে ছাত্রীদের মিছিল ছুটে চলে মৃত্যুর ওপারে। বাড়ছে শিশু ধর্ষণ, গতকালও ৫ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে হাতেনাতে ধরা পড়ে নিহত হয় ৪০ বছরের একটি পশু। দিনে দিনে সমস্যা এমনই ভয়াবহতা নিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে যে এ থেকে পরিত্রানের যেন কোন সুযোগই নেই।

ইভটিজিং প্রতিরোধে যতগুলো কারণ চিহ্নিত করা হয় তাতে আদৌ মূল কারণটিকে প্রাধান্য দেয়া হয় না।  একবারও খুঁজে দেখা হয় না কেন বখাটেরা ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করেই চলেছে। আসলে এ সমস্যাটিকে কখনোই বখাটেদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করা হয় নি। বখাটেদের নিয়ে কখনোই গবেষণা করা হয় নি, কেন তারা নারীদের উত্ত্যক্ত করে, কোন কোন নারীদের তারা বেশী উত্ত্যক্ত করে, কি কি বিষয় তাদেরকে উত্ত্যক্ত করণে উৎসাহিত করে। হ্যা, অনেকেই স্বীকার করে নেন যে এটি বয়সের দোষ এবং আরো পরিস্কার ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় নারীর প্রতি পুরুষের কিংবা পুরুষের প্রতি নারীর আকর্ষণ একটি চিরন্তন বিষয়। এ ক্ষেত্রে নারীরা প্রকৃতিগতভাবেই রক্ষণশীল হওয়ায় তারা সাধারণত পুরুষদের উত্ত্যক্ত করে না (ব্যতিক্রম ছাড়া), তবে পুরুষরা স্বাভাবিকভাবেই সব সময় যৌনতাড়িত থাকে, ফলে তাদের মধ্যে একটি আক্রমনাত্মক ভাব পরিলক্ষিত হয়। যারা প্রকৃতিবাদী তারা যৌনস্পৃহাকে ঠিক অন্যান্য প্রাকৃতিক কর্মের মতোই স্বাভাবিক ভাবেন, পায়খানা, প্রস্রাব যেমন স্বাভাবিক বিষয়, এর বেগ হলে যেমন দমিয়ে রাখা কঠিন, ঠিক যৌন স্পৃহাও প্রায় একই রকম প্রাকৃতিক বিষয়, একে দমিয়ে রাখাও অত্যন্ত কঠিন। কয়েকদিন আগে ১১ বছরের মেয়ে বিয়ের দাবীতে ১৭ বছরের প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন করার খবর এ ধরণের ইঙ্গিতই বহন করে।

হ্যা, যৌনস্পৃহাকে দমিয়ে রাখতে হলে প্রচন্ড মানষিক ইচ্ছে শক্তির প্রয়োজন, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। যৌনতা একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে সে প্রয়োজন পূরণে বৈধ পন্থা অবলম্বন করা আরো স্বাভাবিক বিষয়, এটি মেনে নিতে হবে। এর পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে যৌন স্পৃহা বাড়িয়ে তোলা সবকিছু।

কিছুদিন আগে একশন এইডের গবেষণায় দেখা যায় ছাত্রীদের ৪১ ভাগ স্কুলকে নিরাপদ স্থান বিবেচনা করে না, এমনকি ১৬.৭% ছাত্রী শিক্ষক দ্বারা উত্যক্ত হওয়ার অভিযোগ করেন। এইতো সেদিন ইভটিজিংএর অভিযোগে গ্রেফতারও হলো দুই শিক্ষক। এভাবে ছাত্রীরা রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, পাড়া-মহল্লা, বাস-ট্রেন, কর্মক্ষেত্র সবখানেই লাঞ্ছিত হয়। কিন্তু কেন, তা কি আমরা একবারও ভেবে দেখব না।

স্কুলে সাধারণত মেয়েরা যায় স্কুল ড্রেস পরে, বুকের ওপর থাকে ক্রস ওড়না, যা নারীর সৌন্দর্যকে আড়াল করে না বরং ক্রস ওড়নায় কেবল ছাত্রীদের স্তনকেই চিহ্নিত করে মাত্র। কোন বাবার পক্ষে সম্ভব নয় স্কুল ড্রেস পড়া সাবালক মেয়ের দিকে তাকিয়ে কথা বলা। আগেই বলেছি, নারীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ হলো বুক (স্তন), তাই মেয়েরা স্তনকে আরো চোখধাঁধানোরূপে চিহ্নিত করে রাস্তায় বেরোনোর সাথে সাথেই নৈতিক মূল্যবোধহীণ যুবকেরা ছাত্রীদেরকে উত্ত্যক্ত করতে ব্যাকুল হযে ওঠে। ফলে প্রতিনিয়ত মেয়েরা হয় লাঞ্ছিত, নির্যাতিত, ধর্ষিত। আমার স্কুল জীবনের বন্ধু যারা কিছুটা বখে গিয়েছিল তাদের আড্ডার আলোচ্য বিষয়ই হতো নারী, এবং বলাই বাহুল্য বিভিন্ন ছাত্রীর বিভিন্ন অঙ্গের বর্ণনা। এদের মাঝে এক বন্ধুর নীতিই ছিল, যে মেয়ে নিজেকে পবিত্র রাখতে চায়, তাকে সে উত্ত্যক্ত করবে না, যারা নিজেদের সৌন্দর্য দেখিয়ে দেখিয়ে উত্তেজিত করে তোলে তাদের ক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই। হা, এভাবেই দেখি, যে সব মেয়ে নিজেদের ইজ্জতের সংরক্ষণ করতে চায়, রাস্তাঘাটে শালীনতাকে প্রাধাণ্য দেয়, যথাসম্ভব শরীরের আকর্ষণীয় অঙ্গগুলো ঢেকে ঢুকে চলাচল করে, তারাই কম নির্যাতনের শিকার হয়।

বাগানে কৃষিকাজ করে কোন অশিক্ষিত মূর্খ কৃষকও মাঠকে অরক্ষিত রাখে না, জানে বলদের আহারে পরিণত হতে পারে ফসল। এমন বেপরোয়া দোকানী খুঁজে পাওয়া যাবে না যে লোভনীয় মিষ্টি থরে থরে সাজিয়ে দোকান অরক্ষিত রেখে বাড়ী যায়। সে জানে চোর ছ্যাচরের আহারে পরিণত হবে ওগুলো। আর সত্যি বলতে কি সব মানুষের মাঝেই চৌর্য়বৃত্তি মানষিকতা রয়েছে, অধিকাংশ লোকই তাকে দমিয়ে রাখতে সক্ষম। যারা ভদ্র তারা অরক্ষিত দোকানের রসালো ফল-ফলাদি দেখেও হাত বাড়ায় না, প্রয়োজনে বৈধভাবে তা ভোগ করে, ক্রয় করে নিয়ে তবে আহার করে। কিন্তু শুধু ভদ্র লোকদের নিয়েতো সমাজ নয়। অধিকাংশ লোকই শান্তিপ্রিয় তবুও তো দেশে আইন আছে, আদালত আছে, থানা-পুলিশ আছে। হাজারে হয়তো একজন চুরি করে এবং তার জন্যই পুলিশ প্রশাসন পুষতে হয়। তাই সবাই ভদ্র হলেও অভদ্রদের হাত থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেদেরই নিশ্চিত করতে হয়। এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে চোর চুরি করার সাহস পায়, শেয়াল কুকুরের রান্নাঘরে হানা দেয়।

তবে সমাজের অতি শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা এ কারণটিকে প্রাধান্য দিতে নারাজ। যদি প্রাধান্য দেন তবে তো দেড় হাজার বছর পূর্বের প্রাচীন মুহাম্মদের (সা:) আদর্শকেই মেনে নেয়া হয়। মেনে নেয়া হয় পবিত্র আল কোরআন নির্দেশিত নীতিমালা। যারা নিজেদেরকে সভ্য ভাবেন, পাশ্চাত্যের অনুকরণে উন্নত সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেন তাদের সামনে ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ বড় ধরণের বাধা বলেই মনে করেন। তাই ইসলাম নির্দেশিত পন্থায় যদি ইভটিজিং বন্ধও করা যায় তবু তাকে মেনে নেয়া যায় না, শ্রেফ আত্মঅহংকারের কারণে। অথচ যে পশ্চিমাদের আমরা সভ্যতার মানদন্ড মনে করি, তারা কতটুকু গ্যারান্টি দেয় নারীদের নিরাত্তার তা কি একটুও খতিয়ে দেখবো না। Exclusive: Rape in America: Justice Denied শীর্ষক সংবাদে সিবিএন নিউজ রিপোর্ট করে যে ২০০৮ সালে ৯০ হাজার নারী ধর্ষণের দায়ে মামলা করেছেন এবং আরো ৭৫ হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হয়েও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকায় মামলা থেকে বিরত থাকেন। তাহলে যে সমাজে এক বছরে দেড় লাখের বেশী নারী ধর্ষিত হয় সে সমাজকে আদর্শ মেনে নিয়ে কি করে আমরা আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবি? আমরা পাশ্চাত্য ধ্যানধারণায় সন্তানদের বড় করে তুলি, পাশ্চাত্যের অনুকরণে পরিবার গঠন করি ফলে পাশ্চাত্য প্রভাবে ধীরে ধীরে ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে পরিবার প্রথা, আর বিবাহ বিচ্ছেদ এখন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। অথচ বাবা-মা’র বিচ্ছেদের ফলেও মেয়েকে পড়তে হয় ধর্ষকদের কবলে।

অথচ আমরা যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবী করি তাদেরকি একবারও উচিত নয় আল্লাহর সে বাণীকে স্মরণ করা?

“হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়৷ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়৷ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়”। সূরা- আহযাব, আয়াত-৫৯

আশার কথা ইদানিং ইভটিজিং প্রতিরোধে নৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব দিচ্ছেন কেউ কেউ। হ্যা, আদাদের সন্তানদেরকে নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তাদেরকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করে তুলতে হবে। জানাতে হবে আল্লাহর নির্দেশ,”নবী ! মু’মিন পুরুষদের বলে দাও তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে ৷এটি তাদের জন্য বেশী পবিত্র পদ্ধতি ৷ যা কিছু তারা করে আল্লাহ তা জানেন ৷  আর হে নবী! মু’মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া ৷আর তারা যেন তাদের ওড়নার আঁচল দিয়ে তাদের বুক ঢেকে রাখে৷তারা যেন তাদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করে, তবে নিম্নোক্তদের সামনে ছাড়া স্বামী,বাপ,স্বামীর বাপ, নিজের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, নিজের মেলামেশার মেয়েদের , নিজের মালিকানাধীনদের, অধীনস্থ পুরুষদের যাদের অন্য কোন রকম উদ্দেশ্য নেই এবং এমন শিশুদের সামনে ছাড়া যারা মেয়েদের গোপন বিষয় সম্পর্কে এখনো অজ্ঞ ৷ তারা যেন নিজেদের যে সৌন্দর্য তারা লুকিয়ে রেখেছে তা লোকদের সামনে প্রকাশ করে দেবার উদ্দেশ্য সজোরে পদক্ষেপ না করে৷ হে মু’মিনগণ! তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর কাছে তাওবা করো, আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হব। সূরা আন-নূর, আয়াত ৩০-৩১।

যারা আল্লাহকে রব, রাসূল (সা:) কে আদর্শ মনে করেন, তাদের উচিত নয় নারী স্বাধীণতার নামে শ্রেফ জেদের বশবর্তী হয়ে নিজেদের কন্যাদেরকে হায়েনার আহারে পরিণত করা। আসুন, আমরা তওবা করি, পাশ্চাত্য পন্ডিতদের থেকে মুখ ফুরিয়ে এক আল্লাহর আনুগত্য করি, রাসূল (সা:) এর আদর্শে আমাদের সন্তানদেরকে শিক্ষিত করে তুলি এবং নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন একটি আদর্শ দেশ গড়ে তুলি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।

Be Sociable, Share!

এ লেখাটি প্রিন্ট করুন এ লেখাটি প্রিন্ট করুন

“নারীর কোন অঙ্গ সবচেয়ে আকর্ষণীয়?” লেখাটিতে 57 টি মন্তব্য

  1. তান্ত্রিক বলেছেন:

    (censored) ধোনছিড়ি,

    কোন আলোচনায় এইভাবে অংশ নেয়া যে ইসলামে হারাম তা কি তোর গুলাম আজম বাপে শিখায় নাই??

    [উত্তর দিন]

    ফয়েজ উল্লাহ উত্তর দিয়েছেন:

    গোলাম আজম তো শিক্ষা দেন নাই, তো আপনার হাসিনা মা শালীনতা শিখায় নাই???

    [উত্তর দিন]

    zaber উত্তর দিয়েছেন:

    tantrik—–pl follow the path of islam.dont follow the people of Boni-Israel.Then you will be vanished.No one to help you.

    [উত্তর দিন]

    শামীম উত্তর দিয়েছেন:

    ও মা!!! হারাম নাকি?? হারাম কি গাছে ধরে????? ধোনছিড়ার আগে তুমার হারামের রেফারেন্স দিয়া যাও!!!

    [উত্তর দিন]

    লামা উত্তর দিয়েছেন:

    বস্তির জারজগুলা ইন্টারনেট এক্সেস পেয়ে যা তা বলে।
    বিজ্ঞানের কুফল কিছু থাকেই, কিন্তু সেটা নিয়ে ভাবার সময় নেই

    [উত্তর দিন]

    কাঙ্গাল উত্তর দিয়েছেন:

    যারা সেঞ্চুরীতে উৎসব পালন করে, তাদের আবার শালীনতা আছে নাকি?

    [উত্তর দিন]

  2. Salman Hasan বলেছেন:

    ভাল লাগল। চালিয়ে যান।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

  3. zia বলেছেন:

    i cover my own sister but like to enjoy your sister’s boob.this is the reality.
    zia

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    সহমত।

    [উত্তর দিন]

    Ahmad উত্তর দিয়েছেন:

    this is the relity…..

    [উত্তর দিন]

  4. diba Islam বলেছেন:

    ধন্নবাদ আমাদের কলুশিত সমাজকে আলর পথ দেখানর জন্য…এই রকম আরও কিছু important report আপনাদের থেকে আশা করব.. ।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ, অনুপ্রাণিত হলাম।

    [উত্তর দিন]

  5. sikder বলেছেন:

    আজ হোক কাল আসতেই হবে
    ইসলামের পতাকা তলে।
    পশ্চ্যাত্য যুক্তি
    নাই কোন মুক্তি।
    কাচ ফেলে হিরা নাও
    ফ্রয়েড ফেলে কোরান নাও।

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

  6. জিসান বলেছেন:

    তান্ত্রিক এর —- ছিড়তে ইচ্ছা করতাছে, না জানি কত মাইয়ার সম্ভ্রম লুটছে???

    [উত্তর দিন]

    লামা উত্তর দিয়েছেন:

    পড়ে হেসে ফেললাম

    [উত্তর দিন]

  7. তান্ত্রিক বলেছেন:

    @জিস্পটসান,
    (censored)

    [উত্তর দিন]

    জিসান উত্তর দিয়েছেন:

    গায়ে লাগল তাহলে??? @তান্ত্রিক?? সত্য কথা বলছি তো??

    [উত্তর দিন]

  8. Rifat Hussain বলেছেন:

    পড়লাম ভাল লাগল । 🙂

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    আপনাকেও ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

  9. তাসকিন বলেছেন:

    ভাইয়া তোমার লেখা টা অসম্ভব ভাল লাগসে। bravo :). just awesome. onnnnnnnnnnk valo lagse

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ। সাহস পেলাম।

    [উত্তর দিন]

  10. tareq বলেছেন:

    well done . carry on

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    ধন্যবাদ.

    [উত্তর দিন]

  11. শামীম বলেছেন:

    অসাধারন!!!! চমৎকার!!!!!
    আল্লাহ আপনার লেখার হাত কে আরও শক্তিশালী করুন। আমীন।
    আসলে ইভটিজিং বন্ধের নামে গাছের আগায় পানি ঢালা হচ্ছে। ঘরে ঘরে টিভি, সিনেমার মাধ্যমে নারী লোভ ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে আর বাইরে এসে মিছিল স্লোগান চলছে। সব ফাউপেচাল। সর্ব প্রথম ব্যক্তিগত তারপর পারিবারিক অথপর সামাজি এবং সর্বশেষ রাস্ট্রীয় ক্ষত্রে পর্যায়ক্রমে নৈতিকতার শিক্ষার বাস্তবায়ন না করলে এসব স্লোগানে কোন কাজই হবে না। আপনার সাথেই আছি। অনেক ধন্যবাদ

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। অনুপ্রাণিত হলাম।

    [উত্তর দিন]

  12. Ahmad বলেছেন:

    onk joss akkhn leha……

    [উত্তর দিন]

    শাহরিয়ার উত্তর দিয়েছেন:

    আপনার ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত। ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

  13. সাবিনা বলেছেন:

    Good writing. May Allah bless you brother.

    [উত্তর দিন]

  14. Jannat বলেছেন:

    Thanks for very much informative writting. May Allah reward you.

    [উত্তর দিন]

  15. shamsul haque khan বলেছেন:

    ভালো লাগল। ধন্যবাদ।

    [উত্তর দিন]

  16. Nazrul বলেছেন:

    ধন্যবাদ ভাই,
    এমন কথাগুলো আপনার শুনি কিন্তু পালন করিনা।
    লিখার পাশাপাশি আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন সবাই মেনে চলতে পারি।
    আল্লাহ আপনার সহায় হোক।

    [উত্তর দিন]

  17. দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:

    কথাগুলো ১০০% সত্য বলেছেন। তবে শিরোনামটা একটু অন্যরকম হলে মনে হয় ভাল হত। ভিতরের কিছু লেখা একটু বেশী খোলামেলা হয়ে গিয়েছে। যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা এতে কিছুটা যৌন সুড়সুড়ি অনুভব করতে পারে।
    যাহোক, আমার মতে ফিতনা শুরুটা হয় নারীর মুখমন্ডল থেকেই। এই ফিতনার জামানায় নারীর মুখমন্ডল খোলা রাখা কিভাবে জায়েয করে ফেলে কিছু জ্ঞানপাপী, আমি বুঝি না।

    [উত্তর দিন]

    লামা উত্তর দিয়েছেন:

    দেহের পর্দা নারীদের দায়িত্ব।
    চেহারার পর্দা পুরুষের চোখের পর্দার উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কোরানে বলে হয়েছে, যারা পুরুষ তাদের পর্দাই আগে প্রয়োজন, কারণ তারা যৌনতার প্রতি নারীদের চে’ বেশী আসক্ত। নারীদের মুখমন্ডল ঢেকে ফেলা এইজন্য বাধ্যতামূলক নয় কারণ এতে শ্বাস প্রশ্বাস বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে।

    “”””ভিতরের কিছু লেখা একটু বেশী খোলামেলা হয়ে গিয়েছে। যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা এতে কিছুটা যৌন সুড়সুড়ি অনুভব করতে পারে।”””””
    মরু বর্বরদের ধর্ম ইসলাম কোন যাদুবলে আধুনিক হয়ে গেল জানিনা, তবে ইস্লামে ফিকহ নিয়ে খোলামেলা আলোচনার কথা সবসময় বলা হয়েছে…

    [উত্তর দিন]

    দুর্ধর্ষ বেদুইন উত্তর দিয়েছেন:

    কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের আলোকে গোটা বিশ্বের সকল আলেমদের ঐক্যমতে বালেগা মেয়েদের মুখমন্ডল পর্দার হুকুমে সুতরাং এটা ঢাকতে হবে ।

    কিছু সংখ্যক আলেমদের থেকে এব্যাপারে বিকল্প মত পাওয়া যায় , যারা বলে থাকেন মেয়েদের মুখ পর্দার মধ্যে পড়বে না । এসকল আলেমদের অন্যতম প্রতিনিধিত্বকারী হলেন আল্লামা আলবানী সাহেব ।
    তাহাদের এমন বিতর্কিত মতের প্রবক্তা হওয়ার কারনে সারা বিশ্বের হক্কানী আলেমগন মুসলিম জাতির সামনে প্রকৃত সত্য কোরআন ও হাদিসের আলোকে তুলে ধরার জন্য কলম হাতে গর্জে ওঠেন ।
    এরই ধারাবাহিকতায় স্বয়ং আলবানী সাহেবের বাসস্হান সৌদি আরবের বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদদের থেকে এই সংক্রান্ত ১৫টিরও অধিক কিতাব রচিত হয় ।

    তন্মধ্যে আরবের ফিকাহ বোর্ডের গ্রান্ড মুফতি “শায়খ মুহম্মদ বিন সালেহ বিন উসমান” সংকলিত “রিসালাতুল হিজাব” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।

    নিম্নে (মহিলাদের মুখ পর্দার মধ্যে ) এই ব্যাপারে প্রমান স্বরূপ কয়েকটি আয়াত তুলে ধরা হল।

    ( ১ম আয়াত ) :
    يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاء الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا

    হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সুরাহ আহযাব : ৫৯ )

    হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) এই আয়াতের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন “আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে চাদর দ্বারা মস্তক ও চেহারা আবৃত করার নির্দেশ দিয়েছেন ” । (তফসীরে ইবনে কাসীর ৩/২৭৪)

    (২নং আয়াত )

    وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاء وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

    ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সুরাহ আন নুর : ৩১ )

    ব্যাখ্যা : আয়াতে মেয়েদের জোরে পদচারনা করতে নিষেধ করা হয়েছে । অথচ হাটার আওয়াজের মাধ্যমে একজন মেয়ের সৌন্দর্য বা সে বৃদ্ধ না যুবতী কিছুই অনুধাবন করা সম্ভব নয় । সুতরাং চেহারা যাহা ফিৎনার মুল ও সব চেয়ে বেশী আকর্ষনীয় তাহা খোলা রেখে পরপুরুষের সামনে আসা যাওয়া করা কিভাবে জায়েজ হতে পারে ?

    (৩নং আয়াত )

    قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ

    মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।

    (সুরাহ আন নুর : ৩০ )

    দৃষ্টির প্রধান লক্ষবস্তু থাকে চেহারা – সুতরাং মেয়েদের চেহারা পর্দার হুকুম না হলে পুরুষ মুমিনদের ব্যাপারে কালামে পাকের মাঝে এত শক্ত আদেশের কোনো যুক্তিকতাই থাকে না ।

    [উত্তর দিন]

    AD.sattar bhuayan উত্তর দিয়েছেন:

    যাহোক, আমার মতে ফিতনা শুরুটা হয় নারীর মুখমন্ডল থেকেই। এই ফিতনার জামানায় নারীর মুখমন্ডল খোলা রাখা কিভাবে জায়েয করে ফেলে কিছু জ্ঞানপাপী, আমি বুঝি না./ জ্বী আপনি ঠিক বলেছেন, ফিতনা শুরুটা হয় নারীর মুখমন্ডল থেকেই। আমি লক্ষ্য করেছি একজন পুরুষের মনে খারাপ চিন্তাভাবনা আসে নারীর মুখমন্ডল দেখেই । আমি আপনার সাথে সহমত .

    [উত্তর দিন]

  18. সাঈদ আহমেদ বলেছেন:

    লেখাটা অনেক ভাল লাগলো…
    কিন্তু বেশ কিছু দ্বীমত আছে। আপনি আপনার ওয়েব সাইটের নামের মতই স্বপ্নে আছেন। আর দয়া করে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিবেন না। পর্দা নিয়ে অনেক লিখেছেন কিন্তু পর্দা আসোল সংগা এরিয়ে গেছেন।
    ভাল থাকবেন এবং আরও ভাল ভাল লেখা উপহার দিবেন।

    [উত্তর দিন]

    আরাফাত রহমান উত্তর দিয়েছেন:

    এখানে ইসলামে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন কোন কোন পয়েন্টে একটু বলবেন?

    আমার কাছে মনে হয়েছে লেখক “পর্দা কাকে বলে” এ নিয়ে আলোচনা করেন নি, তিনি চেষ্টা করেছেন দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাস্তব অবস্থা কতটা খারাপ সেটা তুলে ধরতে। এবং সেটা সমাধানের জন্য দুএকটি বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিস্তারিত বলার সুযোগ এখানে তিনি পান নি। তবে তিনি বিষয়বস্তুর উপস্থাপনা করেছেন একদম ভিন্ন আঙ্গিকে। যা অনেকের সহ্য হয় নি। উপরে “দুর্ধর্ষ বেদুইন” তা বলেছেন।

    [উত্তর দিন]

  19. Pk বলেছেন:

    Aprar lakhata vlo laglo, bt lakha ta aktu Toslima Nisrain type hoica.So 1st u careful and ensure that u dont do anything like badboys

    [উত্তর দিন]

    maghla উত্তর দিয়েছেন:

    ?

    [উত্তর দিন]

  20. দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:

    http://www.askimam.org/ এখানে দেখুন-

    Is Nikab Necessary?

    Q: Is it necessary for a woman to cover her face in the presence of strangers (who are not her designated Mahaarim) according to Shariáh?

    This question is answered in this article in the context of the claim that the veil or Niqaab is primarily ‘a social requirement and custom according to the environment and custom and according to the environment and customs of a particular country.’ In endeavouring to answer the question, we will confine ourselves to a brief examination of the relevant Qurãnic verses.

    Surah An-Nur, Verses 30 and 31

    And Say to the believing women to lower their gaze (from looking at forbidden things), and protect their private parts (from illegal sexual acts) and not to show off their adornment except only that which is apparent (like both eyes for necessity to see the way, or outer palms of hands or one eye or dress like veil, gloves, head-cover, apron), and to draw their veils all over Juyubihinna (i.e. their bodies, faces, necks and bossoms) and not to reveal their adornment except to their husbands, or their fathers, or their husband’s fathers, or their sons, or their husband’s sons, or their brothers or their brother’s sons, or their sister’s sons, or their (Muslim women) (i.e. sisters in Islam), or the (female) slaves whom their right hands possess, or old male servants who lack vigour, or small children who have no sense of feminine sex. And let them not stamp their feet so as to reveal what they hide of their adornment. And all of you beg Allah to forgive you all, O believers, that you may be successful.

    It is apparent that upon a plain reading the purpose of the verse is to eradicate promiscuity, fornication and adultery and all the preliminary steps that lead directly to the commission of such shameful acts. The references to ‘lowering their gaze’, ‘drawing their veils over their bosoms’ and ‘striking their feet to draw attention’ indicate that all acts or omissions which, in the ordinary course leads directly to sexual promiscuity and FITNAH are forbidden.

    In order to totally eradicate sexual promiscuity and FITNAH, the verse goes on to say that a woman is not permitted to display her beauty and charms except in degrees to her husband, father and the other classes of person specified in the verse. The exempt class would constitute the MAHAARIM, and any other would qualify as strangers or GHAIR MAHRAM. The principle fixed by the verse is, therefore, that a woman cannot display her beauty to any male person other than the persons exempted by the verse. It goes without saying that the face is the focal-point of a woman’s beauty, and the main source of attraction. Hence, the face of a woman cannot be displayed or shown to a stranger in normal circumstances whether in public or private according to the general principle fixed by the verse as stated above. She is permitted to display her beauty to the exempt class (the MAHAARIM) for obvious reasons of close contact, and because of the considerably lesser danger of sexual promiscuity and FITNAH within that class. (Zamakhshari)

    The Shariáh, however, is practical, dynamic and takes into account the real situations of life. A woman may – in the case of genuine need – be forced to expose her face in the presence of strangers. For example, when she appears in court to give witness, etc.

    It is against this background that the preceding portion of the verse ‘they should not display their beauty and charms except what must ordinarily appear unavoidable’ falls into proper perspective. The words ‘Illaa maa dhahara min’haa’ are in context an exception to the general rule, and cover those cases of genuine need and necessity when a woman is forced to expose her face in the presence of a stranger. That is how the great commentators of the Noble Qurãn have interpreted the verse.

    Take the following two examples:

    “Women must not display any part of their beauty and charms to strangers except what cannot possibly be concealed.” (Ibn Katheer)

    “Why is the woman permitted to display her external beauty and charms? Because to conceal that would cause her inconvenience. A woman is forced to deal in commodities with her own hands. She is compelled by genuine need to expose her face especially at the times of giving evidence, litigating in court and marriage. She is compelled to walk the streets and expose her feet, especially poor women. This is the meaning of ‘illaa maa dhahara min’ haa’ that is ‘except what the situations of ordinary life compel her to expose.” (Zamakhshari)

    A further point is the interpretation of ‘illaa maa dhahara min’haa’ has been highlighted by the well known scholar, Moulana Ashraf Ali Thanwi (RA). He states that the verb used is that of the first form ‘dhahara’ and not ‘adhhar’ which (in fourth form) signifies a deliberate exposure or display. The use of ‘maa dhahara’ indicates that the exposure of the face is confined to need. (Imdaadul Fataawa vol. 4 p. 181)

    It follows from the aforegoing that upon a proper interpretation of the verse the face and hands of a woman can only be exposed to strangers in a situation of genuine need where concealment would cause her serious inconvinience. However, genuine need is not open to wide interpretations.

    SURA AL-AHZAAB – VERSE 53

    And when you ask them for anything you want, ask them from behind a screen.

    The meaning of this verse is clear: the companions of the Holy Prophet (Sallallaahu Álayhi Wasallam) were ordered to communicate with the wives of Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) from behind a screen and not directly face to face. It is obvious that this instruction is not limited to the wives of the Holy Prophet (Sallallaau Álayhi Wasallam). The verse has general application and the fact that the noble wives of Rasulullah (Sallallaahu Álayhi Wasallam) are specifically mentioned emphasises the importance of the subject matter. The distinguished jurist, Abubakar Jassas (RA) in his Ahkaamul Qurãn states:

    “This order, although revealed specifically in relation to the Holy Prophet (Sallallaahu Álayhi Wasallam) is general in application because we are ordered to follow him.”

    Similarly, the well known commentator of the Noble Qurãn Imaam Qurtubi (RA) in his Al-Jamia li Ahkaamul Qurãn states:

    “All women are in effect covered by the terms of the verse which embraces the Sharée principle that the whole of a woman is ‘Áwrah’ (to be concealed) – her body and voice, as mentioned previously. It is not permissible to expose those parts except in the case of need, such as the giving of evidence.”

    SURAH AL-AHZAAB – VERSE 59

    O Prophet! Tell your wives and your daughters and the women of the believers to draw their cloaks (veils) all over their bodies (i.e. screen themselves completely except the eyes or one eye to see the way).

    In his commentary to this verse, Allama Abubakar Jassas (RA) states the following:

    “This verse proves that a young woman is ordered to cover her face from strangers, and to manifest SATR and modesty in public so that doubtful people may not be desirous of her.”

    It is sufficient to quote the following authentic commentators in their interpretation of the verse:

    “They (women), shall cover their faces and bodies with their outer garment when they appear in public for a valid reason.”

    [They shall cover their faces and…]

    Ibn Ábbaas states that the Muslim women are ordered to cover their head and faces with outer garments except for one eye.

    And Allah Taãla Knows Best.

    Mufti Ebrahim Desai, http://www.ask-imam.com
    FATWA DEPT.

    [উত্তর দিন]

  21. দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:

    কোরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াস হতে নিকাব আবশ্যক হওয়ার প্রমান।

    PROOFS FROM THE QURAN(কোরআন হতে প্রমান)

    1) Allah Ta’ala mentions

    { ياأَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَآءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلاَبِيبِهِنَّ ذالِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلاَ يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُوراً رَّحِيماً } [الأحزاب:59]

    “O Prophet! Tell thy wives and thy daughters, and the women of the believers, that they should pull down upon them of their outer cloaks (from their heads over their faces). That is more likely that they may thus be recognized and not molested. And ALLAH is Most Forgiving, Merciful.

    Numerous commentators (who certainly understood the Deen better than the Shaykh and his parents) have interpreted this verse to denote that ALL women are commanded to cover their faces. Below we have mentioned the names of scholars from each century who have either clearly mentioned, or cited scholars from the past and agreed with them, that this verse refers to covering the face:

    1) The greatest commentator, Ibn Abbaas (died 68 AH)[1]

    2) The great Sahabi, ‘Abidah as-Simani (died 72 AH)[2]

    3) Imam al-Kufiyeen Yahya bin Ziyad Ad-Daylami (famously known as Al-Farraa-died 207)[3]

    4) Abu Ja’far Muhammad bin Jarir at-Tabari (died 310 AH)[4]

    5) Al-Imam al-Hafidh Abu Muhammad Abd ar-Rahman bin Abi Hatim (died 327AH)[5]

    6) Imam Abu Ja’far Ahmad bin Muhammad al-Muradi an-Nuhas (A senior scholar from Egypt-died 338 AH)[6]

    7) Imam Abu Bakr Ahmad bin ‘Ali Ar-Razi al-Jassass (died 370) [7]

    8) Abu Ishaq Ahmad bin Muhammad bin Ibrahim At-Tha’labi (died 427)[8]

    9) Abu Hasan ‘Ali bin Ahmad al-Wahidi (died 468)[9]

    10) ‘Imad ad-Deen bin Muhammad at-Tabari (died 504 AH)[10]

    11) Muhi as-Sunnah Abu Muhammadal-Husain bin Mas’ud al-Baghawi (died 516)[11]

    12) Abu al-Qasim Mahmud bin ‘Umar Az-Zamarkashi Al-Khuwarazmi (died 538)[12]

    13) Allamah Abu Bakr Ibn al-‘Arabi (died 543)[13]

    14) Fakhr ad-Deen Muhammad bin ‘Umar bin al-Husain ar-Razi (died 604 AH)[14]

    15) Shams ad-Deen Abu ‘Abdillah Muhammad bin Ahmad al-Qurtubi (died 671 AH)[15]

    16) Nasir ad-Deen Abu Sa’id Abdullah Ibn Umar bin Muhammad al-Baydhawi (died 691 or 791)[16]

    17) Abu al-Barakaat ‘Abdullah bin Ahmad bin Mahmud an-Nasafi (died 710)[17]

    18) Allamah ‘Ala ad-Deen ‘Ali bin Muhammad bin Ibrahim al-Baghdadi (Commonly known as al-Khazin, died 725 AH) [18]

    19) Allamah Abu al-Fida Ismail bin ‘Umar bin Katheer al-Qurashi (died 774)[19]

    20) Abu Hayyaan Muhammad bin Yusuf al-Andalusi (died 784)[20]

    21) Abu Hafs ‘Umar bin ‘Ali Ibn ‘Adil Ad-Dimashqi al-Hambali (died after 880)[21]

    22) Burhan ad-Deen Abi al-Hasan Ibrahim bin ‘Umar al-Baqaa’i (died 885)[22]

    23) Allamah ‘Abd ar- Rahman bin al-Kamal Jalal ad-Deen As-Suyuti (A great scholar from Egypt- died 911)[23]

    24) Shams ad-Deen Muhammad bin Ahmad Ash-Sharyini (One of the senior scholars of Cairo-died 977AH)[24]

    25) Allamah Abu Sa’ud Muhammad bin Muhammad al-‘Imadi (died 982)[25]

    26) Shihab ad-Deen Ahmad bin Muhammad bin ‘Umar al-Khafaji (died 1069)[26]

    27) Ismail Haqi bin Mustafa al-Islambuli al-Khalwati died (1127)[27]

    28) Allamah Sulaiman bin ‘Umar al-‘Ujaili (Known as al-Jamal-died 1206)[28]

    29) Shaykh Ibn al- ‘Ajibah Ahmad bin Muhammad al-Mahdi al-Idreesi (died 1224)[29]

    30) Ahmad bin Muhammad as-Sawi (A great scholar from Egypt-died 1241)[30]

    31) Abu Al-Fadhl Shihaab ad-Deen Mahmud al-Alusi (died 1270)[31]

    32) Muhammad Jamaal ad-Deen al-Qasmi (died 1332)[32]

    33) Allamah Zahid al-Kawthari (A senior scholar who used to live in Egypt died 1371)[33]

    34) Shaykh Mustafa al-‘Adawi (A senior contemporary scholar of Egypt) [34]

    35) Surprising, Shaykh Sayyad Tantawi has also accepted this view and spoke in support of the veil in his commentary entitled ‘At-Tafsir al-wasit’. He writes under the commentary of this verse,

    التفسير الوسيط للقرآن الكريم – (ج 11 / ص 245 دار المعارف)

    والجلابيب جمع جلباب ، وهو ثوب يستر جميع البدن ، تلبسه المرأة فوق ثيابها . والمعنى : يا أيها النبي قل لأزواجك اللائي في عصمتك ، وقل لبناتك اللائي هن من نَسْلك ، وقل لنساء المؤمنين كافة ، قل لهن : إذا ما خرجن لقضاء حاجتهن ، فعليهن أن يَسدلن الجلاليب عليهن ، حتى يسترن أجسامهن سترًا تامًّا من رؤوسهن إلى أقدامهن ؛ زيادة في التستر والاحتشام ، وبعدًا عن مكان التهمة والريبة . قالت أم سلمة رضي الله عنها : لما نزلت هذه الآية خرج نساء الأنصار كأن على رؤوسهن الغربان من السكينة وعليهن أكسية سُود يلبسنها ))اهـ .

    2) In another verse, Allah Ta’ala mentions,

    قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ (30) وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آَبَائِهِنَّ أَوْ آَبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُولِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاءِ وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ (النور31)

    “Tell the believing men that they must lower their gazes and guard their private parts; it is more decent for them. Surely Allah is All-Aware of what they do.

    And tell the believing women that they must lower their gazes and guard their private parts, and must not expose their adornment, except that which appears thereof, and must wrap their bosoms with their shawls, and must not expose their adornment, except to their husbands or their fathers or the fathers of their husbands, or to their sons or the sons of their husbands, or to their brothers or the sons of their brothers or the sons of their sisters, or to their women, or to those owned by their right hands, or male attendants having no vigour, or to the children who are not yet conscious of the shames of women. And let them not stamp their feet in a way that the adornment they conceal is known. And repent to Allah O believers, all of you, so that you may achieve success.” [24:30/31]

    Allah Ta’ala commands that females should conceal their entire body “except that which appears thereof.” Scholars differ to what is meant by the phrase “except that which appears thereof”. Sayyiduna Ibn Mas’ood (May Allah Ta’ala be pleased with him) mentions that it refers to the clothing of women.[35] This is also the view of Ibrahim Nakh’i and Hasan (May Allah Ta’ala have mercy on them both.[36] Other scholars opine that it refers to her hands and face.[37]This is the opinion of Sayyiduna Ibn Abbas (May Allah Ta’ala be pleased with him) and others.

    The first explanation is emphatic that a woman should don the veil as she is not permitted to expose her face.

    According to the second interpretation a woman is permitted to leave her hands and face open. However, this does not contradict the encouragement to don the niqab as exposing these features is due to the fact the there is a need and the laws of niqab is to safeguard societies from fitna.[38]

    Sayyiduna Ibn Abbas (May Allah Ta’ala be pleased with him) himself explains that a woman should leave her face open only when at home. When she leaves her home she would have to adorn the hijab.

    حدثني عليّ، قال: ثنا عبد الله، قال: ثني معاوية، عن عليّ، عن ابن عباس، قوله:( وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلا مَا ظَهَرَ مِنْهَا ) قال: والزينة الظاهرة: الوجه، وكحل العين، وخضاب الكفّ، والخاتم، فهذه تظهر في بيتها لمن دخل من الناس عليها[39]

    Sayyiduna Ibn Abbas رضي الله تعالى عنه narrates that the ‘apparent beauty’ refers to the face, kohl, henna and the ring. A woman could expose this in her home in front of those who enter her home.

    Furthermore, the word used in the verse is ظهر (that which becomes exposed) and not اظهرن (that which they expose). In this verse all other verbs are attributed to the females except this verse. This indicates to the face that a woman should conceal her entire body however, if while carrying out her chores and necessities her hands or face accidently becomes exposed then this is be permitted.[40]

    3) The ruling of covering the face is corroborated by a third verse wherein Allah Ta’ala says,

    وَالْقَوَاعِدُ مِنَ النِّسَاءِ اللاتِي لا يَرْجُونَ نِكَاحًا فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنَاحٌ أَنْ يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتَبَرِّجَاتٍ بِزِينَةٍ وَأَنْ يَسْتَعْفِفْنَ خَيْرٌ لَهُنَّ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ (النور60)

    “And those old women who have no hope for marriage, there is no sin on them, if they take off their (extra) clothes while they do not display their adornment. Still, that they refrain (even from this) is better for them. Allah is All-Hearing, All-Knowing.” [24:60]

    In the above verse Allah Ta’ala allows elderly woman to take off their extra clothes. Mufassiroon explain that “extra clothes” refer to the jilbab.[41] This verse confer that young women are not allowed to leave out the jilbab.

    4) In another verse it is mentioned,

    وليضربن بخمرهن على جيوبهن

    “And let them wear their head-coverings over their bosoms.”

    This verse also proves that a woman should cover her face, either because it is the laazim (natural outcome) of covering ones head and chest or through qiyaas (analogy) that if she is commanded to cover her head and chest then she would be even more required to cover her face which is the greatest point of beauty.

    PROOFS FROM THE AHADITH (হাদীস হতে প্রমান)

    Covering the face was a common practice amongst the noble consorts of Nabi صلى الله عليه وسلم. Lest one thinks this was a ruling only for them, we have also included below narrations which clearly illustrates that other Sahabiyaat would also don the veil.

    عن ابن شهاب قال حدثني عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عائشة رضي الله عنها زوج النبي صلى الله عليه و سلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا وكلهم حدثني طائفة من حديثها وبعضهم كان أوعى لحديثها من بعض وأثبت له اقتصاصا وقد وعيت من كل رجل منهم الحديث الذي حدثني عن عائشة وبعض حدثيهم يصدق بعضا وإن كان بعضهم أوعى له من بعض . قالوا : قالت عائشة كان رسول الله صلى الله عليه و سلم إذا أراد سفرا أقرع بين أزواجه…إلى قولها…فأصبح عند منزلي فرأى سواد إنسان نائم فعرفني حين رآني وكان رآني قبل الحجاب فاستيقظت باسترجاعه حين عرفني فخمرت وجهي بجلبابي والله ما تكلمنا بكلمة ولا سمعت منه كلمة غير استرجاعه الخ [42]

    1) Ibn Shihaab narrates from Ayesha (May Allah Ta’ala be pleased with her) that when Nabi صلى الله عليه وسلم would intend going out on a journey he would draw lots between his spouses…until the portion…he came to the spot where I was sleeping and noticed the shape of a human. He immediately recognised me since he saw me before the laws of hijab were revealed. I woke when he claimed Inna lillahi. I covered my face with my jilbab. By Allah, we did not speak a single word not did I hear a letter from him besides Inna lillahi. (Narrated by Bukhari and Muslim)

    عن عائشة قالت : كان الركبان يمرون بنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه و سلم محرمات فإذا حاذوا بنا أسدلت إحدانا جلبابها من رأسها على وجهها فإذا جاوزنا كشفناه [43]

    2) Ayesha (May Allah Ta’ala be pleased with her) say, “The male riders would pass us while we were with Nabi صلى الله عليه وسلم in the state of Ihram. When they would pass us, we would lower our loose scarves over our faces. When they passed, we would once again reveal our faces.”

    وروى ابن أبي خيثمة من طريق إسماعيل بن أبي خالد عن أمه قالت : كنا ندخل على أم المؤمنين يوم التروية ، فقلت لها : يا أم المؤمنين ،هنا امرأة تأبى أن تغطى وجهها وهي محرمة ، فرفعت عائشة خمارها من صدرها فغطت به وجهها.[44]

    3) Ismail bin Abi Khalid narrates from his mother that she said, “We would enter upon the mother of the believers on the day of tarwiyyah. I asked her, O mother of the believers, there is a woman here who refuses to cover her face whilst in Ihraam. Ayesha (May Allah Ta’ala be pleased with her) raised her cloth from her chest and veiled her face.”

    عن عبد الملك بن مروان بن الحارث بن أبي ذباب قال أخبرني أبو عبد الله سالم يعني سبلان قال وكانت عائشة تستعجب بأمانته وتستأجره: قال سالم كنت آتيها مكاتبا فتجلس بين يدي وتتحدث معي حتى جئتها ذات يوم فقلت أدعي لي بالبركة يا أم المؤمنين قالت وما ذاك قلت أعتقني الله قالت بارك الله لك وأرخت الحجاب دوني فلم أرها بعد ذلك اليوم[45]

    4) ‘Abd al-Malik bin Marwan narrates from Abu ‘Abdullah Salim-a person who Ayesha (May Allah Ta’ala be pleased with her) would admire for his trust and would even hire him- he says, “I would come to Ayesha whilst still a partial slave (mukatab). She would sit in front of me and converse with me. Until I came to her one day and said, ‘Pray for me for blessings oh mother of the believers.’ She asked ‘What happened?’ I replied, ‘Allah has emancipated me from my slavery.’ She immediately pulled down her veil and I did not see her after that.”

    عن صفية بنت شيبة ، عن عائشة رضي الله عنهما : أنها « كانت تطوف وهي متنقبة »[46]

    5) Safiyyah bint Abi Shaybah narrates that Ayesha (May Allah Ta’ala be pleased with her) would perform circumambulation with her face covered.

    عن عبد الخبير بن ثابت بن قيس بن شماس عن أبيه عن جده قال جاءت امرأة إلى النبى -صلى الله عليه وسلم- يقال لها أم خلاد وهى منتقبة تسأل عن ابنها وهو مقتول فقال لها بعض أصحاب النبى -صلى الله عليه وسلم- جئت تسألين عن ابنك وأنت منتقبة فقالت إن أرزإ ابنى فلن أرزأ حيائى الخ

    6) ‘Abd al-Khaybar bin Thabit bin Qais bin Shammaas narrates from his father who narrates from his grandfather that he said, “A woman called Umm Khallaad came to the prophet صلى الله عليه وسلم with her face veiled to enquire of her son who was martyred. Some companions of the prophet صلى الله عليه وسلم remarked that you came to ask of your son yet you are veiled? She replied, ‘If I lost my son I do not need to lose my modesty.”

    عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت :كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق[47]

    7) Fatimah bint al-Mundhir states, “We would cover our faces whilst in the state of Ihraam while we were in the company of Asma, the daughter of Abu Bakr (May Allah Ta’ala be pleased with them).”

    عن أم سلمة قالت قال لنا رسول الله -صلى الله عليه وسلم- « إن كان لإحداكن مكاتب فكان عنده ما يؤدى فلتحتجب منه ».[48]

    8) Umm Salma (May Allah Ta’ala be pleased with her) narrates that the prophet صلى الله عليه وسلم said, “If any of you possess a mukatab (partial slave purchasing his freedom) and he has the amount to pay, then you should make hijab from him.”

    VIEWS ON THE FOUR MADHABS ON COVERING THE FACE (মুখমন্ডল আবৃত করা বিষয়ে চার মাযহাবের মত)

    HANAFI MADHAB (হানাফী মাযহাব)

    The following scholars in the Hanafi Madhab have mentioned that it is necessary for a woman to cover her face:

    1) Abu Mansur al-Maturidi (d. 333 AH),[49]

    2) Hakim al-Shahid (d. 334 AH),[50]

    3) Jassas al-Razi (d. 370 AH),[51]

    4) Al-Natifi (d. 446 AH),[52]

    5) Qadi Khan (d. 592 AH),[53]

    6) Al-Marghinani — author of Al-Hidayah (d. 593 AH),[54]

    7) Al-Kirmani (d. 600 AH approx.),[55]

    8) Mahmud Al-Bukhari — author of al-Muhit (d. 616 AH),[56]

    9) Al-Sunnami (d. after 700 AH),[57]

    10) Al-Sighnaqi (d. 714 AH),[58]

    11) Al-Qurashi (d. 854 AH),[59]

    12) Ibn al-Humam (d. 861 AH),[60]

    13) Al-Quhustani (d. 950 AH),[61]

    14) Ibn Nujaym (d. 970 AH),[62]

    15) Sinan al-Khalwati (d. 989 AH),[63]

    16) Umar ibn Nujaym (d. 1005 AH),[64]

    17) Mulla ‘Ali al-Qari (d. 1014 AH),[65]

    18) Al-Shurunbulali (d. 1069 AH),[66]

    19) Shaykh Zada al-Afandi (d. 1078 AH), [67]

    20) ‘Abd al-Halim (d. 1088 AH),[68]

    21) Al-Haskafi (d. 1088 AH),[69]

    22) Al-Tahtawi (d. 1231 AH),[70]

    23) Ibn ‘Abidin (d. 1252 AH),[71]

    24) ‘Abid al-Sindhi (d. 1257 AH),[72]

    25) ‘Abd al-Hay al-Laknawi (d. 1304 AH),[73]

    26) Al-Sawati (d. 1346 AH),[74]

    27) Al-Nahlawi (d. 1350 AH).[75]

    MALIKI MADHAB (মালিকী মাযহাব)

    The following scholars in the Maliki Madhab have mentioned that it is necessary for a woman to cover her face.

    1) Abu Bakr Ibn al-‘Arabi (died 543),[76]

    2) Shams ad-Deen Abu Abdullah Muhammad bin Ahmad al-Khazraji al-Qurtubi (died 671)[77]

    3) Shams ad-Deen Hattaab ar-Ru’aini Abu ‘Abdullah Muhammad bin Muhammad at-Tarabalusi al-Maghrabi (died 954)[78]

    4) ‘Abd al-Baqi bin Yusuf Az-Zarqani (died 1099)[79]

    5) Shaykh Muhammad bin Abd al-Baqi Yusuf Az-Zarqani (died 1122)[80]

    6) Ahmad bin Ghunaim an-Nafrawi (A scholar from Al-Azhar-died 1126) [81]

    7) Ali bin Ahmad Al-‘Adawi (A famous scholar of Egypt-died 1189)[82]

    8) Ash-Shaykh Ahmad bin Muhammad bin Ahmad al-‘Adawi Ad-Dirdeer (A great scholar who studied in Al-Azhar-died 1201)[83]

    9) Ahmad bin Muhammad as-Sawi (A leading scholar from Egypt-died 1241)[84]

    SHAFI MADHAB (শাফিঈ মাযহাব)

    The following scholars in the Shafi Madhab have mentioned that it is necessary for a woman to cover her face:

    1) Al-Imām Yahya bin Sharf al-Nawawī (died 676 AH)[85]

    2) Shams ad-Deen Muhammad bin Abi Bakr Ibn an-Naqeeb aal-Misri (died 745)[86]

    3) Al-Imām Ahmad ibn ‘Alī ibn Ḥajar al-Haytamī al-Makkī (A great scholar-written Tuhfa al-Muhtaj which is one of the most authoritive books in the Shafi Madhab- died AH 974)[87]

    4) Al-Imām Shams al-Dīn Muḥammad ibn Aḥmad al-Khāṭib al-Shirbīnī (977 AH)

    5) Ahmad bin al-Qasim al-‘Abadi (An Azhari-died 992)[88]

    6) Shams ad-Deen Muhammad bin ‘Abd al-‘Abbaas Ahmad bin Hamza Ar-Ramali (One of the most senior Muftis of Egypt, famously known as Ash-Shaf’i as-sageer- died 1004)[89]

    7) Shaykh Sulaiman al-Jamal (An Azhari-1204)[90]

    8) ‘Abdul Hamid al-Makki ash-Sharwani (died 1301)[91]

    9) Abu Bakr Uthman Ibn As-Sayyad Muhammad Ad-Dimyati (died 1302)[92]

    10) Al-Imām Shams al-Dīn Muḥammad ibn Aḥmad al-Khāṭib al-Shirbīnī (One of the greatest jurists of the Shafi Madhab-died 977 AH)[93]

    HAMBALI MADHAB (হাম্বলী মাযহাব)

    The following scholars in the Hambali Madhab have mentioned that it is necessary for a woman to cover her face:

    1) Imam Ahmad (May Allah Ta’ala be pleased with him) himself (died 241 AH)[94]

    2) ‘Abdullah bin Muhammad bin Qudamah al-Maqdisi (One of the greatest Hambali scholars-died 620)[95]

    3) Shams ad-Deen Abi al-Faraj ‘Abd ar-Rahman bin Muhammad al-Maqdisi (died 682 AH)[96]

    4) Shams ad-Deen Muhammad bin Muflih al-Maqdisi (died 763 AH)[97]

    5) Shams ad Deen Musa bin Ahmad al-Hajawi (died 960 AH)[98]

    6) Mansur bin Yunus bin Idrees al-Bahuti (Shaykh of the Hambalis in Egypt-died 1051 AH)[99]

    7) Mustafa as-Suyuti ar-Ruhaibai (died 1243 AH)[100]

    8) ‘Abdullah bin ‘Abd al-‘Aziz al-‘Anqari (died 1373 AH)[101]

    THE DISADVANTAGES OF NOT COVERING (নারীর মুখমন্ডল উম্মুক্ত রাখার অপকারীতা)

    Unveiling has a number of disadvantages. Some of them are as follows:

    1. It is a violation of the Quran and Hadith;

    2. It shows woman’s weakness in belief;

    3. It is a cause of temptation for men and women;

    4. It strips off her modesty that is an integral part of Faith;

    5. It subjects her to adultery and sexual harassment (especially now in Egypt with the vaginal kit, adultery has become so easy. Had all the women been veiled, the government would not have so much difficulty in trying to outlaw this kit);

    6. It hurts her dignity and feelings and it stains her chastity;

    7. It prompts woman to take part in commercial advertisements and films as a showpiece and a source of enjoyment for the viewers.

    CONCLUSION (উপসংহার)

    From the aforementioned it is clear, that not only is the veiling of the face established in Islam, it is also based on concrete evidences. This has been the continuous practise of the past fourteen centuries. As the great scholar of Al-Azhar, Hafidh Ibn Hajar al-Asqalani has said,

    ولم تزل عادة النساء قديما وحديثا يسترن وجوههن عن الاجانب[102]

    “It has continuously been the practice of women since time immemorial to cover their faces from strangers.”(Fath al-Bari 9/324)

    Hence as a religious right, we implore the Shaykh to reconsider his plans of banning the Hijab in Al-Azhar affiliated institutes. Every woman should be given her human right of the freedom to practise upon her religion. We also request the Shaykh to retract his consent he gave to the French government of banning the Hijab.

    Given the position of the Shaykh, he ought to be advocating and encouraging modesty. He is supposed to appreciate a girl wearing the veil in this modern day and age. Al-Azhar was once looked upon as an icon for Muslims. We cannot allow it now to stoop so low and become such an ardent promoter of compromise to serve the ideologies of some in the west.

    Moreover with the veil, Egypt will find solutions to many of its dilemmas. Egypt is notorious for producing the most porn, sexualized media material, and secular entertainment in the Middle East. Tantawi should rather utilise his energies in condemning the porn produced in his nation, the secular enterprises which seek to promote Western liberation and sexual freedom, such as the American University in Cairo and the many Western organisations in the west. He should direct his energies in getting the Egyptian government to divest its interest in the only brewery in Egypt and banning the nude beaches in Sharm El-Sheikh.

    Furthermore, by implementing the veil, the government of Egypt will not have difficulty in banning the ‘Artificial Virginity Hymen kit’:

    )//news.yahoo.com/s/ap/20091005/ap_on_re_mi_ea/ml_egypt_artificial_hymen(

    This has become a catalyst of much adultery and fornication in their region.

    We pray that Allah, the All-mighty grants us the true understanding of his religion and may He save us from being helpers of the devil.

    And Allah knows best

    [উত্তর দিন]

  22. juned ahmed বলেছেন:

    ami mone kori afne je kuno newspepare ai rokom lekle jati aro upokar feto.amar balo laglo.thank u brother

    [উত্তর দিন]

  23. md.zahir uddin বলেছেন:

    appreciated…..actually if each and every muslim perform 5 waqt salat everyday…no need to do further….

    [উত্তর দিন]

  24. লালসালু বলেছেন:

    সহমত

    [উত্তর দিন]

  25. বাংলার নবাব বলেছেন:

    আপনার কথাগুলোর সাথে সম্পূর্ণ একমত। আমি এমনটিই বলতে চেয়েছিলাম। নিচে দেখুন।
    http://liaquathossain.blogspot.com/2010/05/blog-post_16.html

    [উত্তর দিন]

  26. Zishan Haq Akbar বলেছেন:

    Eve-teasing
    While Morality is Missing ‘

    Our boys dont come into the world being eve-teaser, our culture ( surely made by us) and surroundings make them eve-teaser.
    … See more
    Why Eve-teasing? Easy sex- feelings is the only cause of eve- teasing. Anyone wants to argue with me? Then reply to my mail. Please !!

    Sex- feeling is the basic and ground causes of eve-teasing. You disagree ? Then come on for arguments.

    Eve-teasing happens due to sex-chemistry of human body. In the body of teen- ager, sex- chemistry ( action of Sex-hormone) acts very quickly and sharply in thinking circuit ( Brain-cell) and imagination sector of the mind, in the nerve system, mental and psychology of teen-age. Because of sex appealing dress-up, sexy movements of the girls, sex- appealing picture, Display of sexy parts of the girl’s body, by watching cheap and commercial oriented so called love-Drama in which no family values and religious manners( in local TV Channel ), Display of sexy motion and sounds in the advertisement and so on. Our teen-age cannot control and check themselves whenever they watch and hear all sexy pic and sexy sounds. Boys are getting the victim of vulgarism before the time how to learn to check themselves from vulgarism.
    Internet exceptional….. I discuss only which we could control and check.

    In a social research says that it is natural true that 70 % of total eve-teasing cases happen because of display of girl’s upper portion Sex parts ( Just Breast exhibition).

    Solution:
    For Guardian: “Apnonar sontankee Tika Din”
    and Also ” Apnonar sontankee Orna din ( Orna =Breast covering wear)
    and take control or seize MOB Set of Yurs Children from 10 PM and up to 8 AM next morning.
    For society lords: First control and regulate the ” love and sex” generating DRAMA and ADVERTISEMENT, stop selling porno CD of yours sisters and my sisters, and encourage the young generation to learn and practice of moral values and ethics through religious manners and culture. Find family values and ties. Do these first…..
    Otherwise you cannot blame the teenager and eve-teaser.

    Some experts say that Eve-teasing is the matter of negative attitude and mentality… Yes eve-teasing is the matter of negative mentality..
    ….. and sex- appealing dress-up of the girl’s, cheap “love” generating drama, sex appetite making advertisement are the responsible for making such negative mentality in the eve-teaser’s psychology.
    I bet You cannot prove that I m wrong.

    Never never blame the teen-age & eve-teaser. . Because We do just what we watch and what We hear…

    Sex is a secret, inner and deeper feelings of the human body but it seems that sex gets easy , open and light feelings by watching and hearing of all those vulgar & sexy picture and sounds.

    Save the local and own culture and let live the boys with peace and ethics.

    Bye.
    One Ex- teen-ager & eve-teaser .

    [উত্তর দিন]

  27. কাঙ্গাল বলেছেন:

    অসাধারণ, চমৎকার হয়েছে। আরো সুন্দর সুন্দর লেখা উপহার দিবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

    [উত্তর দিন]

  28. Mohammad বলেছেন:

    Thanks for this writing And depth thinking and revealed the vivid truth.

    [উত্তর দিন]

মন্তব্য করুন