ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা ইলিয়াসের অপহরণ প্রমাণ করে গুম খুনে সরকার জড়িত

eliasইসলামী ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের (আরডিএস) সহকারী কর্মকর্তা ইলিয়াস উদ্দিনকে (৩৮) ২১ এপ্রিল সোমবাব রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের গোলপুকুরপাড় এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা তাকে কালো রঙের একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। এমন সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। দেখুনঃ www.jugantor.com/last-page/2014/04/23/91274

গত ৩০ এপ্রিল মানবজমিন “১০ দিনেও খোঁজ মেলেনি ব্যাংক কর্মকর্তা ইলিয়াসের” শিরোনামে সংবাদ পরিবেশিত হয়। দেখুনঃ http://mzamin.com/details.php?mzamin=MjEzMDA=&s=Ng==
এ ঘটনাকে পুঁজি করে প্রতারক চক্র বেশ কিছু টাকাও হাতিয়ে নেয়। ব্যাংকের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন উচু মহলে জোর তদবির চালানো হলেও তার হদিস দিতে তারা ব্যর্থ হন।

কিন্তু আমরা আর্শ্চয হয়ে লক্ষ্য করি এর পরেরদিন ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা ইলিয়াসের অপহরণ প্রমাণ করে গুম খুনে সরকার জড়িত»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

দেলু শিকদার আর দেলোয়ার সাঈদী এক ব্যক্তি নন : দেলু শিকদারের ভাইয়ের স্বীকারোক্তি

‘আমরা বর্তমান সাঈদীর বিচার করছি না। বিচার করছি এখন থেকে ৪২ বছর আগের দেলু শিকদারের’ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় ঘোষণার সময় এমনটাই দাবী করে ট্রাইব্যুনাল। আজ প্রমাণিত দেলোয়ার শিকদার ওরফে দেলু শিকদার ওরফে দেল্যা রাজাকার আর আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এক ব্যক্তি নন। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, প্রত্যক্ষদর্শী এবং দেলু শিকদারের আপন ছোট ভাইয়ের স্বীকারোক্তি-মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী এবং দেলু শিকদার একই ব্যক্তি নন। এরপরও আল্লামা সাঈদীকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানোর আয়োজন চলছে। দেলু শিকদার আর দেলোয়ার সাঈদী এক ব্যক্তি নন : দেলু শিকদারের ভাইয়ের স্বীকারোক্তি»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

আল্লামা সাঈদী হুজুরের জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত সফটওয়ার

আল্লামা সাঈদী হুজুরের জীবন ও কর্ম নিয়ে সফটওয়ার নির্মান করা হয়েছে। এতে তাঁর জীবনী, বিরল অডিও বক্তৃতা, ভিডিও বক্তৃতা, বিবেদিত কবিতা, বিরল ছবি ও আর্টিকেল আছে।

সাইজঃ ২.০৮ গিগাবাইট।

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। (রিজিউম সাপোর্টেড)

জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে এক্সট্রাক্ট করুন। তারপর “Sayedee at a glance” ফাইলটিতে ক্লিক করুন। ক্লিক করলেই ওপেন হবে। সেটআপ দেয়ার প্রয়োজন নেই।

ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি

ডিসেম্বরে করিডোর চুক্তি করতে যাচ্ছে বিসিআইএম (বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার)। কলকাতা-ঢাকা-সিলেট-ইম্ফল-তামু-মান্দালয়-লাসিও-ভামো-রুইলি-কুনমিং ২৮০০ কি.মি. সিল্ক রুট অনুমোদিত হয়েছে ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক করিডোর সুবিধা, যোগাযোগ, শক্তি, বিনিয়োগ, পণ্য ও সেবার বিনিময়, মানুষে মানুষে সংযোগ ইত্যাদি ১১টি বিষয়ের উপর স্টাডি রিপোর্ট তৈরী করছে চারটি দেশের মন্ত্রণালয়। জুনে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে চারদেশের রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরী হবে কম্বাইন্ড রিপোর্ট। এরপরে ডিসেম্বরে নয়া দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হবে বহুবিতর্কিত ট্রানজিট চুক্তি। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সাল থেকে বিসিআইএম ইকোনমিক করিডোর নিয়ে বাংলাদেশের সিপিডি, চীনের ইউনান একাডেমী অব সোস্যাল সায়েন্স, ভারতের সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ এবং মায়ানমারের সীমান্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করে অবশেষে সফলতার মুখ দেখতে চলেছে। এ চুক্তির ফলে প্রস্তাবিত সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে চারটি দেশই উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশের এতে কি লাভ? বাংলাদেশ কি পাবে? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে বাংলাদেশ এরমাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগের হাবে পরিণত হবে। এ চুক্তির ফলে ভারত-বাংলাদেশ বিদ্যুত বিষয়ক সহযোগিতা সহজতর হবে। সিকিমের উদ্বৃত্ত বিদ্যুত বাংলাদেশ সহজে পেয়ে যেতে পারে এমনটাই বলা হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনসেপ্ট পেপারে।
আচ্ছা, সিকিম কি সিল্ক রুটের মাঝে পড়ে? মোটেই না। তাহলে করিডোর সুবিধা দিলে বিদ্যুত সুবিধা পাওয়া যাবে তা কতটুকু নিশ্চিত, পাওয়া গেলেও তা করিডোরের ক্ষতির চেয়ে বেশী উপকারী হবে কি না তার নিশ্চয়তা কোথায়? কিংবা করিডোর দেয়ার পরে ভারত যদি বরাবরের মতো প্রতিশ্রুত ভঙ্গ করে বিদ্যুত নিয়ে টালবাহানা করে তবে কি করিডোর ধরে ট্রাক, লরিতে বোঝাই হয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুত আসবে? কম্পেসড ন্যাচারাল গ্যাসের মতো (সিএনজি), কম্প্রেসড ইলেকট্রিসিটি?

মাটি কামড়ে পড়ে থাকা মুসলমানেরা জাগো!

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কী হলো , যখনই তোমাদের আল্লাহর পথে বের হতে বলা হলো, অমনি তোমরা মাটি কামড়ে পড়ে থাকলে? তোমরা কি আখেরাতের মোকাবিলায় দুনিয়ার জীবন পছন্দ করে নিয়েছো? যদি তাই হয় তাহলে তোমরা মনে রেখো, দুনিয়ার জীবনের এমন সাজ সরঞ্জাম আখেরাতে খুব সামান্য বলে প্রমাণিত হবে৷তোমরা যদি না বের হও তাহলে আল্লাহ তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেবেন এবং তোমাদের জায়গায় আর একটি দলকে ওঠাবেন, আর তোমরা আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না৷ তিনি সব জিনিসের ওপর শক্তিশালী৷”-আল-কোরআন, সূরা আত তাওবাহ, আয়াত ৩৮-৩৯

একদিন জেহাদের ডাক আসবে, হারে রে রে রবে দা বটি, ক্ষুন্তি, কোদাল নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে ইসলামের শত্রুদের কুপোকাত করে বাংলার নীল আকাশে পতপত করে উড়িয়ে দেব কালেমার সবুজ পতাকা। এমন সুখস্বপ্ন অনেক মুসলমানই দেখেন। স্বপ্নটাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে কোলবালিশটা আরো শক্ত করে আকড়ে ধরে রাতের পর রাত পার করে দেন অনেক আলেমে দ্বীন। তবু জেহাদের সে ডাক আসে না, আল্লাহর পথে বের হতে হয় না। জমিন কামড়ে কামড়ে বেশ কেটে যায় মর্দে মুজাহিদের দিন। মাটি কামড়ে পড়ে থাকা মুসলমানেরা জাগো!»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

উনুন থেকে ছড়িয়ে পড়ুক ইসলামী বিপ্লব

ইসলামী আন্দোলনের লাখো লাখো নেতা-কর্মীর মতো আমিও বিপ্লবের স্বপ্ন দেখি। প্রতিনিয়ত এমন একটা সমাজের চিত্র মনের মাঝে এঁকে চলেছি, যে সমাজে একমাত্র আল্লাহর প্রভূত্ব প্রতিষ্ঠিত, যেখানে মানুষরূপী দানবেরা মানুষের ভাগ্যবিধাতা হয়ে জেঁকে বসতে পারে না, যে সমাজে নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব, মুসলিম অমুসলিম সবার রয়েছে বেঁচে থাকার সমান অধিকার, খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের নিশ্চয়তা। এমন একটা সমাজের স্বপ্ন বুনে চলেছি যে সমাজের আমীর, দূর ফোরাতের তীরে ক্ষুধায় কোন কুকুরের মুত্যুতেও জবাবদিহিতা অনুভব করে। যে সমাজের বিচারকের দরবারে অপরাধী নিজ সন্তানও চাবুকের সাজা পেয়ে মৃত্যুর দুয়ারে পা বাড়ায়, যে সমাজে একাকী নারী সানা থেকে হাজরামাউত পর্যন্ত নির্ভয়ে যাত্রা করে। উনুন থেকে ছড়িয়ে পড়ুক ইসলামী বিপ্লব»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

মার্চ ফর ডেমোক্রেসি লাইভ


সমকামিতা প্রতিরোধে ধর্মদ্রোহী আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন

image

৬ মে গণহত্যার প্রামাণ্যচিত্র

সংবিধান সমকামিদের অধিকারের পক্ষে : দীপু মনি

বাংলাদেশের সংবিধানে লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার মানুষদের (সংক্ষেপে এলজিবিটি) অধিকার সংরক্ষণের স্বীকৃতিদানের কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণি।

গত এপ্রিল মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে তিনিএ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, সাংবিধানিকভাবে তাদের সমঅধিকার ও স্বাধীনতা দেয়ার কথা বলা হয়েছে ।

বিডি নিউজ ২৪ ডট কম-এ প্রকাশিত রেইনার এবার্টের “সমকামিতা : ধারণা বনাম বাস্তবতা” শিরোনামের এক নিবন্ধে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নিবন্ধে আরো বলা হয়,কয়েক মাস আগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন যে, জাতীয় আইন কমিশনের সহায়তায় তার কমিশন একটি আইনের খসড়া তৈরির কাজ করছে যেটি ব্যক্তির যৌনজীবনের কারণে তার প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ করবে।

সোর্স : http://www.newsevent24.com/?p=23543

GDE Error: Error retrieving file - if necessary turn off error checking (404:Not Found)