ভাষা সৈনিক গোলাম আযমের জানাজা (LIVE)

ইজরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আওয়ামী সরকারের উদ্যোগ!

২০১৩ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের কথা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে অনুষ্ঠেয় উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহের নিরাপত্তা সম্মেলনে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ও আরব লিগভুক্ত ২৯টি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোপন আলোচনা করেন। এই গোপন বৈঠকের আয়োজক-সংগঠকদের আগেই এ শর্তও দেয়া হয়েছিল যে, পেরেজের বক্তব্য ফাঁস বা প্রকাশ করা হবে না এবং কেবল এ শর্তেই তিনি ওই গোপন সভায় বক্তব্য রাখবেন, যদিও বিষয়টি ইজরায়েলী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ে। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি অংশগ্রহণ করেন বলে ইজরায়েলী দৈনিক পত্রিকা ‘ইয়েদিয়োথ অহরোনোথ’ জানিয়েছে। সভায় শিমন পেরেজকে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারী তেরজে রোয়েড লারসেন এবং ইজরায়েল-ফিলিন্তিন বিষয়ক বিশেষ দূত মার্টিন ইনদাইক বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এ বৈঠকে ইরান ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। পত্রিকাটি আরো জানায়, ইজরায়েলী প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকালীন কোন দেশের মন্ত্রী সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন যান নি বরং বক্তব্য শেষে সকলে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠেন। ইজরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আওয়ামী সরকারের উদ্যোগ!»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

এ কে খন্দকারের ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’

বঙ্গবন্ধুর (৭ই মার্চ) ভাষণটি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কিন্তু আমার মনে হয়েছে কিভাবে স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে, তা তিনি পরিস্কার করেন নি। তা ছাড়া জনগণকে যুদ্ধ করার জন্য যেভাবে প্রস্তুত করা প্রয়োজন তা করা হয়নি। ভাষণে চূড়ান্ত কোন দিক নির্দেশনা পাওয়া গেল না। ভাষণটির পর মানুষজন ভাবতে শুরু করল- এরপর ক হবে? আওয়ামী লীগের পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় যুদ্ধ শুরু করার কথা বলাও একেবারে বোকামী হতো। সম্ভবত এ কারনেই বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চ সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করা থেকে বিরত থাকেন। তা ছাড়া ইয়াহিয়া খান নিজেও এ ধরনের ঘোষণা না দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুকে অনুরোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হয়তো ঢাকায় ইয়াহিয়ার উপস্থিতিতে একটি রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণেই যে মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হয়েছিল তা আমি মনে করি না। এই ভাষণের শেষ শব্দ ছিল ‘জয় পাকিস্তান’। তিনি যুদ্ধের ডাক দিয়ে বললেন ‘জয় পাকিস্তান’! এটি যে যুদ্ধের ডাক বা স্বাধীনতার আহ্বান, তা প্রচন্ডভাবে প্রশ্নাবিদ্ধ ও তর্কাতীতও নয়। যদি আওয়ামী লীগের নেতাদের কোন যুদ্ধ-পরিকল্পনা থাকত, তাহলে মার্চের শুরু থেকে জনগণ, সরকারী, বেসরকারী ও সামরিক কর্মকর্তাদের স্বল্প সময়ে সঠিকভাবে সংগঠিত করা যেত। সেটা করা হলে আমার মনে হয় যুদ্ধটি হয়তো-বা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যেত এবং আমাদের বিজয় নিশ্চিত হতো। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেটা করা হয়নি।

সে যে বেঁচে আছে এই গুমের নগরে, এইটুকু হোক সান্তনা

না, আর কিছুতেই ভরসা পাচ্ছি না। প্রতিনিয়ত এতো এতো গুম-খুন-অপহরণের খবর আসে, এখন আর বন্ধুদেরও ঠিক বিশ্বাস হয় না। অবিশ্বাসের বিষবাষ্প ঘিরে ধরেছে পুরো বাংলাদেশটাকেই।

শৈশবে ছেলে ধরার গল্প শুনে ঘুমুতে যায় নি এমন শিশু কমই আছে। মাঝে মাঝে খবর আসতো, যমুনা সেতু হবে, মা যমুনা মুন্ডু চেয়েছে, তাই ছেলে ধরার দল শিশুদের ধরে নিয়ে জবাই করে যমুনা নদীতে মুন্ডু ফেলছে। সে যে বেঁচে আছে এই গুমের নগরে, এইটুকু হোক সান্তনা»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

এলোমেলো ভাবনা

আমাদের এলাকাটা হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ায় অনেকগুলো পুজো মন্ডপে ধুমধামের সাথে পুজো হতো। দলবেধে আমরাও আরতী অনুষ্ঠান দেখতে যেতাম। মানুষের আকৃতির বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি দেখে বিস্মিত হতাম। বিশেষ করে দূর্গা পুজোর আগ থেকেই আমরা বেশ আগ্রহ নিয়ে পুজো মন্ডপ ঘুরে ঘুরে দেখতাম। কি করে খড় দিয়ে দেবদেবীর দেহ কাঠামো তৈরী করা হয়, কি করে কাদা মাটি দিয়ে উন্নতবক্ষা দূর্গা ও তার মেয়েদের সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তোলা হয়, কি করে দামী দামী শাড়ি পেঁচিয়ে প্রেম জাগানিয়া অপরূপ সাজে দেবীদের উপস্থাপন করা হয়। সে অনেক আগের কথা, ক্লাস ওয়ান টুর সময়ের কথা। এলোমেলো ভাবনা»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল দলীয় প্রতিহিংসার হাতিয়ার : নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয়

বিশ্বখ্যাত নিউইয়র্কে টাইমসে প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে মনে হচ্ছে নিরপেক্ষ বিচারের পরিবর্তে এই আদালত দলীয় প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার ‘আনসলভড অ্যাট্রসিটিস ইন বাংলাদেশ’ (বাংলাদেশের অসমাপ্ত নৃশংসতা) শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়টিতে এই মন্তব্য করা হয়।

সম্পাদকীয়টিতে যা বলা হয়েছে: যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল দলীয় প্রতিহিংসার হাতিয়ার : নিউ ইয়র্ক টাইমস সম্পাদকীয়»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

Unsolved Atrocities in Bangladesh : The Editorial Board of the New York Times

It seems that the Bangladesh International Crimes Tribunal can find only one way to respond to criticism of proceedings that clearly fall short of international standards: charge critics with contempt of court.

The court sought contempt charges against Human Rights Watch last year after the group criticized its proceedings. Last month, the court charged David Bergman, a Bangladesh-based British journalist married to a prominent Bangladeshi human rights lawyer, Sara Hossain, with contempt for questioning some proceedings of the court in his blog. Unsolved Atrocities in Bangladesh : The Editorial Board of the New York Times»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

মৃত্যু ভয়ে আত্মহত্যা!

বিকাল ৩টার একটা শিক্ষা বৈঠকে যোগদানের জন্য বাসা থেকে বের হয়েছি। কোন বৈঠকে যাওয়ার আগে মুহুর্তের জন্য দ্বিধা জাগে, বিপদ হবে না তো? পুলিশী হয়রানীর শিকার হবো না তো? অবশ্য তা নিতান্তই ক্ষণিকের চিন্তা মাত্র, মাথা থেকে এমন ফালতু চিন্তা ঝেটিয়ে বিদেয় করতে মোটেই বেগ পেতে হয় না বরং এর পরে প্রতিটি পদক্ষেপ পূর্ববর্তী পদক্ষেপের তুলনায় ক্রমাগত দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হতে থাকে।

বাসার গলি থেকে প্রধান সড়কে উঠতেই এক হাত পাশেই আস্ত একটা ইট পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। আমার টার্গেটও ছিল ঠিক ঐ যায়গায় উঠে রাস্তার পাশের ভবনগুলোর ঝুল বারান্দার ছায়ায় ছায়ায় পথ চলা। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি চমকে উঠি। একটু নিরাপদ দূরত্বে সড়ে এসে উপড়ের দিকে তাকাতেই আসল রহস্য উন্মোচিত হয়। আড়াই/তিন বছরের একটা শিশু চারতলার ব্যালকনিতে দাড়িয়ে আস্ত ইট একে একে ৪টি রাস্তায় ছুড়ে ফেলল। অবুঝ শিশু কি করে বুঝবে ওর নিতান্ত আনন্দের এ খেলা পথচারীদের জীবনের সকল জীবনখেলার অবসান ঘটাতে পারে। মৃত্যু ভয়ে আত্মহত্যা!»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

ভারতের নির্বাচনী ফলাফলের উপর নির্ভরশীল আল্লামা সাঈদীর মামলার রায়!

sayedeeবিশ্বনন্দিত মুফাস্‌সিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলা নিয়ে স্পষ্টত বিপাকে সরকার। যুদ্ধাপরাধ বিচার ইস্যুটি সরকারের এখন গলার কাঁটা হয়ে ফুঁটেছে। আওয়ামী লীগ না পারছে ইস্যুটি হজম করতে, না পারছে উগড়ে দিতে। এর মাঝে আল্লামা সাঈদীর ইস্যুতি সরকারের অস্বস্তির মাত্রা হাজারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘরে বাইরে সরকার যেমন তীব্র চাপের মুখে তেমনি দলের ভেতরেও অধিকাংশ সাধারণ নেতা-কর্মী আল্লামা সাঈদীর অন্ধ ভক্ত। ইতোমধ্যে আল্লামা সাঈদীর মামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মীই দলীয় কার্যক্রমে নিষ্কৃয় হয়ে পড়েছে, নিজেদেরকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন।

তবে সরকারের অস্বস্তির পরিমাণ আরেক দফা বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন। মনে করা হচ্ছে এ নির্বাচনের ফলাফলের উপর নির্ভরশীল আল্লামা সাঈদীসহ অন্যান্যা জামায়াত নেতৃবৃন্দের মামলার রায়। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায় যে ভাতরের কংগ্রেস সরকার ইসলামী নেতৃবৃন্দের বিশেষ করে আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায় হোক তা চায়, অপরদিকে বিজেপির স্ট্রাটেজি কি হবে তা অনেকটাই অজানা। তাই আওয়ামী লীগ আল্লামা সাঈদীর রায়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ধীরে চলো নীতি অবলম্বনে আগ্রহী। ভারতের নির্বাচনী ফলাফলের উপর নির্ভরশীল আল্লামা সাঈদীর মামলার রায়!»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন

ভারতে বাংলাভাষী মুসলমানদের নির্বাসনের পায়তারা

ভারত যখন কোন ষড়যন্ত্র করে তখন তার আগে হোমওয়ার্ক করে নেয় অন্তত দশ বছর। ভারতের সরকার কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কোন কথাবার্তা কিংবা আচরণই সন্দেহমুক্ত নয়। এমনকি তাদের তর্ক-বিতর্ক, খুন খারাবী কিংবা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কোন কিছুই অপরিকল্পিত নয়। সবকিছুর পেছনে একটা গোছানো পরিকল্পনা থাকে। ভারত যখন কোন দেশের কোন রাজনৈতিক দলকে বুকে টেনে নেয় ধরে নেয়া যেতে পারে যে অন্য কোন না কোন দলের মাথায়ও তারা আর্শীবাদের হাত বুলায়।

সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন নিয়ে বেশ কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। দাঙ্গাবাবু মোদি ভারতের বাংলাভাষী মুসলমানদের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়েছেন,” I want to warn from here, brothers and sisters write down, that after May 16, will send these Bangladeshis beyond the border with their bags and baggages. they must go back, they are robbing the youths of India of their livelihood. ভারতে বাংলাভাষী মুসলমানদের নির্বাসনের পায়তারা»» সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন